
০৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:১১
প্রযুক্তির কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। আর বরিশালের নারী উদ্যোক্তারা প্রযুক্তির কল্যাণে সফলতার পাশাপাশি নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে নিজেরাও এগিয়ে যাচ্ছেন। নারী উদ্যোক্তাদের তৈরিকৃত বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর বরিশালে প্রায় আড়াই কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে বিসিক।
ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন, উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি।
বর্তমান এই যান্ত্রিক কর্মব্যস্ত দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রই আজ প্রযুক্তিনির্ভর। প্রযুক্তির কল্যাণে অনলাইনে নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যা বাড়ছে। নিত্য নতুন পন্থায় এই প্রযুক্তির কল্যাণেই তারা তৈরি করছেন তাদের নিজস্ব কর্মসংসস্থান। পোশাক, বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানান পণ্যের ব্যবসা জনপ্রিয়তা পেয়েছে এখানে। আজকাল মানুষ ভিড় এড়িয়ে অনলাইনসহ বিভিন্ন পন্থায় কেনাকাটা করছেন। প্রযুক্তির ছোয়ায় মানুষের জীবনযাত্রা হয়ে উঠছে সহজ। দিন দিনে নারীরাও আজ প্রযুক্তিবান্ধব হয়ে উঠেছেন।
বর্তমানে অনেক নারীই ডিজিটাল প্লটফর্মে যুক্ত হয়ে ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এতে করে ঘরে বসেই ঘর সংসারের কাজের পাশাপাশি বাড়তি উপার্জনের সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা। অল্প পুঁজিতে নারীরা অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের সফলভাবে প্রকাশ করছেন সমাজে। বর্তমানে বরিশাল জেলায় ৩ শতাধিক নারী উদ্যোক্তা বিভিন্ন ব্যাবসায় এমনি ভাবে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছেন। দিন দিনই উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়ছে।
তেমনি একজন লিসা ইউসুফ। পরিবারের কাজের পাশাপাশি অনলাইন পেজ খুলে ঘরে বসেই ছোট পরিসরে শুরু করেছিলেন বার্গার, সিঙ্গারা, রোল, মিষ্টিসহ নানা ধরনের খাবারের বেচাকেনা। ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তার খাবার পৌঁছে যায় ক্রেতাদের কাছে। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা। গত দুই বছরে এ কার্যক্রমে জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন বেশ।
শুধু মাত্র লিসা ইউসুফ নয় এরকম অনেকেই আছেন, যারা ঘরে বসেই খাবার তৈরি করে ডেলিভারি করছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অফিসেও। নিজের বা প্রতিষ্ঠানের পরিচিত বাড়াতে অংশগ্রহণ করছেন বিভিন্ন উদ্যোক্তা মেলায়ও।
এ বিষয়ে উদ্যোক্তা লিসা ইউসুফ বলেন, সংসার ছেলে মেয়ে সামলে চাকুরী করা পসিবল ছিলনা। সেই থেকে নিজের সার্কেলের ভেতরে কাজ করা শুরু। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা।
এমনই আর একজন উদ্যোক্তা ইসরাত জাহান। নিপুন হাতে সাজিয়ে তুলছেন কেকের ওপরে বিভিন্ন ধরনের নকশা। ইসরাত জাহানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রথমে বাসায় বসে কেক তৈরি করে অনালাইনের মাধ্যমে বিক্রি করলেও এখন নিজেই গড়ে তুলেছেন একটি প্রতিষ্ঠান। অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে প্রতিমাসে কেক বিক্রি করেন দেড় থেকে দুই লাখ টাকার।
ইসরাত জাহান, লিসা ইউসুফসহ বরিশালে অনেকেই আছেন যারা অনালাইনে শুরু করলেও আজ নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান। নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি তৈরি করেছে অনেকের কর্মসংস্থানও। নিজের সফলতার পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তারা তৈরি করছেন নতুন নতুন কর্মসংস্থান।
ঘরে বসেই ব্লকের কাজ করছেন রুবায়েত রাফা। প্রতি মাসে আয় করছেন ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত। এভাবে নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন তিনি।
