
২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৪০
সামাজিকমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ছে এক অদ্ভুত ছবি। দেশের জনপ্রিয় নারী তারকাদের পোস্টে হঠাৎ করেই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন সংখ্যা। হাতে, গালে; শরীরের বিভিন্ন অংশে কেউ লিখেছেন ‘৯’, কারও ‘২৪’, কেউবা লিখছেন ‘১০০০’ বা ‘৯৯+’। এই সংখ্যাগুলোর মানে কী, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
অনেকেই ভেবেছিলেন এটি হয়তো নতুন কোনো প্রজেক্ট বা কোনো নির্মাণের প্রচারণা। কিন্তু না। এই সংখ্যার নেপথ্যে লুকিয়ে আছে এক নির্মম বাস্তবতা। যার প্রতিবাদেই একত্রিত হয়েছেন তারকারা।
ডিজিটাল সহিংসতা ও সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা ছড়াতে ‘মাই নাম্বার, মাই রুলস’ নামে নতুন এক আন্দোলনে একযোগে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী, মডেল, সংগীতশিল্পীসহ দেশীয় বিনোদন অঙ্গনের অসংখ্য পরিচিত মুখ। প্রতিদিন অনলাইনে তারা কতবার হয়রানির মুখে পড়েন সেই সংখ্যাই প্রকাশ করছেন নিজেদের ছবির সঙ্গে।
এই অভিযানে প্রথম আওয়াজ তোলেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। ২৫ নভেম্বর নিজের ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায় তার গালে বড় করে লেখা ‘৯’। ক্যাপশনে জানান, প্রতিদিন কমপক্ষে ৯টি সাইবার হয়রানির শিকার হন তিনি। নিজের কণ্ঠস্বরকে সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে লেখেন, ‘মানুষ হয়তো কেবল একটি সংখ্যা দেখছে, কিন্তু এর পেছনে রয়েছে আমার প্রতিদিনের সংগ্রাম, ভয়, অপমান, এবং সে সবকিছু কাটিয়ে ওঠার গল্প।’
তিশার পর একে একে যোগ দেন আরও অনেকে। অভিনেত্রী রুনা খান প্রকাশ করেন ‘২৪’; শবনম ফারিয়া জানান ‘১০০০’; প্রার্থনা ফারদিন দীঘি ‘৩’; মৌসুমী হামিদ ‘৭২’; সংগীতশিল্পী সাজিয়া সুলতানা পুতুল ও আশনা হাবিব ভাবনা পোস্ট করেন ‘৯’ এবং ‘৯৯+’। সংখ্যাগুলো ভয়াবহ হলেও বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। নারীরা প্রতিদিন অনলাইনে কী ভয়াবহ অপমান, কটূক্তি ও মানসিক নির্যাতনের মধ্যে থাকেন সেটিই সামনে আনছেন তারা।
রুনা খান তার হাতের তালুতে লিখেছেন ‘২৪’। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়রানি নিয়ে বলেন, ‘তারকা তো বটেই, সাধারণ নারীও প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় অগণিত হয়রানির শিকার হন। গত দশ বছরে সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের হাতে যত দ্রুত পৌঁছেছে, তার ব্যবহারবিধি শেখেনি অনেকেই।’
গালে ৯৯+ লিখে ভাবনা ক্যাপশনে নারীদের উৎসাহিত করতে লিখেছেন, ‘তোমার নম্বরের গল্প বলো, আরো জোরে আওয়াজ তোলো’।
তিনি আরও জানান, বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পর নারীদের অনলাইন পরিবেশ আরও অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, আন্তর্জাতিকভাবেও চলমান ডিজিটাল সহিংসতা বিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে এই ‘মাই নাম্বার, মাই রুলস’ আন্দোলন বাংলাদেশে ১৬ দিনব্যাপী চলবে। তারকারা চাইছেন, নিজেদের অভিজ্ঞতা সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করে আরও বড় করে তুলতে সমাজের ভেতরকার সমস্যাকে।
সবার উদ্দেশে আহ্বান একটাই চুপ না থেকে সংখ্যাই হোক প্রতিবাদের ভাষা।
সামাজিকমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ছে এক অদ্ভুত ছবি। দেশের জনপ্রিয় নারী তারকাদের পোস্টে হঠাৎ করেই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন সংখ্যা। হাতে, গালে; শরীরের বিভিন্ন অংশে কেউ লিখেছেন ‘৯’, কারও ‘২৪’, কেউবা লিখছেন ‘১০০০’ বা ‘৯৯+’। এই সংখ্যাগুলোর মানে কী, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
অনেকেই ভেবেছিলেন এটি হয়তো নতুন কোনো প্রজেক্ট বা কোনো নির্মাণের প্রচারণা। কিন্তু না। এই সংখ্যার নেপথ্যে লুকিয়ে আছে এক নির্মম বাস্তবতা। যার প্রতিবাদেই একত্রিত হয়েছেন তারকারা।
ডিজিটাল সহিংসতা ও সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা ছড়াতে ‘মাই নাম্বার, মাই রুলস’ নামে নতুন এক আন্দোলনে একযোগে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী, মডেল, সংগীতশিল্পীসহ দেশীয় বিনোদন অঙ্গনের অসংখ্য পরিচিত মুখ। প্রতিদিন অনলাইনে তারা কতবার হয়রানির মুখে পড়েন সেই সংখ্যাই প্রকাশ করছেন নিজেদের ছবির সঙ্গে।
