
২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৬
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা। তিনি এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে খাদিজা লেখেন, ‘যতদিন পর্যন্ত আমি রাজনীতিতে আসিনি, ততদিন পর্যন্ত আমি ভালো ছিলাম। আর এখন এক মাসেই আমার এত দোষ, আমি খারাপ হয়ে গেলাম? এসেছিলাম পরিবর্তন করতে। কিন্তু এসব নোংরামির কারণে বুঝতে পারছি কেন মেয়েরা এই সেক্টরে আসে না বা আসতে চায় না।’
তিনি আরো লেখেন, ‘অনলাইনে ফেক আইডি, স্লাট শেমিং, বট আইডি, ব্যাশিং—সবকিছুই বুঝলাম। মেনে নিলাম।
কিন্তু সাংবাদিকরা? একেকজন কল দিয়ে এত মিথ্যা অপবাদ, উল্টাপাল্টা প্রশ্ন আর মানসিক প্রেসার নিতে পারছি না। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একজন কল দিলে যখন কথায় পারে না, পাশ থেকে আরেকজন শিখিয়ে দিচ্ছে।সাংবাদিক হয়েছেন লিবারেল থাকুন। কেনো একটা নির্দিষ্ট দলের চাটামি করেন?’
১৫ মাস কারাগারে থেকেও এত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হইনি, যতটা গত কিছু দিনে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি লিখেন, ‘আমি কারো সঙ্গে কখনো খারাপ কিছু করিনি।
আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা আমাকে নিয়ে নোংরামি করিয়েন না, প্লিজ! এসব লোকদের ব্যাপারে স্টেপ নেওয়ার কি কেউ নেই।’
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নূর নবী অস্থি ক্যান্সারের (অস্টিওসারকোমা) বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তার বাম পা কেটে ফেলা হলেও তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন তিনি সাভার থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সপ্তম সেমেস্টারের ক্লাসও সম্পন্ন করেছেন। সম্প্রতি তার চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি চ্যারিটি কনসার্ট আয়োজন করা হয়।
কনসার্টে খাদিজাতুল কুবরা ঘোষণা দেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ক্যান্সার আক্রান্ত নূর নবীর জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে আমি ৫০ হাজার টাকা ফান্ড রেইজ করেছি। আপনারা সবাই আমাকে দোয়ায় রাখবেন, যাতে ভবিষ্যতেও আপনাদের পাশে থাকতে পারি।’ তবে মূলত এই অনুদান নিয়েই প্রশ্নের মুখে পড়েছেন জিএস প্রার্থী খাদিজা, কারণ কনসার্টের অনুমতিপত্রে নির্বাচনী কমিশনের শর্ত ছিল, ‘কনসার্টের মঞ্চে কোনো স্বতন্ত্র/প্যানেলের প্রার্থী উপস্থিত থাকতে পারবেন না।’
ওই স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে তিনি আরো লিখেন, ‘‘আবারও ক্লিয়ার করছি, আমি ঢালাওভাবে সকল সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এ কথাগুলো বলিনি। নির্দিষ্ট একটি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে যারা কাজ করছেন, আমাকে বিভিন্নভাবে ‘চাপে’ রাখা বা দমানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন শুধু তাদের উদ্দেশ্য করে বলেছি। সবদিক থেকে ব্যর্থ হয়ে এবার সাংবাদিক নামধারী কিছু লোক সাংবাদিক পরিচয়ে আমাকে ফোনকল করে উদ্ভট প্রশ্ন করছেন, যাতে আমি মুখ ফসকে কিছু একটা বলি। তাদের উদ্দেশ্যে আমি আবারও বলছি, আমি মজলুম। আমি সবসময় নির্যাতিতদের পক্ষে আছি আর আমৃত্যু অসহায়-বঞ্চিতদের পাশে থেকে কাজ করে যাব। এতে যদি আমার মৃত্যুও হয় আমি পিছপা হবো না। কথা দিলাম। এ যাত্রায় আপনারা যারা সাংবাদিকতার ইথিক্স মেনে কাজ করেন তারা আমার জন্য দোয়া করবেন। সকলের কাছে দোয়া চাই। আল্লাহ আমাদের সকলের সকল ভালো কাজ কবুল করে নেক। আরো বেশি বেশি ভালো কাজ করার তৌফিক দান করুক। আমিন।’’
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা। তিনি এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে খাদিজা লেখেন, ‘যতদিন পর্যন্ত আমি রাজনীতিতে আসিনি, ততদিন পর্যন্ত আমি ভালো ছিলাম। আর এখন এক মাসেই আমার এত দোষ, আমি খারাপ হয়ে গেলাম? এসেছিলাম পরিবর্তন করতে। কিন্তু এসব নোংরামির কারণে বুঝতে পারছি কেন মেয়েরা এই সেক্টরে আসে না বা আসতে চায় না।’
তিনি আরো লেখেন, ‘অনলাইনে ফেক আইডি, স্লাট শেমিং, বট আইডি, ব্যাশিং—সবকিছুই বুঝলাম। মেনে নিলাম।
কিন্তু সাংবাদিকরা? একেকজন কল দিয়ে এত মিথ্যা অপবাদ, উল্টাপাল্টা প্রশ্ন আর মানসিক প্রেসার নিতে পারছি না। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একজন কল দিলে যখন কথায় পারে না, পাশ থেকে আরেকজন শিখিয়ে দিচ্ছে।সাংবাদিক হয়েছেন লিবারেল থাকুন। কেনো একটা নির্দিষ্ট দলের চাটামি করেন?’
