
১৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:৫১
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে যে আন্দোলন চলছে সেটির বিরুদ্ধে এবার আন্দোলনে নেমেছেন চিকিৎসক-নার্সসহ কর্মরতরা।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা সবার নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় বিভিন্ন দাবি নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়। শুক্রবারের (১৫ আগস্ট) মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন।
ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে বিক্ষোভরতরা হাসপাতালের সামনের বান্দ রোড সড়কে অবস্থান নেন। এরপর সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আবারও ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় হাসপাতালের মাঝের গেটে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়।
সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ। সমাবেশ থেকে আন্দোলনরতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। এতে করে তাদের কর্মপরিবেশ নষ্ট এবং তাদের নিরাপত্তার দাবি তোলেন। শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন শেষ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন চিকিৎসকরা।
আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সাখাওয়াত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাসপাতাল নিয়ে আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি আমাদেরও সমর্থন ছিল।
পরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু জাফর তিনি বরিশালে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দাবি মেনে নেন। কিন্তু এরপরও তারা আন্দোলন চালিয়ে চিকিৎসা সেবায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে আন্দোলনকারীরা সারাক্ষণ হাসপাতালে রোগীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন।
তারা বলেন, এমনকি একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। তারা সারাক্ষণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করে চিকিৎসক ও নার্সসহ হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে মানহানিকর শব্দচয়ন করছে। তারপরও আন্দোলন যৌক্তিকতা থাকায় আমরা চুপ ছিলাম। কিন্তু মহাপরিচালকের আশ্বাসের পর এ আন্দোলনের কোনও যৌক্তিকতা নেই।
চিকিৎসকরা বলেন, কে বা কারা অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করেছে তা আমরা জানি না। আমাদের সাফ কথা, শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাবো। সে ক্ষেত্রে আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে দেশের অন্য হাসপাতালও থাকবে।
এ বিষয়ে হাসপাতালে দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ কমিশনার বেলাল হোসেন বলেন, এখানে কোনও ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা কাজ করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরতদের সঙ্গে বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কথা বলেন এবং দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এরপর আন্দোলনকারীদের একটি অংশ একমাসের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন। একটি অংশ স্বাস্থ্য উপদেষ্টার আসার দাবিতে আন্দোলনে অনড় থাকে।
গল ১৬ দিন ধরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের সব হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করারসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে আন্দোলন করছে ছাত্র-জনতা।
প্রথমে আন্দোলন মেডিক্যাল ক্যাম্পাস এবং নগরী কেন্দ্রিক হলেও পরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকা অবরোধ করলে দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী-পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহন সংশ্লিষ্ট এবং ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে যে আন্দোলন চলছে সেটির বিরুদ্ধে এবার আন্দোলনে নেমেছেন চিকিৎসক-নার্সসহ কর্মরতরা।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা সবার নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় বিভিন্ন দাবি নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়। শুক্রবারের (১৫ আগস্ট) মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন।
ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে বিক্ষোভরতরা হাসপাতালের সামনের বান্দ রোড সড়কে অবস্থান নেন। এরপর সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আবারও ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় হাসপাতালের মাঝের গেটে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে তুলে দেওয়া হয়।
সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ। সমাবেশ থেকে আন্দোলনরতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। এতে করে তাদের কর্মপরিবেশ নষ্ট এবং তাদের নিরাপত্তার দাবি তোলেন। শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন শেষ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন চিকিৎসকরা।
আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সাখাওয়াত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাসপাতাল নিয়ে আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি আমাদেরও সমর্থন ছিল।
পরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু জাফর তিনি বরিশালে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দাবি মেনে নেন। কিন্তু এরপরও তারা আন্দোলন চালিয়ে চিকিৎসা সেবায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে আন্দোলনকারীরা সারাক্ষণ হাসপাতালে রোগীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন।
তারা বলেন, এমনকি একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। তারা সারাক্ষণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করে চিকিৎসক ও নার্সসহ হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে মানহানিকর শব্দচয়ন করছে। তারপরও আন্দোলন যৌক্তিকতা থাকায় আমরা চুপ ছিলাম। কিন্তু মহাপরিচালকের আশ্বাসের পর এ আন্দোলনের কোনও যৌক্তিকতা নেই।
চিকিৎসকরা বলেন, কে বা কারা অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করেছে তা আমরা জানি না। আমাদের সাফ কথা, শুক্রবারের মধ্যে এ আন্দোলন বন্ধ না হলে শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাবো। সে ক্ষেত্রে আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে দেশের অন্য হাসপাতালও থাকবে।
এ বিষয়ে হাসপাতালে দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ কমিশনার বেলাল হোসেন বলেন, এখানে কোনও ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা কাজ করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরতদের সঙ্গে বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কথা বলেন এবং দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এরপর আন্দোলনকারীদের একটি অংশ একমাসের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন। একটি অংশ স্বাস্থ্য উপদেষ্টার আসার দাবিতে আন্দোলনে অনড় থাকে।
গল ১৬ দিন ধরে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের সব হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করারসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে আন্দোলন করছে ছাত্র-জনতা।
প্রথমে আন্দোলন মেডিক্যাল ক্যাম্পাস এবং নগরী কেন্দ্রিক হলেও পরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকা অবরোধ করলে দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী-পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহন সংশ্লিষ্ট এবং ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৪
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কাকরধা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৪ টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের কাকরধা বাজারে এ অগ্নিকান্ডে ঘটে।
মুহুর্তের মধ্যে সেই আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পরলে মোঃ খালেক হাওলাদার মুদি দোকান, আলাউদ্দিন হাওলাদারের হার্ডওয়ারের দোকান, ইউনুস সিকদারের কম্পিউটারের দোকান, বাচ্চুর জুতার দোকান, জুয়েল খানের চায়ের দোকান, মোয়াজ্জেম হাওলাদারের মুদি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ী খালেক হাওলাদার জানিয়েছেন, আগুনে মোট ছয়টি দোকান পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কাকরধা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৪ টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের কাকরধা বাজারে এ অগ্নিকান্ডে ঘটে।
মুহুর্তের মধ্যে সেই আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পরলে মোঃ খালেক হাওলাদার মুদি দোকান, আলাউদ্দিন হাওলাদারের হার্ডওয়ারের দোকান, ইউনুস সিকদারের কম্পিউটারের দোকান, বাচ্চুর জুতার দোকান, জুয়েল খানের চায়ের দোকান, মোয়াজ্জেম হাওলাদারের মুদি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ী খালেক হাওলাদার জানিয়েছেন, আগুনে মোট ছয়টি দোকান পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৪
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হচ্ছে এসব উপকরণ। একই সঙ্গে চলছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ।
রোববার সকাল থেকে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলার উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম। এদিকে উপজেলা পর্যায়েও শুরু হয়েছে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হচ্ছে ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিসিয়াল সিলসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদি এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো গ্রহণ করেছি। ঢাকা থেকে এনে প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় তথা ইউএনও কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালের কোনো নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হচ্ছে এসব উপকরণ। একই সঙ্গে চলছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ।
রোববার সকাল থেকে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলার উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম। এদিকে উপজেলা পর্যায়েও শুরু হয়েছে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হচ্ছে ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিসিয়াল সিলসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদি এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো গ্রহণ করেছি। ঢাকা থেকে এনে প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় তথা ইউএনও কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালের কোনো নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৪
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৮