
১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:১০
রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধের মোট ১৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় ৩৫টি ককটেল এবং ৩২টি টিনের কৌটা উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক আহমেদ।
তিনি জানান, মোহাম্মদপুর থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযানে প্রতারণা, চুরি, দস্যুতা, নাশকতা এবং বিভিন্ন পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আটক করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে ডিএমপি অধ্যাদেশসহ সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- সুমন (২৩), নাঈম (২০), আনোয়ার (৫৭), মাসুদ মোল্লা (৩৩), রাসেল (৩০), রবিউল (১৯), সাগর (২৭), ইমন (২৪), লালচান বাদশা (২৪), আরাফাত হোসেন তুহিন (২১), জোবায়ের (২০), আনোয়ারুল ইসলাম (৪৪), একেএম সাঈদ (৪৮), রবিন (২৫), ইমরান (৩২) ও হাসান (২৮)।
ওসি জানান, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেনেভা ক্যাম্পের ৭ নম্বর সেক্টরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে ৩৫টি ককটেল ও ৩২টি টিনের জোরদার কৌটা উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ককটেলগুলো সিটিটিসির মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধের মোট ১৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় ৩৫টি ককটেল এবং ৩২টি টিনের কৌটা উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক আহমেদ।
তিনি জানান, মোহাম্মদপুর থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযানে প্রতারণা, চুরি, দস্যুতা, নাশকতা এবং বিভিন্ন পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আটক করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে ডিএমপি অধ্যাদেশসহ সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- সুমন (২৩), নাঈম (২০), আনোয়ার (৫৭), মাসুদ মোল্লা (৩৩), রাসেল (৩০), রবিউল (১৯), সাগর (২৭), ইমন (২৪), লালচান বাদশা (২৪), আরাফাত হোসেন তুহিন (২১), জোবায়ের (২০), আনোয়ারুল ইসলাম (৪৪), একেএম সাঈদ (৪৮), রবিন (২৫), ইমরান (৩২) ও হাসান (২৮)।
ওসি জানান, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেনেভা ক্যাম্পের ৭ নম্বর সেক্টরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে ৩৫টি ককটেল ও ৩২টি টিনের জোরদার কৌটা উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ককটেলগুলো সিটিটিসির মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৭
পিরোজপুরে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে এক নারীর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় প্রতারক চক্র। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার সাধনা ব্রিজ সংলগ্ন সাগর স্টোরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী হোসনে আরা (৫৫) জানান, দুইজন অজ্ঞাত প্রতারক চক্রের সদস্য কথোপকথনের একপর্যায়ে তাকে বিভ্রান্ত করে। পরে তারা তথাকথিত ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে নগদ টাকা, সোনার কানের দুল ও গলার চেইন নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ হাসান জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইসহ প্রয়োজনীয় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পিরোজপুরে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে এক নারীর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় প্রতারক চক্র। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার সাধনা ব্রিজ সংলগ্ন সাগর স্টোরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী হোসনে আরা (৫৫) জানান, দুইজন অজ্ঞাত প্রতারক চক্রের সদস্য কথোপকথনের একপর্যায়ে তাকে বিভ্রান্ত করে। পরে তারা তথাকথিত ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে নগদ টাকা, সোনার কানের দুল ও গলার চেইন নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ হাসান জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইসহ প্রয়োজনীয় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৭
ভোলার লালমোহন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের বিরুদ্ধে সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে চাল ও গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সমর্থনে টাকার লেনদেনসংক্রান্ত একাধিক গোপন ভিডিও ফুটেজও এই প্রতিনিধির হাতে পৌঁছেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে চাল বা গম বরাদ্দের ছাড়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্তরা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ডিও নিতে গেলে তাদের কাছ থেকে প্রতি টনে সর্বনিম্ন ৫শ থেকে সর্বোচ্চ একহাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। নির্ধারিত এই সমঝোতার টাকা পরিশোধের পরই দ্রুত ডিও ইস্যু করা হয় এবং বরাদ্দকৃত চাল-গম উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়।
গোপন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৯ টন চালের ডিও প্রদানের জন্য ৪ হাজার ৫শ টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে। টাকা গ্রহণের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে ডিও লেটার প্রস্তুত ও ইস্যু করা হয়। ফুটেজে এ সংক্রান্ত কথোপকথনের কিছু অংশও ধরা পড়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সমঝোতার টাকা পেলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক কিস্তির ডিও একবারেই প্রস্তুত করে দেওয়া হয়, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের কাছে অভিযোগ ও গোপন ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওরা খুশি হয়ে যা দেয়, তা আমি রাখি। আমি কাউকে জোর করি না।
তবে পরবর্তীতে কথোপকথনের একপর্যায়ে সমঝোতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে তদন্তের দাবি উঠেছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের বিরুদ্ধে সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে চাল ও গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সমর্থনে টাকার লেনদেনসংক্রান্ত একাধিক গোপন ভিডিও ফুটেজও এই প্রতিনিধির হাতে পৌঁছেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে চাল বা গম বরাদ্দের ছাড়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্তরা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ডিও নিতে গেলে তাদের কাছ থেকে প্রতি টনে সর্বনিম্ন ৫শ থেকে সর্বোচ্চ একহাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। নির্ধারিত এই সমঝোতার টাকা পরিশোধের পরই দ্রুত ডিও ইস্যু করা হয় এবং বরাদ্দকৃত চাল-গম উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়।
গোপন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৯ টন চালের ডিও প্রদানের জন্য ৪ হাজার ৫শ টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে। টাকা গ্রহণের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে ডিও লেটার প্রস্তুত ও ইস্যু করা হয়। ফুটেজে এ সংক্রান্ত কথোপকথনের কিছু অংশও ধরা পড়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সমঝোতার টাকা পেলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক কিস্তির ডিও একবারেই প্রস্তুত করে দেওয়া হয়, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের কাছে অভিযোগ ও গোপন ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওরা খুশি হয়ে যা দেয়, তা আমি রাখি। আমি কাউকে জোর করি না।
তবে পরবর্তীতে কথোপকথনের একপর্যায়ে সমঝোতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে তদন্তের দাবি উঠেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৭
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৭
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