প্রযুক্তির কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। আর বরিশালের নারী উদ্যোক্তারা প্রযুক্তির কল্যাণে সফলতার পাশাপাশি নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে নিজেরাও এগিয়ে যাচ্ছেন। নারী উদ্যোক্তাদের তৈরিকৃত বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর বরিশালে প্রায় আড়াই কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে বিসিক।
ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন, উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি।
বর্তমান এই যান্ত্রিক কর্মব্যস্ত দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রই আজ প্রযুক্তিনির্ভর। প্রযুক্তির কল্যাণে অনলাইনে নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যা বাড়ছে। নিত্য নতুন পন্থায় এই প্রযুক্তির কল্যাণেই তারা তৈরি করছেন তাদের নিজস্ব কর্মসংসস্থান। পোশাক, বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানান পণ্যের ব্যবসা জনপ্রিয়তা পেয়েছে এখানে। আজকাল মানুষ ভিড় এড়িয়ে অনলাইনসহ বিভিন্ন পন্থায় কেনাকাটা করছেন। প্রযুক্তির ছোয়ায় মানুষের জীবনযাত্রা হয়ে উঠছে সহজ। দিন দিনে নারীরাও আজ প্রযুক্তিবান্ধব হয়ে উঠেছেন।
বর্তমানে অনেক নারীই ডিজিটাল প্লটফর্মে যুক্ত হয়ে ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এতে করে ঘরে বসেই ঘর সংসারের কাজের পাশাপাশি বাড়তি উপার্জনের সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা। অল্প পুঁজিতে নারীরা অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের সফলভাবে প্রকাশ করছেন সমাজে। বর্তমানে বরিশাল জেলায় ৩ শতাধিক নারী উদ্যোক্তা বিভিন্ন ব্যাবসায় এমনি ভাবে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছেন। দিন দিনই উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়ছে।
তেমনি একজন লিসা ইউসুফ। পরিবারের কাজের পাশাপাশি অনলাইন পেজ খুলে ঘরে বসেই ছোট পরিসরে শুরু করেছিলেন বার্গার, সিঙ্গারা, রোল, মিষ্টিসহ নানা ধরনের খাবারের বেচাকেনা। ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তার খাবার পৌঁছে যায় ক্রেতাদের কাছে। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা। গত দুই বছরে এ কার্যক্রমে জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন বেশ।
শুধু মাত্র লিসা ইউসুফ নয় এরকম অনেকেই আছেন, যারা ঘরে বসেই খাবার তৈরি করে ডেলিভারি করছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অফিসেও। নিজের বা প্রতিষ্ঠানের পরিচিত বাড়াতে অংশগ্রহণ করছেন বিভিন্ন উদ্যোক্তা মেলায়ও।
এ বিষয়ে উদ্যোক্তা লিসা ইউসুফ বলেন, সংসার ছেলে মেয়ে সামলে চাকুরী করা পসিবল ছিলনা। সেই থেকে নিজের সার্কেলের ভেতরে কাজ করা শুরু। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা।
এমনই আর একজন উদ্যোক্তা ইসরাত জাহান। নিপুন হাতে সাজিয়ে তুলছেন কেকের ওপরে বিভিন্ন ধরনের নকশা। ইসরাত জাহানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রথমে বাসায় বসে কেক তৈরি করে অনালাইনের মাধ্যমে বিক্রি করলেও এখন নিজেই গড়ে তুলেছেন একটি প্রতিষ্ঠান। অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে প্রতিমাসে কেক বিক্রি করেন দেড় থেকে দুই লাখ টাকার।
ইসরাত জাহান, লিসা ইউসুফসহ বরিশালে অনেকেই আছেন যারা অনালাইনে শুরু করলেও আজ নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান। নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি তৈরি করেছে অনেকের কর্মসংস্থানও। নিজের সফলতার পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তারা তৈরি করছেন নতুন নতুন কর্মসংস্থান।
ঘরে বসেই ব্লকের কাজ করছেন রুবায়েত রাফা। প্রতি মাসে আয় করছেন ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত। এভাবে নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন তিনি।
