ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ), জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মনোনীত দলীয় প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, 'সকল রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে জুলাই সনদ হয়েছে। অথচ সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তালবাহানা চলছে। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে প্রয়োজনে গণভোট দিতে হবে এবং সেটা অবশ্যই নির্বাচনের আগে। কোনো দল ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সেটা হবে বিরাট এক শুভঙ্করের ফাঁকি।' শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান বক্তার ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত ওই জনসভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একটি দল। এই দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। দখলবাজি করে না। দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে না। পরের হক নষ্ট করে না। পার্সেন্টেজ-কমিশন খায় না। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা মার্কা নির্বাচিত হলে পার্সেন্টেজমুক্ত, চাঁদাবাজি-দখলবাজিমুক্ত হবে বাবুগঞ্জ-মুলাদী। সবাই যার যার জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।'
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোঃ রহমাতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন। দলের বাবুগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শামসুল হকের সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক কে.এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের বরিশাল জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ জামিলুর রহমান, সদস্য মাস্টার মাহবুবুল হক মানিক, সদস্য মাওলানা ইব্রাহীম হুসাইন মৃধা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সভাপতি এম.এম সালাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সাবেক সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, ইসলামী যুব আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।
জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তৃতাকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, 'বিশ্বের মোট ৯১টি দেশে সংখানুপাতিক নির্বাচন (পিআর) পদ্ধতি চালু আছে। বিশ্বের উন্নত ৩৪টি দেশের মধ্যে ২৫টি দেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়। অথচ আমাদের দেশে পাঁচবার ক্ষমতায় থাকা একটি দলের নেতারা নাকি পিআর পদ্ধতি বোঝেন না! কেন বোঝেন না? কারণ পিআর বুঝলে তাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার নামে হাজার হাজার কোটি টাকার নমিনেশন বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বন্ধ হয়ে যাবে। পিআর পদ্ধতিতে মানুষ কোনো ব্যক্তিকে নয়, দলকে ভোট দেয়। যারা আজ পিআর বোঝেন না, তারা ১৯৯৬ সালে নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকারও বুঝতেন না। ১৫ ফেব্রুয়ারি একদলীয় নির্বাচন করেছিলেন। ক্ষমতা হারানোর পরে আবার কেয়ারটেকার সরকারের জন্যেও আন্দোলন করেছিলেন। সেভাবে আজ যারা পিআর পদ্ধতির বিরোধিতা করছেন, ভবিষ্যতে তাদেরও পিআর চালুর জন্য আবার আন্দোলন করতে হবে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন না হলে দেশে আবার ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম হবে।' #

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
দেশের উপকূলীয় এলাকাসহ ১০ জেলায় রাতের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (২২ আগস্ট) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য রাত ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এই তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, চট্রগ্রাম, নোয়াখালী কক্সবাজারের উপর দিয়ে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।
দেশের উপকূলীয় এলাকাসহ ১০ জেলায় রাতের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (২২ আগস্ট) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য রাত ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এই তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, চট্রগ্রাম, নোয়াখালী কক্সবাজারের উপর দিয়ে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিগগিরই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সেই নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘মাসখানেকের মধ্যে আমরা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছি, যার আলোকে আমাদের সব কর্মকর্তা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সেই আলোকে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হবে।’
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন অনুযায়ী একটি সুশিক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করার লক্ষে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রধান কারিগর হবে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার, ইনশা আল্লাহ।’
কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি, জবাবদিহিতা এবং প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।’
প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিগগিরই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সেই নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘মাসখানেকের মধ্যে আমরা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছি, যার আলোকে আমাদের সব কর্মকর্তা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সেই আলোকে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হবে।’
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন অনুযায়ী একটি সুশিক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করার লক্ষে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রধান কারিগর হবে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার, ইনশা আল্লাহ।’
কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি, জবাবদিহিতা এবং প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:১৩
সংবাদমাধ্যমে পরিবর্তন আসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে পলিটিক্যাল সিস্টেম (রাজনৈতিক ব্যবস্থা)- এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। শনিবার বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গবেষক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি গণমাধ্যম কাঙ্খিত সংস্কার হবে। কিন্তু তা হয়নি। এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের’ প্রতিবেদনে যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে যদি অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকার তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিয়ে কিছু উদ্যোগ নিত, তাহলে গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কিছু হলেও সমাধান হতো।
