পটুয়াখালীর বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে রমিজ মৃধা নামের চল্লিশোর্ধ্ব এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার পর চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে প্রেরণ করে।
আহত রমিজ মৃধার স্ত্রীর অভিযোগ, জাতীয় নির্বাচনপরবর্তী সময় থেকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের জামায়াত নেতা কামাল এবং তার ছেলে রমিজের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় শনিবার সন্ধ্যার পর কয়েকজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী পেছন থেকে আকস্মিকভাবে রমিজ মৃধার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠে ও হাতে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
তিনি আরও জানান, সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রমিজ মৃধার বাম হাতের একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পিঠে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসার জন্য দ্রুত বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। হামলায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
তবে রমিজ মৃধাকে কোপানো এবং চাঁদা দাবির বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা কামাল ও তার ছেলের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ বাউফল হাসপাতালে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:১৫
পটুয়াখালীর বাউফলে লাল চরের ঘাস খেয়ে বিষক্রিয়ায় ৩০টি মহিষ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনটি মহিষ মারা গেছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার লালচরে এ ঘটনা ঘটে। মহিষের রাখাল ও পশু চিকিৎসকরা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, চরের ঘাসে বিষপ্রয়োগ করা হয়েছে। সেই ঘাস খেয়ে বিষক্রিয়ায় মহিষগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ে। যার মধ্যে তিনটি মারা গেছে। বেশ কয়েকটি আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছে।
মহিষের মালিক, রাখাল ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের লালচরে বছরের পর বছর ধরে স্থানীয় খামারিরা উন্মুক্তভাবে মহিষ লালন-পালন করে আসছে। চরের সবুজ ঘাস খেয়ে প্রাকৃতিকভাবে মহিষ হৃষ্টপুষ্ট হয়। প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও রাখালরা শতাধিক মহিষ লালচরে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যায়। চরের ঘাসে আগে থেকেই দুর্বৃত্তরা বিষপ্রয়োগ করে রেখেছিল। সেই ঘাস খেয়ে প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি মহিষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। যার মধ্যে রফিজ মৃধার একটি, সুমন মাঝির একটি ও রুহুল আমিনের একটি মোট ৩টি মহিষ মারা গেছে। এখনও বেশ কয়কটি মহিষের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
চন্দ্রদ্বীপের রায় সাহেবের বাসিন্দা মহিষের মালিক মোস্তফা ফকির বলেন, প্রায় ১৫ বছর ধরে লালচরে মহিষ পালন করি। শতশত মহিষ লালচরের ঘাস খায়। কখনও কোনো সমস্যা হয়নি। তবে এ বছর শত্রুতা করে দুর্বৃত্তরা চরের ঘাসে বিষ প্রয়োগ করে রাখে। সেই ঘাস খেয়ে মহিষ মারা যাচ্ছে। আমার ১৮টি মহিষের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আরেক মহিষের মালিক রুহুল আমিন বলেন, বিষ দেওয়া ঘাস খেয়ে আমার একটি মহিষ মারা গেছে। বাকিগুলো অসুস্থ। চিকিৎসা চলছে।
এ বিষয়ে উপজেলা উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই কয়েকটি মহিষ মারা গেছে। বাকি মহিষের চিকিৎসা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খাবারের বিষক্রিয়ায় মহিষগুলোর মৃত্য হয়েছে। আমরা মারা যাওয়া মহিষের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠাব। প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানানো যাবে।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুশি পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে লাল চরের ঘাস খেয়ে বিষক্রিয়ায় ৩০টি মহিষ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনটি মহিষ মারা গেছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার লালচরে এ ঘটনা ঘটে। মহিষের রাখাল ও পশু চিকিৎসকরা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, চরের ঘাসে বিষপ্রয়োগ করা হয়েছে। সেই ঘাস খেয়ে বিষক্রিয়ায় মহিষগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ে। যার মধ্যে তিনটি মারা গেছে। বেশ কয়েকটি আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছে।
মহিষের মালিক, রাখাল ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের লালচরে বছরের পর বছর ধরে স্থানীয় খামারিরা উন্মুক্তভাবে মহিষ লালন-পালন করে আসছে। চরের সবুজ ঘাস খেয়ে প্রাকৃতিকভাবে মহিষ হৃষ্টপুষ্ট হয়। প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও রাখালরা শতাধিক মহিষ লালচরে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যায়। চরের ঘাসে আগে থেকেই দুর্বৃত্তরা বিষপ্রয়োগ করে রেখেছিল। সেই ঘাস খেয়ে প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি মহিষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। যার মধ্যে রফিজ মৃধার একটি, সুমন মাঝির একটি ও রুহুল আমিনের একটি মোট ৩টি মহিষ মারা গেছে। এখনও বেশ কয়কটি মহিষের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
