Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৪
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা। পরে সমঝোতার মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রামারপুল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাজার থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় সেতুকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। হ্যান্ডকাপ হারিয়ে পুলিশ বিপাকে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে গভীর রাতে পুলিশের দেওয়া চাবি দিয়ে হ্যান্ডকাপ খুলে তা ফেরত দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সোহেল রানা আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিলেন রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়া। তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে মামলা করা হয়েছে। সেতুসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা। পরে সমঝোতার মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রামারপুল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাজার থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় সেতুকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। হ্যান্ডকাপ হারিয়ে পুলিশ বিপাকে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে গভীর রাতে পুলিশের দেওয়া চাবি দিয়ে হ্যান্ডকাপ খুলে তা ফেরত দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সোহেল রানা আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিলেন রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়া। তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে মামলা করা হয়েছে। সেতুসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৩৮
আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামের বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিস শিকদারের ছেলে সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার এবং জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে চারজনের নামে হত্যা মামলা করার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিস শিকদারের ছেলে শান্ত শিকদার (২২) এবং মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে, জানান ওসি।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৭
বরিশালে কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চাচা আলমগীর সিকদারক (৫৫) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশাল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এই আদেশ দেন। আদালতের নাজির কামরুল ইসলাম মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর উজিরপুরের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে। রায় ঘোষণার সময়ে আসামি তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নাজির কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবার মামাতো ভাই এবং ভুক্তভোগী কিশোরী তৎকালীন মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। জীবিকার প্রয়োজনে কিশোরীর বাবা প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন। কিশোরীকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন আলমগীর। এতে কিশোরী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ও সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাড়ির পেছনে একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আলমগীর। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে অবহিত করে এবং এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় মামলা হয়। পুলিশ অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র এবং আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলমগীরকে বৃহস্পতিবার বরিশালের আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০২
আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামের বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিস শিকদারের ছেলে সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার এবং জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে চারজনের নামে হত্যা মামলা করার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিস শিকদারের ছেলে শান্ত শিকদার (২২) এবং মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে, জানান ওসি।’
বরিশালে কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চাচা আলমগীর সিকদারক (৫৫) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশাল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এই আদেশ দেন। আদালতের নাজির কামরুল ইসলাম মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর উজিরপুরের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে। রায় ঘোষণার সময়ে আসামি তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নাজির কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবার মামাতো ভাই এবং ভুক্তভোগী কিশোরী তৎকালীন মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। জীবিকার প্রয়োজনে কিশোরীর বাবা প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন। কিশোরীকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন আলমগীর। এতে কিশোরী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ও সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাড়ির পেছনে একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আলমগীর। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে অবহিত করে এবং এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় মামলা হয়। পুলিশ অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র এবং আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলমগীরকে বৃহস্পতিবার বরিশালের আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নে উত্তর না দিয়ে চলে গেলেন গাড়িতে চেপে
