
০৭ আগস্ট, ২০২৫ ১২:১৪
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতে এফবি সাগরকন্যা নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার ও ইদ্রিস (৫০) নামের এক জেলের মরদেহ ভেসে এসেছে।বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সৈকতের ডিসি পার্ক সংলগ্ন সাগরে ট্রলার ও লাশটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে নৌ-পুলিশের একটি টিম লাশটি উদ্ধার করে। এ সময় লাশের পরনে একটি লাল গেঞ্জি ও কালো প্যান্ট ছিল। লাল গেঞ্জি ও কালো প্যান্ট দেখে লাশের পরিচয় সনাক্ত করেন তার ভাতিজা সাগর। নিহত জেলে কলাপাড়া উপজেলার মধুখালীর বাসিন্দা।
নিহত জেলে ইদ্রিসের ভাতিজা সাগর বলেন, আমিও ২৬ জুলাই এই ট্রলারে চাচার সাথে ছিলাম। ট্রলারটি ডুবির সাথে সাথে চাচাও ওই সময় ডুবে যায়। এসময় চাচার পরনে লাল গেঞ্জি ও কালো প্যান্ট ছিলো।
গত ২৬ জুলাই সকাল ১০ টার দিকে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের শেষ বয়া থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার গভীরে ট্রলারটি ঢেউয়ের কবলে পরে ডুবে যায়।
এর আগে ২৫ জুলাই মহিপুর থেকে ১৫ জেলে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারের উদ্দেশ্য রওনা দেন ট্রলারটির মাঝি আবদুর রশিদ। ট্রলারটিতে ১৫ জন জেলে ছিলেন।
চারদিন সাগরে ভেসে থাকার পর জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ১০ জন। নিখোঁজ ৫ জনের মধ্যে নজরুল ইসলাম নামের এক জনের লাশ গত শুক্রবার (১ আগস্ট) কুয়াকাটার মীরা বাড়ি সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর থেকে উদ্ধার করা হয়। এখনো আবদুর রশিদ, রফিক ও কালামসহ ৩ জন নিখোঁজ রয়েছে।
জেলেদের ভাষ্য অনুযায়ী, জাল ফেলার কিছু সময় পরই হঠাৎ এক ঝড় ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি। মুহূর্তেই ট্রলারটি দুমড়ে-মুচড়ে ডুবে যায়। শুরুতেই একজন জেলে ঢেউয়ের তোড়ে নিখোঁজ হন। এরপর বাঁশ ও ফ্লুটের (ভেসে থাকার সরঞ্জাম) সাহায্যে ১৪ জন ভাসতে থাকেন। পরবর্তী সময়ে আরও ৫ জন ঢেউয়ের তোড়ে নিখোঁজ হয়ে যান।
ভেসে ভেসে তারা শেষ বয়া সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছান। সেখান থেকে সোমবার রাতে দুটি মাছ ধরার ট্রলার ১০ জনকে উদ্ধার করে। মহিপুর মৎস্য বন্দর নিয়ে আসেন।
কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিকাশ মন্ডল জানান, কুয়াকাটা ডিসি পার্ক সংলগ্ন সাগরে একটি ট্রলারসহ জেলের লাশ ভাসছে। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের পরনে একটি লাল গেঞ্জি ও কালো প্যান্ট রয়েছে। গেঞ্জি প্যান্ট দেখে তার ভাতিজা সাগর তার চাচা ইদ্রিসের লাশের বলে দাবী করেন। লাশে সুরহাতাল শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতে এফবি সাগরকন্যা নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার ও ইদ্রিস (৫০) নামের এক জেলের মরদেহ ভেসে এসেছে।বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সৈকতের ডিসি পার্ক সংলগ্ন সাগরে ট্রলার ও লাশটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে নৌ-পুলিশের একটি টিম লাশটি উদ্ধার করে। এ সময় লাশের পরনে একটি লাল গেঞ্জি ও কালো প্যান্ট ছিল। লাল গেঞ্জি ও কালো প্যান্ট দেখে লাশের পরিচয় সনাক্ত করেন তার ভাতিজা সাগর। নিহত জেলে কলাপাড়া উপজেলার মধুখালীর বাসিন্দা।
নিহত জেলে ইদ্রিসের ভাতিজা সাগর বলেন, আমিও ২৬ জুলাই এই ট্রলারে চাচার সাথে ছিলাম। ট্রলারটি ডুবির সাথে সাথে চাচাও ওই সময় ডুবে যায়। এসময় চাচার পরনে লাল গেঞ্জি ও কালো প্যান্ট ছিলো।
গত ২৬ জুলাই সকাল ১০ টার দিকে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের শেষ বয়া থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার গভীরে ট্রলারটি ঢেউয়ের কবলে পরে ডুবে যায়।
এর আগে ২৫ জুলাই মহিপুর থেকে ১৫ জেলে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারের উদ্দেশ্য রওনা দেন ট্রলারটির মাঝি আবদুর রশিদ। ট্রলারটিতে ১৫ জন জেলে ছিলেন।
চারদিন সাগরে ভেসে থাকার পর জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ১০ জন। নিখোঁজ ৫ জনের মধ্যে নজরুল ইসলাম নামের এক জনের লাশ গত শুক্রবার (১ আগস্ট) কুয়াকাটার মীরা বাড়ি সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর থেকে উদ্ধার করা হয়। এখনো আবদুর রশিদ, রফিক ও কালামসহ ৩ জন নিখোঁজ রয়েছে।
জেলেদের ভাষ্য অনুযায়ী, জাল ফেলার কিছু সময় পরই হঠাৎ এক ঝড় ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি। মুহূর্তেই ট্রলারটি দুমড়ে-মুচড়ে ডুবে যায়। শুরুতেই একজন জেলে ঢেউয়ের তোড়ে নিখোঁজ হন। এরপর বাঁশ ও ফ্লুটের (ভেসে থাকার সরঞ্জাম) সাহায্যে ১৪ জন ভাসতে থাকেন। পরবর্তী সময়ে আরও ৫ জন ঢেউয়ের তোড়ে নিখোঁজ হয়ে যান।
ভেসে ভেসে তারা শেষ বয়া সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছান। সেখান থেকে সোমবার রাতে দুটি মাছ ধরার ট্রলার ১০ জনকে উদ্ধার করে। মহিপুর মৎস্য বন্দর নিয়ে আসেন।
কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিকাশ মন্ডল জানান, কুয়াকাটা ডিসি পার্ক সংলগ্ন সাগরে একটি ট্রলারসহ জেলের লাশ ভাসছে। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের পরনে একটি লাল গেঞ্জি ও কালো প্যান্ট রয়েছে। গেঞ্জি প্যান্ট দেখে তার ভাতিজা সাগর তার চাচা ইদ্রিসের লাশের বলে দাবী করেন। লাশে সুরহাতাল শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
০৪ জুলাই, ২০২৬ ০০:৪৯
০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৯
০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৬
০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৪

০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৯
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘুমন্ত বাবাকে ঘরের সিল-পাটা দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে মাদকাশক্ত ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথকে (৩৪) আটক করেছে পুলিশ।শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত উত্তম দেবনাথ (৬০) পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস দেবনাথ ঘরের ভেতরে এবং স্ত্রী কানন দেবনাথ ঘরের পেছনের বারান্দায় ঘুমাচ্ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুক্রবার ভোরে তাপস দেবনাথ ঘুম থেকে উঠে ঘরে থাকা শিল-পাটা দিয়ে বাবার মাথার ডান পাশে সজোরে আঘাত করেন। উত্তম দেবনাথের চিৎকার শুনে তার স্ত্রী ঘরে এসে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি প্রতিবেশীদের ডাকলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে উত্তম দেবনাথকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন।
স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, তাপস দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মানসিক ভারসাম্যহীন আচরণ করতেন।
খবর পেয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় নিহতের ছেলে তাপস দেবনাথকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।’
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘুমন্ত বাবাকে ঘরের সিল-পাটা দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে মাদকাশক্ত ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথকে (৩৪) আটক করেছে পুলিশ।শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত উত্তম দেবনাথ (৬০) পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস দেবনাথ ঘরের ভেতরে এবং স্ত্রী কানন দেবনাথ ঘরের পেছনের বারান্দায় ঘুমাচ্ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুক্রবার ভোরে তাপস দেবনাথ ঘুম থেকে উঠে ঘরে থাকা শিল-পাটা দিয়ে বাবার মাথার ডান পাশে সজোরে আঘাত করেন। উত্তম দেবনাথের চিৎকার শুনে তার স্ত্রী ঘরে এসে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি প্রতিবেশীদের ডাকলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে উত্তম দেবনাথকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন।
স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, তাপস দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মানসিক ভারসাম্যহীন আচরণ করতেন।
খবর পেয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় নিহতের ছেলে তাপস দেবনাথকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট বাস্তবায়ন সম্পর্কিত বিষয়ে বিএনপি ও এর সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের নেতাবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহষ্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাকসুদ আহম্মেদ বায়জীদ পান্না এর সভাপতিত্বে ও জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আল আমিন সুজনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান পটুয়াখালী-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাস্ট্র মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
সভায় প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট সর্বোউচ্চ বাজেট। এ বাজেট দেশের উন্নয়নে ও মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। এ বাজেট দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করবে। এতে দেশের উন্নয়ন যেমন হবে, তেমনি মানুষের কল্যাণ হবে।
তাই বিএনপি সরকারের জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নে বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদেরকে আন্তরিকভাবে সহযোগীতা করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যারা ভোট দিয়েছেন, যারা দেননি এবং যারা বিরোধীতা করেছেন আমি এখন সবার এমপি। বিএনপি সরকার দেশের ২০ কোটি মানুষকেই দেখভাল করছে এবং করবে। এ সময় বিএনপির শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জেলা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল আজম রঞ্জু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম কিবরিয়া মৃধা, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি একেএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক রাস্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এর প্রধান লায়লা ইয়াসমিন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জেসমিন জাফর, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিচুর রহমান ও লাউকাঠি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ প্রমুখ।