১৫ মাস কারাগারে থেকেও এত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হইনি, যতটা গত কিছু দিনে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি লিখেন, ‘আমি কারো সঙ্গে কখনো খারাপ কিছু করিনি।
আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা আমাকে নিয়ে নোংরামি করিয়েন না, প্লিজ! এসব লোকদের ব্যাপারে স্টেপ নেওয়ার কি কেউ নেই।’
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নূর নবী অস্থি ক্যান্সারের (অস্টিওসারকোমা) বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তার বাম পা কেটে ফেলা হলেও তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন তিনি সাভার থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সপ্তম সেমেস্টারের ক্লাসও সম্পন্ন করেছেন। সম্প্রতি তার চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি চ্যারিটি কনসার্ট আয়োজন করা হয়।
কনসার্টে খাদিজাতুল কুবরা ঘোষণা দেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ক্যান্সার আক্রান্ত নূর নবীর জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে আমি ৫০ হাজার টাকা ফান্ড রেইজ করেছি। আপনারা সবাই আমাকে দোয়ায় রাখবেন, যাতে ভবিষ্যতেও আপনাদের পাশে থাকতে পারি।’ তবে মূলত এই অনুদান নিয়েই প্রশ্নের মুখে পড়েছেন জিএস প্রার্থী খাদিজা, কারণ কনসার্টের অনুমতিপত্রে নির্বাচনী কমিশনের শর্ত ছিল, ‘কনসার্টের মঞ্চে কোনো স্বতন্ত্র/প্যানেলের প্রার্থী উপস্থিত থাকতে পারবেন না।’
ওই স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে তিনি আরো লিখেন, ‘‘আবারও ক্লিয়ার করছি, আমি ঢালাওভাবে সকল সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এ কথাগুলো বলিনি। নির্দিষ্ট একটি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে যারা কাজ করছেন, আমাকে বিভিন্নভাবে ‘চাপে’ রাখা বা দমানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন শুধু তাদের উদ্দেশ্য করে বলেছি। সবদিক থেকে ব্যর্থ হয়ে এবার সাংবাদিক নামধারী কিছু লোক সাংবাদিক পরিচয়ে আমাকে ফোনকল করে উদ্ভট প্রশ্ন করছেন, যাতে আমি মুখ ফসকে কিছু একটা বলি। তাদের উদ্দেশ্যে আমি আবারও বলছি, আমি মজলুম। আমি সবসময় নির্যাতিতদের পক্ষে আছি আর আমৃত্যু অসহায়-বঞ্চিতদের পাশে থেকে কাজ করে যাব। এতে যদি আমার মৃত্যুও হয় আমি পিছপা হবো না। কথা দিলাম। এ যাত্রায় আপনারা যারা সাংবাদিকতার ইথিক্স মেনে কাজ করেন তারা আমার জন্য দোয়া করবেন। সকলের কাছে দোয়া চাই। আল্লাহ আমাদের সকলের সকল ভালো কাজ কবুল করে নেক। আরো বেশি বেশি ভালো কাজ করার তৌফিক দান করুক। আমিন।’’

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪২
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দিগাবো গ্রামের কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা বেগম একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। পাঁচ নবজাতক এবং তাদের মা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) প্রসব বেদনা নিয়ে তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে একে একে পৃথিবীর আলো দেখে পাঁচ নবজাতক। জন্ম নেয়া এই পাঁচ শিশুর মধ্যে তিনটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে।
সাধারণত এমন বহুমাত্রিক প্রসবে শিশুদের ওজন ও স্বাস্থ্য নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। তবে এবারের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। চিকিৎসকরা একে দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে এক অনন্য ও বিরল ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।
সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানিয়েছেন, নবজাতকদের সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজি। প্রতিটি শিশুর ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে রয়েছে। যা এই পরিস্থিতিতে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
এদিকে বিরল এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সন্তানদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে এখনই গণমাধ্যমের সামনে আসতে চাননি বাবা-মা ও স্বজনরা।
