ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ), জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মনোনীত দলীয় প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, 'সকল রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে জুলাই সনদ হয়েছে। অথচ সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তালবাহানা চলছে। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে প্রয়োজনে গণভোট দিতে হবে এবং সেটা অবশ্যই নির্বাচনের আগে। কোনো দল ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সেটা হবে বিরাট এক শুভঙ্করের ফাঁকি।' শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান বক্তার ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত ওই জনসভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একটি দল। এই দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। দখলবাজি করে না। দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে না। পরের হক নষ্ট করে না। পার্সেন্টেজ-কমিশন খায় না। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা মার্কা নির্বাচিত হলে পার্সেন্টেজমুক্ত, চাঁদাবাজি-দখলবাজিমুক্ত হবে বাবুগঞ্জ-মুলাদী। সবাই যার যার জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।'
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোঃ রহমাতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন। দলের বাবুগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শামসুল হকের সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক কে.এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের বরিশাল জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ জামিলুর রহমান, সদস্য মাস্টার মাহবুবুল হক মানিক, সদস্য মাওলানা ইব্রাহীম হুসাইন মৃধা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সভাপতি এম.এম সালাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সাবেক সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, ইসলামী যুব আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।
জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তৃতাকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, 'বিশ্বের মোট ৯১টি দেশে সংখানুপাতিক নির্বাচন (পিআর) পদ্ধতি চালু আছে। বিশ্বের উন্নত ৩৪টি দেশের মধ্যে ২৫টি দেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়। অথচ আমাদের দেশে পাঁচবার ক্ষমতায় থাকা একটি দলের নেতারা নাকি পিআর পদ্ধতি বোঝেন না! কেন বোঝেন না? কারণ পিআর বুঝলে তাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার নামে হাজার হাজার কোটি টাকার নমিনেশন বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বন্ধ হয়ে যাবে। পিআর পদ্ধতিতে মানুষ কোনো ব্যক্তিকে নয়, দলকে ভোট দেয়। যারা আজ পিআর বোঝেন না, তারা ১৯৯৬ সালে নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকারও বুঝতেন না। ১৫ ফেব্রুয়ারি একদলীয় নির্বাচন করেছিলেন। ক্ষমতা হারানোর পরে আবার কেয়ারটেকার সরকারের জন্যেও আন্দোলন করেছিলেন। সেভাবে আজ যারা পিআর পদ্ধতির বিরোধিতা করছেন, ভবিষ্যতে তাদেরও পিআর চালুর জন্য আবার আন্দোলন করতে হবে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন না হলে দেশে আবার ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম হবে।' #

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:৫১
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। ঝড়টি ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও এর প্রভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পাশাপাশি দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে প্রকাশিত বিশেষ আবহাওয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও এনটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনেও ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান এবং দেশের আবহাওয়ায় সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে।
আবহাওয়া ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়ার কাছাকাছি ইয়ানাম এলাকায় ঘূর্ণিঝড়টির উপকূল অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ সময় বাতাসের স্থায়ী গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির উপকূল অতিক্রমের প্রক্রিয়া কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে। পরবর্তী সময়ে ঝড়টির কেন্দ্র স্থলভাগে প্রবেশ করলে এটি ধীরে ধীরে শক্তি হারাতে শুরু করে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ সময় এর শক্তি ক্রমান্বয়ে কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উপকূল অতিক্রম করলেও এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। ফলে সমুদ্রবন্দর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি ও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা বা পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বুধবার ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। পাঁচ দিনের পূর্বাভাসের শেষভাগেও দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।
বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের কয়েকটি অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়।
এতে যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা জানানো হয়। এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার মধ্যে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের কয়েকটি অঞ্চলে চলমান মৃদু তাপপ্রবাহও প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এনটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি তাপমাত্রা হ্রাসের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ ও তীব্রতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলে সরাসরি আঘাত না হানলেও এর প্রভাবে সাগর ও উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে। তাই মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারের চালক, উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা এবং নদীপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে।
আবহাওয়া পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলে সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের সর্বশেষ সতর্কসংকেত অনুসরণ করা এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), এনটিভি অনলাইন, আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রকাশিত প্রতিবেদন।
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। ঝড়টি ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও এর প্রভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পাশাপাশি দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে প্রকাশিত বিশেষ আবহাওয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও এনটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনেও ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান এবং দেশের আবহাওয়ায় সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে।
আবহাওয়া ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়ার কাছাকাছি ইয়ানাম এলাকায় ঘূর্ণিঝড়টির উপকূল অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ সময় বাতাসের স্থায়ী গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির উপকূল অতিক্রমের প্রক্রিয়া কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে। পরবর্তী সময়ে ঝড়টির কেন্দ্র স্থলভাগে প্রবেশ করলে এটি ধীরে ধীরে শক্তি হারাতে শুরু করে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ সময় এর শক্তি ক্রমান্বয়ে কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উপকূল অতিক্রম করলেও এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। ফলে সমুদ্রবন্দর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি ও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা বা পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বুধবার ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। পাঁচ দিনের পূর্বাভাসের শেষভাগেও দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।
বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের কয়েকটি অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়।
এতে যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা জানানো হয়। এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার মধ্যে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের কয়েকটি অঞ্চলে চলমান মৃদু তাপপ্রবাহও প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এনটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি তাপমাত্রা হ্রাসের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ ও তীব্রতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলে সরাসরি আঘাত না হানলেও এর প্রভাবে সাগর ও উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে। তাই মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারের চালক, উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা এবং নদীপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে।
আবহাওয়া পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলে সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের সর্বশেষ সতর্কসংকেত অনুসরণ করা এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), এনটিভি অনলাইন, আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রকাশিত প্রতিবেদন।

