
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৬
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলার তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ঢাকার মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
যুবলীগ নেতা বাপ্পীর সর্বশেষ অবস্থান অনুসন্ধান করেছে দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। তাদের কলকাতা প্রতিনিধির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কলকাতায় আত্মগোপনে রয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম বাপ্পী।
সেখানে তিনি পুলিশ পরিচয়ে আছেন। কলকাতার রাজারহাটের ওয়েস্ট বেড়াবেড়ি, মেঠোপাড়া এলাকার ঝনঝন গলির একটি বাড়িতে থাকছেন বাপ্পী। সেখানের একপি ফ্ল্যাটে তিনমাস ধরে অবস্থান করছেন মিরপুর এলাকার সাবেক এই ওয়ার্ড কাউন্সিলর।
এই মামলা সম্পর্কে গতকাল বিস্তারিত জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, জানান, এখন পর্যন্ত তদন্তে পাওয়া গেছে, হাদি হত্যার নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী পল্লবীর সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী। এরপর যদি আর কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাহলে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মো. শফিকুল ইসলাম জানান, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেন। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিগত দিনের কার্যকলাপ সম্পর্কে সভা-সমাবেশ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনামূলক জোরালো বত্তৃদ্ধতা করেন। তাঁর বক্তব্যে ছাত্রলীগ ও এর সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। তিনি জানান, হাদিকে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলার তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ঢাকার মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
যুবলীগ নেতা বাপ্পীর সর্বশেষ অবস্থান অনুসন্ধান করেছে দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। তাদের কলকাতা প্রতিনিধির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কলকাতায় আত্মগোপনে রয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম বাপ্পী।
সেখানে তিনি পুলিশ পরিচয়ে আছেন। কলকাতার রাজারহাটের ওয়েস্ট বেড়াবেড়ি, মেঠোপাড়া এলাকার ঝনঝন গলির একটি বাড়িতে থাকছেন বাপ্পী। সেখানের একপি ফ্ল্যাটে তিনমাস ধরে অবস্থান করছেন মিরপুর এলাকার সাবেক এই ওয়ার্ড কাউন্সিলর।
এই মামলা সম্পর্কে গতকাল বিস্তারিত জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, জানান, এখন পর্যন্ত তদন্তে পাওয়া গেছে, হাদি হত্যার নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী পল্লবীর সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী। এরপর যদি আর কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাহলে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মো. শফিকুল ইসলাম জানান, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেন। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিগত দিনের কার্যকলাপ সম্পর্কে সভা-সমাবেশ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনামূলক জোরালো বত্তৃদ্ধতা করেন। তাঁর বক্তব্যে ছাত্রলীগ ও এর সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। তিনি জানান, হাদিকে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৮
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে। বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি বলছে, সংবিধান ও রাষ্ট্রব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্র মেরামতে পূর্বঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর বিএনপি।
আইন খাতকে পরিপূর্ণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এবার এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মাহদী আমিনকে দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যদিও এটি দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। ভোলা-১ (সদর) আসনে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ১ লাখ ৪ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়েছেন।
ভোলা জেলার সন্তান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। এলএলবি করার জন্য লন্ডনে যাওয়ার আগে প্রথমে সেন্ট যোসেফ উচ্চ বিদ্যালয়ের এবং পরবর্তীতে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে পড়ালেখা করেছেন।
১৯৯১ সালে চলে যান ইংল্যান্ডে এ লেভেল করেন তিনি। ১৯৯৫ সালে সেখানেই এলএলবি করেন। ১৯৯৭ সালে ইংল্যান্ডের উলভার হ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটি থেকে বার এট ল’ করে দেশে ফিরেন তিনি। দেশে ফিরে চার বছর কাজ করেন প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের সঙ্গে।
২০০০ সাল থেকে আন্দালিব রহমান পার্থ তার বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর সাথে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েন। ২০০৮ সালের বাবার মৃত্যু হলে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন।
তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সদস্য ছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার দল বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন বয়কট করে। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৭ আসনে ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে। বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি বলছে, সংবিধান ও রাষ্ট্রব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্র মেরামতে পূর্বঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর বিএনপি।
আইন খাতকে পরিপূর্ণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এবার এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মাহদী আমিনকে দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যদিও এটি দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। ভোলা-১ (সদর) আসনে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ১ লাখ ৪ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়েছেন।
ভোলা জেলার সন্তান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। এলএলবি করার জন্য লন্ডনে যাওয়ার আগে প্রথমে সেন্ট যোসেফ উচ্চ বিদ্যালয়ের এবং পরবর্তীতে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে পড়ালেখা করেছেন।
১৯৯১ সালে চলে যান ইংল্যান্ডে এ লেভেল করেন তিনি। ১৯৯৫ সালে সেখানেই এলএলবি করেন। ১৯৯৭ সালে ইংল্যান্ডের উলভার হ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটি থেকে বার এট ল’ করে দেশে ফিরেন তিনি। দেশে ফিরে চার বছর কাজ করেন প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের সঙ্গে।