জানা গেছে, বর্তমানে মা-শিশুরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে ছাড়পত্র নিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরেছেন। একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার এই ঘটনাকে দেশের চিকিৎসা খাতের বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দিগাবো গ্রামের কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা বেগম একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। পাঁচ নবজাতক এবং তাদের মা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) প্রসব বেদনা নিয়ে তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে একে একে পৃথিবীর আলো দেখে পাঁচ নবজাতক। জন্ম নেয়া এই পাঁচ শিশুর মধ্যে তিনটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে।
সাধারণত এমন বহুমাত্রিক প্রসবে শিশুদের ওজন ও স্বাস্থ্য নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। তবে এবারের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। চিকিৎসকরা একে দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে এক অনন্য ও বিরল ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।
সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানিয়েছেন, নবজাতকদের সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজি। প্রতিটি শিশুর ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে রয়েছে। যা এই পরিস্থিতিতে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
এদিকে বিরল এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সন্তানদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে এখনই গণমাধ্যমের সামনে আসতে চাননি বাবা-মা ও স্বজনরা।
জানা গেছে, বর্তমানে মা-শিশুরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে ছাড়পত্র নিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরেছেন। একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার এই ঘটনাকে দেশের চিকিৎসা খাতের বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৪
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বন্ধুকে সঙ্গ দিতে নিজেদের মাথা ন্যাড়া করে বন্ধুত্বের এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন পাঁচ যুবক। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার বড়ভিটা বাজারের একটি সেলুনে এ ঘটনা ঘটে।
একসঙ্গে ন্যাড়া হওয়া যুবকেরা হলেন— রকি, সৌরভ, মোস্তাফিজার সুভোর দেব ও ফিরোজ। নাপিতের দোকানে চুল কাটিংয়ে অস্বাভাবিক হওয়ায় বন্ধুত্বের এই ব্যতিক্রমী ও মজার ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, স্থানীয় পাঁচ যুবক একসঙ্গে চুল কাটাতে বড়ভিটা বাজারের একটি সেলুনে যান। তাদের মধ্যে একজন প্রথমে চুল কাটানোর সময় তার কাটিং এলোমেলো হয়ে যায়।
এতে তিনি বিব্রত হয়ে পড়েন এবং সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন। এসময় অন্য চার বন্ধুরা তার বিব্রতকর পরিস্থিতি উপলব্ধি করে তাকে একা না রেখে সবাই একসঙ্গে মাথা ন্যাড়া করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে পাঁচ বন্ধুই মাথা ন্যাড়া করে দোকান থেকে বের হন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় স্থানীয়দের মাঝে হাস্যরসের মধ্যে দিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তাদের বন্ধুত্বের এমন দৃষ্টান্তকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন। বন্ধু ফিরোজ বলেন, আমরা ৫ বন্ধু, সকলের বাড়ি পাশাপাশি।
সব সময় এক সঙ্গেই চলাফেরা করি। ঘটনার দিন চুল কাটার সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম বন্ধুর চুলের কাটিং অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় সে বিব্রত বোধ করছিল। সেই পরিস্থিতিতে তাকে সঙ্গ দিতে ৫ বন্ধুই তাৎক্ষণিকভাবে ন্যাড়া হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।
স্থানীয় বাসিন্দা বিপ্লব বলেন, এমন ঘটনা আগে কখনো দেখিনি। বন্ধুত্বের সম্পর্ক যে এতটা গভীর হতে পারে তা এই পাঁচ বন্ধুকে না দেখলে বিশ্বাসই করতাম না।
