পটুযাখালীর বাউফলে টেন্ডার ছাড়া একাধিক প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ না করে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট ফ্যাসিষ্ট সৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার দোসররা এখনো বাউফল উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে বহাল তবিয়তে আছে।
কাজ না করেই বিল তুলে নিচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসরে কিছু নামধারী ঠিকাদার। অভিযোগ রয়েছে, বাউফল উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় টেন্ডারবাজিতে এখনো সক্রিয় ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসর আওয়ামী সন্ত্রীসীদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রোদেলা এন্টারপ্রাইজ, জাইফা এন্টারপ্রাইজ ও ইয়াসীন এন্টারপ্রাইজ নামে প্রতিষ্ঠান।
উপজেলা প্রশাসন এর সাথে যোগসাজশে তারা বিনা টেন্ডারে বাগিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার কাজ। এসব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক হচ্ছেন যথাক্রমে রুহুল আমিন, শিরীন আক্তার ও সুমন মিয়া।
রুহুল আমিনের পিতা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম খান। সরেজমিনে জানা যায়, এসব লাইসেন্স এর আড়ালে বেনামী ঠিকাদারী কাজ করেছে বাউফল দাশপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহিউদ্দিন তালুকদার ওরফে সবুজ মাষ্টার।
সবুজ মাষ্টার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন ছিলেন এবং রুহুল আমিনের আপন ফুফাতো ভাই। আওয়ামী লীগ নেতা ও তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব হাওলাদার এবং নাজিরপুর-তাতেরকাঠী ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান ইব্রাহীম ফারুকের সব ঠিকাদারী কাজ বেনামে করতো এ মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার।
অনুসন্ধানে জানা যায়,উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে উপজেলার অসংখ্য কাজ উক্ত ৩ তিনটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়েছে। কার মধ্যে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের ওয়াল উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এর জন্য সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ শিরীন আক্তার এর মালিকানাধীন মেসার্স জাইফা এন্টারপ্রাইজ কার্যাদেশ পায়।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। দ্বিতীয় কাজে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের পশ্চিম পাশে চলাচলের জন্য গেটসহ রাস্ত নির্মান- এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই আওয়ামী লীগ নেতা কালাম খান এর পুত্র মোঃ রুহুল আমিন এর মালিকানাধীন মেসার্স রোদেলা এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। তৃতীয় কাজে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবনের পশ্চিম পাশের নিচতলীর নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মান। এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই রুহুল আমিন এর বন্ধু সুমনের মালিকানাধীন মেসার্স ইয়াসিন এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/- প্রাক্কলিত মুল্য ও চুক্তি মুল্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সবগুলো কাজেরই ব্যবধান একই ৩০ হাজার টাকা।
এ থেকেই বোঝা যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে উপজেলা প্রশাসনের আগে থেকেই যোকসাজেশ রয়েছে। এই কাজের অনুসন্ধান করতে গিয়ে সবুজ মাষ্টার এর আরেক অপকর্মের খোজ পাওয়া যায়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এর শেষের দিকে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পুলের বাজারের আয়রন ব্রিজের মেরামত কাজ টেন্ডার ছাড়াই তার এক ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার এর নামে নিয়ে পুরাতন মালামাল দিয়ে সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান মনজু মিয়ার গোডাউনে রক্ষিত পুরাতন মালামাল দিয়ে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার সর্বোচ্চ ৩ (তিন) লক্ষ টাকা ব্যয় করে এ মেরামত কাজ সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) টেন্ডার বিহীন ভাবে বিশেষ জরুরী ভিত্তিতে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ের সীমা থাকায় একই ব্রিজের মেরামতের কাজ বে- আইনীভাবে দুইটি প্রকল্প দেখিয়ে দুইবারে ১০ (দশ) লক্ষ টাকা প্রকল্প ব্যয় দেখানো হয় (বাউফল উপজেলা পরিষদের ২০ তম রেজুলেশন তারিখ ১৩/১১/২০২৩, ক্রমিক নং ২৪ ও ২৫ পার্ট-১ ও ২)।
এভাবে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাস এর যোগসাজশে মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার সরকারের আনুমানিক ৭ (সাত) লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ সব নিয়ে কথা বললে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারী সরকারী প্রকৌশলী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী এসব কাজ উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে টেন্ডার আহবান করে হওয়ার কথা।
কিন্তু অজানা কারনে এসব কাজ উপজেলা প্রশাসন বিনা টেন্ডারে করাচ্ছে। আদাবাড়ীয়া ব্রিজের কাজের ব্যাপারে বলেন, একই কাজ দুইবার দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করার নজির বাংলাদেশে খুব কম রয়েছে ।
এসব দুর্নীতির তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হওয়া উচিত। সরেজমিনে কাজ পরিদর্শন কালে দেখা যায়, শ্রমিকরা কাজ করছে। কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের । রাস্তার সুড়কি উঠে যাচ্ছে। ওয়ালের কাজও সঠিকভাবে করা হচ্ছে না।