শুধুমাত্র বরিশালেই নয়, অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাঠাচ্ছেন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। নিজ উদ্যোগে স্বাবলম্বী হতে পেরে খুশি উদ্যোক্তারা। সল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা এবং নারীদের জন্য একটি মার্কেট প্লেস তৈরি হলে আগামীতে দেশের অর্থনীতিতে বড় ভুমিকা রাখার কথা জানিয়েছেন তারা।
রুবায়েত রাফা বলেন, আমি আজ নিজেই সাবলম্বী। নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানা জিনিসের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি। বর্তমানে আমি ও আমার সাথে আরো অনেক নারী উপার্জন করে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমারা এখন আর পিছিয়ে নেই।
বরিশাল উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি বিলকিস আহমেদ লিলি জানান, স্থানীয় ভাবে মূলত অনলাইনে মানুষের খাদ্য পণ্য ও পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষই অনলাইনের প্রতি ঝুঁকছেন, এতে এ খাত আরো প্রসারতি হচ্ছে। তবে বিভিন্ন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে তাহলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবেন।
জানতে চাইলে বরিশাল বিসিকের উপ-ব্যবস্থাপক জালিস মাহামুদ জানান, নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিং পরিচালনা করছে বিসিক। এছাড়া নারীদের সুবিধার্থে সল্প সুদে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থাও করেছে। নারীদের এই পথচলায় যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করবে বিসিক এমন আশ্বাস দিয়েছেন এই কর্মকর্তা। বর্তমানে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে পুরুষদের সাথে তাল মিলিয়ে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ফেইজবুক ভিত্তিক গ্রুপের মাধ্যমেও নিজের পরিচিতি বাড়াচ্ছেন উদ্যোক্তারা। যেসব নারীরা কিছু একটা করতে চায় অনলাইন পাল্টফর্মে, তাদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রযুক্তির কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। আর বরিশালের নারী উদ্যোক্তারা প্রযুক্তির কল্যাণে সফলতার পাশাপাশি নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে নিজেরাও এগিয়ে যাচ্ছেন। নারী উদ্যোক্তাদের তৈরিকৃত বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর বরিশালে প্রায় আড়াই কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে বিসিক।
ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন, উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি।
বর্তমান এই যান্ত্রিক কর্মব্যস্ত দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রই আজ প্রযুক্তিনির্ভর। প্রযুক্তির কল্যাণে অনলাইনে নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যা বাড়ছে। নিত্য নতুন পন্থায় এই প্রযুক্তির কল্যাণেই তারা তৈরি করছেন তাদের নিজস্ব কর্মসংসস্থান। পোশাক, বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানান পণ্যের ব্যবসা জনপ্রিয়তা পেয়েছে এখানে। আজকাল মানুষ ভিড় এড়িয়ে অনলাইনসহ বিভিন্ন পন্থায় কেনাকাটা করছেন। প্রযুক্তির ছোয়ায় মানুষের জীবনযাত্রা হয়ে উঠছে সহজ। দিন দিনে নারীরাও আজ প্রযুক্তিবান্ধব হয়ে উঠেছেন।
বর্তমানে অনেক নারীই ডিজিটাল প্লটফর্মে যুক্ত হয়ে ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এতে করে ঘরে বসেই ঘর সংসারের কাজের পাশাপাশি বাড়তি উপার্জনের সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা। অল্প পুঁজিতে নারীরা অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের সফলভাবে প্রকাশ করছেন সমাজে। বর্তমানে বরিশাল জেলায় ৩ শতাধিক নারী উদ্যোক্তা বিভিন্ন ব্যাবসায় এমনি ভাবে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছেন। দিন দিনই উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়ছে।
