
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪৪
আগামী ১৩ জুলাই এক বর্ণাঢ্য সফরে বরিশাল আসছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই সফরের মধ্য দিয়ে অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হতে যাচ্ছে। নেতৃত্বের শীর্ষ পদে আসার পর বরিশাল বিভাগে এটাই তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর, যা ঘিরে ইতিমধ্যেই স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের ধারণা, এই সফরের মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত কিছু মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন গতি পাবে। বিশেষ করে ভাঙ্গা-কুয়াকাটা ৬ লেন মহাসড়ক, এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীতকরণের কাজ বেগবান হবে।
পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতকে সংযুক্ত করে রেললাইনের যে মহাপরিকল্পনা রয়েছে, তা এই সফরের মাধ্যমে নতুন আবহ তৈরি করবে।
উন্নয়ন বিশ্লেষকদের মতে, এই অবকাঠামোগত উন্নয়নগুলো সম্পন্ন হলে পর্যটন নগরী কুয়াকাটা এবং পায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের এক বিশাল দ্বার খুলে যাবে।
সফরকালে তিনি বরিশাল জেলা, মহানগর এবং সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় ও তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন। আগামী দিনের রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ এবং দলের সাংগঠনিক ভিত আরও মজবুত করতে এই সভা বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেবল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডই নয়, এই সফরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও পরিবেশগত কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঐতিহাসিক জেল খাল সংস্কার। বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ও পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ 'জেল খাল' পুনরুদ্ধার ও সংস্কার কাজের তদারকি। এবং বরিশালের ফুসফুস খ্যাত ঐতিহাসিক বেল্স পার্কের চারদিকে এক বিশাল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন।
এই সফরের সার্বিক প্রস্তুতি ও কর্মসূচির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি'র বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, সফরটি সফল করতে ইতিমধ্যেই দলীয় কার্যালয়ে দফায় দফায় প্রস্তুতি সভা চলছে এবং পুরো বরিশালজুড়ে কঠোর নিরাপত্তাসহ সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, এই ঐতিহাসিক সফরের মধ্য দিয়ে যেমন দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে, তেমনি দলের তৃণমূল পর্যায়ে এক অভূতপূর্ব প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হবে।
তারেক রহমান এর আগে অতি সম্প্রতি ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বরিশালে এসেছিলেন। ওই দিন তিনি বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দুপুরের দিকে বরিশাল নগরের বান্দরোডের ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে আয়োজিত একটি বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন এবং বক্তব্য রাখেন।
আগামী ১৩ জুলাই এক বর্ণাঢ্য সফরে বরিশাল আসছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই সফরের মধ্য দিয়ে অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হতে যাচ্ছে। নেতৃত্বের শীর্ষ পদে আসার পর বরিশাল বিভাগে এটাই তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর, যা ঘিরে ইতিমধ্যেই স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের ধারণা, এই সফরের মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত কিছু মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন গতি পাবে। বিশেষ করে ভাঙ্গা-কুয়াকাটা ৬ লেন মহাসড়ক, এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীতকরণের কাজ বেগবান হবে।
পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতকে সংযুক্ত করে রেললাইনের যে মহাপরিকল্পনা রয়েছে, তা এই সফরের মাধ্যমে নতুন আবহ তৈরি করবে।
উন্নয়ন বিশ্লেষকদের মতে, এই অবকাঠামোগত উন্নয়নগুলো সম্পন্ন হলে পর্যটন নগরী কুয়াকাটা এবং পায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের এক বিশাল দ্বার খুলে যাবে।
সফরকালে তিনি বরিশাল জেলা, মহানগর এবং সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় ও তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন। আগামী দিনের রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ এবং দলের সাংগঠনিক ভিত আরও মজবুত করতে এই সভা বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেবল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডই নয়, এই সফরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও পরিবেশগত কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঐতিহাসিক জেল খাল সংস্কার। বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ও পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ 'জেল খাল' পুনরুদ্ধার ও সংস্কার কাজের তদারকি। এবং বরিশালের ফুসফুস খ্যাত ঐতিহাসিক বেল্স পার্কের চারদিকে এক বিশাল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন।
