
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:২২
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে কলেজছাত্র সিয়াম (১৭) হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮। ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ভোরে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন: মামলার ১ নম্বর আসামি মো. রাইয়ান ও ২ নম্বর আসামি মো. রাশেদ।
বুধবার বিকেলে পটুয়াখালী র্যাব ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৮ বরিশালের অধিনায়ক কমান্ডার শাহাদাত এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পরই অপরাধীরা এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। র্যাব-৮ ও র্যাব-১০ এর যৌথ আভিযানিক দল তাৎক্ষণিকভাবে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে তাদের পালানোর রুট এবং সম্ভাব্য সব কৌশল বিশ্লেষণ করে অবস্থান শনাক্ত করে। এরপরই তাদের গ্রেফতার করা হয়।’
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মোবাইল ও টাকা-পয়সার জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তবে তদন্তে হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ বেরিয়ে আসবে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে র্যাব কাজ করছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানার সুবিদখালী সরকারি কলেজের পাশে বালুর মাঠে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় সিয়ামকে। সে ঢাকার রমিজউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর মাদারবুনিয়ায় নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল সিয়াম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে সিয়াম ও তার খালাতো ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন সুবিদখালী সরকারি কলেজের উত্তর পাশে বালুর মাঠে ঘুরতে যায়। সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা একদল সন্ত্রাসী তাদের গতিরোধ করে পরিচয় জানতে চেয়ে তর্কে লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে লাঠি দিয়ে সিয়ামের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্মমভাবে আঘাত করে। এতে সিয়াম গুরুতর আহত হলে হামলাকারীরাই তাকে নিজেদের মোটরসাইকেলে করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে পালিয়ে যায়। পৌনে ৪টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিয়ামকে মৃত ঘোষণা করেন।
হামলাকারীরা সিয়ামের খালাতো ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুনকেও পিটিয়ে আহত করে। মামুন বর্তমানে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে গতকাল রাতেই মির্জাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে কলেজছাত্র সিয়াম (১৭) হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮। ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ভোরে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন: মামলার ১ নম্বর আসামি মো. রাইয়ান ও ২ নম্বর আসামি মো. রাশেদ।
বুধবার বিকেলে পটুয়াখালী র্যাব ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৮ বরিশালের অধিনায়ক কমান্ডার শাহাদাত এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পরই অপরাধীরা এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। র্যাব-৮ ও র্যাব-১০ এর যৌথ আভিযানিক দল তাৎক্ষণিকভাবে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে তাদের পালানোর রুট এবং সম্ভাব্য সব কৌশল বিশ্লেষণ করে অবস্থান শনাক্ত করে। এরপরই তাদের গ্রেফতার করা হয়।’
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মোবাইল ও টাকা-পয়সার জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তবে তদন্তে হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ বেরিয়ে আসবে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে র্যাব কাজ করছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানার সুবিদখালী সরকারি কলেজের পাশে বালুর মাঠে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় সিয়ামকে। সে ঢাকার রমিজউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর মাদারবুনিয়ায় নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল সিয়াম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে সিয়াম ও তার খালাতো ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন সুবিদখালী সরকারি কলেজের উত্তর পাশে বালুর মাঠে ঘুরতে যায়। সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা একদল সন্ত্রাসী তাদের গতিরোধ করে পরিচয় জানতে চেয়ে তর্কে লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে লাঠি দিয়ে সিয়ামের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্মমভাবে আঘাত করে। এতে সিয়াম গুরুতর আহত হলে হামলাকারীরাই তাকে নিজেদের মোটরসাইকেলে করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে পালিয়ে যায়। পৌনে ৪টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিয়ামকে মৃত ঘোষণা করেন।
হামলাকারীরা সিয়ামের খালাতো ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুনকেও পিটিয়ে আহত করে। মামুন বর্তমানে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে গতকাল রাতেই মির্জাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৩
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:০৩
পটুয়াখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ৯টার দিকে দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের একটি কক্ষে এ আগুন দেয়। কেন্দ্রটি পটুয়াখালী-১ (পটুয়াখালী সদর-দুমকি-মির্জাগঞ্জ) আসনে অবস্থিত। আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওবায়দুল হক সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যালয়ের পাসের মসজিদে নামাজ শেষে মুসল্লিরা বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আগুন দেখতে পান তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় নেভানোর চেষ্টা করা হয়। রাত ৯টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনে কক্ষের বেঞ্চ এবং বেড়া পুড়ে যায়। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে বেশি ক্ষতি হয়নি। একটি কক্ষে পুরোনো টায়ারে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রটির নিরাপত্তায় দুজন গ্রাম পুলিশ ও বিদ্যালয়ের একজন নৈশপ্রহরী দায়িত্বরত থাকলেও ঘটনার সময় তারা ছিলেন না। তারা নামাজে এবং খাবার খেতে বাড়িতে গিয়েছিলেন। এর ফাঁকে ঘটনা ঘটে।
