Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:৫৮
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বধ্যভূমির কথা শুনলে আজও শিউরে ওঠে মানুষের মন। তাণ্ডব, হত্যাযজ্ঞ ও নির্মম নির্যাতনের স্মৃতি এখনও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাড়া দেয়। এমনই এক ভয়াবহ স্মৃতিবহ স্থান বরিশাল নগরীর ওয়াপদা কলোনি ও কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী এলাকা। মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি ছিল হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প ও টর্চার সেল।
হত্যাযজ্ঞ ও নারী নির্যাতনের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে ওয়াপদা কলোনির টর্চার সেলের দোতলা ভবন, সংলগ্ন সেতু এবং কীর্তনখোলার পাশে সাগরদী খালের তীর। পরবর্তীতে এ এলাকাকে বধ্যভূমি হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যা বর্তমানে বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি ও হানাদার বাহিনীর নির্যাতনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তবে দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে রয়েছে ঐতিহাসিক এই স্থানটি।
গত বছরের ৫ আগস্ট একদল দুর্বৃত্ত বধ্যভূমির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়। ঘটনার দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে প্রায় দেড় একর জমির ওপর হানাদার বাহিনীর টর্চার সেল, বাংকার, বধ্যভূমি ও সেতু সংরক্ষণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেতুর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ‘স্মৃতিস্তম্ভ ’৭১’। ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর বধ্যভূমি ও টর্চার সেলটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গানবোট ও হেলিকপ্টারে করে বরিশালে প্রবেশ করে ওয়াপদা কলোনি দখল করে নেয়। সেখানে তারা সেনাক্যাম্প ও টর্চার সেল স্থাপন করে। কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী এই ক্যাম্প থেকেই ঝালকাঠি, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলায় সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হতো।
টর্চার সেলে আটক মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো। পরে তাদের মরদেহ কীর্তনখোলা নদীসংলগ্ন সাগরদী খালের তীরে ফেলে দেওয়া হতো। কীর্তনখোলার তীরবর্তী ত্রিশ গোডাউন কম্পাউন্ড এলাকা থেকে নদীর ঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত ধানক্ষেতের পুরো অংশই ছিল বরিশালের মূল গণকবর ও বধ্যভূমি।
অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে বধ্যভূমি ও পাকিস্তানি বাহিনীর টর্চার সেল কমপ্লেক্সঅযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে বধ্যভূমি ও পাকিস্তানি বাহিনীর টর্চার সেল কমপ্লেক্স
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এলাকাটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বধ্যভূমি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। পরবর্তীতে ওয়াপদা কলোনি ও কীর্তনখোলা খালের তীরবর্তী প্রায় দেড় একর জায়গাজুড়ে বধ্যভূমি ও টর্চার সেল সংরক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। উদ্বোধনের পর প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্মৃতিসৌধটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
সম্প্রতি বধ্যভূমি কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, দর্শনার্থীরা আগের মতো সহজে ঢুকতে পারেন না। মূল সড়ক থেকে খালপাড় ঘেঁষে সিটি করপোরেশন একটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করলেও তা এখনও অসম্পূর্ণ। ফলে কয়েক ফুট নিচে লাফিয়ে নেমে বধ্যভূমিতে ঢুকতে হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, ৫ আগস্টে ভাঙচুরের ঘটনার পর সেপ্টেম্বরের এক গভীর রাতে একদল লোক গিয়ে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর করে। একপর্যায়ে তারা ভেতরে ঢুকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তি করে দেয়ালে বিভিন্ন শব্দ লিখে রেখে যায়। পরে অবশ্য লেখাগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা এবায়েদুল হক চান, নুরুল আলম ফরিদ ও ইসরাইল পন্ডিত অভিযোগ করে বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট একদল লোক ভাঙচুর চালানোর পর দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও বধ্যভূমি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ঘটনার পর থেকে ঐতিহাসিক এই স্থানটি অবহেলায় পড়ে রয়েছে। তারা দ্রুত বধ্যভূমি সংস্কার করে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।
বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমিতে গত ৫ আগস্টের ভাঙচুরে অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা আর সংস্কার করা হয়নি।বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমিতে গত ৫ আগস্টের ভাঙচুরে অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা আর সংস্কার করা হয়নি।
বরিশাল সাংস্কৃতিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি শুভংকর চক্রবর্তী বলেন, ৫ আগস্ট ভাঙচুরে বধ্যভূমির অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা সংস্কার করা হয়নি। ভেতরে ভাঙচুরের ক্ষত এখনও আছে।
এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, ‘দ্রুত সময়ের মধ্যেই ওয়াপদা কলোনির বধ্যভূমির সংস্কারকাজ শুরু করবো আমরা।’
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বধ্যভূমির কথা শুনলে আজও শিউরে ওঠে মানুষের মন। তাণ্ডব, হত্যাযজ্ঞ ও নির্মম নির্যাতনের স্মৃতি এখনও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাড়া দেয়। এমনই এক ভয়াবহ স্মৃতিবহ স্থান বরিশাল নগরীর ওয়াপদা কলোনি ও কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী এলাকা। মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি ছিল হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প ও টর্চার সেল।
হত্যাযজ্ঞ ও নারী নির্যাতনের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে ওয়াপদা কলোনির টর্চার সেলের দোতলা ভবন, সংলগ্ন সেতু এবং কীর্তনখোলার পাশে সাগরদী খালের তীর। পরবর্তীতে এ এলাকাকে বধ্যভূমি হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যা বর্তমানে বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি ও হানাদার বাহিনীর নির্যাতনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তবে দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে রয়েছে ঐতিহাসিক এই স্থানটি।
গত বছরের ৫ আগস্ট একদল দুর্বৃত্ত বধ্যভূমির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়। ঘটনার দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে প্রায় দেড় একর জমির ওপর হানাদার বাহিনীর টর্চার সেল, বাংকার, বধ্যভূমি ও সেতু সংরক্ষণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেতুর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ‘স্মৃতিস্তম্ভ ’৭১’। ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর বধ্যভূমি ও টর্চার সেলটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গানবোট ও হেলিকপ্টারে করে বরিশালে প্রবেশ করে ওয়াপদা কলোনি দখল করে নেয়। সেখানে তারা সেনাক্যাম্প ও টর্চার সেল স্থাপন করে। কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী এই ক্যাম্প থেকেই ঝালকাঠি, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলায় সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হতো।
টর্চার সেলে আটক মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো। পরে তাদের মরদেহ কীর্তনখোলা নদীসংলগ্ন সাগরদী খালের তীরে ফেলে দেওয়া হতো। কীর্তনখোলার তীরবর্তী ত্রিশ গোডাউন কম্পাউন্ড এলাকা থেকে নদীর ঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত ধানক্ষেতের পুরো অংশই ছিল বরিশালের মূল গণকবর ও বধ্যভূমি।
অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে বধ্যভূমি ও পাকিস্তানি বাহিনীর টর্চার সেল কমপ্লেক্সঅযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে বধ্যভূমি ও পাকিস্তানি বাহিনীর টর্চার সেল কমপ্লেক্স
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এলাকাটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বধ্যভূমি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। পরবর্তীতে ওয়াপদা কলোনি ও কীর্তনখোলা খালের তীরবর্তী প্রায় দেড় একর জায়গাজুড়ে বধ্যভূমি ও টর্চার সেল সংরক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। উদ্বোধনের পর প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্মৃতিসৌধটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
সম্প্রতি বধ্যভূমি কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, দর্শনার্থীরা আগের মতো সহজে ঢুকতে পারেন না। মূল সড়ক থেকে খালপাড় ঘেঁষে সিটি করপোরেশন একটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করলেও তা এখনও অসম্পূর্ণ। ফলে কয়েক ফুট নিচে লাফিয়ে নেমে বধ্যভূমিতে ঢুকতে হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, ৫ আগস্টে ভাঙচুরের ঘটনার পর সেপ্টেম্বরের এক গভীর রাতে একদল লোক গিয়ে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর করে। একপর্যায়ে তারা ভেতরে ঢুকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তি করে দেয়ালে বিভিন্ন শব্দ লিখে রেখে যায়। পরে অবশ্য লেখাগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা এবায়েদুল হক চান, নুরুল আলম ফরিদ ও ইসরাইল পন্ডিত অভিযোগ করে বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট একদল লোক ভাঙচুর চালানোর পর দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও বধ্যভূমি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ঘটনার পর থেকে ঐতিহাসিক এই স্থানটি অবহেলায় পড়ে রয়েছে। তারা দ্রুত বধ্যভূমি সংস্কার করে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।
বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমিতে গত ৫ আগস্টের ভাঙচুরে অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা আর সংস্কার করা হয়নি।বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমিতে গত ৫ আগস্টের ভাঙচুরে অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা আর সংস্কার করা হয়নি।
বরিশাল সাংস্কৃতিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি শুভংকর চক্রবর্তী বলেন, ৫ আগস্ট ভাঙচুরে বধ্যভূমির অনেক নিদর্শন নষ্ট হয়েছে, যা সংস্কার করা হয়নি। ভেতরে ভাঙচুরের ক্ষত এখনও আছে।
এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, ‘দ্রুত সময়ের মধ্যেই ওয়াপদা কলোনির বধ্যভূমির সংস্কারকাজ শুরু করবো আমরা।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫
বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের উত্তরপাড় ইউনিটির উদ্যোগে এলাকায় যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা রোধে নেওয়া হয়েছে প্রশংসনীয় সামাজিক উদ্যোগ। স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছয়টি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। বুধবার
পহেলা মে, বাদ জোহর এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ তাওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ডাস্টবিনগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উত্তরপাড় ইউনিটির সদস্যরা—মোঃ রাব্বি সরদার, মোঃ সজিব, শাহাদাত হোসাইন, মাহমুদুল হাসান, মেহেদী মাসুদ মাসুম, নাইম মৃধাসহ আরও অনেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোঃ নাজমুল হাসান জুয়েল বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগজীবাণু থেকে মানুষকে বাঁচাতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের অংশ এবং ঈমানী দায়িত্ব। পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা এলাকার আংশিক অংশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তরপাড় ইউনিটি।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের উত্তরপাড় ইউনিটির উদ্যোগে এলাকায় যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা রোধে নেওয়া হয়েছে প্রশংসনীয় সামাজিক উদ্যোগ। স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছয়টি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। বুধবার
পহেলা মে, বাদ জোহর এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ তাওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ডাস্টবিনগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উত্তরপাড় ইউনিটির সদস্যরা—মোঃ রাব্বি সরদার, মোঃ সজিব, শাহাদাত হোসাইন, মাহমুদুল হাসান, মেহেদী মাসুদ মাসুম, নাইম মৃধাসহ আরও অনেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোঃ নাজমুল হাসান জুয়েল বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগজীবাণু থেকে মানুষকে বাঁচাতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের অংশ এবং ঈমানী দায়িত্ব। পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা এলাকার আংশিক অংশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তরপাড় ইউনিটি।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫০
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন মহানগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে গণমাধ্যম কর্মীদর সহযোগিতা চেয়েছেন।
সবার সহযোগীতা নিয়ে ঐতিহ্যবাহী একটি জনবান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সম্ভব সবকিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে, নগর ভবনকে দুর্নীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করতে সম্ভব সব কিছু করার কথাও জানান নগর প্রশাসক।
বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বরিশালের প্রথম নারী প্রশাসক শিরিন জানান, নগরবাসীর স্বার্থে তার এ স্বল্পতম কর্মকালে তিনি সব কিছু করার চেষ্টা করে যাবেন। এক্ষেত্রে তিনি নগরবাসীর পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগীতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
নগর প্রশাসক নগরীর বিভিন্ন সমস্যাসমুহ সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান। নগর প্রশাসক বরিশাল প্রেসক্লাবে তার অতীত স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সম্ভব সবকিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন মহানগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে গণমাধ্যম কর্মীদর সহযোগিতা চেয়েছেন।
সবার সহযোগীতা নিয়ে ঐতিহ্যবাহী একটি জনবান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সম্ভব সবকিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে, নগর ভবনকে দুর্নীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করতে সম্ভব সব কিছু করার কথাও জানান নগর প্রশাসক।
বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বরিশালের প্রথম নারী প্রশাসক শিরিন জানান, নগরবাসীর স্বার্থে তার এ স্বল্পতম কর্মকালে তিনি সব কিছু করার চেষ্টা করে যাবেন। এক্ষেত্রে তিনি নগরবাসীর পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগীতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
নগর প্রশাসক নগরীর বিভিন্ন সমস্যাসমুহ সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান। নগর প্রশাসক বরিশাল প্রেসক্লাবে তার অতীত স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সম্ভব সবকিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