এই সফরের সার্বিক প্রস্তুতি ও কর্মসূচির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি'র বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, সফরটি সফল করতে ইতিমধ্যেই দলীয় কার্যালয়ে দফায় দফায় প্রস্তুতি সভা চলছে এবং পুরো বরিশালজুড়ে কঠোর নিরাপত্তাসহ সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, এই ঐতিহাসিক সফরের মধ্য দিয়ে যেমন দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে, তেমনি দলের তৃণমূল পর্যায়ে এক অভূতপূর্ব প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হবে।
তারেক রহমান এর আগে অতি সম্প্রতি ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বরিশালে এসেছিলেন। ওই দিন তিনি বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দুপুরের দিকে বরিশাল নগরের বান্দরোডের ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে আয়োজিত একটি বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন এবং বক্তব্য রাখেন।

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৩৫
রাজধানী ঢাকায় সদরঘাটের শ্যামবাজার ঘাট এলাকায় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১২ লঞ্চের ধাক্কায় একটি নতুন ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা ১০ আরোহীর মধ্যে ৮ জন প্রাণে রক্ষা পেলেও ২ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। রোববার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সদরঘাট নৌ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা সাংবাদিকদের জানান, গাজীপুরের কড্ডাবাজার থেকে তৈরি সম্পূর্ণ নতুন ট্রলারটি কুমিল্লার মুরাদনগর নেওয়া হচ্ছিল। সদরঘাট এলাকায় পৌঁছালে ট্রলারটির প্রপেলার কোনো কিছুর সঙ্গে আটকে যায়। এতে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে ট্রলারটি নদীর মধ্যে স্থির হয়ে পড়ে। এ সময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১২ লঞ্চটি ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে সেটি ডুবে যায়।
এদিকে ট্রলারডুবির খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিসহ উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, ট্রলারে থাকা ১০ জনের মধ্যে ৮ জন সাঁতরে বা অন্যভাবে তীরে উঠেছেন। নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
সর্বশেষ বেলা ১১টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা যায়, নিখোঁজ দুজনের সন্ধান মেলেনি। পাশাপাশি ডুবে যাওয়া ট্রলারটিও এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
রাজধানী ঢাকায় সদরঘাটের শ্যামবাজার ঘাট এলাকায় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১২ লঞ্চের ধাক্কায় একটি নতুন ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা ১০ আরোহীর মধ্যে ৮ জন প্রাণে রক্ষা পেলেও ২ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। রোববার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সদরঘাট নৌ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা সাংবাদিকদের জানান, গাজীপুরের কড্ডাবাজার থেকে তৈরি সম্পূর্ণ নতুন ট্রলারটি কুমিল্লার মুরাদনগর নেওয়া হচ্ছিল। সদরঘাট এলাকায় পৌঁছালে ট্রলারটির প্রপেলার কোনো কিছুর সঙ্গে আটকে যায়। এতে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে ট্রলারটি নদীর মধ্যে স্থির হয়ে পড়ে। এ সময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১২ লঞ্চটি ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে সেটি ডুবে যায়।
এদিকে ট্রলারডুবির খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিসহ উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, ট্রলারে থাকা ১০ জনের মধ্যে ৮ জন সাঁতরে বা অন্যভাবে তীরে উঠেছেন। নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
সর্বশেষ বেলা ১১টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা যায়, নিখোঁজ দুজনের সন্ধান মেলেনি। পাশাপাশি ডুবে যাওয়া ট্রলারটিও এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১০
গণভোটের রায় না মানলে ঢাকায় মহাসমাবেশ: বরিশালে জামায়াত আমির
গণভোটের রায় মানতে বিএনপির নেতৃত্বধীন সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াত ইসলামির আমির ডা. মো. শফিকুল রহমান। আগামী ২৫ জুলাইয়ের আগে গণভোটের রায় যদি বাস্তবায়ন না হয় তাহলে রাজধানী ঢাকায় মহাসমাবেশ করার আল্টিমেটাম দিয়েছেন তিনি। শনিবার (১৮ জুলাই) বরিশাল বান্দরোডস্থ কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আল্টিমেটাম মিশ্রিত হুঁশিয়ারি দেন।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা আবার গর্জে উঠবো, অধিকার আদায় করেই ছাড়বো। ভুল পথ থেকে ফিরে আসুন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন। ২৫ জুলাই সিলেটে সমাবেশের আগেই গণভোটের রায় মেনে নিন। নতুবা রাজধানী ঢাকায় মহাসমাবেশের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