লেখক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রশিক্ষণার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের কাজের প্রচার-প্রসার ও আমাদের কাজের মাধ্যমে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনার উৎস্যক্ষেত্র গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের ওপর আমরাও নির্ভরশীল অনেকাংশে। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের যে সুনির্দিষ্ট ভূমিকা আছে, সেটি প্রতিপালন করার সক্ষমতা সৃষ্টি এবং কাজের লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।’
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার ৪১ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
এর আগে বেলা ১১টায় ড. ইফতেখারুজ্জামান সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শুধু প্রতিষ্ঠানগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নাগরিকদের সচেতনতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সামাজিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।’
সংবাদ সম্পাদনা, হা/ই।
সংবাদমাধ্যমে পরিবর্তন আসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে পলিটিক্যাল সিস্টেম (রাজনৈতিক ব্যবস্থা)- এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। শনিবার বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গবেষক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি গণমাধ্যম কাঙ্খিত সংস্কার হবে। কিন্তু তা হয়নি। এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের’ প্রতিবেদনে যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে যদি অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকার তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিয়ে কিছু উদ্যোগ নিত, তাহলে গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কিছু হলেও সমাধান হতো।
লেখক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রশিক্ষণার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের কাজের প্রচার-প্রসার ও আমাদের কাজের মাধ্যমে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনার উৎস্যক্ষেত্র গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের ওপর আমরাও নির্ভরশীল অনেকাংশে। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের যে সুনির্দিষ্ট ভূমিকা আছে, সেটি প্রতিপালন করার সক্ষমতা সৃষ্টি এবং কাজের লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।’
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার ৪১ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
এর আগে বেলা ১১টায় ড. ইফতেখারুজ্জামান সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শুধু প্রতিষ্ঠানগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নাগরিকদের সচেতনতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সামাজিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।’
সংবাদ সম্পাদনা, হা/ই।

২৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৫৪
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ), জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মনোনীত দলীয় প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, 'সকল রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে জুলাই সনদ হয়েছে। অথচ সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তালবাহানা চলছে। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে প্রয়োজনে গণভোট দিতে হবে এবং সেটা অবশ্যই নির্বাচনের আগে। কোনো দল ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সেটা হবে বিরাট এক শুভঙ্করের ফাঁকি।' শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান বক্তার ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত ওই জনসভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একটি দল। এই দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। দখলবাজি করে না। দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে না। পরের হক নষ্ট করে না। পার্সেন্টেজ-কমিশন খায় না। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা মার্কা নির্বাচিত হলে পার্সেন্টেজমুক্ত, চাঁদাবাজি-দখলবাজিমুক্ত হবে বাবুগঞ্জ-মুলাদী। সবাই যার যার জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।'
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোঃ রহমাতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন। দলের বাবুগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শামসুল হকের সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক কে.এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের বরিশাল জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ জামিলুর রহমান, সদস্য মাস্টার মাহবুবুল হক মানিক, সদস্য মাওলানা ইব্রাহীম হুসাইন মৃধা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সভাপতি এম.এম সালাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সাবেক সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, ইসলামী যুব আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।
জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তৃতাকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, 'বিশ্বের মোট ৯১টি দেশে সংখানুপাতিক নির্বাচন (পিআর) পদ্ধতি চালু আছে। বিশ্বের উন্নত ৩৪টি দেশের মধ্যে ২৫টি দেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়। অথচ আমাদের দেশে পাঁচবার ক্ষমতায় থাকা একটি দলের নেতারা নাকি পিআর পদ্ধতি বোঝেন না! কেন বোঝেন না? কারণ পিআর বুঝলে তাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার নামে হাজার হাজার কোটি টাকার নমিনেশন বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বন্ধ হয়ে যাবে। পিআর পদ্ধতিতে মানুষ কোনো ব্যক্তিকে নয়, দলকে ভোট দেয়। যারা আজ পিআর বোঝেন না, তারা ১৯৯৬ সালে নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকারও বুঝতেন না। ১৫ ফেব্রুয়ারি একদলীয় নির্বাচন করেছিলেন। ক্ষমতা হারানোর পরে আবার কেয়ারটেকার সরকারের জন্যেও আন্দোলন করেছিলেন। সেভাবে আজ যারা পিআর পদ্ধতির বিরোধিতা করছেন, ভবিষ্যতে তাদেরও পিআর চালুর জন্য আবার আন্দোলন করতে হবে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন না হলে দেশে আবার ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম হবে।' #
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