বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে যে আন্দোলন চলছে সেটির বিরুদ্ধে এবার আন্দোলনে নেমেছেন চিকিৎসক-নার্সসহ কর্মরতরা।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা সবার নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় বিভিন্ন দাবি নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়। শুক্রবারের (১৫ আগস্ট) মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন।
ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে বিক্ষোভরতরা হাসপাতালের সামনের বান্দ রোড সড়কে অবস্থান নেন। এরপর সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আবারও ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় হাসপাতালের মাঝের গেটে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়।
সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ। সমাবেশ থেকে আন্দোলনরতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। এতে করে তাদের কর্মপরিবেশ নষ্ট এবং তাদের নিরাপত্তার দাবি তোলেন। শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন শেষ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন চিকিৎসকরা।
আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সাখাওয়াত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাসপাতাল নিয়ে আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি আমাদেরও সমর্থন ছিল।
পরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু জাফর তিনি বরিশালে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দাবি মেনে নেন। কিন্তু এরপরও তারা আন্দোলন চালিয়ে চিকিৎসা সেবায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে আন্দোলনকারীরা সারাক্ষণ হাসপাতালে রোগীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন।
তারা বলেন, এমনকি একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। তারা সারাক্ষণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করে চিকিৎসক ও নার্সসহ হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে মানহানিকর শব্দচয়ন করছে। তারপরও আন্দোলন যৌক্তিকতা থাকায় আমরা চুপ ছিলাম। কিন্তু মহাপরিচালকের আশ্বাসের পর এ আন্দোলনের কোনও যৌক্তিকতা নেই।
চিকিৎসকরা বলেন, কে বা কারা অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করেছে তা আমরা জানি না। আমাদের সাফ কথা, শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাবো। সে ক্ষেত্রে আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে দেশের অন্য হাসপাতালও থাকবে।
এ বিষয়ে হাসপাতালে দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ কমিশনার বেলাল হোসেন বলেন, এখানে কোনও ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা কাজ করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরতদের সঙ্গে বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কথা বলেন এবং দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এরপর আন্দোলনকারীদের একটি অংশ একমাসের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন। একটি অংশ স্বাস্থ্য উপদেষ্টার আসার দাবিতে আন্দোলনে অনড় থাকে।
গল ১৬ দিন ধরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের সব হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করারসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে আন্দোলন করছে ছাত্র-জনতা।
প্রথমে আন্দোলন মেডিক্যাল ক্যাম্পাস এবং নগরী কেন্দ্রিক হলেও পরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকা অবরোধ করলে দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী-পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহন সংশ্লিষ্ট এবং ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা।

০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল নগরীর বাজারব্যবস্থায় অনিয়মের লাগাম টানতে ফের মাঠে নেমেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত তদারকি অভিযানে নানা অনিয়মের প্রমাণ মেলায় ৯ প্রতিষ্ঠানকে মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর স্টিমার ঘাট, স্বরোড, নবগ্রাম রোড ও চৌমাথা এলাকায় একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে বাজারের নিত্যদিনের কেনাবেচার অন্তরালে থাকা নানা অসংগতি খতিয়ে দেখেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। বিশেষ করে ফল, গ্যাস, ডিমসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পণ্যের বিক্রয়ব্যবস্থা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং ভোক্তা-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়।
এ সময় ছয়টি ফলের দোকান, একটি রেস্টুরেন্ট, একটি ওষুধের দোকান এবং একটি মুদি দোকানে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম শনাক্ত হয়। এসব অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সম্মিলিতভাবে ২৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমি রানী মিত্র এবং বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইন্দ্রানী দাস।
অভিযান শেষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, বাজারে ভোক্তার অধিকার ও ব্যবসায়িক শৃঙ্খলার মধ্যে যে ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতেই এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভোক্তার স্বার্থকে উপেক্ষা করে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলেও জানান তারা।
তাদের ভাষ্য, বাজারে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশাল নগরীর বাজারব্যবস্থায় অনিয়মের লাগাম টানতে ফের মাঠে নেমেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত তদারকি অভিযানে নানা অনিয়মের প্রমাণ মেলায় ৯ প্রতিষ্ঠানকে মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর স্টিমার ঘাট, স্বরোড, নবগ্রাম রোড ও চৌমাথা এলাকায় একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে বাজারের নিত্যদিনের কেনাবেচার অন্তরালে থাকা নানা অসংগতি খতিয়ে দেখেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। বিশেষ করে ফল, গ্যাস, ডিমসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পণ্যের বিক্রয়ব্যবস্থা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং ভোক্তা-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়।
