
২৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের বাবুগঞ্জে মাদক বেচাকেনার সময় হাতেনাতে আটক মাদকব্যবসায়ী এক ইয়াবা বিক্রেতাকে জরিমানসহ ১ বছরের কারাদণ্ড এবং তার মাদকসেবি ক্রেতাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় তাদের হেফাজত থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও বিক্রিত টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের লোহালিয়া গ্রামে ওই অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন লোহালিয়া গ্রামের মাদকব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন মিয়া (৪০) এবং মাদকসেবি জয়নাল আবেদীন (৪২)। দেলোয়ার লোহালিয়া গ্রামে মাদকসম্রাট নামে পরিচিত এবং স্থানীয় শাহজাহান মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
জানা যায়, উপজেলার লোহালিয়া গ্রামের একটি বাড়িতে মাদকের আস্তানা বসেছে এবং সেখানে ইয়াবা বেচাকেনা চলছে- গোপন সোর্সের মাধ্যমে এমন খবর পাওয়ার পরে সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় জয়নালের বাড়িতে বসে মাদকদ্রব্য বেচাকেনাকালে হাতেনাতে আটক হন লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট ইয়াবা বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়া এবং তার মাদকসেবি ক্রেতা জয়নাল আবেদীন। তাদের কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়াকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং ক্রেতা জয়নাল আবেদীনকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। রায় কার্যকর করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্তদের বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক আসমা উল হুসনা বলেন, 'সোর্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আজ দুপুরে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট দেলোয়ার এবং তার ক্রেতা জয়নালকে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত আলামত, উপস্থিত সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং অভিযুক্তদের দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮'এর ৩৬(১) ধারা অনুযায়ী উভয়ে দোষী সাব্যস্ত হয়। এসময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিক্রেতা দেলোয়ারকে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং ক্রেতা জয়নালকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়াও তাদের উভয়কেই যথাক্রমে ২ হাজার এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের এই মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।' #

বাবুগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে আটক ও সাজাপ্রাপ্ত মাদকসম্রাট বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়া ও মাদকসেবি ক্রেতা জয়নাল আবেদীন। ইনসেটে উদ্ধারকৃত ইয়াবা, সরঞ্জাম ও টাকা।
বরিশালের বাবুগঞ্জে মাদক বেচাকেনার সময় হাতেনাতে আটক মাদকব্যবসায়ী এক ইয়াবা বিক্রেতাকে জরিমানসহ ১ বছরের কারাদণ্ড এবং তার মাদকসেবি ক্রেতাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় তাদের হেফাজত থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও বিক্রিত টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের লোহালিয়া গ্রামে ওই অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন লোহালিয়া গ্রামের মাদকব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন মিয়া (৪০) এবং মাদকসেবি জয়নাল আবেদীন (৪২)। দেলোয়ার লোহালিয়া গ্রামে মাদকসম্রাট নামে পরিচিত এবং স্থানীয় শাহজাহান মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
জানা যায়, উপজেলার লোহালিয়া গ্রামের একটি বাড়িতে মাদকের আস্তানা বসেছে এবং সেখানে ইয়াবা বেচাকেনা চলছে- গোপন সোর্সের মাধ্যমে এমন খবর পাওয়ার পরে সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় জয়নালের বাড়িতে বসে মাদকদ্রব্য বেচাকেনাকালে হাতেনাতে আটক হন লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট ইয়াবা বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়া এবং তার মাদকসেবি ক্রেতা জয়নাল আবেদীন। তাদের কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন মিয়াকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং ক্রেতা জয়নাল আবেদীনকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। রায় কার্যকর করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্তদের বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক আসমা উল হুসনা বলেন, 'সোর্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আজ দুপুরে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় লোহালিয়া গ্রামের কুখ্যাত মাদকসম্রাট দেলোয়ার এবং তার ক্রেতা জয়নালকে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত আলামত, উপস্থিত সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং অভিযুক্তদের দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮'এর ৩৬(১) ধারা অনুযায়ী উভয়ে দোষী সাব্যস্ত হয়। এসময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিক্রেতা দেলোয়ারকে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং ক্রেতা জয়নালকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়াও তাদের উভয়কেই যথাক্রমে ২ হাজার এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের এই মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।' #


১৩ মে, ২০২৬ ১৭:৩৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ আটক ইসরাফিল (২০) ও রিফাত সরদার(২৩) নামের দুই যুবককে পুলিশ আটক করার পরে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ইসরাফিলকে তিন মাস জেল ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং রিফাত সরদারকে ১৫ দিনের জেল ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বুধবার (১৩ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এসময় আটককৃত রাজশাহীর গােদাগাড়ী থানার কেশবপুর গ্রামের মুনিরুল ইসলামের ছেলে ইসরাফিলের কাছ থেকে তিন পুড়িয়া ও বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রামের রফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে .মোঃরিফাত সরদারের কাছ থেকে এক পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের এ সাজা দেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে বুধবার (১৩ মে) সকালে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ আটক ইসরাফিল (২০) ও রিফাত সরদার(২৩) নামের দুই যুবককে পুলিশ আটক করার পরে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ইসরাফিলকে তিন মাস জেল ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং রিফাত সরদারকে ১৫ দিনের জেল ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বুধবার (১৩ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এসময় আটককৃত রাজশাহীর গােদাগাড়ী থানার কেশবপুর গ্রামের মুনিরুল ইসলামের ছেলে ইসরাফিলের কাছ থেকে তিন পুড়িয়া ও বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রামের রফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে .মোঃরিফাত সরদারের কাছ থেকে এক পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের এ সাজা দেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে বুধবার (১৩ মে) সকালে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

১৩ মে, ২০২৬ ১৫:৫৪
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

১৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫২
বানারীপাড়ায় কোডেকের উদ্যোগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) পরিচালিত এবং বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক এনজিও (CBM)-এর অর্থায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার, (১২ মে) বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক ও ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার এম. আতিকুর রহমান আতিক।
প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ উদ্যোগের জন্য কোডেক ও বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রতিষ্ঠানে একটি চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করেন।
এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম লিটনের হাতে শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য খেলনা সামগ্রী প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর তোফায়েল আহমেদ, বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম বেল্লাল, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক অলিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বানারীপাড়ায় কোডেকের উদ্যোগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) পরিচালিত এবং বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক এনজিও (CBM)-এর অর্থায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার, (১২ মে) বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক ও ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার এম. আতিকুর রহমান আতিক।
প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ উদ্যোগের জন্য কোডেক ও বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রতিষ্ঠানে একটি চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করেন।
এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম লিটনের হাতে শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য খেলনা সামগ্রী প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর তোফায়েল আহমেদ, বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম বেল্লাল, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক অলিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.