তেমনি একজন লিসা ইউসুফ। পরিবারের কাজের পাশাপাশি অনলাইন পেজ খুলে ঘরে বসেই ছোট পরিসরে শুরু করেছিলেন বার্গার, সিঙ্গারা, রোল, মিষ্টিসহ নানা ধরনের খাবারের বেচাকেনা। ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তার খাবার পৌঁছে যায় ক্রেতাদের কাছে। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা। গত দুই বছরে এ কার্যক্রমে জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন বেশ।
শুধু মাত্র লিসা ইউসুফ নয় এরকম অনেকেই আছেন, যারা ঘরে বসেই খাবার তৈরি করে ডেলিভারি করছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অফিসেও। নিজের বা প্রতিষ্ঠানের পরিচিত বাড়াতে অংশগ্রহণ করছেন বিভিন্ন উদ্যোক্তা মেলায়ও।
এ বিষয়ে উদ্যোক্তা লিসা ইউসুফ বলেন, সংসার ছেলে মেয়ে সামলে চাকুরী করা পসিবল ছিলনা। সেই থেকে নিজের সার্কেলের ভেতরে কাজ করা শুরু। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা।
এমনই আর একজন উদ্যোক্তা ইসরাত জাহান। নিপুন হাতে সাজিয়ে তুলছেন কেকের ওপরে বিভিন্ন ধরনের নকশা। ইসরাত জাহানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রথমে বাসায় বসে কেক তৈরি করে অনালাইনের মাধ্যমে বিক্রি করলেও এখন নিজেই গড়ে তুলেছেন একটি প্রতিষ্ঠান। অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে প্রতিমাসে কেক বিক্রি করেন দেড় থেকে দুই লাখ টাকার।
ইসরাত জাহান, লিসা ইউসুফসহ বরিশালে অনেকেই আছেন যারা অনালাইনে শুরু করলেও আজ নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান। নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি তৈরি করেছে অনেকের কর্মসংস্থানও। নিজের সফলতার পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তারা তৈরি করছেন নতুন নতুন কর্মসংস্থান।
ঘরে বসেই ব্লকের কাজ করছেন রুবায়েত রাফা। প্রতি মাসে আয় করছেন ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত। এভাবে নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন তিনি।
শুধুমাত্র বরিশালেই নয়, অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাঠাচ্ছেন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। নিজ উদ্যোগে স্বাবলম্বী হতে পেরে খুশি উদ্যোক্তারা। সল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা এবং নারীদের জন্য একটি মার্কেট প্লেস তৈরি হলে আগামীতে দেশের অর্থনীতিতে বড় ভুমিকা রাখার কথা জানিয়েছেন তারা।
রুবায়েত রাফা বলেন, আমি আজ নিজেই সাবলম্বী। নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানা জিনিসের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি। বর্তমানে আমি ও আমার সাথে আরো অনেক নারী উপার্জন করে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমারা এখন আর পিছিয়ে নেই।
বরিশাল উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি বিলকিস আহমেদ লিলি জানান, স্থানীয় ভাবে মূলত অনলাইনে মানুষের খাদ্য পণ্য ও পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষই অনলাইনের প্রতি ঝুঁকছেন, এতে এ খাত আরো প্রসারতি হচ্ছে। তবে বিভিন্ন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে তাহলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবেন।
জানতে চাইলে বরিশাল বিসিকের উপ-ব্যবস্থাপক জালিস মাহামুদ জানান, নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিং পরিচালনা করছে বিসিক। এছাড়া নারীদের সুবিধার্থে সল্প সুদে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থাও করেছে। নারীদের এই পথচলায় যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করবে বিসিক এমন আশ্বাস দিয়েছেন এই কর্মকর্তা। বর্তমানে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে পুরুষদের সাথে তাল মিলিয়ে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ফেইজবুক ভিত্তিক গ্রুপের মাধ্যমেও নিজের পরিচিতি বাড়াচ্ছেন উদ্যোক্তারা। যেসব নারীরা কিছু একটা করতে চায় অনলাইন পাল্টফর্মে, তাদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৬
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১