
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৮
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া তেল পাম্পে জ্বালানি তেল নেওয়া নিয়ে মোটরসাইকেল আরোহী ও পাম্প কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের এক সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় তার ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন পুলিশ কনস্টেবল গোপাল চন্দ্র কর।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরের দিকে বাঁশবাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত মের্সাস গাংনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্য গোপাল চন্দ্র কর গাংনী থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।
তিনি জানান, মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য ৫০০ টাকার নির্ধারিত পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে অতিরিক্ত তেল নেওয়া নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে পাম্প কর্মচারীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি হামলার শিকার হয়েছি, আমার বুকে ও হাতে আঘাত করা হয় এবং হামলাকারীদের ভিডিও ধারণ করায় আমার ব্যবহৃত ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আহত কনস্টেবলকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আল মামুন জানান, ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। জড়িতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। পাম্পের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৯
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে আজিজুল হক নামের এক জামায়াত নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে মুক্তাগাছা থানার পুলিশ ৫৪ ধারায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠায়। পরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আজিজুল হক উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের ঝনকা বড়টেঙ্গর গ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ জানায়, অজ্ঞাতপরিচয়ে কে বা কারা ব্লগ পেজে এক নারীর অশ্লীল ছবির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি এডিট করে ‘অনেক দিন পর বান্ধবীর সাথে দেখা’ লিখে পোস্ট করেন।
ওই ফেসবুক পেজ থেকে ছবিটি আজিজুল হক নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন। ওই পেজ থেকে নিয়মিত দেশ ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া আজিজুল হক তার পরিচালিত ঝনকা বাজার নার্সারিতে অচেনা ব্যক্তিদের নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত গোপন মিটিং করতেন। এই অবস্থায় আজিজুল হককে অপরাধে জড়িত সন্দেহে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত দেড়টায় উপজেলার ঝনকা বাজার থেকে আটক করা হয়।
উপজেলা জামায়াতের আমির শামসুল হক বলেন, শুনেছি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করায় আমাদের এক কর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাকে ছাড়াতে থানায় গিয়েছিলেন।
ময়মনসিংহের আদালত পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, মুক্তাগাছা থানা পুলিশ আজিজুলকে ৫৪ ধারায় আদালতে পাঠায়। পরে বিচারক শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অপপ্রচার চালানোয় আজিজুল হককে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়।
যেহেতু বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে, তাই মামলা করার আগে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হয়। আলোচনার পর ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ায় মামলার আগেই আজিজুল হককে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। স্থানীয় এক রাজনৈতিক কর্মী বাদী হয়ে মামলা করবেন।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৬
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া তেল পাম্পে জ্বালানি তেল নেওয়া নিয়ে মোটরসাইকেল আরোহী ও পাম্প কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের এক সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় তার ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন পুলিশ কনস্টেবল গোপাল চন্দ্র কর।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরের দিকে বাঁশবাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত মের্সাস গাংনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্য গোপাল চন্দ্র কর গাংনী থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।