চন্দ্রদ্বীপের রায় সাহেবের বাসিন্দা মহিষের মালিক মোস্তফা ফকির বলেন, প্রায় ১৫ বছর ধরে লালচরে মহিষ পালন করি। শতশত মহিষ লালচরের ঘাস খায়। কখনও কোনো সমস্যা হয়নি। তবে এ বছর শত্রুতা করে দুর্বৃত্তরা চরের ঘাসে বিষ প্রয়োগ করে রাখে। সেই ঘাস খেয়ে মহিষ মারা যাচ্ছে। আমার ১৮টি মহিষের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আরেক মহিষের মালিক রুহুল আমিন বলেন, বিষ দেওয়া ঘাস খেয়ে আমার একটি মহিষ মারা গেছে। বাকিগুলো অসুস্থ। চিকিৎসা চলছে।
এ বিষয়ে উপজেলা উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই কয়েকটি মহিষ মারা গেছে। বাকি মহিষের চিকিৎসা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খাবারের বিষক্রিয়ায় মহিষগুলোর মৃত্য হয়েছে। আমরা মারা যাওয়া মহিষের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠাব। প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানানো যাবে।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুশি পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৪৩
পটুয়াখালীর দুমকিতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদধারী ও পদবঞ্চিত নেতাদের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের উপজেলা পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষ হয়। এতে পথচারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এবং ভাঙচুর করা হয়েছে চারটি মোটরসাইকেল।
এর আগে গত বুধবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে জেলার দুমকি উপজেলায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পদবঞ্চিত নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির রাজনীতিতে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপির অনুসারীদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটনের অনুসারীদের। নতুন কমিটিতে পদ পেয়েছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর অনুসারীরা।
যুবদল সূত্র জানায়, কমিটি ঘোষণার পর থেকেই শহরে টানটান উত্তেজনা দেখা দেয়। দুই পক্ষই মহড়ার মাধ্যমে নিজ শক্তি দেখানোর প্রস্তুতি নেয়। শুক্রবার বিকেলে পদধারী নেতারা আনন্দ মিছিলের জন্য উপজেলা পরিষদের পশ্চিম গেটে অবস্থান নেন। মিছিল প্রতিহত করতে মাঠে নামেন পদবঞ্চিতরাও। তারা উপজেলা পরিষদের পূর্ব গেটে অবস্থান নেন।
দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। একপর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বেধে যায়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পদবঞ্চিত অংশের নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় নবগঠিত কমিটির পদধারী গ্রুপটি পিছু হটে। সর্বশেষ সংবাদ পাওয়া পর্যন্ত পুরো শহরের নিয়ন্ত্রণ নেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা।
দুমকি উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও পদবঞ্চিত নেতা মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘যুবদলের ঘোষিত পকেট কমিটি আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। এ কমিটি বাতিলের দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি। এ অযোগ্য কমিটি যতদিন পর্যন্ত বাতিল না হয় ততদিন পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’
উপজেলা যুবদলের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ ইসলাম রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংঘর্ষে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে, কতজন আহত হয়েছেন, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। গুরুতর আহত আব্দুল ওহাব নামে এক কর্মীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্তারিত মন্তব্য পরে করব।’
দুমকী থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন জানান, যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদবঞ্চিত ও পদধারীরা একই জায়গায় কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ কারণে বড় কোনো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুবদলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পটুয়াখালীতে যুবদলের কমিটির বিরোধে দফায় দফায় সংঘাত, আহত ১২
পটুয়াখালীর দুমকিতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদধারী ও পদবঞ্চিত নেতাদের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের উপজেলা পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষ হয়। এতে পথচারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে চারটি মোটরসাইকেল।
গত বুধবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে জেলার দুমকী উপজেলায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পদবঞ্চিত নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির রাজনীতিতে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপির অনুসারীদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটনের অনুসারীদের। নতুন কমিটিতে পদ পেয়েছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর অনুসারীরা।
যুবদল সূত্র জানায়, কমিটি ঘোষণার পর থেকেই শহরে টানটান উত্তেজনা দেখা দেয়। দুই পক্ষই মহড়ার মাধ্যমে নিজ শক্তি দেখানোর প্রস্তুতি নেয়। শুক্রবার বিকেলে পদধারী নেতারা আনন্দ মিছিলের জন্য উপজেলা পরিষদের পশ্চিম গেটে অবস্থান নেন। মিছিল প্রতিহত করতে মাঠে নামেন পদবঞ্চিতরাও। তারা উপজেলা পরিষদের পূর্ব গেটে অবস্থান নেন।
দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। এক পর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বেধে যায়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পদবঞ্চিত অংশের নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় নবগঠিত কমিটির পদধারী গ্রুপটি পিছু হটে। সর্বশেষ সংবাদ পাওয়া পর্যন্ত পুরো শহরের নিয়ন্ত্রণ নেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা।
