
২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৬
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা। তিনি এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে খাদিজা লেখেন, ‘যতদিন পর্যন্ত আমি রাজনীতিতে আসিনি, ততদিন পর্যন্ত আমি ভালো ছিলাম। আর এখন এক মাসেই আমার এত দোষ, আমি খারাপ হয়ে গেলাম? এসেছিলাম পরিবর্তন করতে। কিন্তু এসব নোংরামির কারণে বুঝতে পারছি কেন মেয়েরা এই সেক্টরে আসে না বা আসতে চায় না।’
তিনি আরো লেখেন, ‘অনলাইনে ফেক আইডি, স্লাট শেমিং, বট আইডি, ব্যাশিং—সবকিছুই বুঝলাম। মেনে নিলাম।
কিন্তু সাংবাদিকরা? একেকজন কল দিয়ে এত মিথ্যা অপবাদ, উল্টাপাল্টা প্রশ্ন আর মানসিক প্রেসার নিতে পারছি না। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একজন কল দিলে যখন কথায় পারে না, পাশ থেকে আরেকজন শিখিয়ে দিচ্ছে।সাংবাদিক হয়েছেন লিবারেল থাকুন। কেনো একটা নির্দিষ্ট দলের চাটামি করেন?’
১৫ মাস কারাগারে থেকেও এত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হইনি, যতটা গত কিছু দিনে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি লিখেন, ‘আমি কারো সঙ্গে কখনো খারাপ কিছু করিনি।
আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা আমাকে নিয়ে নোংরামি করিয়েন না, প্লিজ! এসব লোকদের ব্যাপারে স্টেপ নেওয়ার কি কেউ নেই।’
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নূর নবী অস্থি ক্যান্সারের (অস্টিওসারকোমা) বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তার বাম পা কেটে ফেলা হলেও তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন তিনি সাভার থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সপ্তম সেমেস্টারের ক্লাসও সম্পন্ন করেছেন। সম্প্রতি তার চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি চ্যারিটি কনসার্ট আয়োজন করা হয়।
কনসার্টে খাদিজাতুল কুবরা ঘোষণা দেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ক্যান্সার আক্রান্ত নূর নবীর জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে আমি ৫০ হাজার টাকা ফান্ড রেইজ করেছি। আপনারা সবাই আমাকে দোয়ায় রাখবেন, যাতে ভবিষ্যতেও আপনাদের পাশে থাকতে পারি।’ তবে মূলত এই অনুদান নিয়েই প্রশ্নের মুখে পড়েছেন জিএস প্রার্থী খাদিজা, কারণ কনসার্টের অনুমতিপত্রে নির্বাচনী কমিশনের শর্ত ছিল, ‘কনসার্টের মঞ্চে কোনো স্বতন্ত্র/প্যানেলের প্রার্থী উপস্থিত থাকতে পারবেন না।’
ওই স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে তিনি আরো লিখেন, ‘‘আবারও ক্লিয়ার করছি, আমি ঢালাওভাবে সকল সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এ কথাগুলো বলিনি। নির্দিষ্ট একটি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে যারা কাজ করছেন, আমাকে বিভিন্নভাবে ‘চাপে’ রাখা বা দমানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন শুধু তাদের উদ্দেশ্য করে বলেছি। সবদিক থেকে ব্যর্থ হয়ে এবার সাংবাদিক নামধারী কিছু লোক সাংবাদিক পরিচয়ে আমাকে ফোনকল করে উদ্ভট প্রশ্ন করছেন, যাতে আমি মুখ ফসকে কিছু একটা বলি। তাদের উদ্দেশ্যে আমি আবারও বলছি, আমি মজলুম। আমি সবসময় নির্যাতিতদের পক্ষে আছি আর আমৃত্যু অসহায়-বঞ্চিতদের পাশে থেকে কাজ করে যাব। এতে যদি আমার মৃত্যুও হয় আমি পিছপা হবো না। কথা দিলাম। এ যাত্রায় আপনারা যারা সাংবাদিকতার ইথিক্স মেনে কাজ করেন তারা আমার জন্য দোয়া করবেন। সকলের কাছে দোয়া চাই। আল্লাহ আমাদের সকলের সকল ভালো কাজ কবুল করে নেক। আরো বেশি বেশি ভালো কাজ করার তৌফিক দান করুক। আমিন।’’
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা। তিনি এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে খাদিজা লেখেন, ‘যতদিন পর্যন্ত আমি রাজনীতিতে আসিনি, ততদিন পর্যন্ত আমি ভালো ছিলাম। আর এখন এক মাসেই আমার এত দোষ, আমি খারাপ হয়ে গেলাম? এসেছিলাম পরিবর্তন করতে। কিন্তু এসব নোংরামির কারণে বুঝতে পারছি কেন মেয়েরা এই সেক্টরে আসে না বা আসতে চায় না।’
তিনি আরো লেখেন, ‘অনলাইনে ফেক আইডি, স্লাট শেমিং, বট আইডি, ব্যাশিং—সবকিছুই বুঝলাম। মেনে নিলাম।
কিন্তু সাংবাদিকরা? একেকজন কল দিয়ে এত মিথ্যা অপবাদ, উল্টাপাল্টা প্রশ্ন আর মানসিক প্রেসার নিতে পারছি না। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একজন কল দিলে যখন কথায় পারে না, পাশ থেকে আরেকজন শিখিয়ে দিচ্ছে।সাংবাদিক হয়েছেন লিবারেল থাকুন। কেনো একটা নির্দিষ্ট দলের চাটামি করেন?’
