
০৮ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:১৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জে জাল সনদের অভিযোগে ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির পদ থেকে মো. সোহাগ হাওলাদারকে বাতিল করেছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অভিযুক্ত সোহাগ হাওলাদার উপজেলার চরাদী ইউনিয়নের মোহাম্মদ বারেক হাওলাদার ছেলে ও একই ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জাল সনদপত্র দিয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া নিয়ে মো. সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তি করে বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. সোহাগ হাওলাদারের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হয়।
এতে শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়া অভিযুক্ত সভাপতি সোহাগ হাওলাদারের বিবিএ সনদ ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার নোটিশ জারি করে শিক্ষা বোর্ড।
শিক্ষা বোর্ডের পাঠানো নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪ এর ধারা ৭২ অনুযায়ী বর্ণিত কমিটির সভাপতির পদ বাতিল করা হয়েছে।
জানা গেছে, ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটিতে নিযুক্ত বিএনপির নেতা সোহাগ হাওলার দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ পাশের সনদ জমা দিয়েছিলেন।
ওই সনদ নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর স্থানীয় মো. সাইফুল ইসলাম (২৫) জুন সনদ যাচাইয়ের জন্য আবেদন করেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত চিঠিতে সোহাগের বিবিএ পাসের সনদটি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় নয় বলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, আবেদনকারী শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।
এ বিষয়ে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, মো. সোহাগ হাওলাদার সনদটি জাল সে বিষয়ে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো. মহসীন ভূঁইঞার পাঠানো প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরে বোর্ড কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।
তিনি বলেন, ওই কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন এবং অভিযুক্ত মো. সোহাগ হাওলাদারকে মূল সনদ নিয়ে বোর্ডে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য নোটিশ করা হয়েছিল। তিনি তার স্বপক্ষে যথাযথ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে কমিটির সভাপতি পদ থেকে তাকে বাদ দিয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. আনিচুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠানো বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদ থেকে সোহাগ হাওলাদারকে বাতিলের নোটিশ হাতে পেয়েছি।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে জাল সনদের অভিযোগে ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির পদ থেকে মো. সোহাগ হাওলাদারকে বাতিল করেছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অভিযুক্ত সোহাগ হাওলাদার উপজেলার চরাদী ইউনিয়নের মোহাম্মদ বারেক হাওলাদার ছেলে ও একই ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জাল সনদপত্র দিয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া নিয়ে মো. সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তি করে বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. সোহাগ হাওলাদারের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হয়।
এতে শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়া অভিযুক্ত সভাপতি সোহাগ হাওলাদারের বিবিএ সনদ ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার নোটিশ জারি করে শিক্ষা বোর্ড।
শিক্ষা বোর্ডের পাঠানো নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪ এর ধারা ৭২ অনুযায়ী বর্ণিত কমিটির সভাপতির পদ বাতিল করা হয়েছে।
জানা গেছে, ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটিতে নিযুক্ত বিএনপির নেতা সোহাগ হাওলার দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ পাশের সনদ জমা দিয়েছিলেন।
ওই সনদ নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর স্থানীয় মো. সাইফুল ইসলাম (২৫) জুন সনদ যাচাইয়ের জন্য আবেদন করেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত চিঠিতে সোহাগের বিবিএ পাসের সনদটি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় নয় বলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, আবেদনকারী শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।
এ বিষয়ে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, মো. সোহাগ হাওলাদার সনদটি জাল সে বিষয়ে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো. মহসীন ভূঁইঞার পাঠানো প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরে বোর্ড কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।
তিনি বলেন, ওই কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন এবং অভিযুক্ত মো. সোহাগ হাওলাদারকে মূল সনদ নিয়ে বোর্ডে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য নোটিশ করা হয়েছিল। তিনি তার স্বপক্ষে যথাযথ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে কমিটির সভাপতি পদ থেকে তাকে বাদ দিয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. আনিচুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠানো বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদ থেকে সোহাগ হাওলাদারকে বাতিলের নোটিশ হাতে পেয়েছি।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৩
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১২
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০