দুমকী উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও পদবঞ্চিত নেতা মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘যুবদলের ঘোষিত পকেট কমিটি আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। এ কমিটি বাতিলের দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি। এ অযোগ্য কমিটি যতদিন পর্যন্ত বাতিল না হয় ততদিন পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’
উপজেলা যুবদলের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ ইসলাম রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংঘর্ষে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে, কতজন আহত হয়েছেন, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। গুরুতর আহত আব্দুল ওহাব নামে এক কর্মীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্তারিত মন্তব্য পরে করব।’
দুমকি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদবঞ্চিত ও পদধারীরা একই জায়গায় কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ কারণে বড় কোনো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুবদলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।’
পটুয়াখালীর দুমকিতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদধারী ও পদবঞ্চিত নেতাদের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের উপজেলা পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষ হয়। এতে পথচারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এবং ভাঙচুর করা হয়েছে চারটি মোটরসাইকেল।
এর আগে গত বুধবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে জেলার দুমকি উপজেলায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পদবঞ্চিত নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির রাজনীতিতে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপির অনুসারীদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটনের অনুসারীদের। নতুন কমিটিতে পদ পেয়েছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর অনুসারীরা।
যুবদল সূত্র জানায়, কমিটি ঘোষণার পর থেকেই শহরে টানটান উত্তেজনা দেখা দেয়। দুই পক্ষই মহড়ার মাধ্যমে নিজ শক্তি দেখানোর প্রস্তুতি নেয়। শুক্রবার বিকেলে পদধারী নেতারা আনন্দ মিছিলের জন্য উপজেলা পরিষদের পশ্চিম গেটে অবস্থান নেন। মিছিল প্রতিহত করতে মাঠে নামেন পদবঞ্চিতরাও। তারা উপজেলা পরিষদের পূর্ব গেটে অবস্থান নেন।
দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। একপর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বেধে যায়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পদবঞ্চিত অংশের নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় নবগঠিত কমিটির পদধারী গ্রুপটি পিছু হটে। সর্বশেষ সংবাদ পাওয়া পর্যন্ত পুরো শহরের নিয়ন্ত্রণ নেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা।
দুমকি উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও পদবঞ্চিত নেতা মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘যুবদলের ঘোষিত পকেট কমিটি আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। এ কমিটি বাতিলের দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি। এ অযোগ্য কমিটি যতদিন পর্যন্ত বাতিল না হয় ততদিন পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’
উপজেলা যুবদলের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ ইসলাম রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংঘর্ষে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে, কতজন আহত হয়েছেন, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। গুরুতর আহত আব্দুল ওহাব নামে এক কর্মীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্তারিত মন্তব্য পরে করব।’
দুমকী থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন জানান, যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদবঞ্চিত ও পদধারীরা একই জায়গায় কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ কারণে বড় কোনো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুবদলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পটুয়াখালীতে যুবদলের কমিটির বিরোধে দফায় দফায় সংঘাত, আহত ১২
পটুয়াখালীর দুমকিতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদধারী ও পদবঞ্চিত নেতাদের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের উপজেলা পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষ হয়। এতে পথচারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে চারটি মোটরসাইকেল।
গত বুধবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে জেলার দুমকী উপজেলায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পদবঞ্চিত নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির রাজনীতিতে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপির অনুসারীদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটনের অনুসারীদের। নতুন কমিটিতে পদ পেয়েছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর অনুসারীরা।
যুবদল সূত্র জানায়, কমিটি ঘোষণার পর থেকেই শহরে টানটান উত্তেজনা দেখা দেয়। দুই পক্ষই মহড়ার মাধ্যমে নিজ শক্তি দেখানোর প্রস্তুতি নেয়। শুক্রবার বিকেলে পদধারী নেতারা আনন্দ মিছিলের জন্য উপজেলা পরিষদের পশ্চিম গেটে অবস্থান নেন। মিছিল প্রতিহত করতে মাঠে নামেন পদবঞ্চিতরাও। তারা উপজেলা পরিষদের পূর্ব গেটে অবস্থান নেন।
দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। এক পর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বেধে যায়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পদবঞ্চিত অংশের নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় নবগঠিত কমিটির পদধারী গ্রুপটি পিছু হটে। সর্বশেষ সংবাদ পাওয়া পর্যন্ত পুরো শহরের নিয়ন্ত্রণ নেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা।
দুমকী উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও পদবঞ্চিত নেতা মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘যুবদলের ঘোষিত পকেট কমিটি আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। এ কমিটি বাতিলের দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি। এ অযোগ্য কমিটি যতদিন পর্যন্ত বাতিল না হয় ততদিন পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’
উপজেলা যুবদলের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ ইসলাম রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংঘর্ষে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে, কতজন আহত হয়েছেন, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। গুরুতর আহত আব্দুল ওহাব নামে এক কর্মীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্তারিত মন্তব্য পরে করব।’
দুমকি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে পদবঞ্চিত ও পদধারীরা একই জায়গায় কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ কারণে বড় কোনো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুবদলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।’

২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে আব্দুল হাই ফাউন্ডেশনের আয়োজনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে বাকেরগঞ্জ একাদশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দুমকি একাদশ।
গতকাল বিকেলে সরকারি জনতা কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে দুমকি একাদশ। ধারাবাহিক আক্রমণ থেকে তারা তিনটি গোল আদায় করে নেয়। বিপরীতে একাধিক সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেনি বাকেরগঞ্জ একাদশ।
খেলা শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম। খেলার উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান টোটন।
এ সময় পবিপ্রবির প্রো-ভিসি এবিএম সাইফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. জামাল হোসেন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিলন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী, থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, যুব সমাজকে ক্রীড়ামুখী করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে আব্দুল হাই ফাউন্ডেশনের আয়োজনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে বাকেরগঞ্জ একাদশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দুমকি একাদশ।
গতকাল বিকেলে সরকারি জনতা কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে দুমকি একাদশ। ধারাবাহিক আক্রমণ থেকে তারা তিনটি গোল আদায় করে নেয়। বিপরীতে একাধিক সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেনি বাকেরগঞ্জ একাদশ।
খেলা শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম। খেলার উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান টোটন।
এ সময় পবিপ্রবির প্রো-ভিসি এবিএম সাইফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. জামাল হোসেন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিলন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী, থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, যুব সমাজকে ক্রীড়ামুখী করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৩০
পটুয়াখালীর বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে রমিজ মৃধা নামের চল্লিশোর্ধ্ব এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার পর চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে প্রেরণ করে।
আহত রমিজ মৃধার স্ত্রীর অভিযোগ, জাতীয় নির্বাচনপরবর্তী সময় থেকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের জামায়াত নেতা কামাল এবং তার ছেলে রমিজের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় শনিবার সন্ধ্যার পর কয়েকজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী পেছন থেকে আকস্মিকভাবে রমিজ মৃধার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠে ও হাতে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
তিনি আরও জানান, সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রমিজ মৃধার বাম হাতের একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পিঠে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসার জন্য দ্রুত বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। হামলায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
তবে রমিজ মৃধাকে কোপানো এবং চাঁদা দাবির বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা কামাল ও তার ছেলের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ বাউফল হাসপাতালে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৩০
২৯ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১১
২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৩৯
২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৯