পুরান গেট লাগিয়ে রং করা হয়েছে। সরেজমিনে শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার তাদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। কাজের তত্বাবধানকারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাসকে বার বার ফোন দিয়েও পাওয়া যায় নাই। এসব বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক বলেন, বাউফলে এখনো সব আগের মতোই আছে। আগে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা অপব্যবহার করে কাজ নিতো, এখন একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্র ছায়ায় থেকে কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে কাজ মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের নামে নিচ্ছে। যাতে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার কাজ করতে পারে।
বাউফলের এক রাজনৈতিক দলের নেতা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে এই মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার অবৈধ ঠিকাদারী ব্যবসার মাধ্যমে ঠিকমতো কাজ না করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ।
ওই সরকার পালিয়ে গেলে এখন অন্য একটি রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এখনো তারা সক্রিয়। এই সরকারের কর্মকর্তারা এসব আওয়ামী ঠিকাদারদেরকে সমর্থন করে বিনা টেন্ডারে কাজ দিয়েছে। এ ব্যাপারে সবুজ মাষ্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ কাজের সাথে সম্পৃক্ত নন মর্মে দাবী করেন। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নিবাহী অফিসার আমিনুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:০৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৮
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:২১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আইকনিক পরিবহনের একটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১২৪৫৫৫) ঢাকা থেকে ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটক নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে খলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অগভীর পুকুরে পড়ে যায়। এতে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন এবং গুরুতর ৬ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে পাঠান। বাসটিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১ ও ২০২৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা ছিলেন। কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য তারা বাসটি রিজার্ভ নিয়েছিলেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আইকনিক পরিবহনের একটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১২৪৫৫৫) ঢাকা থেকে ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটক নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে খলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অগভীর পুকুরে পড়ে যায়। এতে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন এবং গুরুতর ৬ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে পাঠান। বাসটিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১ ও ২০২৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা ছিলেন। কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য তারা বাসটি রিজার্ভ নিয়েছিলেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫২
পটুযাখালীর বাউফলে টেন্ডার ছাড়া একাধিক প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ না করে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট ফ্যাসিষ্ট সৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার দোসররা এখনো বাউফল উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে বহাল তবিয়তে আছে।
কাজ না করেই বিল তুলে নিচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসরে কিছু নামধারী ঠিকাদার। অভিযোগ রয়েছে, বাউফল উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় টেন্ডারবাজিতে এখনো সক্রিয় ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসর আওয়ামী সন্ত্রীসীদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রোদেলা এন্টারপ্রাইজ, জাইফা এন্টারপ্রাইজ ও ইয়াসীন এন্টারপ্রাইজ নামে প্রতিষ্ঠান।
উপজেলা প্রশাসন এর সাথে যোগসাজশে তারা বিনা টেন্ডারে বাগিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার কাজ। এসব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক হচ্ছেন যথাক্রমে রুহুল আমিন, শিরীন আক্তার ও সুমন মিয়া।
রুহুল আমিনের পিতা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম খান। সরেজমিনে জানা যায়, এসব লাইসেন্স এর আড়ালে বেনামী ঠিকাদারী কাজ করেছে বাউফল দাশপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহিউদ্দিন তালুকদার ওরফে সবুজ মাষ্টার।
সবুজ মাষ্টার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন ছিলেন এবং রুহুল আমিনের আপন ফুফাতো ভাই। আওয়ামী লীগ নেতা ও তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব হাওলাদার এবং নাজিরপুর-তাতেরকাঠী ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান ইব্রাহীম ফারুকের সব ঠিকাদারী কাজ বেনামে করতো এ মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার।