তিনি জানান, মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য ৫০০ টাকার নির্ধারিত পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে অতিরিক্ত তেল নেওয়া নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে পাম্প কর্মচারীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি হামলার শিকার হয়েছি, আমার বুকে ও হাতে আঘাত করা হয় এবং হামলাকারীদের ভিডিও ধারণ করায় আমার ব্যবহৃত ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আহত কনস্টেবলকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আল মামুন জানান, ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। জড়িতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। পাম্পের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে আজিজুল হক নামের এক জামায়াত নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে মুক্তাগাছা থানার পুলিশ ৫৪ ধারায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠায়। পরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আজিজুল হক উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের ঝনকা বড়টেঙ্গর গ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ জানায়, অজ্ঞাতপরিচয়ে কে বা কারা ব্লগ পেজে এক নারীর অশ্লীল ছবির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি এডিট করে ‘অনেক দিন পর বান্ধবীর সাথে দেখা’ লিখে পোস্ট করেন।
ওই ফেসবুক পেজ থেকে ছবিটি আজিজুল হক নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন। ওই পেজ থেকে নিয়মিত দেশ ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া আজিজুল হক তার পরিচালিত ঝনকা বাজার নার্সারিতে অচেনা ব্যক্তিদের নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত গোপন মিটিং করতেন। এই অবস্থায় আজিজুল হককে অপরাধে জড়িত সন্দেহে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত দেড়টায় উপজেলার ঝনকা বাজার থেকে আটক করা হয়।
উপজেলা জামায়াতের আমির শামসুল হক বলেন, শুনেছি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করায় আমাদের এক কর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাকে ছাড়াতে থানায় গিয়েছিলেন।
ময়মনসিংহের আদালত পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, মুক্তাগাছা থানা পুলিশ আজিজুলকে ৫৪ ধারায় আদালতে পাঠায়। পরে বিচারক শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অপপ্রচার চালানোয় আজিজুল হককে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়।
যেহেতু বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে, তাই মামলা করার আগে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হয়। আলোচনার পর ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ায় মামলার আগেই আজিজুল হককে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। স্থানীয় এক রাজনৈতিক কর্মী বাদী হয়ে মামলা করবেন।
কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বাধায় ৫০০ টাকার জন্য প্রায় এক ঘন্টা আটকে থেকে এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চালক।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে নবজাতকের মৃত্যুর খবরে তাদের আত্মীয়রা হাসপাতালে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তারা বিক্ষোভও করেন। এতে হাসপাতালসহ আশপাশের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাতে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত নবজাতক শিশু কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন রোগীর স্বজনরা।
স্থানীয় ও নিহত শিশুর পরিবার জানায়, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের স্ত্রী সাদিয়া আক্তার গতরাত শুক্রবার ১১টার দিকে জেলা শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন।
জন্মের পর থেকেই নবজাতক শিশুর শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ভুগতে থাকে। চিকিৎসক জরুরি ভিত্তিতে তাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে রেফার্ড করে।
সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে সাড়ে ১২টায় নবজাতককে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ময়মনসিংহে রেফার্ড করে। নবজাতককে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হাসপাতালে গেটে এসে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার জন্য খোঁজ করে।
এসময় সরকারি এ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহের ভাড়া জানতে চাইলে এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলসহ আরও কয়েকজন সাড়ে ৪হাজার টাকা জানান।
নবজাতকের পরিবারের সদস্যরা তখন সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ময়মনসিংহে ১৬০০ টাকা করে উল্লেখ করে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সাড়ে তিন হাজার টাকা দিতে চান।