এই অভিযানে প্রথম আওয়াজ তোলেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। ২৫ নভেম্বর নিজের ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায় তার গালে বড় করে লেখা ‘৯’। ক্যাপশনে জানান, প্রতিদিন কমপক্ষে ৯টি সাইবার হয়রানির শিকার হন তিনি। নিজের কণ্ঠস্বরকে সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে লেখেন, ‘মানুষ হয়তো কেবল একটি সংখ্যা দেখছে, কিন্তু এর পেছনে রয়েছে আমার প্রতিদিনের সংগ্রাম, ভয়, অপমান, এবং সে সবকিছু কাটিয়ে ওঠার গল্প।’
তিশার পর একে একে যোগ দেন আরও অনেকে। অভিনেত্রী রুনা খান প্রকাশ করেন ‘২৪’; শবনম ফারিয়া জানান ‘১০০০’; প্রার্থনা ফারদিন দীঘি ‘৩’; মৌসুমী হামিদ ‘৭২’; সংগীতশিল্পী সাজিয়া সুলতানা পুতুল ও আশনা হাবিব ভাবনা পোস্ট করেন ‘৯’ এবং ‘৯৯+’। সংখ্যাগুলো ভয়াবহ হলেও বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। নারীরা প্রতিদিন অনলাইনে কী ভয়াবহ অপমান, কটূক্তি ও মানসিক নির্যাতনের মধ্যে থাকেন সেটিই সামনে আনছেন তারা।
রুনা খান তার হাতের তালুতে লিখেছেন ‘২৪’। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়রানি নিয়ে বলেন, ‘তারকা তো বটেই, সাধারণ নারীও প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় অগণিত হয়রানির শিকার হন। গত দশ বছরে সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের হাতে যত দ্রুত পৌঁছেছে, তার ব্যবহারবিধি শেখেনি অনেকেই।’
গালে ৯৯+ লিখে ভাবনা ক্যাপশনে নারীদের উৎসাহিত করতে লিখেছেন, ‘তোমার নম্বরের গল্প বলো, আরো জোরে আওয়াজ তোলো’।
তিনি আরও জানান, বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পর নারীদের অনলাইন পরিবেশ আরও অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, আন্তর্জাতিকভাবেও চলমান ডিজিটাল সহিংসতা বিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে এই ‘মাই নাম্বার, মাই রুলস’ আন্দোলন বাংলাদেশে ১৬ দিনব্যাপী চলবে। তারকারা চাইছেন, নিজেদের অভিজ্ঞতা সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করে আরও বড় করে তুলতে সমাজের ভেতরকার সমস্যাকে।
সবার উদ্দেশে আহ্বান একটাই চুপ না থেকে সংখ্যাই হোক প্রতিবাদের ভাষা।

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৩
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।

১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৩
বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার ইয়ো ইয়ো হানি সিং নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। ভারতে লাইভ কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে সোশ্যাল কমিউনিকেশন মিডিয়ায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই গায়ক।
সম্প্রতি দিল্লিতে নানকু ও করুণের কনসার্টে পারফর্ম করছিলেন হানি সিং। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে রেডিটে ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে রুচিহীন ও অশ্রাব্য মন্তব্য করছেন, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ কটাক্ষ করে হানি সিংয়ের নামের সঙ্গে শব্দ জুড়ে ব্যঙ্গাত্মক উপাধিও দিয়েছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যের জন্য কীভাবে একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে বড় মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে ব্যক্ত করেছেন।
বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার ইয়ো ইয়ো হানি সিং নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। ভারতে লাইভ কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে সোশ্যাল কমিউনিকেশন মিডিয়ায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই গায়ক।
সম্প্রতি দিল্লিতে নানকু ও করুণের কনসার্টে পারফর্ম করছিলেন হানি সিং। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে রেডিটে ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে রুচিহীন ও অশ্রাব্য মন্তব্য করছেন, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ কটাক্ষ করে হানি সিংয়ের নামের সঙ্গে শব্দ জুড়ে ব্যঙ্গাত্মক উপাধিও দিয়েছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যের জন্য কীভাবে একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে বড় মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে ব্যক্ত করেছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.