
১১ আগস্ট, ২০২৫ ০০:৫৪
অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে বরিশালে আসা এবং শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করাসহ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থাগ্রহণে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ছাত্র-জনতা। রোববার বিকেল ৫টার দিকে সংগঠক মহিউদ্দিন রনির এমন আল্টিমেটাম ঘোষণা পরপরই বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এর আগে বেলা ১১টা থেকে টানা চতুর্থ দিনের মতো শহরের নথুল্লাবাদ এলাকায় সড়ক অবরোধ করে ছাত্র-জনতা। এতে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বরিশালের কিছু অংশসহ পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী এবং পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার সবরকম যানবাহন চলাচল রয়েছে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।
জানা গেছে, স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করাসহ ৩ দফা দাবিতে দুই সপ্তাহ আগে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে বরিশালে আসেন সংগঠক মহিউদ্দিন রনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত এই শিক্ষার্থীর ডাকে সাড়া দিয়ে যৌক্তিক ইস্যুতে রাজপথে নেমে আসেন শতশত মানুষ। প্রথম ১০ দিন তারা বরিশাল শহরের সদর রোড অশ্বিনী কুমার হলের সম্মুখে মানববন্ধনসহ একাধিক কর্মসূচি পালন করলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। ফলে ছাত্র-জনতা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়। গত ৪ দিন যাবৎ বেলা ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্র-জনতা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করা নিয়ে শনিবার বাস শ্রমিকদের সাথে ছাত্র-জনতার হাতাহাতির মতো ঘটনাও ঘটে। কিন্তু স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করা ইস্যুটি যৌক্তিক হওয়ায় উভয়পক্ষ রাতে বৈঠক করে সমঝোতায় আসেন। এবং ছাত্র-জনতার সড়ক অবরোধ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকে।
জানা গেছে, রোববার ১১টায় চতুর্থ দিনের মতো নথুল্লাবাদ এলাকায় রনির নেতৃত্বে মহাসড়ক অবরোধ করলে সড়কের দুই পাশে কয়েক শ যানবাহন আটকে যায়। এবং যাত্রী সাধারণকে দুর্ভোগে পড়তে হয়। এদিন দুপুর ২টার দিকে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে সংগঠক মহিউদ্দিন রনিসহ ছাত্র-জনতাকে সরিয়ে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হলেও সেখানে উত্তেজনাকর পরিবেশ-পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির ফয়জুল করিমসহ তার অনুগত কর্মী-সমর্থকেরা। এরপরে দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ রাখা হয় এবং বিকেল ৫টার দিকে সেখানে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছাত্র-জনতা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সরে যান।
২০২২ সালে রেলওয়ের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে প্রতিবাদ করে আলোচনায় আসা রনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করাসহ ৩ দফা দাবিতে দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন চলছে। কিন্তু এই যৌক্তিক ইস্যু নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা তার স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কোনো মাথা ব্যথা নেই। রোববার সড়ক ছেড়ে দিয়ে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বরিশালে আসবেন এবং শেবাচিমের দুর্নীতি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন। নতুবা সাধারণ মানুষের এই দাবি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি আরও কঠোর কর্মসূচির বিষয়টিও আলোচনায় রাখা হয়েছে।
ছাত্র-জনতা রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার পরে যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করছে এবং যাত্রী সাধারণের মধ্যে স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন সিকদার। তিনি জানান, তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা রোববারও মহাসড়ক অবরোধ করে। পরে বিকেল ৫টার দিকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এর আগে শেবাচিমের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সোমবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জরুরি সাংবাদিক সম্মেলনের ডাক দিয়েছে। এদিন বেলা ১১টায় শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে বরিশালে আসা এবং শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করাসহ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থাগ্রহণে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ছাত্র-জনতা। রোববার বিকেল ৫টার দিকে সংগঠক মহিউদ্দিন রনির এমন আল্টিমেটাম ঘোষণা পরপরই বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এর আগে বেলা ১১টা থেকে টানা চতুর্থ দিনের মতো শহরের নথুল্লাবাদ এলাকায় সড়ক অবরোধ করে ছাত্র-জনতা। এতে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বরিশালের কিছু অংশসহ পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী এবং পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার সবরকম যানবাহন চলাচল রয়েছে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।
জানা গেছে, স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করাসহ ৩ দফা দাবিতে দুই সপ্তাহ আগে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে বরিশালে আসেন সংগঠক মহিউদ্দিন রনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত এই শিক্ষার্থীর ডাকে সাড়া দিয়ে যৌক্তিক ইস্যুতে রাজপথে নেমে আসেন শতশত মানুষ। প্রথম ১০ দিন তারা বরিশাল শহরের সদর রোড অশ্বিনী কুমার হলের সম্মুখে মানববন্ধনসহ একাধিক কর্মসূচি পালন করলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। ফলে ছাত্র-জনতা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়। গত ৪ দিন যাবৎ বেলা ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্র-জনতা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করা নিয়ে শনিবার বাস শ্রমিকদের সাথে ছাত্র-জনতার হাতাহাতির মতো ঘটনাও ঘটে। কিন্তু স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করা ইস্যুটি যৌক্তিক হওয়ায় উভয়পক্ষ রাতে বৈঠক করে সমঝোতায় আসেন। এবং ছাত্র-জনতার সড়ক অবরোধ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকে।
জানা গেছে, রোববার ১১টায় চতুর্থ দিনের মতো নথুল্লাবাদ এলাকায় রনির নেতৃত্বে মহাসড়ক অবরোধ করলে সড়কের দুই পাশে কয়েক শ যানবাহন আটকে যায়। এবং যাত্রী সাধারণকে দুর্ভোগে পড়তে হয়। এদিন দুপুর ২টার দিকে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে সংগঠক মহিউদ্দিন রনিসহ ছাত্র-জনতাকে সরিয়ে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হলেও সেখানে উত্তেজনাকর পরিবেশ-পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির ফয়জুল করিমসহ তার অনুগত কর্মী-সমর্থকেরা। এরপরে দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ রাখা হয় এবং বিকেল ৫টার দিকে সেখানে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছাত্র-জনতা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সরে যান।
২০২২ সালে রেলওয়ের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে প্রতিবাদ করে আলোচনায় আসা রনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করাসহ ৩ দফা দাবিতে দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন চলছে। কিন্তু এই যৌক্তিক ইস্যু নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা তার স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কোনো মাথা ব্যথা নেই। রোববার সড়ক ছেড়ে দিয়ে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বরিশালে আসবেন এবং শেবাচিমের দুর্নীতি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন। নতুবা সাধারণ মানুষের এই দাবি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি আরও কঠোর কর্মসূচির বিষয়টিও আলোচনায় রাখা হয়েছে।
ছাত্র-জনতা রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার পরে যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করছে এবং যাত্রী সাধারণের মধ্যে স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন সিকদার। তিনি জানান, তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা রোববারও মহাসড়ক অবরোধ করে। পরে বিকেল ৫টার দিকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এর আগে শেবাচিমের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সোমবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জরুরি সাংবাদিক সম্মেলনের ডাক দিয়েছে। এদিন বেলা ১১টায় শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০২
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫০

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৪
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০১
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.