২০০০ সাল থেকে আন্দালিব রহমান পার্থ তার বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর সাথে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েন। ২০০৮ সালের বাবার মৃত্যু হলে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন।
তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সদস্য ছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার দল বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন বয়কট করে। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৭ আসনে ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩০
পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।
এর আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওইদিন বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, দেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলিম। স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে- এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং একইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।
এতে আরও বলা হয়, সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না এবং অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী- আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। এজন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।
আইনি নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়।
যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোয় তীব্র জানযটের সৃষ্টি হয়, যার কারণে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। পরবর্তীতে নোটিশের জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করা হয়।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।
এর আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওইদিন বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, দেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলিম। স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে- এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং একইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।
এতে আরও বলা হয়, সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না এবং অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী- আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। এজন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।
আইনি নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়।
যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোয় তীব্র জানযটের সৃষ্টি হয়, যার কারণে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। পরবর্তীতে নোটিশের জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করা হয়।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দিয়েছে ৪৬.৪ শতাংশ ও জাল ভোট পড়েছে ২১.৪ শতাংশ বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। আজ সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি এ তথ্য জানা যায়।
টিআইবি আরও জানায়, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা হয়েছে ১২৫টি, ভোট দিতে বাধা প্রদান হয় ৪৬.৪ শতাংশ ও প্রতিপক্ষের এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে ১৪.৩ শতাংশ।
নির্বাচনের দিন সংঘটিত অনিয়ম (টিআইবির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)
-ভোটারদের জোর করে নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা ৩৫.৭ শতাংশ
-জাল ভোট দেওয়া ২১.৪ শতাংশ
-বিধি লঙ্ঘন/আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ/অনিয়ম প্রতিরোধে প্রশাসন ও আইনশৃ ঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা ২১.৪ শতাংশ
-ভোট গ্রহণের আগেই ব্যলটে সিল মারা ১৪.৩ শতাংশ
-বুথ দখল করা ১৪.৩ শতাংশ-প্রতিপক্ষের পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেওয়া ১৪.৩ শতাংশ
-আইনশৃ ঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ভোটারদের অসহযোগীতা ১০.৭ শতাংশ
-রিটার্নিং অফিসারসহ নির্বাচনে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পক্ষপাতমূলক কার্যক্রম ১০.৭ শতাংশ
-তথ্য প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা (ফোর-জি এবং ত্রি-জি নেটওয়ার্ক বন্ধ এবং সাংবাদিকদের মটরযান চলাচলে বাধা) ৭.১ শতাংশ
-ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনের তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধা প্রদান ৭.১ শতাংশ
-আইনশৃ ঙ্খলা বাহিনীর রিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক কার্যμমের অভিযোগ ৭.১ শতাংশ
-ভোট গণনায় জালিয়াতির অভিযোগ ৭.১ শতাংশ
-ব্যালট পেপার শেষ হয়ে যাওয়া ৩.৬ শতাংশ
-নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের পর্যবেক্ষণে বাধা প্রদান ৩.৬ শতাংশ
-অন্যান্য ৩.৬ শতাংশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দিয়েছে ৪৬.৪ শতাংশ ও জাল ভোট পড়েছে ২১.৪ শতাংশ বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। আজ সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি এ তথ্য জানা যায়।
টিআইবি আরও জানায়, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা হয়েছে ১২৫টি, ভোট দিতে বাধা প্রদান হয় ৪৬.৪ শতাংশ ও প্রতিপক্ষের এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে ১৪.৩ শতাংশ।
নির্বাচনের দিন সংঘটিত অনিয়ম (টিআইবির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)
-ভোটারদের জোর করে নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা ৩৫.৭ শতাংশ
-জাল ভোট দেওয়া ২১.৪ শতাংশ
-বিধি লঙ্ঘন/আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ/অনিয়ম প্রতিরোধে প্রশাসন ও আইনশৃ ঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা ২১.৪ শতাংশ
-ভোট গ্রহণের আগেই ব্যলটে সিল মারা ১৪.৩ শতাংশ
-বুথ দখল করা ১৪.৩ শতাংশ-প্রতিপক্ষের পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেওয়া ১৪.৩ শতাংশ
-আইনশৃ ঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ভোটারদের অসহযোগীতা ১০.৭ শতাংশ
-রিটার্নিং অফিসারসহ নির্বাচনে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পক্ষপাতমূলক কার্যক্রম ১০.৭ শতাংশ
-তথ্য প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা (ফোর-জি এবং ত্রি-জি নেটওয়ার্ক বন্ধ এবং সাংবাদিকদের মটরযান চলাচলে বাধা) ৭.১ শতাংশ
-ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনের তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধা প্রদান ৭.১ শতাংশ
-আইনশৃ ঙ্খলা বাহিনীর রিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক কার্যμমের অভিযোগ ৭.১ শতাংশ
-ভোট গণনায় জালিয়াতির অভিযোগ ৭.১ শতাংশ
-ব্যালট পেপার শেষ হয়ে যাওয়া ৩.৬ শতাংশ
-নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের পর্যবেক্ষণে বাধা প্রদান ৩.৬ শতাংশ
-অন্যান্য ৩.৬ শতাংশ

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.