একজন বন্ধুর জন্য বাকিরা নিজের চুল কেটেছেন— এটা সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে করে এলাকায় একটি ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি তাৎক্ষণিক সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজনরা তাদের এই বন্ধুত্বকে সাধুবাদ জানান।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বন্ধুকে সঙ্গ দিতে নিজেদের মাথা ন্যাড়া করে বন্ধুত্বের এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন পাঁচ যুবক। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার বড়ভিটা বাজারের একটি সেলুনে এ ঘটনা ঘটে।
একসঙ্গে ন্যাড়া হওয়া যুবকেরা হলেন— রকি, সৌরভ, মোস্তাফিজার সুভোর দেব ও ফিরোজ। নাপিতের দোকানে চুল কাটিংয়ে অস্বাভাবিক হওয়ায় বন্ধুত্বের এই ব্যতিক্রমী ও মজার ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, স্থানীয় পাঁচ যুবক একসঙ্গে চুল কাটাতে বড়ভিটা বাজারের একটি সেলুনে যান। তাদের মধ্যে একজন প্রথমে চুল কাটানোর সময় তার কাটিং এলোমেলো হয়ে যায়।
এতে তিনি বিব্রত হয়ে পড়েন এবং সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন। এসময় অন্য চার বন্ধুরা তার বিব্রতকর পরিস্থিতি উপলব্ধি করে তাকে একা না রেখে সবাই একসঙ্গে মাথা ন্যাড়া করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে পাঁচ বন্ধুই মাথা ন্যাড়া করে দোকান থেকে বের হন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় স্থানীয়দের মাঝে হাস্যরসের মধ্যে দিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তাদের বন্ধুত্বের এমন দৃষ্টান্তকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন। বন্ধু ফিরোজ বলেন, আমরা ৫ বন্ধু, সকলের বাড়ি পাশাপাশি।
সব সময় এক সঙ্গেই চলাফেরা করি। ঘটনার দিন চুল কাটার সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম বন্ধুর চুলের কাটিং অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় সে বিব্রত বোধ করছিল। সেই পরিস্থিতিতে তাকে সঙ্গ দিতে ৫ বন্ধুই তাৎক্ষণিকভাবে ন্যাড়া হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।
স্থানীয় বাসিন্দা বিপ্লব বলেন, এমন ঘটনা আগে কখনো দেখিনি। বন্ধুত্বের সম্পর্ক যে এতটা গভীর হতে পারে তা এই পাঁচ বন্ধুকে না দেখলে বিশ্বাসই করতাম না।
একজন বন্ধুর জন্য বাকিরা নিজের চুল কেটেছেন— এটা সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে করে এলাকায় একটি ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি তাৎক্ষণিক সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজনরা তাদের এই বন্ধুত্বকে সাধুবাদ জানান।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫৭
জামালপুরের মেলান্দহে উঁচু গাছে উঠে ডাল কাটতে গিয়ে জ্ঞান হারালেন হজরত আলী নামের এক বৃদ্ধ। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার হাতিজা এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হজরত আলী (৭০) তার নিজ বাড়ির কাছে রাস্তার পাশে একটি উঁচু গাছে ডাল কাটতে ওঠেন। গাছ থেকে নিচের দিকে তাকিয়ে ভয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ওই অবস্থায় গাছের ডালের ফাঁকে আটকে ছিলেন তিনি। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল তাকে উদ্ধার করে।
ইসলামপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হজরত আলীকে উদ্ধার করে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। তিনি কিছুটা সুস্থ আছেন।
জামালপুরের মেলান্দহে উঁচু গাছে উঠে ডাল কাটতে গিয়ে জ্ঞান হারালেন হজরত আলী নামের এক বৃদ্ধ। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার হাতিজা এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হজরত আলী (৭০) তার নিজ বাড়ির কাছে রাস্তার পাশে একটি উঁচু গাছে ডাল কাটতে ওঠেন। গাছ থেকে নিচের দিকে তাকিয়ে ভয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ওই অবস্থায় গাছের ডালের ফাঁকে আটকে ছিলেন তিনি। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল তাকে উদ্ধার করে।
ইসলামপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হজরত আলীকে উদ্ধার করে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। তিনি কিছুটা সুস্থ আছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.