এ সময় ছয়টি ফলের দোকান, একটি রেস্টুরেন্ট, একটি ওষুধের দোকান এবং একটি মুদি দোকানে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম শনাক্ত হয়। এসব অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সম্মিলিতভাবে ২৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমি রানী মিত্র এবং বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইন্দ্রানী দাস।
অভিযান শেষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, বাজারে ভোক্তার অধিকার ও ব্যবসায়িক শৃঙ্খলার মধ্যে যে ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতেই এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভোক্তার স্বার্থকে উপেক্ষা করে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলেও জানান তারা।
তাদের ভাষ্য, বাজারে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৯
বরিশাল নগরের রসুলপুর বরফকল এলাকায় পিকআপ ভ্যানে তৈরি করা হয়েছিল গোপন চেম্বার। সেই চেম্বারেই লুকিয়ে আনা হচ্ছিল বিপুল পরিমাণ গাঁজা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৯০ কেজি গাঁজা। আটক করা হয়েছে রাহুল হাওলাদার নামে এক যুবককে।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত নগরের কোতোয়ালি মডেল থানার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর বরফকল এলাকায় অভিযান চালায় ডিএনসির বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের একটি দল।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিকআপ ভ্যানটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ভ্যানটির পাশে থাকা তিনজন পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া দিয়ে রাহুল হাওলাদারকে আটক করা সম্ভব হলেও পালিয়ে যান আরও দুজন।
পরে পিকআপের পেছনের ঢালাইয়ের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারের সন্ধান পান ডিএনসি সদস্যরা। চেম্বার খুলতেই বেরিয়ে আসে স্কচটেপে মোড়ানো ৩০টি পলিথিনের পোটলা। প্রতিটি পোটলায় ছিল তিন কেজি করে গাঁজা। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ৯০ কেজি গাঁজা।
এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের একটি কপিও জব্দ করা হয়।
আটক রাহুল হাওলাদার নগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলাপট্টি এলাকার বাসিন্দা। পলাতক দুজন হলেন মো. সিরাজ মিয়া (৩৭) এবং মো. পলাশ হাওলাদার (৪২)।
বরিশাল ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম বলেন, “গাঁজা পরিবহনের জন্য পিকআপটির পেছনে বিশেষ কায়দায় গোপন চেম্বার তৈরি করা হয়েছিল। পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।
বরিশাল নগরের রসুলপুর বরফকল এলাকায় পিকআপ ভ্যানে তৈরি করা হয়েছিল গোপন চেম্বার। সেই চেম্বারেই লুকিয়ে আনা হচ্ছিল বিপুল পরিমাণ গাঁজা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৯০ কেজি গাঁজা। আটক করা হয়েছে রাহুল হাওলাদার নামে এক যুবককে।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত নগরের কোতোয়ালি মডেল থানার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর বরফকল এলাকায় অভিযান চালায় ডিএনসির বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের একটি দল।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিকআপ ভ্যানটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ভ্যানটির পাশে থাকা তিনজন পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া দিয়ে রাহুল হাওলাদারকে আটক করা সম্ভব হলেও পালিয়ে যান আরও দুজন।
পরে পিকআপের পেছনের ঢালাইয়ের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারের সন্ধান পান ডিএনসি সদস্যরা। চেম্বার খুলতেই বেরিয়ে আসে স্কচটেপে মোড়ানো ৩০টি পলিথিনের পোটলা। প্রতিটি পোটলায় ছিল তিন কেজি করে গাঁজা। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ৯০ কেজি গাঁজা।
এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের একটি কপিও জব্দ করা হয়।
আটক রাহুল হাওলাদার নগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলাপট্টি এলাকার বাসিন্দা। পলাতক দুজন হলেন মো. সিরাজ মিয়া (৩৭) এবং মো. পলাশ হাওলাদার (৪২)।
বরিশাল ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম বলেন, “গাঁজা পরিবহনের জন্য পিকআপটির পেছনে বিশেষ কায়দায় গোপন চেম্বার তৈরি করা হয়েছিল। পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৪
বরিশাল-মাদারীপুর সীমান্তে বাসের সিট নিয়ে বিরোধের জেরে মাদারীপুরের কালকিনি ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে প্রায় ২০টি দোকান। ককটেল বিস্ফোরণ ও মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভের কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সীমান্তবর্তী ভূরঘাটা সেতু এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বরিশাল যাওয়ার জন্য ভূরঘাটা এলাকার একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে যান মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বনগ্রামের বাসিন্দা এমারত ঘরামী। অসুস্থতার কারণে তিনি বাসের সামনের সিট চাইলে কাউন্টারের সুপারভাইজার তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে এমারতের সঙ্গে কাউন্টারের কর্মচারী সবুজ ফকিরের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সবুজের চাচাতো ভাই আকাশ ফকির এসে এমারতকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ওই কাউন্টারে যান এমারত। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে উপস্থিত লোকজন পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সন্ধ্যায় ভূরঘাটা সেতু এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়, দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