বরিশালের সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে সেবা বঞ্চনা, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঝাড়ু মিছিল করেছেন ছিন্নমূল নারীরা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। বিক্ষোভ চলাকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক চলছিল। খবর পেয়ে খায়রুল আলম সুমন বৈঠকস্থল ছেড়ে সরকারি ডাকবাংলোয় চলে যান বলে জানা গেছে।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বিভিন্ন সহায়তার জন্য আবেদন করেও তারা কোনো সহযোগিতা পাননি। দায়িত্ব পালনকালে খায়রুল আলম সুমন ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়েছিলেন। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শাহানুর বেগম বলেন, বহুবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়েও আমরা কোনো সহায়তা পাইনি। উল্টো আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। আরেক বিক্ষোভকারী পিয়ারা বেগম বলেন, ‘আমরা এমন একজন মানবিক জেলা প্রশাসক চাই, যিনি সুইপার থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা— সবার কথা শুনবেন। জেলার অভিভাবক হিসেবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। কিন্তু সাবেক ডিসি সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের কথা শুনতেন না। এমনকি গণশুনানির সময়ও আমাদের তার কক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না।’
জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, খায়রুল আলম সুমন ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকারীন সরকারের শাসনামলে বরিশালের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিযোগ পান। দায়িত্ব পালনকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি অর্থ ব্যয়ে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত ভোটকক্ষ ও দুর্গম কেন্দ্র দেখিয়ে বরাদ্দ নেওয়া, ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি এবং বিভিন্ন খাতে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে খোদ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেকার অসন্তোস তৈরি হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে একাধিক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ পেলে শুরু হয় তোলপাড়। কিন্তু ডিসি খায়রুল আলম ক্ষ্যান্ত হননি। তথ্য ফাঁসের সন্দেহে অন্তত ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একযোগে বদলি করেন তিনি।
এমন প্রেক্ষাপটে গত বুধবার সরকার তাকে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে পরবর্তী পদায়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করে। একই সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পদায়ন করা হয়।
বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক বিদায় নেওয়ার আগমুহূর্তে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মুখে ঝাড়ু হাতে জড়ো হতে থাকেন ছিন্নমূল মানুষেরা। একপর্যায়ে তারা একত্রিত হয়ে ডিসি খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নেতিবাচক শ্লোগান দেওয়া শুরু করেন। এতে ডিসি অফিসের পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়লে জেলা প্রশাসক পাজারো গাড়িতে চেপে ডাকবাংলোর উদ্দেশে রওনা হয়। তখন ছিন্নমূলত মানুষের প্রতিবাদ নিয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে ডিসি কোনো উত্তর না দিয়ে গাড়িযোগে চলে যান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে উত্তর না দিয়ে চলে গেলেন গাড়িতে চেপে
বরিশালের সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে সেবা বঞ্চনা, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঝাড়ু মিছিল করেছেন ছিন্নমূল নারীরা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। বিক্ষোভ চলাকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক চলছিল। খবর পেয়ে খায়রুল আলম সুমন বৈঠকস্থল ছেড়ে সরকারি ডাকবাংলোয় চলে যান বলে জানা গেছে।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বিভিন্ন সহায়তার জন্য আবেদন করেও তারা কোনো সহযোগিতা পাননি। দায়িত্ব পালনকালে খায়রুল আলম সুমন ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়েছিলেন। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শাহানুর বেগম বলেন, বহুবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়েও আমরা কোনো সহায়তা পাইনি। উল্টো আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। আরেক বিক্ষোভকারী পিয়ারা বেগম বলেন, ‘আমরা এমন একজন মানবিক জেলা প্রশাসক চাই, যিনি সুইপার থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা— সবার কথা শুনবেন। জেলার অভিভাবক হিসেবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। কিন্তু সাবেক ডিসি সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের কথা শুনতেন না। এমনকি গণশুনানির সময়ও আমাদের তার কক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না।’
জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, খায়রুল আলম সুমন ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকারীন সরকারের শাসনামলে বরিশালের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিযোগ পান। দায়িত্ব পালনকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি অর্থ ব্যয়ে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত ভোটকক্ষ ও দুর্গম কেন্দ্র দেখিয়ে বরাদ্দ নেওয়া, ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি এবং বিভিন্ন খাতে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে খোদ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেকার অসন্তোস তৈরি হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে একাধিক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ পেলে শুরু হয় তোলপাড়। কিন্তু ডিসি খায়রুল আলম ক্ষ্যান্ত হননি। তথ্য ফাঁসের সন্দেহে অন্তত ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একযোগে বদলি করেন তিনি।
এমন প্রেক্ষাপটে গত বুধবার সরকার তাকে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে পরবর্তী পদায়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করে। একই সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পদায়ন করা হয়।
বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক বিদায় নেওয়ার আগমুহূর্তে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মুখে ঝাড়ু হাতে জড়ো হতে থাকেন ছিন্নমূল মানুষেরা। একপর্যায়ে তারা একত্রিত হয়ে ডিসি খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নেতিবাচক শ্লোগান দেওয়া শুরু করেন। এতে ডিসি অফিসের পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়লে জেলা প্রশাসক পাজারো গাড়িতে চেপে ডাকবাংলোর উদ্দেশে রওনা হয়। তখন ছিন্নমূলত মানুষের প্রতিবাদ নিয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে ডিসি কোনো উত্তর না দিয়ে গাড়িযোগে চলে যান।