পরবর্তীতে ৪হাজার টাকা ভাড়া দিতে চাইলেও এ্যাম্বুলেন্স চালকরা সাড়ে ৪হাজার টাকার নিচে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। মূলত তারা নিজেদের সিন্ডিকেটভুক্ত অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া অন্য কোনো গাড়িকে যেতে দিতে রাজি ছিলেন না। ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই রাত তিন টার দিকে নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে সিন্ডিকেটের অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা বাইরের গাড়িকে রোগী বহনে বাধা দেয় এবং জোরপূর্বক যাত্রী নিজেদের গাড়িতে তুলতে বাধ্য করে।
আর সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ ১৬০০ টাকা ও ঢাকা ২৯০০ টাকা বলা থাকলেও নানা অজুহাত দেখিয়ে দিগুণ ভাড়া দিতে হয়। বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে যেতে হলে সরকার নির্ধারিত ভাড়া থেকে দুই-তিন গুণ বেশি হয় নইলে কোনো চালকই এ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিতে চায় না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের বর্বরতা বন্ধ না হলে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন তারা।
নিহত শিশুর নানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার নাতিকে ময়মনসিংহ নিতে পারলাম না। আমার ছেলের বউ কে কি জবাব দিব? ওরা আমার নাতিকে বাঁচতে দেয়নি। অনেক অনুরোধ করেছিলাম নিয়ে দিতে, কিন্তু তারা শোনেনি। সিন্ডিকেটের জন্যই আমার নাতি মারা গেছে।
নবজাতকের দাদা জুয়েল মিয়া জানান, রাতে নবজাতকের জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে নিয়ে আসি এখানেও অবস্থার পরিবর্তন নাহলে ডাক্তাররা ময়মনসিংহ রেফার্ড করে৷ ময়মনসিংহে নেয়ার জন্য নবজাতককে নিয়ে হাসপাতালের গেটে এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই আমার নাতির মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের জন্য যোগাযোগ করলে তেল সংকটের কথা জানায় এসময় বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলকে ময়মনসিংহ যাওয়ার জন্য ভাড়া জানতে চাইলে সাড়ে চার হাজার টাকা বললে আমরা ৪হাজার টাকা দিতে চাই তারপরও সাইফুলসহ আরো দুইজন এ্যাম্বুলেন্স চালক কেউই আমার নাতিকে নিয়ে যেতে চায় নি।
নিহত নবজাতকের বাবা মো: রোহান বলেন, সন্তান জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে অন্যত্র রেফার্ড করলে পরিবারের অন্য সদস্যরা সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। ভর্তির পর অবস্থা অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা আমায় জানালে আমি স্ত্রীর এখান থেকে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে যাই গিয়ে দেখি আমার নবজাতকের মৃত্যু ঘটে গেছে।
অসহায় বাবা রোহান দায়িত্বশীলদের অবহেলার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালের কাছেই আমার বাড়ি আমার সাথেই যদি এমন ঘটনা ঘটে দূর হতে আসা রোগীদের সাথে তাহলে কি চলছে..? এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেদিকে হাসপাতাল ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার ব্যবহৃত ফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা যশোদল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ শরীফ আহাম্মদ শরীফ বলেন, অ্যাম্বুলেন্স চালক মাত্র ৫০০ টাকার জন্য গাড়ি আটকে রাখার কারণে নবজাতক শিশুটিকে সময়মতো ময়মনসিংহ নেওয়া সম্ভব হয়নি। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
এ বিষয়ে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, এটা আসলে আমাকে কেউ জানায় নাই।
আমি আপনার কাছ থেকেই শুনলাম। রোগীর লোকজন যদি আমাকে জানাতো তাহলে আমরা হয়তো বিষয়টাকে অ্যাডজাস্ট করতে পারতাম।
তারা এ্যাম্বুলেন্স পাইতে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার হলে ডেফিনেটলি আমরা বিষয়টা অ্যাডজাস্ট করব। তারপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. অভিজিত শর্ম্মা বলেন, এই বিষটা আসলে আমি তো জানি না। এটা তো পরিচালক বলতে পারবেন ভালো। তবে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বাধায় ৫০০ টাকার জন্য প্রায় এক ঘন্টা আটকে থেকে এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চালক।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে নবজাতকের মৃত্যুর খবরে তাদের আত্মীয়রা হাসপাতালে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তারা বিক্ষোভও করেন। এতে হাসপাতালসহ আশপাশের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাতে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত নবজাতক শিশু কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন রোগীর স্বজনরা।
স্থানীয় ও নিহত শিশুর পরিবার জানায়, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের স্ত্রী সাদিয়া আক্তার গতরাত শুক্রবার ১১টার দিকে জেলা শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন।
জন্মের পর থেকেই নবজাতক শিশুর শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ভুগতে থাকে। চিকিৎসক জরুরি ভিত্তিতে তাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে রেফার্ড করে।
সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে সাড়ে ১২টায় নবজাতককে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ময়মনসিংহে রেফার্ড করে। নবজাতককে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হাসপাতালে গেটে এসে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার জন্য খোঁজ করে।
এসময় সরকারি এ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহের ভাড়া জানতে চাইলে এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলসহ আরও কয়েকজন সাড়ে ৪হাজার টাকা জানান।
নবজাতকের পরিবারের সদস্যরা তখন সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ময়মনসিংহে ১৬০০ টাকা করে উল্লেখ করে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সাড়ে তিন হাজার টাকা দিতে চান।
পরবর্তীতে ৪হাজার টাকা ভাড়া দিতে চাইলেও এ্যাম্বুলেন্স চালকরা সাড়ে ৪হাজার টাকার নিচে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। মূলত তারা নিজেদের সিন্ডিকেটভুক্ত অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া অন্য কোনো গাড়িকে যেতে দিতে রাজি ছিলেন না। ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই রাত তিন টার দিকে নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে সিন্ডিকেটের অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা বাইরের গাড়িকে রোগী বহনে বাধা দেয় এবং জোরপূর্বক যাত্রী নিজেদের গাড়িতে তুলতে বাধ্য করে।
আর সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ ১৬০০ টাকা ও ঢাকা ২৯০০ টাকা বলা থাকলেও নানা অজুহাত দেখিয়ে দিগুণ ভাড়া দিতে হয়। বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে যেতে হলে সরকার নির্ধারিত ভাড়া থেকে দুই-তিন গুণ বেশি হয় নইলে কোনো চালকই এ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিতে চায় না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের বর্বরতা বন্ধ না হলে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন তারা।
নিহত শিশুর নানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার নাতিকে ময়মনসিংহ নিতে পারলাম না। আমার ছেলের বউ কে কি জবাব দিব? ওরা আমার নাতিকে বাঁচতে দেয়নি। অনেক অনুরোধ করেছিলাম নিয়ে দিতে, কিন্তু তারা শোনেনি। সিন্ডিকেটের জন্যই আমার নাতি মারা গেছে।
নবজাতকের দাদা জুয়েল মিয়া জানান, রাতে নবজাতকের জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে নিয়ে আসি এখানেও অবস্থার পরিবর্তন নাহলে ডাক্তাররা ময়মনসিংহ রেফার্ড করে৷ ময়মনসিংহে নেয়ার জন্য নবজাতককে নিয়ে হাসপাতালের গেটে এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই আমার নাতির মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের জন্য যোগাযোগ করলে তেল সংকটের কথা জানায় এসময় বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলকে ময়মনসিংহ যাওয়ার জন্য ভাড়া জানতে চাইলে সাড়ে চার হাজার টাকা বললে আমরা ৪হাজার টাকা দিতে চাই তারপরও সাইফুলসহ আরো দুইজন এ্যাম্বুলেন্স চালক কেউই আমার নাতিকে নিয়ে যেতে চায় নি।
নিহত নবজাতকের বাবা মো: রোহান বলেন, সন্তান জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে অন্যত্র রেফার্ড করলে পরিবারের অন্য সদস্যরা সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। ভর্তির পর অবস্থা অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা আমায় জানালে আমি স্ত্রীর এখান থেকে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে যাই গিয়ে দেখি আমার নবজাতকের মৃত্যু ঘটে গেছে।
অসহায় বাবা রোহান দায়িত্বশীলদের অবহেলার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালের কাছেই আমার বাড়ি আমার সাথেই যদি এমন ঘটনা ঘটে দূর হতে আসা রোগীদের সাথে তাহলে কি চলছে..? এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেদিকে হাসপাতাল ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার ব্যবহৃত ফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা যশোদল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ শরীফ আহাম্মদ শরীফ বলেন, অ্যাম্বুলেন্স চালক মাত্র ৫০০ টাকার জন্য গাড়ি আটকে রাখার কারণে নবজাতক শিশুটিকে সময়মতো ময়মনসিংহ নেওয়া সম্ভব হয়নি। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
এ বিষয়ে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, এটা আসলে আমাকে কেউ জানায় নাই।
আমি আপনার কাছ থেকেই শুনলাম। রোগীর লোকজন যদি আমাকে জানাতো তাহলে আমরা হয়তো বিষয়টাকে অ্যাডজাস্ট করতে পারতাম।
তারা এ্যাম্বুলেন্স পাইতে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার হলে ডেফিনেটলি আমরা বিষয়টা অ্যাডজাস্ট করব। তারপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. অভিজিত শর্ম্মা বলেন, এই বিষটা আসলে আমি তো জানি না। এটা তো পরিচালক বলতে পারবেন ভালো। তবে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।