সংঘর্ষে ভূরঘাটা এলাকার প্রায় ২০টি দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খবর পেয়ে কালকিনি ও গৌরনদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বরিশাল-মাদারীপুর সীমান্তে বাসের সিট নিয়ে বিরোধের জেরে মাদারীপুরের কালকিনি ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে প্রায় ২০টি দোকান। ককটেল বিস্ফোরণ ও মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভের কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সীমান্তবর্তী ভূরঘাটা সেতু এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বরিশাল যাওয়ার জন্য ভূরঘাটা এলাকার একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে যান মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বনগ্রামের বাসিন্দা এমারত ঘরামী। অসুস্থতার কারণে তিনি বাসের সামনের সিট চাইলে কাউন্টারের সুপারভাইজার তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে এমারতের সঙ্গে কাউন্টারের কর্মচারী সবুজ ফকিরের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সবুজের চাচাতো ভাই আকাশ ফকির এসে এমারতকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ওই কাউন্টারে যান এমারত। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে উপস্থিত লোকজন পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সন্ধ্যায় ভূরঘাটা সেতু এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়, দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
সংঘর্ষে ভূরঘাটা এলাকার প্রায় ২০টি দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খবর পেয়ে কালকিনি ও গৌরনদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

১৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:৫১
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে যে আন্দোলন চলছে সেটির বিরুদ্ধে এবার আন্দোলনে নেমেছেন চিকিৎসক-নার্সসহ কর্মরতরা।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা সবার নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় বিভিন্ন দাবি নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়। শুক্রবারের (১৫ আগস্ট) মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন।
ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে বিক্ষোভরতরা হাসপাতালের সামনের বান্দ রোড সড়কে অবস্থান নেন। এরপর সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আবারও ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় হাসপাতালের মাঝের গেটে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়।
সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ। সমাবেশ থেকে আন্দোলনরতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। এতে করে তাদের কর্মপরিবেশ নষ্ট এবং তাদের নিরাপত্তার দাবি তোলেন। শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন শেষ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন চিকিৎসকরা।
আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সাখাওয়াত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাসপাতাল নিয়ে আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি আমাদেরও সমর্থন ছিল।
পরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু জাফর তিনি বরিশালে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দাবি মেনে নেন। কিন্তু এরপরও তারা আন্দোলন চালিয়ে চিকিৎসা সেবায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে আন্দোলনকারীরা সারাক্ষণ হাসপাতালে রোগীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন।
তারা বলেন, এমনকি একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। তারা সারাক্ষণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করে চিকিৎসক ও নার্সসহ হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে মানহানিকর শব্দচয়ন করছে। তারপরও আন্দোলন যৌক্তিকতা থাকায় আমরা চুপ ছিলাম। কিন্তু মহাপরিচালকের আশ্বাসের পর এ আন্দোলনের কোনও যৌক্তিকতা নেই।
চিকিৎসকরা বলেন, কে বা কারা অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করেছে তা আমরা জানি না। আমাদের সাফ কথা, শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাবো। সে ক্ষেত্রে আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে দেশের অন্য হাসপাতালও থাকবে।
এ বিষয়ে হাসপাতালে দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ কমিশনার বেলাল হোসেন বলেন, এখানে কোনও ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা কাজ করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরতদের সঙ্গে বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কথা বলেন এবং দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এরপর আন্দোলনকারীদের একটি অংশ একমাসের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন। একটি অংশ স্বাস্থ্য উপদেষ্টার আসার দাবিতে আন্দোলনে অনড় থাকে।
গল ১৬ দিন ধরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের সব হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করারসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে আন্দোলন করছে ছাত্র-জনতা।
প্রথমে আন্দোলন মেডিক্যাল ক্যাম্পাস এবং নগরী কেন্দ্রিক হলেও পরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকা অবরোধ করলে দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী-পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহন সংশ্লিষ্ট এবং ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:০২
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৩৯
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩৫
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২২