অনুসন্ধানে জানা যায়,উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে উপজেলার অসংখ্য কাজ উক্ত ৩ তিনটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়েছে। কার মধ্যে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের ওয়াল উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এর জন্য সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ শিরীন আক্তার এর মালিকানাধীন মেসার্স জাইফা এন্টারপ্রাইজ কার্যাদেশ পায়।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। দ্বিতীয় কাজে ইউ.এন.ও এর বাসভবনের পশ্চিম পাশে চলাচলের জন্য গেটসহ রাস্ত নির্মান- এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই আওয়ামী লীগ নেতা কালাম খান এর পুত্র মোঃ রুহুল আমিন এর মালিকানাধীন মেসার্স রোদেলা এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/-। তৃতীয় কাজে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবনের পশ্চিম পাশের নিচতলীর নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মান। এই কাজ সবুজ মাষ্টারের ফুফাতো ভাই রুহুল আমিন এর বন্ধু সুমনের মালিকানাধীন মেসার্স ইয়াসিন এন্টারপ্রাইজ করেছে।
এই কাজের প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো ৬ লক্ষ টাকা এবং কার্যাদেশ ছিলো ৫,৭০,০০০/- প্রাক্কলিত মুল্য ও চুক্তি মুল্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সবগুলো কাজেরই ব্যবধান একই ৩০ হাজার টাকা।
এ থেকেই বোঝা যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে উপজেলা প্রশাসনের আগে থেকেই যোকসাজেশ রয়েছে। এই কাজের অনুসন্ধান করতে গিয়ে সবুজ মাষ্টার এর আরেক অপকর্মের খোজ পাওয়া যায়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এর শেষের দিকে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পুলের বাজারের আয়রন ব্রিজের মেরামত কাজ টেন্ডার ছাড়াই তার এক ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার এর নামে নিয়ে পুরাতন মালামাল দিয়ে সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান মনজু মিয়ার গোডাউনে রক্ষিত পুরাতন মালামাল দিয়ে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার সর্বোচ্চ ৩ (তিন) লক্ষ টাকা ব্যয় করে এ মেরামত কাজ সম্পন্ন করেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) টেন্ডার বিহীন ভাবে বিশেষ জরুরী ভিত্তিতে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ের সীমা থাকায় একই ব্রিজের মেরামতের কাজ বে- আইনীভাবে দুইটি প্রকল্প দেখিয়ে দুইবারে ১০ (দশ) লক্ষ টাকা প্রকল্প ব্যয় দেখানো হয় (বাউফল উপজেলা পরিষদের ২০ তম রেজুলেশন তারিখ ১৩/১১/২০২৩, ক্রমিক নং ২৪ ও ২৫ পার্ট-১ ও ২)।
এভাবে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাস এর যোগসাজশে মহিউদ্দিন সবুজ মাষ্টার সরকারের আনুমানিক ৭ (সাত) লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ সব নিয়ে কথা বললে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারী সরকারী প্রকৌশলী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী এসব কাজ উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে টেন্ডার আহবান করে হওয়ার কথা।
কিন্তু অজানা কারনে এসব কাজ উপজেলা প্রশাসন বিনা টেন্ডারে করাচ্ছে। আদাবাড়ীয়া ব্রিজের কাজের ব্যাপারে বলেন, একই কাজ দুইবার দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করার নজির বাংলাদেশে খুব কম রয়েছে ।
এসব দুর্নীতির তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হওয়া উচিত। সরেজমিনে কাজ পরিদর্শন কালে দেখা যায়, শ্রমিকরা কাজ করছে। কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের । রাস্তার সুড়কি উঠে যাচ্ছে। ওয়ালের কাজও সঠিকভাবে করা হচ্ছে না।
পুরান গেট লাগিয়ে রং করা হয়েছে। সরেজমিনে শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার তাদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। কাজের তত্বাবধানকারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাসকে বার বার ফোন দিয়েও পাওয়া যায় নাই। এসব বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক বলেন, বাউফলে এখনো সব আগের মতোই আছে। আগে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা অপব্যবহার করে কাজ নিতো, এখন একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্র ছায়ায় থেকে কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিনা টেন্ডারে কাজ মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টারের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের নামে নিচ্ছে। যাতে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার কাজ করতে পারে।
বাউফলের এক রাজনৈতিক দলের নেতা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে এই মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ মাষ্টার অবৈধ ঠিকাদারী ব্যবসার মাধ্যমে ঠিকমতো কাজ না করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ।
ওই সরকার পালিয়ে গেলে এখন অন্য একটি রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এখনো তারা সক্রিয়। এই সরকারের কর্মকর্তারা এসব আওয়ামী ঠিকাদারদেরকে সমর্থন করে বিনা টেন্ডারে কাজ দিয়েছে। এ ব্যাপারে সবুজ মাষ্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ কাজের সাথে সম্পৃক্ত নন মর্মে দাবী করেন। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নিবাহী অফিসার আমিনুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৫
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২২
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২০