শুধুমাত্র বরিশালেই নয়, অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাঠাচ্ছেন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। নিজ উদ্যোগে স্বাবলম্বী হতে পেরে খুশি উদ্যোক্তারা। সল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা এবং নারীদের জন্য একটি মার্কেট প্লেস তৈরি হলে আগামীতে দেশের অর্থনীতিতে বড় ভুমিকা রাখার কথা জানিয়েছেন তারা।
রুবায়েত রাফা বলেন, আমি আজ নিজেই সাবলম্বী। নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানা জিনিসের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি। বর্তমানে আমি ও আমার সাথে আরো অনেক নারী উপার্জন করে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমারা এখন আর পিছিয়ে নেই।
বরিশাল উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি বিলকিস আহমেদ লিলি জানান, স্থানীয় ভাবে মূলত অনলাইনে মানুষের খাদ্য পণ্য ও পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষই অনলাইনের প্রতি ঝুঁকছেন, এতে এ খাত আরো প্রসারতি হচ্ছে। তবে বিভিন্ন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে তাহলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবেন।
জানতে চাইলে বরিশাল বিসিকের উপ-ব্যবস্থাপক জালিস মাহামুদ জানান, নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিং পরিচালনা করছে বিসিক। এছাড়া নারীদের সুবিধার্থে সল্প সুদে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থাও করেছে। নারীদের এই পথচলায় যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করবে বিসিক এমন আশ্বাস দিয়েছেন এই কর্মকর্তা। বর্তমানে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে পুরুষদের সাথে তাল মিলিয়ে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ফেইজবুক ভিত্তিক গ্রুপের মাধ্যমেও নিজের পরিচিতি বাড়াচ্ছেন উদ্যোক্তারা। যেসব নারীরা কিছু একটা করতে চায় অনলাইন পাল্টফর্মে, তাদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

০৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:১১
প্রযুক্তির কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। আর বরিশালের নারী উদ্যোক্তারা প্রযুক্তির কল্যাণে সফলতার পাশাপাশি নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে নিজেরাও এগিয়ে যাচ্ছেন। নারী উদ্যোক্তাদের তৈরিকৃত বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর বরিশালে প্রায় আড়াই কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে বিসিক।
ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন, উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি।
বর্তমান এই যান্ত্রিক কর্মব্যস্ত দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রই আজ প্রযুক্তিনির্ভর। প্রযুক্তির কল্যাণে অনলাইনে নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যা বাড়ছে। নিত্য নতুন পন্থায় এই প্রযুক্তির কল্যাণেই তারা তৈরি করছেন তাদের নিজস্ব কর্মসংসস্থান। পোশাক, বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানান পণ্যের ব্যবসা জনপ্রিয়তা পেয়েছে এখানে। আজকাল মানুষ ভিড় এড়িয়ে অনলাইনসহ বিভিন্ন পন্থায় কেনাকাটা করছেন। প্রযুক্তির ছোয়ায় মানুষের জীবনযাত্রা হয়ে উঠছে সহজ। দিন দিনে নারীরাও আজ প্রযুক্তিবান্ধব হয়ে উঠেছেন।
বর্তমানে অনেক নারীই ডিজিটাল প্লটফর্মে যুক্ত হয়ে ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এতে করে ঘরে বসেই ঘর সংসারের কাজের পাশাপাশি বাড়তি উপার্জনের সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা। অল্প পুঁজিতে নারীরা অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের সফলভাবে প্রকাশ করছেন সমাজে। বর্তমানে বরিশাল জেলায় ৩ শতাধিক নারী উদ্যোক্তা বিভিন্ন ব্যাবসায় এমনি ভাবে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছেন। দিন দিনই উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়ছে।
