বরিশাল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের ৩৬ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন। প্রতীক প্রাপ্তির পরে বিএনপি, জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলনসহ অপরাপর রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা প্রচার শুরু করেছেন।
গৌরনদী-আগৈলঝাড়া নিয়ে গঠিত বরিশাল-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২৮ হাজার ২০০। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনকে ধানের শীষ, একই দলের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবাহানকে ফুটবল, জামায়াতের প্রার্থী কামরুল ইসলাম খানকে দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী রাসেল সরদার মেহেদীকে হাতপাখা প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে।
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৪ হাজার ২৫০। এখানে ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, জামায়াত ইসলামী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাস্টার আবদুল মান্নান এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মাদ নেছার উদ্দিন হাতপাখা বরাদ্দ পেয়েছেন।
বাবুগঞ্জ-মুলাদী উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির জয়নুল আবেদীনকে ধানের শীষ, জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) গোলাম কিবরিয়া টিপুকে লাঙ্গল, ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখার প্রার্থী মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম এবং এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ঈগল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬৬১।
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনে বিএনপির রাজিব আহসানকে ধানের শীষ, জামায়াতের আবদুল জব্বারকে দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়েরকে হাতপাখা প্রতীক দেওয়া হয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৬ হাজার ৪৫৮।
বরিশাল জেলার ৬টি আসনের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ববহ বরিশাল-৫, যাকে মর্যাদার আসনও বলা হয়। এই আসনটি বরিশাল সিটির ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এখানে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫ হাজার। এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন বিএনপির মজিবর রহমান সরওয়ার। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম হাতপাখা এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ডা. মনীষা চক্রবর্তীকে মই প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বাকেরগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল-৬ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯ হাজার ৪০০। এখানে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আবুল হোসেন খান, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার মাহামুদুন্নবী তালুকদার এবং ইসলামী আন্দোলনের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিমকে হাতপাখা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ নির্বাচনে ৬টি আসনে মোট ৩৬ প্রার্থী অংশ নিতে যাচ্ছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) তাদের সকলের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ফয়জুল করিম বরিশাল সদর ও বাকেরগঞ্জ দুটি আসনে প্রার্থী হয়েছেন।
বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সবকটি আসনে নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রয়েছে। এ ছাড়া প্রার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। তারা সেই সম্পর্ক বজায় রেখে ও আচরণবিধি মেনেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। যদি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালটাইমস/ মেহেদী হাসান

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের ৩৬ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন। প্রতীক প্রাপ্তির পরে বিএনপি, জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলনসহ অপরাপর রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা প্রচার শুরু করেছেন।
গৌরনদী-আগৈলঝাড়া নিয়ে গঠিত বরিশাল-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২৮ হাজার ২০০। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনকে ধানের শীষ, একই দলের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবাহানকে ফুটবল, জামায়াতের প্রার্থী কামরুল ইসলাম খানকে দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী রাসেল সরদার মেহেদীকে হাতপাখা প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে।
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৪ হাজার ২৫০। এখানে ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, জামায়াত ইসলামী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাস্টার আবদুল মান্নান এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মাদ নেছার উদ্দিন হাতপাখা বরাদ্দ পেয়েছেন।
বাবুগঞ্জ-মুলাদী উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির জয়নুল আবেদীনকে ধানের শীষ, জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) গোলাম কিবরিয়া টিপুকে লাঙ্গল, ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখার প্রার্থী মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম এবং এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ঈগল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬৬১।
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনে বিএনপির রাজিব আহসানকে ধানের শীষ, জামায়াতের আবদুল জব্বারকে দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়েরকে হাতপাখা প্রতীক দেওয়া হয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৬ হাজার ৪৫৮।
বরিশাল জেলার ৬টি আসনের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ববহ বরিশাল-৫, যাকে মর্যাদার আসনও বলা হয়। এই আসনটি বরিশাল সিটির ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এখানে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫ হাজার। এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন বিএনপির মজিবর রহমান সরওয়ার। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম হাতপাখা এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ডা. মনীষা চক্রবর্তীকে মই প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বাকেরগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল-৬ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯ হাজার ৪০০। এখানে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আবুল হোসেন খান, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার মাহামুদুন্নবী তালুকদার এবং ইসলামী আন্দোলনের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিমকে হাতপাখা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ নির্বাচনে ৬টি আসনে মোট ৩৬ প্রার্থী অংশ নিতে যাচ্ছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) তাদের সকলের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ফয়জুল করিম বরিশাল সদর ও বাকেরগঞ্জ দুটি আসনে প্রার্থী হয়েছেন।
বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সবকটি আসনে নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রয়েছে। এ ছাড়া প্রার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। তারা সেই সম্পর্ক বজায় রেখে ও আচরণবিধি মেনেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। যদি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালটাইমস/ মেহেদী হাসান
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১