Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৪:২৪
মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্রধরে ইতালি প্রবাসী পরিচয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক নারীর (৩৫) সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে প্রতারক শান্ত। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে লঞ্চে নিয়ে বাড়িতে ফেরার কথা বলে কেবিন ভাড়া করে রাতভর ধর্ষণ করা হয়। পরে কৌশলে অচেতন করে ওই নারীকে থানার সামনে ফেলে পালিয়ে গেছে ওই যুবক।
বরিশালের মুলাদী থানার সামনে থেকে বুধবার (পহেলা জুলাই) সকালে অচেতন অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল সাতটার দিকে মুলাদী থানার সামনে এক নারীকে অচেতন অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ্য করার পর ওই নারীর স্বীকারোক্তিতে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর প্রতারণার গল্প।
ভুক্তভোগী ওই নারী দুই সন্তানের জননী। তার বাড়ি বগুড়া জেলার শেরপুর এলাকায়। তিনি জানান, গত প্রায় দুই মাস আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শান্ত নামের এক যুবকের সাথে তার পরিচয় হয়। শান্ত নিজেকে মাদারীপুরের বাসিন্দা এবং একজন ইতালি প্রবাসী বলে দাবি করে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) শান্ত তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় ডেকে আনে। পরে ঢাকা থেকে তারা মাদারীপুর যাওয়ার কথা বলে কৌশলে বরিশালের মুলাদীগামী একটি লঞ্চের কেবিন ভাড়া নেয়। পরে রাতভর ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে শান্ত। বুধবার সকালে লঞ্চটি মুলাদী পূর্ববাজার ঘাটে পৌঁছলে শান্ত ওই নারীকে কৌশলে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে দেয়। এতে নারী অচেতন হয়ে পরলে তাকে একটি ভ্যানে তুলে দিয়ে চালককে মুলাদী থানার সামনে পাঠিয়ে দেয়। পরে নারীর মোবাইল, টাকা ও মালপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় ওই প্রতারক।
থানা পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী নারী প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, মোবাইলে প্রতারণার শিকার নারী দুই সন্তানের জননী এবং তালাকপ্রাপ্ত। তিনি গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রতারক যুবককে শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে।’
মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্রধরে ইতালি প্রবাসী পরিচয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক নারীর (৩৫) সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে প্রতারক শান্ত। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে লঞ্চে নিয়ে বাড়িতে ফেরার কথা বলে কেবিন ভাড়া করে রাতভর ধর্ষণ করা হয়। পরে কৌশলে অচেতন করে ওই নারীকে থানার সামনে ফেলে পালিয়ে গেছে ওই যুবক।
বরিশালের মুলাদী থানার সামনে থেকে বুধবার (পহেলা জুলাই) সকালে অচেতন অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল সাতটার দিকে মুলাদী থানার সামনে এক নারীকে অচেতন অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ্য করার পর ওই নারীর স্বীকারোক্তিতে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর প্রতারণার গল্প।
ভুক্তভোগী ওই নারী দুই সন্তানের জননী। তার বাড়ি বগুড়া জেলার শেরপুর এলাকায়। তিনি জানান, গত প্রায় দুই মাস আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শান্ত নামের এক যুবকের সাথে তার পরিচয় হয়। শান্ত নিজেকে মাদারীপুরের বাসিন্দা এবং একজন ইতালি প্রবাসী বলে দাবি করে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) শান্ত তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় ডেকে আনে। পরে ঢাকা থেকে তারা মাদারীপুর যাওয়ার কথা বলে কৌশলে বরিশালের মুলাদীগামী একটি লঞ্চের কেবিন ভাড়া নেয়। পরে রাতভর ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে শান্ত। বুধবার সকালে লঞ্চটি মুলাদী পূর্ববাজার ঘাটে পৌঁছলে শান্ত ওই নারীকে কৌশলে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে দেয়। এতে নারী অচেতন হয়ে পরলে তাকে একটি ভ্যানে তুলে দিয়ে চালককে মুলাদী থানার সামনে পাঠিয়ে দেয়। পরে নারীর মোবাইল, টাকা ও মালপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় ওই প্রতারক।
থানা পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী নারী প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, মোবাইলে প্রতারণার শিকার নারী দুই সন্তানের জননী এবং তালাকপ্রাপ্ত। তিনি গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রতারক যুবককে শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৪
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা। পরে সমঝোতার মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রামারপুল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাজার থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় সেতুকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। হ্যান্ডকাপ হারিয়ে পুলিশ বিপাকে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে গভীর রাতে পুলিশের দেওয়া চাবি দিয়ে হ্যান্ডকাপ খুলে তা ফেরত দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সোহেল রানা আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিলেন রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়া। তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে মামলা করা হয়েছে। সেতুসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৩৮
আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামের বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিস শিকদারের ছেলে সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার এবং জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে চারজনের নামে হত্যা মামলা করার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিস শিকদারের ছেলে শান্ত শিকদার (২২) এবং মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে, জানান ওসি।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৭
বরিশালে কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চাচা আলমগীর সিকদারক (৫৫) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশাল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এই আদেশ দেন। আদালতের নাজির কামরুল ইসলাম মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর উজিরপুরের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে। রায় ঘোষণার সময়ে আসামি তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নাজির কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবার মামাতো ভাই এবং ভুক্তভোগী কিশোরী তৎকালীন মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। জীবিকার প্রয়োজনে কিশোরীর বাবা প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন। কিশোরীকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন আলমগীর। এতে কিশোরী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ও সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাড়ির পেছনে একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আলমগীর। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে অবহিত করে এবং এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় মামলা হয়। পুলিশ অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র এবং আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলমগীরকে বৃহস্পতিবার বরিশালের আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন।’
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা। পরে সমঝোতার মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রামারপুল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাজার থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় সেতুকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। হ্যান্ডকাপ হারিয়ে পুলিশ বিপাকে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে গভীর রাতে পুলিশের দেওয়া চাবি দিয়ে হ্যান্ডকাপ খুলে তা ফেরত দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সোহেল রানা আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিলেন রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়া। তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে মামলা করা হয়েছে। সেতুসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামের বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিস শিকদারের ছেলে সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার এবং জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে চারজনের নামে হত্যা মামলা করার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিস শিকদারের ছেলে শান্ত শিকদার (২২) এবং মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে, জানান ওসি।’
বরিশালে কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চাচা আলমগীর সিকদারক (৫৫) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশাল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এই আদেশ দেন। আদালতের নাজির কামরুল ইসলাম মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর উজিরপুরের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে। রায় ঘোষণার সময়ে আসামি তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নাজির কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবার মামাতো ভাই এবং ভুক্তভোগী কিশোরী তৎকালীন মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। জীবিকার প্রয়োজনে কিশোরীর বাবা প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন। কিশোরীকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন আলমগীর। এতে কিশোরী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ও সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাড়ির পেছনে একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আলমগীর। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে অবহিত করে এবং এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় মামলা হয়। পুলিশ অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র এবং আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলমগীরকে বৃহস্পতিবার বরিশালের আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন।’