বরিশাল টাইমস
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট বাস্তবায়ন সম্পর্কিত বিষয়ে বিএনপি ও এর সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের নেতাবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহষ্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাকসুদ আহম্মেদ বায়জীদ পান্না এর সভাপতিত্বে ও জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আল আমিন সুজনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান পটুয়াখালী-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাস্ট্র মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
সভায় প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট সর্বোউচ্চ বাজেট। এ বাজেট দেশের উন্নয়নে ও মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। এ বাজেট দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করবে। এতে দেশের উন্নয়ন যেমন হবে, তেমনি মানুষের কল্যাণ হবে।
তাই বিএনপি সরকারের জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নে বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদেরকে আন্তরিকভাবে সহযোগীতা করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যারা ভোট দিয়েছেন, যারা দেননি এবং যারা বিরোধীতা করেছেন আমি এখন সবার এমপি। বিএনপি সরকার দেশের ২০ কোটি মানুষকেই দেখভাল করছে এবং করবে। এ সময় বিএনপির শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জেলা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল আজম রঞ্জু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম কিবরিয়া মৃধা, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি একেএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক রাস্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এর প্রধান লায়লা ইয়াসমিন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জেসমিন জাফর, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিচুর রহমান ও লাউকাঠি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ প্রমুখ।
বরিশাল টাইমস

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৪
পটুয়াখালীর বাউফল ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৫টি দোকান ও একটি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় আনুমানিক ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বুধবার (১ জুলাই) রাত সারে ১০টার দিকে উপজেলার বগা ইউনিয়নের সাবুপুরা বাজারে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে নুর হোসেনের পান ও বিস্কুটের দোকানে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের হানিফ ওজার ট্রেইলার দোকান, আনিছ হাওলাদারের মাছ ও চালের আড়তে, আলম সিকদারের মুদি দোকান এবং বিধবা নারী তুলসী রানির মুদি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া বাবুল মৃধার বসতবাড়িটিও আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই ৫টি দোকান ও একটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকা
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মো. সোরহাব হোসেন বলেছেন, ‘সংবাদ পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি এবং পরবর্তীতে সম্পূর্ণভাবে আগুন নিভিয়ে ফেলি।’
পটুয়াখালীর বাউফল ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৫টি দোকান ও একটি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় আনুমানিক ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বুধবার (১ জুলাই) রাত সারে ১০টার দিকে উপজেলার বগা ইউনিয়নের সাবুপুরা বাজারে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে নুর হোসেনের পান ও বিস্কুটের দোকানে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের হানিফ ওজার ট্রেইলার দোকান, আনিছ হাওলাদারের মাছ ও চালের আড়তে, আলম সিকদারের মুদি দোকান এবং বিধবা নারী তুলসী রানির মুদি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া বাবুল মৃধার বসতবাড়িটিও আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই ৫টি দোকান ও একটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকা
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মো. সোরহাব হোসেন বলেছেন, ‘সংবাদ পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি এবং পরবর্তীতে সম্পূর্ণভাবে আগুন নিভিয়ে ফেলি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.