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৪৪
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ প্রভাবে বরিশালসহ দেশের ছয়টি অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ১টার মধ্যে এসব অঞ্চলে ঝড়ো আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বুধবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক এ পূর্বাভাস দিয়েছেন।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার সকালে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে। বর্তমানে এটি অন্ধ্র প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় হিসেবে অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। রাতের তাপমাত্রাও সামান্য কমতে পারে।
এ ছাড়া শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায়; ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ দুই দিনে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল ও উপকূলীয় এলাকার নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত থাকায় নৌযান চলাচলে সতর্কতা অবলম্বন এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ প্রভাবে বরিশালসহ দেশের ছয়টি অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ১টার মধ্যে এসব অঞ্চলে ঝড়ো আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বুধবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক এ পূর্বাভাস দিয়েছেন।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার সকালে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে। বর্তমানে এটি অন্ধ্র প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় হিসেবে অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। রাতের তাপমাত্রাও সামান্য কমতে পারে।
এ ছাড়া শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায়; ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ দুই দিনে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল ও উপকূলীয় এলাকার নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত থাকায় নৌযান চলাচলে সতর্কতা অবলম্বন এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

২৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৫৪
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ), জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মনোনীত দলীয় প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, 'সকল রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে জুলাই সনদ হয়েছে। অথচ সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তালবাহানা চলছে। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে প্রয়োজনে গণভোট দিতে হবে এবং সেটা অবশ্যই নির্বাচনের আগে। কোনো দল ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সেটা হবে বিরাট এক শুভঙ্করের ফাঁকি।' শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান বক্তার ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত ওই জনসভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একটি দল। এই দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। দখলবাজি করে না। দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে না। পরের হক নষ্ট করে না। পার্সেন্টেজ-কমিশন খায় না। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা মার্কা নির্বাচিত হলে পার্সেন্টেজমুক্ত, চাঁদাবাজি-দখলবাজিমুক্ত হবে বাবুগঞ্জ-মুলাদী। সবাই যার যার জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।'
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোঃ রহমাতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন। দলের বাবুগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শামসুল হকের সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক কে.এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের বরিশাল জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ জামিলুর রহমান, সদস্য মাস্টার মাহবুবুল হক মানিক, সদস্য মাওলানা ইব্রাহীম হুসাইন মৃধা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সভাপতি এম.এম সালাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সাবেক সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, ইসলামী যুব আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।
জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তৃতাকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, 'বিশ্বের মোট ৯১টি দেশে সংখানুপাতিক নির্বাচন (পিআর) পদ্ধতি চালু আছে। বিশ্বের উন্নত ৩৪টি দেশের মধ্যে ২৫টি দেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়। অথচ আমাদের দেশে পাঁচবার ক্ষমতায় থাকা একটি দলের নেতারা নাকি পিআর পদ্ধতি বোঝেন না! কেন বোঝেন না? কারণ পিআর বুঝলে তাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার নামে হাজার হাজার কোটি টাকার নমিনেশন বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বন্ধ হয়ে যাবে। পিআর পদ্ধতিতে মানুষ কোনো ব্যক্তিকে নয়, দলকে ভোট দেয়। যারা আজ পিআর বোঝেন না, তারা ১৯৯৬ সালে নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকারও বুঝতেন না। ১৫ ফেব্রুয়ারি একদলীয় নির্বাচন করেছিলেন। ক্ষমতা হারানোর পরে আবার কেয়ারটেকার সরকারের জন্যেও আন্দোলন করেছিলেন। সেভাবে আজ যারা পিআর পদ্ধতির বিরোধিতা করছেন, ভবিষ্যতে তাদেরও পিআর চালুর জন্য আবার আন্দোলন করতে হবে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন না হলে দেশে আবার ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম হবে।' #