তিনি বলেন, অমরা নতুন শাসন ব্যবস্থা চাই, গণভোটের রায়ের বাস্তবায়ন চাই। কিন্তু ম্যাকানিজম করে ক্ষমতায় গিয়ে সরকার গণভোটের রায় ভুলে গেছেন। এবং সংসদে একজন অবৈতনিক একজন শিক্ষক আছেন, যিনি সংসদে প্রায়ই সংবিধান শেখান। প্রতারণা করলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন। আপনারা ফ্যাসিবাদের পথে হাটছেন। এটা জাতির সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা, মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার তাগিদ দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ফরিদপুরের ভাঙার পরে পুরো রাস্তা ভাঙা, ভোলাবাসীর ন্যায্য দাবি ব্রিজ দিতে হবে, রেল লাইন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের অধিকার। বরিশালকে বঞ্চিত রেখে দেশের সুষম উন্নয়ন হবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। যারা নির্বাচনের আগে ওয়াদা দেন একরকম আর কাজ করেন ভিন্ন, তারাই মুনাফিক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির আহবায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার যদি গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে তাহলে গণআন্দোলন এবং গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো। আমরা এখনও হরতাল, অবরোধের মতো কর্মসূচি দেইনি।
২৪’র গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শক্তি নাহিদ বলেন, যেকোনো সময় সেই ধরনের কর্মসূচি দেওয়ার জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা এই মুহূর্তে এই ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি দেওয়ার পক্ষে ছিলাম না। কিন্তু সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রমশ পরিস্থিতিকে সেই দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী অনেক ভালো ভালো কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখে মধু, অন্তরে ছলনা। যেই গণভোটের পক্ষে তিনি হ্যাঁ এর প্রচারণা করলেন, সেখানে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ৭০ ভাগ জনগণ রায় দেওয়া সত্ত্বেও তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছেন না। অথচ মুখে বলে যাচ্ছেন জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় আমাদের একটি স্লোগান ছিল নাটক কম করো প্রিয়। তারেক রহমানকেও বলে দিচ্ছি নাটক কম করেন প্রিয়। বাংলাদেশের জনগণ আপনাকে ক্ষমতা দিয়েছে মানে এই নয় যে আপনার যা খুশি ছলনা করবেন।
নাহিদ বলেন, বিএনপি গত ১৬ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তারা গণতন্ত্রের বিপক্ষে লড়াই করে যাচ্ছে। আসল কথা হচ্ছে, বিএনপি কখনো জনগণের পক্ষে ছিল না, তারা লড়াই করেছিল ক্ষমতার জন্য, স্বার্থ হাসিলের জন্য। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা তাদের কুক্ষিগত হয়েছে। এখন তারা সংবিধান সংস্কার কমিশনের কথা বলে না, এখন তারা ৩১ দফার কথা বলে না।
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি সরকারকে বলতে চাই সংবিধান সংশোধনের নামে কোনো প্রহসন বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না।
এর আগে বক্তব্য রাখে এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ফেরার কোন সুযোগ নেই, তাদের উস্কানিমূলক বক্তব্যে আমরা কান দেবোনা। আমরা চাই এদেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাস্তানি বন্ধ হোক’।
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের গুন্ডারা বিএনপির সাথে আর্থিক লেনদেন ও পৃষ্ঠপোষকতায় ফেরার পায়তারা করছেন। এই অপচেষ্টা সফল হতে দিব না।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ‘বাকশাল ও ভারতীয় অধিপত্যবাদ থেকে বাঁচার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম’।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চাপ দিয়ে চাঁদা দাবি করে তাদের কাছে উন্নয়ন দাবি করে কোন লাভ নেই। যারা কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, যারা জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি করে তাদের সাথে কোন আপস নেই, মুনাফিকদের সাথে আপস নেই।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আবদুল মাজেদ আতহারী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমদ।
এনসিপির যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু বলেন, ‘সংস্কার করলে চাঁদাবাজি করা যাবে না, তাই তারা এখন সংস্কারের কথা ভুলে গেছেন। খালেদা জিয়া বলে গেছেন, আওয়ামী লীগের সংবিধান ছুড়ে ফেলা হবে, অথচ বিএনপি এখন আওয়ামী লীগের সংবিধান আগলে রাখতে চাইছে’।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি বলেন, বিচার ও সংস্কারকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য তারা ফ্যাসিবাদীদের মতো উন্নয়নের ধোয়া তুলছে।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান, ঢাকা ৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নাল আবেদীন বরিশাল জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবদুল জব্বার এবং বিএম কলেজের সাবেক এজিএস শেখ নেয়ামুল করিম।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য ফখরুদ্দিন খান রাজী, এনসিপির বরিশাল জেলা আহবায়ক আবু সাঈদ মুসা, সদস্য সচিব আবু সাঈদ ফেরদৌস, মহানগর আহবায়ক মিজানুর রহমান এবং সদস্যসচিব এম আনোয়ার হোসেন।