তেমনি একজন লিসা ইউসুফ। পরিবারের কাজের পাশাপাশি অনলাইন পেজ খুলে ঘরে বসেই ছোট পরিসরে শুরু করেছিলেন বার্গার, সিঙ্গারা, রোল, মিষ্টিসহ নানা ধরনের খাবারের বেচাকেনা। ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তার খাবার পৌঁছে যায় ক্রেতাদের কাছে। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা। গত দুই বছরে এ কার্যক্রমে জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন বেশ।
শুধু মাত্র লিসা ইউসুফ নয় এরকম অনেকেই আছেন, যারা ঘরে বসেই খাবার তৈরি করে ডেলিভারি করছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অফিসেও। নিজের বা প্রতিষ্ঠানের পরিচিত বাড়াতে অংশগ্রহণ করছেন বিভিন্ন উদ্যোক্তা মেলায়ও।
এ বিষয়ে উদ্যোক্তা লিসা ইউসুফ বলেন, সংসার ছেলে মেয়ে সামলে চাকুরী করা পসিবল ছিলনা। সেই থেকে নিজের সার্কেলের ভেতরে কাজ করা শুরু। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা।
এমনই আর একজন উদ্যোক্তা ইসরাত জাহান। নিপুন হাতে সাজিয়ে তুলছেন কেকের ওপরে বিভিন্ন ধরনের নকশা। ইসরাত জাহানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রথমে বাসায় বসে কেক তৈরি করে অনালাইনের মাধ্যমে বিক্রি করলেও এখন নিজেই গড়ে তুলেছেন একটি প্রতিষ্ঠান। অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে প্রতিমাসে কেক বিক্রি করেন দেড় থেকে দুই লাখ টাকার।
ইসরাত জাহান, লিসা ইউসুফসহ বরিশালে অনেকেই আছেন যারা অনালাইনে শুরু করলেও আজ নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান। নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি তৈরি করেছে অনেকের কর্মসংস্থানও। নিজের সফলতার পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তারা তৈরি করছেন নতুন নতুন কর্মসংস্থান।
ঘরে বসেই ব্লকের কাজ করছেন রুবায়েত রাফা। প্রতি মাসে আয় করছেন ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত। এভাবে নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন তিনি।
শুধুমাত্র বরিশালেই নয়, অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাঠাচ্ছেন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। নিজ উদ্যোগে স্বাবলম্বী হতে পেরে খুশি উদ্যোক্তারা। সল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা এবং নারীদের জন্য একটি মার্কেট প্লেস তৈরি হলে আগামীতে দেশের অর্থনীতিতে বড় ভুমিকা রাখার কথা জানিয়েছেন তারা।
রুবায়েত রাফা বলেন, আমি আজ নিজেই সাবলম্বী। নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানা জিনিসের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি। বর্তমানে আমি ও আমার সাথে আরো অনেক নারী উপার্জন করে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমারা এখন আর পিছিয়ে নেই।
বরিশাল উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি বিলকিস আহমেদ লিলি জানান, স্থানীয় ভাবে মূলত অনলাইনে মানুষের খাদ্য পণ্য ও পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষই অনলাইনের প্রতি ঝুঁকছেন, এতে এ খাত আরো প্রসারতি হচ্ছে। তবে বিভিন্ন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে তাহলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবেন।
জানতে চাইলে বরিশাল বিসিকের উপ-ব্যবস্থাপক জালিস মাহামুদ জানান, নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিং পরিচালনা করছে বিসিক। এছাড়া নারীদের সুবিধার্থে সল্প সুদে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থাও করেছে। নারীদের এই পথচলায় যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করবে বিসিক এমন আশ্বাস দিয়েছেন এই কর্মকর্তা। বর্তমানে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে পুরুষদের সাথে তাল মিলিয়ে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ফেইজবুক ভিত্তিক গ্রুপের মাধ্যমেও নিজের পরিচিতি বাড়াচ্ছেন উদ্যোক্তারা। যেসব নারীরা কিছু একটা করতে চায় অনলাইন পাল্টফর্মে, তাদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।