দুমকি থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, আমরা তদন্ত শুরু করছি। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অনুপস্থিতির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
পটুয়াখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ৯টার দিকে দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের একটি কক্ষে এ আগুন দেয়। কেন্দ্রটি পটুয়াখালী-১ (পটুয়াখালী সদর-দুমকি-মির্জাগঞ্জ) আসনে অবস্থিত। আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওবায়দুল হক সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যালয়ের পাসের মসজিদে নামাজ শেষে মুসল্লিরা বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আগুন দেখতে পান তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় নেভানোর চেষ্টা করা হয়। রাত ৯টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনে কক্ষের বেঞ্চ এবং বেড়া পুড়ে যায়। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে বেশি ক্ষতি হয়নি। একটি কক্ষে পুরোনো টায়ারে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রটির নিরাপত্তায় দুজন গ্রাম পুলিশ ও বিদ্যালয়ের একজন নৈশপ্রহরী দায়িত্বরত থাকলেও ঘটনার সময় তারা ছিলেন না। তারা নামাজে এবং খাবার খেতে বাড়িতে গিয়েছিলেন। এর ফাঁকে ঘটনা ঘটে।
দুমকি থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, আমরা তদন্ত শুরু করছি। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অনুপস্থিতির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০২
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল হক নুর বলেছেন, জাতীয় সরকার গঠন হলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে মন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গলাচিপা হাই স্কুল মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ দিনের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, দশমিনা ও গলাচিপাকে আর পিছিয়ে থাকতে দেওয়া যাবে না। এই জনপদকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বহুদিন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় সরকার গঠনে যদি ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে আগামী ১২ তারিখ ট্রাক মার্কায় ভোট দিতে হবে।
তিনি বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের হাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ভুল সিদ্ধান্ত নিলে ভবিষ্যৎ শুধু দুর্ভোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং তরুণদের চাকরি-বাকরির সুযোগ নিশ্চিত করতে হলে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।
ভিপি নুর আরও বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। জনগণের অধিকার ও উন্নয়নের জন্য রাজনীতি করি। আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে দশমিনা ও গলাচিপাকে একটি পরিকল্পিত ও উন্নত জনপদে রূপ দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
জনসভায় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, পটুয়াখালী-৩ আসনে নুরুল হক নূরের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল হক নুর বলেছেন, জাতীয় সরকার গঠন হলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে মন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গলাচিপা হাই স্কুল মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ দিনের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, দশমিনা ও গলাচিপাকে আর পিছিয়ে থাকতে দেওয়া যাবে না। এই জনপদকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বহুদিন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় সরকার গঠনে যদি ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে আগামী ১২ তারিখ ট্রাক মার্কায় ভোট দিতে হবে।
তিনি বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের হাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ভুল সিদ্ধান্ত নিলে ভবিষ্যৎ শুধু দুর্ভোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং তরুণদের চাকরি-বাকরির সুযোগ নিশ্চিত করতে হলে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।
ভিপি নুর আরও বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। জনগণের অধিকার ও উন্নয়নের জন্য রাজনীতি করি। আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে দশমিনা ও গলাচিপাকে একটি পরিকল্পিত ও উন্নত জনপদে রূপ দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
জনসভায় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, পটুয়াখালী-৩ আসনে নুরুল হক নূরের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৬
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের দশমিনা উপজেলার অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল গভীর রাতে দশমিনা উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ওই অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে আগুন দেয়। এতে অফিসের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। এ বিষয়ে দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাসনাইন পারভেজ জানান, “গতকাল মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় অন্য কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।”
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের দশমিনা উপজেলার অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল গভীর রাতে দশমিনা উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ওই অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে আগুন দেয়। এতে অফিসের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। এ বিষয়ে দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাসনাইন পারভেজ জানান, “গতকাল মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা অস্থায়ী নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় অন্য কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।”

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.