সমাবেশ শুরুর আগে সকাল থেকেই বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা উপজেলার নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে হাজির হন। দুপুরের আগেই সমাবেশস্থল কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। সকাল ১০টা থেকে স্থানীয় নেতাদের বক্তব্যের মাঝে উদ্দীপনামূলক কোরাস সংগীত পরিবেশন করেন দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ বরিশাল অঞ্চলের আওতাধীন ৬ জেলা ও মহানগর শিল্পীরা।’
গণভোটের রায় না মানলে ঢাকায় মহাসমাবেশ: বরিশালে জামায়াত আমির
গণভোটের রায় মানতে বিএনপির নেতৃত্বধীন সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াত ইসলামির আমির ডা. মো. শফিকুল রহমান। আগামী ২৫ জুলাইয়ের আগে গণভোটের রায় যদি বাস্তবায়ন না হয় তাহলে রাজধানী ঢাকায় মহাসমাবেশ করার আল্টিমেটাম দিয়েছেন তিনি। শনিবার (১৮ জুলাই) বরিশাল বান্দরোডস্থ কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আল্টিমেটাম মিশ্রিত হুঁশিয়ারি দেন।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা আবার গর্জে উঠবো, অধিকার আদায় করেই ছাড়বো। ভুল পথ থেকে ফিরে আসুন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন। ২৫ জুলাই সিলেটে সমাবেশের আগেই গণভোটের রায় মেনে নিন। নতুবা রাজধানী ঢাকায় মহাসমাবেশের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
তিনি বলেন, অমরা নতুন শাসন ব্যবস্থা চাই, গণভোটের রায়ের বাস্তবায়ন চাই। কিন্তু ম্যাকানিজম করে ক্ষমতায় গিয়ে সরকার গণভোটের রায় ভুলে গেছেন। এবং সংসদে একজন অবৈতনিক একজন শিক্ষক আছেন, যিনি সংসদে প্রায়ই সংবিধান শেখান। প্রতারণা করলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন। আপনারা ফ্যাসিবাদের পথে হাটছেন। এটা জাতির সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা, মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার তাগিদ দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ফরিদপুরের ভাঙার পরে পুরো রাস্তা ভাঙা, ভোলাবাসীর ন্যায্য দাবি ব্রিজ দিতে হবে, রেল লাইন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের অধিকার। বরিশালকে বঞ্চিত রেখে দেশের সুষম উন্নয়ন হবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। যারা নির্বাচনের আগে ওয়াদা দেন একরকম আর কাজ করেন ভিন্ন, তারাই মুনাফিক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির আহবায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার যদি গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে তাহলে গণআন্দোলন এবং গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো। আমরা এখনও হরতাল, অবরোধের মতো কর্মসূচি দেইনি।
২৪’র গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শক্তি নাহিদ বলেন, যেকোনো সময় সেই ধরনের কর্মসূচি দেওয়ার জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা এই মুহূর্তে এই ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি দেওয়ার পক্ষে ছিলাম না। কিন্তু সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রমশ পরিস্থিতিকে সেই দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী অনেক ভালো ভালো কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখে মধু, অন্তরে ছলনা। যেই গণভোটের পক্ষে তিনি হ্যাঁ এর প্রচারণা করলেন, সেখানে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ৭০ ভাগ জনগণ রায় দেওয়া সত্ত্বেও তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছেন না। অথচ মুখে বলে যাচ্ছেন জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় আমাদের একটি স্লোগান ছিল নাটক কম করো প্রিয়। তারেক রহমানকেও বলে দিচ্ছি নাটক কম করেন প্রিয়। বাংলাদেশের জনগণ আপনাকে ক্ষমতা দিয়েছে মানে এই নয় যে আপনার যা খুশি ছলনা করবেন।
নাহিদ বলেন, বিএনপি গত ১৬ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তারা গণতন্ত্রের বিপক্ষে লড়াই করে যাচ্ছে। আসল কথা হচ্ছে, বিএনপি কখনো জনগণের পক্ষে ছিল না, তারা লড়াই করেছিল ক্ষমতার জন্য, স্বার্থ হাসিলের জন্য। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা তাদের কুক্ষিগত হয়েছে। এখন তারা সংবিধান সংস্কার কমিশনের কথা বলে না, এখন তারা ৩১ দফার কথা বলে না।
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি সরকারকে বলতে চাই সংবিধান সংশোধনের নামে কোনো প্রহসন বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না।
এর আগে বক্তব্য রাখে এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ফেরার কোন সুযোগ নেই, তাদের উস্কানিমূলক বক্তব্যে আমরা কান দেবোনা। আমরা চাই এদেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাস্তানি বন্ধ হোক’।
