
২৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৫৪
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ), জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মনোনীত দলীয় প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, 'সকল রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে জুলাই সনদ হয়েছে। অথচ সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তালবাহানা চলছে। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে প্রয়োজনে গণভোট দিতে হবে এবং সেটা অবশ্যই নির্বাচনের আগে। কোনো দল ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সেটা হবে বিরাট এক শুভঙ্করের ফাঁকি।' শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান বক্তার ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত ওই জনসভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একটি দল। এই দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। দখলবাজি করে না। দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে না। পরের হক নষ্ট করে না। পার্সেন্টেজ-কমিশন খায় না। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা মার্কা নির্বাচিত হলে পার্সেন্টেজমুক্ত, চাঁদাবাজি-দখলবাজিমুক্ত হবে বাবুগঞ্জ-মুলাদী। সবাই যার যার জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।'
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোঃ রহমাতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন। দলের বাবুগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শামসুল হকের সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক কে.এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের বরিশাল জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ জামিলুর রহমান, সদস্য মাস্টার মাহবুবুল হক মানিক, সদস্য মাওলানা ইব্রাহীম হুসাইন মৃধা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সভাপতি এম.এম সালাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সাবেক সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, ইসলামী যুব আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।
জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তৃতাকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, 'বিশ্বের মোট ৯১টি দেশে সংখানুপাতিক নির্বাচন (পিআর) পদ্ধতি চালু আছে। বিশ্বের উন্নত ৩৪টি দেশের মধ্যে ২৫টি দেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়। অথচ আমাদের দেশে পাঁচবার ক্ষমতায় থাকা একটি দলের নেতারা নাকি পিআর পদ্ধতি বোঝেন না! কেন বোঝেন না? কারণ পিআর বুঝলে তাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার নামে হাজার হাজার কোটি টাকার নমিনেশন বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বন্ধ হয়ে যাবে। পিআর পদ্ধতিতে মানুষ কোনো ব্যক্তিকে নয়, দলকে ভোট দেয়। যারা আজ পিআর বোঝেন না, তারা ১৯৯৬ সালে নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকারও বুঝতেন না। ১৫ ফেব্রুয়ারি একদলীয় নির্বাচন করেছিলেন। ক্ষমতা হারানোর পরে আবার কেয়ারটেকার সরকারের জন্যেও আন্দোলন করেছিলেন। সেভাবে আজ যারা পিআর পদ্ধতির বিরোধিতা করছেন, ভবিষ্যতে তাদেরও পিআর চালুর জন্য আবার আন্দোলন করতে হবে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন না হলে দেশে আবার ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম হবে।' #
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ), জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মনোনীত দলীয় প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, 'সকল রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে জুলাই সনদ হয়েছে। অথচ সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তালবাহানা চলছে। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে প্রয়োজনে গণভোট দিতে হবে এবং সেটা অবশ্যই নির্বাচনের আগে। কোনো দল ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সেটা হবে বিরাট এক শুভঙ্করের ফাঁকি।' শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান বক্তার ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত ওই জনসভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একটি দল। এই দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। দখলবাজি করে না। দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে না। পরের হক নষ্ট করে না। পার্সেন্টেজ-কমিশন খায় না। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা মার্কা নির্বাচিত হলে পার্সেন্টেজমুক্ত, চাঁদাবাজি-দখলবাজিমুক্ত হবে বাবুগঞ্জ-মুলাদী। সবাই যার যার জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।'
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোঃ রহমাতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন। দলের বাবুগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শামসুল হকের সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক কে.এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের বরিশাল জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ জামিলুর রহমান, সদস্য মাস্টার মাহবুবুল হক মানিক, সদস্য মাওলানা ইব্রাহীম হুসাইন মৃধা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সভাপতি এম.এম সালাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সাবেক সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, ইসলামী যুব আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।
জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তৃতাকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, 'বিশ্বের মোট ৯১টি দেশে সংখানুপাতিক নির্বাচন (পিআর) পদ্ধতি চালু আছে। বিশ্বের উন্নত ৩৪টি দেশের মধ্যে ২৫টি দেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়। অথচ আমাদের দেশে পাঁচবার ক্ষমতায় থাকা একটি দলের নেতারা নাকি পিআর পদ্ধতি বোঝেন না! কেন বোঝেন না? কারণ পিআর বুঝলে তাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার নামে হাজার হাজার কোটি টাকার নমিনেশন বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বন্ধ হয়ে যাবে। পিআর পদ্ধতিতে মানুষ কোনো ব্যক্তিকে নয়, দলকে ভোট দেয়। যারা আজ পিআর বোঝেন না, তারা ১৯৯৬ সালে নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকারও বুঝতেন না। ১৫ ফেব্রুয়ারি একদলীয় নির্বাচন করেছিলেন। ক্ষমতা হারানোর পরে আবার কেয়ারটেকার সরকারের জন্যেও আন্দোলন করেছিলেন। সেভাবে আজ যারা পিআর পদ্ধতির বিরোধিতা করছেন, ভবিষ্যতে তাদেরও পিআর চালুর জন্য আবার আন্দোলন করতে হবে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন না হলে দেশে আবার ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম হবে।' #

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৮
প্রকৃতির রুদ্ররূপে তপ্ত বৈশাখে নামছে বৃষ্টির স্বস্তি, তবে সঙ্গে আসছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব। বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের নয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে রাত ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে শক্তিশালী ঝড় বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত আবহাওয়ার বিশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ৬০-৮০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া যশোর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৪৫-৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়াসহ অস্থায়ী ঝড় হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
এর প্রভাবে ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।
বিশেষ করে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, যা জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি আনবে।
প্রকৃতির রুদ্ররূপে তপ্ত বৈশাখে নামছে বৃষ্টির স্বস্তি, তবে সঙ্গে আসছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব। বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের নয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে রাত ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে শক্তিশালী ঝড় বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত আবহাওয়ার বিশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ৬০-৮০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া যশোর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৪৫-৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়াসহ অস্থায়ী ঝড় হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
এর প্রভাবে ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।
বিশেষ করে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, যা জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি আনবে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৪
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৮
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪৬
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৫
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