
১৩ আগস্ট, ২০২৫ ২০:২১
সিলেটের ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর পর্যটনকেন্দ্র এখন চরম বিপর্যয়ের মুখে। এক সময় যেখানে স্বচ্ছ জলরাশি ও সাদা পাথরের মুগ্ধতা পর্যটকদের আকৃষ্ট করত, আজ সেখানে ধু ধু বালুচর ও শত শত গর্ত। এতে কমে গেছে পর্যটক।
২০১৭ সালে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাথরমহালের ধলাই নদীর উৎসমুখে পাহাড়ি ঢলে ভর করে নেমে আসে পাথর। পাঁচ একর জায়গাজুড়ে জমা হয় সেসব পাথর। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ পাহারা বসায় সেখানে।
এলাকাটি সংরক্ষিত করে। সাদা পাথরে বিস্তীর্ণ হয়ে উঠে জনপদ। থররাজির স্তূপ থেকে সৃষ্ট পর্যটনকেন্দ্রটি সারাদেশে পরিচিত করেছে কোম্পানীগঞ্জকে। সীমান্তের জিরো লাইন সংলগ্ন ১০ নম্বর এলাকার নাম পড়ে যায় সাদা পাথর। মনোমুগ্ধকর সেই সাদা পাথর এলাকাটি এখন প্রায় বিবর্ণ।
জানা যায়, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে প্রকাশ্যে পর্যটকদের সামনেই সাদা পাথর লুট হয়েছে। যে সৌন্দর্য দেখার জন্য দেশ এবং দেশের বাইরের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকরা ছুটে আসেন, তা মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে নিয়ে গেছে লুটেরারা। আর পর্যটন স্পটে লুটপাট দেখে হতাশ সচেতন নগরবাসী ও পর্যটকরা।
চট্টগ্রাম থেকে আসা ফজলুল হক বলেন, আগে সাদা পাথরের যে সৌন্দর্য ছিল, এখন আর তা নেই। লুটেরা চক্র পাথর লোড করে নিয়েছে। সিলেট নগরের বাসিন্দা সামিয়া বেগম জানান, প্রকৃতির হাতে গড়ে ওঠা এ পিকনিক স্পটটি বাঁচাতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। সচেতন নাগরিকরা অভিযোগ করছেন, বর্তমান সরকারের আমলে চলছে এই লুটপাট। আর কিছু দিন এমন চললে সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য একদম ধ্বংস হয়ে যাবে।
এদিকে পাথর লুটের মহোৎসবের পর দুদকের একটি টিম সাদাপাথরের বিরানভূমি দেখে এসেছেন। এ ঘটনার সাথে প্রশাসনের লোকজনের জড়িত থাকার বিষয়টি ওঠে এসেছে। এই লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।
দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, সিলেটের উপপরিচালক রাফি মো. নাজমুস সাদাত জানান, আসার সময় দেখে এসেছি বিভিন্ন স্টোন প্রেসার মেশিনে প্রচুর সাদা পাথর মজুদ রয়েছে। এই লুটপাটের পেছনে কারা জড়িত, তা সনাক্ত করতে আমরা কাজ করছি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজায়ের আল মাহমুদ আদনান বলেন, প্রশাসন বলছে, পাথর লুটপাট বন্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত আছে। মামলা ও গ্রেফতার অব্যাহত রয়েছে। পরিবেশকর্মী এবং সচেতন নগরবাসী মনে করেন, সরকারের শক্ত অবস্থান না হলে ভবিষ্যতে পরিবেশ ধ্বংসের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে পর্যটন শিল্প চরম ক্ষতির মুখে পড়বে সিলেট।
সিলেটের ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর পর্যটনকেন্দ্র এখন চরম বিপর্যয়ের মুখে। এক সময় যেখানে স্বচ্ছ জলরাশি ও সাদা পাথরের মুগ্ধতা পর্যটকদের আকৃষ্ট করত, আজ সেখানে ধু ধু বালুচর ও শত শত গর্ত। এতে কমে গেছে পর্যটক।
২০১৭ সালে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাথরমহালের ধলাই নদীর উৎসমুখে পাহাড়ি ঢলে ভর করে নেমে আসে পাথর। পাঁচ একর জায়গাজুড়ে জমা হয় সেসব পাথর। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ পাহারা বসায় সেখানে।
এলাকাটি সংরক্ষিত করে। সাদা পাথরে বিস্তীর্ণ হয়ে উঠে জনপদ। থররাজির স্তূপ থেকে সৃষ্ট পর্যটনকেন্দ্রটি সারাদেশে পরিচিত করেছে কোম্পানীগঞ্জকে। সীমান্তের জিরো লাইন সংলগ্ন ১০ নম্বর এলাকার নাম পড়ে যায় সাদা পাথর। মনোমুগ্ধকর সেই সাদা পাথর এলাকাটি এখন প্রায় বিবর্ণ।
জানা যায়, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে প্রকাশ্যে পর্যটকদের সামনেই সাদা পাথর লুট হয়েছে। যে সৌন্দর্য দেখার জন্য দেশ এবং দেশের বাইরের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকরা ছুটে আসেন, তা মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে নিয়ে গেছে লুটেরারা। আর পর্যটন স্পটে লুটপাট দেখে হতাশ সচেতন নগরবাসী ও পর্যটকরা।
চট্টগ্রাম থেকে আসা ফজলুল হক বলেন, আগে সাদা পাথরের যে সৌন্দর্য ছিল, এখন আর তা নেই। লুটেরা চক্র পাথর লোড করে নিয়েছে। সিলেট নগরের বাসিন্দা সামিয়া বেগম জানান, প্রকৃতির হাতে গড়ে ওঠা এ পিকনিক স্পটটি বাঁচাতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। সচেতন নাগরিকরা অভিযোগ করছেন, বর্তমান সরকারের আমলে চলছে এই লুটপাট। আর কিছু দিন এমন চললে সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য একদম ধ্বংস হয়ে যাবে।
এদিকে পাথর লুটের মহোৎসবের পর দুদকের একটি টিম সাদাপাথরের বিরানভূমি দেখে এসেছেন। এ ঘটনার সাথে প্রশাসনের লোকজনের জড়িত থাকার বিষয়টি ওঠে এসেছে। এই লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।
দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, সিলেটের উপপরিচালক রাফি মো. নাজমুস সাদাত জানান, আসার সময় দেখে এসেছি বিভিন্ন স্টোন প্রেসার মেশিনে প্রচুর সাদা পাথর মজুদ রয়েছে। এই লুটপাটের পেছনে কারা জড়িত, তা সনাক্ত করতে আমরা কাজ করছি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজায়ের আল মাহমুদ আদনান বলেন, প্রশাসন বলছে, পাথর লুটপাট বন্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত আছে। মামলা ও গ্রেফতার অব্যাহত রয়েছে। পরিবেশকর্মী এবং সচেতন নগরবাসী মনে করেন, সরকারের শক্ত অবস্থান না হলে ভবিষ্যতে পরিবেশ ধ্বংসের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে পর্যটন শিল্প চরম ক্ষতির মুখে পড়বে সিলেট।
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (সদর–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনে সভাপতি জানান, ডেপুটি স্পিকার পদে একমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন কায়সার কামাল। তিনি বর্তমানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্যে সভাপতিত্বের জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটির প্রতি সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তাহের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে। এর মধ্যে বিএনপি একাই পেয়েছে ২০৯টি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭৬টি আসন, যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একাই পেয়েছে ৬৮টি আসন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার গঠনের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (সদর–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনে সভাপতি জানান, ডেপুটি স্পিকার পদে একমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন কায়সার কামাল। তিনি বর্তমানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্যে সভাপতিত্বের জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটির প্রতি সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তাহের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে। এর মধ্যে বিএনপি একাই পেয়েছে ২০৯টি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭৬টি আসন, যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একাই পেয়েছে ৬৮টি আসন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার গঠনের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১২
পবিত্র রমজান মাসে টানা ১২ দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮টি আরব ও মুসলিম দেশ। দেশগুলো হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাত।
বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও উপাসনালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ও অযৌক্তিক। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং মুসল্লিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
দেশগুলো আরও বলেছে, দখলকৃত জেরুজালেম বা সেখানে অবস্থিত ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। আল-আকসা মসজিদের পুরো এলাকা কেবল মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত বলেও তারা উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আল-আকসা মসজিদের দেখভাল ও প্রশাসনের আইনগত দায়িত্ব জর্ডানের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জেরুজালেম ওয়াকফ বিভাগের।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলকে অবিলম্বে আল-আকসা মসজিদের ফটক খুলে দিতে, জেরুজালেমের পুরোনো শহরে প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে এবং মুসল্লিদের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চলমান লঙ্ঘন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থা হিসেবে এসব সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একইভাবে হামাসও আল-আকসা বন্ধ রাখাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপজ্জনক নজির বলে আখ্যা দিয়েছে।
পবিত্র রমজান মাসে টানা ১২ দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮টি আরব ও মুসলিম দেশ। দেশগুলো হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাত।
বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও উপাসনালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ও অযৌক্তিক। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং মুসল্লিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
দেশগুলো আরও বলেছে, দখলকৃত জেরুজালেম বা সেখানে অবস্থিত ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। আল-আকসা মসজিদের পুরো এলাকা কেবল মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত বলেও তারা উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আল-আকসা মসজিদের দেখভাল ও প্রশাসনের আইনগত দায়িত্ব জর্ডানের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জেরুজালেম ওয়াকফ বিভাগের।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলকে অবিলম্বে আল-আকসা মসজিদের ফটক খুলে দিতে, জেরুজালেমের পুরোনো শহরে প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে এবং মুসল্লিদের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চলমান লঙ্ঘন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থা হিসেবে এসব সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একইভাবে হামাসও আল-আকসা বন্ধ রাখাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপজ্জনক নজির বলে আখ্যা দিয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.