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের গুন্ডারা বিএনপির সাথে আর্থিক লেনদেন ও পৃষ্ঠপোষকতায় ফেরার পায়তারা করছেন। এই অপচেষ্টা সফল হতে দিব না।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ‘বাকশাল ও ভারতীয় অধিপত্যবাদ থেকে বাঁচার জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম’।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চাপ দিয়ে চাঁদা দাবি করে তাদের কাছে উন্নয়ন দাবি করে কোন লাভ নেই। যারা কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, যারা জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি করে তাদের সাথে কোন আপস নেই, মুনাফিকদের সাথে আপস নেই।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আবদুল মাজেদ আতহারী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমদ।
এনসিপির যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা আলম মিতু বলেন, ‘সংস্কার করলে চাঁদাবাজি করা যাবে না, তাই তারা এখন সংস্কারের কথা ভুলে গেছেন। খালেদা জিয়া বলে গেছেন, আওয়ামী লীগের সংবিধান ছুড়ে ফেলা হবে, অথচ বিএনপি এখন আওয়ামী লীগের সংবিধান আগলে রাখতে চাইছে’।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি বলেন, বিচার ও সংস্কারকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য তারা ফ্যাসিবাদীদের মতো উন্নয়নের ধোয়া তুলছে।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান, ঢাকা ৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নাল আবেদীন বরিশাল জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবদুল জব্বার এবং বিএম কলেজের সাবেক এজিএস শেখ নেয়ামুল করিম।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল অঞ্চল জামায়াতের টিম সদস্য ফখরুদ্দিন খান রাজী, এনসিপির বরিশাল জেলা আহবায়ক আবু সাঈদ মুসা, সদস্য সচিব আবু সাঈদ ফেরদৌস, মহানগর আহবায়ক মিজানুর রহমান এবং সদস্যসচিব এম আনোয়ার হোসেন।
সমাবেশ শুরুর আগে সকাল থেকেই বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা উপজেলার নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে হাজির হন। দুপুরের আগেই সমাবেশস্থল কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। সকাল ১০টা থেকে স্থানীয় নেতাদের বক্তব্যের মাঝে উদ্দীপনামূলক কোরাস সংগীত পরিবেশন করেন দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ বরিশাল অঞ্চলের আওতাধীন ৬ জেলা ও মহানগর শিল্পীরা।’

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৩
‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে’- বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, যে গণভোটে ৭০ ভাগ জনগণ রায় দিয়েছে, সেই একই দিনের ভোটে আপনারা সরকার গঠন করার দাবি করছেন। ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও গ্রহণযোগ্য হবে না। গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। জনগণ গণভোটের রায় মানতে বাধ্য করবে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন দাবিতে এ বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বিএনপির উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, ১৯৯১ সালের পর ক্ষমতায় এসে আপনারা বুঝতে পারেননি কেয়ারটেকার সরকার কী। শেষ পর্যন্ত বুঝেছেন। আমরা বলবো, জাতির ক্ষতি করে নয়, এখনই বিষয়টি বুঝুন।
তিনি বলেন, আমরা রাজপথে থাকতে চাই না। আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে চাই। কিন্তু যেভাবে আমাদের রাজপথের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, রাজপথ উত্তপ্ত হলে তার পরিণতি ভালো হবে না।
সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।’
‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে’- বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, যে গণভোটে ৭০ ভাগ জনগণ রায় দিয়েছে, সেই একই দিনের ভোটে আপনারা সরকার গঠন করার দাবি করছেন। ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও গ্রহণযোগ্য হবে না। গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। জনগণ গণভোটের রায় মানতে বাধ্য করবে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন দাবিতে এ বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বিএনপির উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, ১৯৯১ সালের পর ক্ষমতায় এসে আপনারা বুঝতে পারেননি কেয়ারটেকার সরকার কী। শেষ পর্যন্ত বুঝেছেন। আমরা বলবো, জাতির ক্ষতি করে নয়, এখনই বিষয়টি বুঝুন।
তিনি বলেন, আমরা রাজপথে থাকতে চাই না। আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে চাই। কিন্তু যেভাবে আমাদের রাজপথের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, রাজপথ উত্তপ্ত হলে তার পরিণতি ভালো হবে না।
সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।’
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৩৫
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১০
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪৯