Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১১ আগস্ট, ২০২৫ ০০:৫৪
অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে বরিশালে আসা এবং শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করাসহ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থাগ্রহণে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ছাত্র-জনতা। রোববার বিকেল ৫টার দিকে সংগঠক মহিউদ্দিন রনির এমন আল্টিমেটাম ঘোষণা পরপরই বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এর আগে বেলা ১১টা থেকে টানা চতুর্থ দিনের মতো শহরের নথুল্লাবাদ এলাকায় সড়ক অবরোধ করে ছাত্র-জনতা। এতে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বরিশালের কিছু অংশসহ পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী এবং পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার সবরকম যানবাহন চলাচল রয়েছে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।
জানা গেছে, স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করাসহ ৩ দফা দাবিতে দুই সপ্তাহ আগে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে বরিশালে আসেন সংগঠক মহিউদ্দিন রনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত এই শিক্ষার্থীর ডাকে সাড়া দিয়ে যৌক্তিক ইস্যুতে রাজপথে নেমে আসেন শতশত মানুষ। প্রথম ১০ দিন তারা বরিশাল শহরের সদর রোড অশ্বিনী কুমার হলের সম্মুখে মানববন্ধনসহ একাধিক কর্মসূচি পালন করলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। ফলে ছাত্র-জনতা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়। গত ৪ দিন যাবৎ বেলা ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্র-জনতা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করা নিয়ে শনিবার বাস শ্রমিকদের সাথে ছাত্র-জনতার হাতাহাতির মতো ঘটনাও ঘটে। কিন্তু স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করা ইস্যুটি যৌক্তিক হওয়ায় উভয়পক্ষ রাতে বৈঠক করে সমঝোতায় আসেন। এবং ছাত্র-জনতার সড়ক অবরোধ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকে।
জানা গেছে, রোববার ১১টায় চতুর্থ দিনের মতো নথুল্লাবাদ এলাকায় রনির নেতৃত্বে মহাসড়ক অবরোধ করলে সড়কের দুই পাশে কয়েক শ যানবাহন আটকে যায়। এবং যাত্রী সাধারণকে দুর্ভোগে পড়তে হয়। এদিন দুপুর ২টার দিকে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে সংগঠক মহিউদ্দিন রনিসহ ছাত্র-জনতাকে সরিয়ে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হলেও সেখানে উত্তেজনাকর পরিবেশ-পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির ফয়জুল করিমসহ তার অনুগত কর্মী-সমর্থকেরা। এরপরে দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ রাখা হয় এবং বিকেল ৫টার দিকে সেখানে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছাত্র-জনতা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সরে যান।
২০২২ সালে রেলওয়ের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে প্রতিবাদ করে আলোচনায় আসা রনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করাসহ ৩ দফা দাবিতে দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন চলছে। কিন্তু এই যৌক্তিক ইস্যু নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা তার স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কোনো মাথা ব্যথা নেই। রোববার সড়ক ছেড়ে দিয়ে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বরিশালে আসবেন এবং শেবাচিমের দুর্নীতি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন। নতুবা সাধারণ মানুষের এই দাবি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি আরও কঠোর কর্মসূচির বিষয়টিও আলোচনায় রাখা হয়েছে।
ছাত্র-জনতা রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার পরে যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করছে এবং যাত্রী সাধারণের মধ্যে স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন সিকদার। তিনি জানান, তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা রোববারও মহাসড়ক অবরোধ করে। পরে বিকেল ৫টার দিকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এর আগে শেবাচিমের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সোমবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জরুরি সাংবাদিক সম্মেলনের ডাক দিয়েছে। এদিন বেলা ১১টায় শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে বরিশালে আসা এবং শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করাসহ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থাগ্রহণে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ছাত্র-জনতা। রোববার বিকেল ৫টার দিকে সংগঠক মহিউদ্দিন রনির এমন আল্টিমেটাম ঘোষণা পরপরই বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এর আগে বেলা ১১টা থেকে টানা চতুর্থ দিনের মতো শহরের নথুল্লাবাদ এলাকায় সড়ক অবরোধ করে ছাত্র-জনতা। এতে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বরিশালের কিছু অংশসহ পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী এবং পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার সবরকম যানবাহন চলাচল রয়েছে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।
জানা গেছে, স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করাসহ ৩ দফা দাবিতে দুই সপ্তাহ আগে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে বরিশালে আসেন সংগঠক মহিউদ্দিন রনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত এই শিক্ষার্থীর ডাকে সাড়া দিয়ে যৌক্তিক ইস্যুতে রাজপথে নেমে আসেন শতশত মানুষ। প্রথম ১০ দিন তারা বরিশাল শহরের সদর রোড অশ্বিনী কুমার হলের সম্মুখে মানববন্ধনসহ একাধিক কর্মসূচি পালন করলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। ফলে ছাত্র-জনতা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়। গত ৪ দিন যাবৎ বেলা ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্র-জনতা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করা নিয়ে শনিবার বাস শ্রমিকদের সাথে ছাত্র-জনতার হাতাহাতির মতো ঘটনাও ঘটে। কিন্তু স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করা ইস্যুটি যৌক্তিক হওয়ায় উভয়পক্ষ রাতে বৈঠক করে সমঝোতায় আসেন। এবং ছাত্র-জনতার সড়ক অবরোধ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকে।
জানা গেছে, রোববার ১১টায় চতুর্থ দিনের মতো নথুল্লাবাদ এলাকায় রনির নেতৃত্বে মহাসড়ক অবরোধ করলে সড়কের দুই পাশে কয়েক শ যানবাহন আটকে যায়। এবং যাত্রী সাধারণকে দুর্ভোগে পড়তে হয়। এদিন দুপুর ২টার দিকে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে সংগঠক মহিউদ্দিন রনিসহ ছাত্র-জনতাকে সরিয়ে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হলেও সেখানে উত্তেজনাকর পরিবেশ-পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির ফয়জুল করিমসহ তার অনুগত কর্মী-সমর্থকেরা। এরপরে দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ রাখা হয় এবং বিকেল ৫টার দিকে সেখানে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছাত্র-জনতা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সরে যান।
২০২২ সালে রেলওয়ের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে প্রতিবাদ করে আলোচনায় আসা রনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং শেবাচিম হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধ করাসহ ৩ দফা দাবিতে দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন চলছে। কিন্তু এই যৌক্তিক ইস্যু নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা তার স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কোনো মাথা ব্যথা নেই। রোববার সড়ক ছেড়ে দিয়ে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বরিশালে আসবেন এবং শেবাচিমের দুর্নীতি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন। নতুবা সাধারণ মানুষের এই দাবি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি আরও কঠোর কর্মসূচির বিষয়টিও আলোচনায় রাখা হয়েছে।
ছাত্র-জনতা রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার পরে যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করছে এবং যাত্রী সাধারণের মধ্যে স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন সিকদার। তিনি জানান, তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা রোববারও মহাসড়ক অবরোধ করে। পরে বিকেল ৫টার দিকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এর আগে শেবাচিমের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সোমবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জরুরি সাংবাদিক সম্মেলনের ডাক দিয়েছে। এদিন বেলা ১১টায় শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৬
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১