১৫ মাস কারাগারে থেকেও এত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হইনি, যতটা গত কিছু দিনে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি লিখেন, ‘আমি কারো সঙ্গে কখনো খারাপ কিছু করিনি।
আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা আমাকে নিয়ে নোংরামি করিয়েন না, প্লিজ! এসব লোকদের ব্যাপারে স্টেপ নেওয়ার কি কেউ নেই।’
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নূর নবী অস্থি ক্যান্সারের (অস্টিওসারকোমা) বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তার বাম পা কেটে ফেলা হলেও তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন তিনি সাভার থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সপ্তম সেমেস্টারের ক্লাসও সম্পন্ন করেছেন। সম্প্রতি তার চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি চ্যারিটি কনসার্ট আয়োজন করা হয়।
কনসার্টে খাদিজাতুল কুবরা ঘোষণা দেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ক্যান্সার আক্রান্ত নূর নবীর জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে আমি ৫০ হাজার টাকা ফান্ড রেইজ করেছি। আপনারা সবাই আমাকে দোয়ায় রাখবেন, যাতে ভবিষ্যতেও আপনাদের পাশে থাকতে পারি।’ তবে মূলত এই অনুদান নিয়েই প্রশ্নের মুখে পড়েছেন জিএস প্রার্থী খাদিজা, কারণ কনসার্টের অনুমতিপত্রে নির্বাচনী কমিশনের শর্ত ছিল, ‘কনসার্টের মঞ্চে কোনো স্বতন্ত্র/প্যানেলের প্রার্থী উপস্থিত থাকতে পারবেন না।’
ওই স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে তিনি আরো লিখেন, ‘‘আবারও ক্লিয়ার করছি, আমি ঢালাওভাবে সকল সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এ কথাগুলো বলিনি। নির্দিষ্ট একটি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে যারা কাজ করছেন, আমাকে বিভিন্নভাবে ‘চাপে’ রাখা বা দমানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন শুধু তাদের উদ্দেশ্য করে বলেছি। সবদিক থেকে ব্যর্থ হয়ে এবার সাংবাদিক নামধারী কিছু লোক সাংবাদিক পরিচয়ে আমাকে ফোনকল করে উদ্ভট প্রশ্ন করছেন, যাতে আমি মুখ ফসকে কিছু একটা বলি। তাদের উদ্দেশ্যে আমি আবারও বলছি, আমি মজলুম। আমি সবসময় নির্যাতিতদের পক্ষে আছি আর আমৃত্যু অসহায়-বঞ্চিতদের পাশে থেকে কাজ করে যাব। এতে যদি আমার মৃত্যুও হয় আমি পিছপা হবো না। কথা দিলাম। এ যাত্রায় আপনারা যারা সাংবাদিকতার ইথিক্স মেনে কাজ করেন তারা আমার জন্য দোয়া করবেন। সকলের কাছে দোয়া চাই। আল্লাহ আমাদের সকলের সকল ভালো কাজ কবুল করে নেক। আরো বেশি বেশি ভালো কাজ করার তৌফিক দান করুক। আমিন।’’

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৫
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৪
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৯৯০ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশাল টাইমস

১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩০
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৯৯০ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশাল টাইমস
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’