বরিশালের বানারীপাড়ায় চিকিৎসকের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার এবং মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে জাতীয় ‘দৈনিক নিরপেক্ষ’ পত্রিকার বানারীপাড়া থানা প্রতিনিধি মো. আছিবুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান গলা ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলকে (৩৮) প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৫০৬(২) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
মামলার আরজিসূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. হাফিজুর রহমান শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বানারীপাড়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থিত ‘মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ ও ‘হামিদ মেমোরিয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল’-এ নিয়মিত রোগী দেখেন এবং বিভিন্ন অস্ত্রোপচার (সার্জারি) ও অ্যানেস্থেসিয়া পরিচালনা করেন। তবে তাঁর সার্জারি ও অ্যানেস্থেসিয়ার কোনো বৈধ সার্টিফিকেট নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বেনামে স্বজনদের শেয়ার রেখে এবং নির্দিষ্ট ফার্মেসি থেকে কমিশন গ্রহণের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার নামে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
এই অভিযোগের বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যে সাংবাদিক মো. আছিবুল ইসলাম গত ২৪ আগস্ট (রবিবার) রাত আনুমানিক ৯:১৫ ঘটিকার সময় বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত হামিদ মেমোরিয়াল হাসপাতালে গেলে সেখান থেকে একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাকে ডা. শাকিল মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক্স-রে রুমে আছে বলে এক্স-রে রুমের সামনে নিয়ে যান।
আরজিতে উল্লেখ করা হয়, সেখানে পৌছানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি একপর্যায়ে সাংবাদিককে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এছাড়াও ক্লিনিক ও ডা. শাকিলের বিষয়ে পরবর্তীতে আবার কখনো তথ্য সংগ্রহে আসলে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।
ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে বলে নালিশী দরখাস্তে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য ঘটনাস্থলের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ সংগ্রহের আর্জি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে আদালত নালিশী দরখাস্তটি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে ডাঃ হাফিজুর রহমান শাকিল বলেন ওই সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনে কথা হলেও সরাসরি তার দেখা হয়নি। সে মামলা করে থাকলে আইনীভাবে মোকাবেলা করা হবে।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৩০
দেশের ৬৪ জেলায় সরকারের কার্যক্রম তদারকির জন্য ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমনকে বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ দায়িত্ব বণ্টনের তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সুশাসন নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রম তদারকি করবেন।
দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি দপ্তরগুলোকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অপরাধ দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিগত সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে। লুট করা অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার হয়েছে এবং দেশের অভ্যন্তরে সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের অভিযোগও উঠে এসেছে।
সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ এবং কার্যপ্রণালি বিধিমালার সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্তরা সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্যবিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি করবেন। প্রয়োজনে তারা সংশ্লিষ্ট জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দিতে পারবেন।
দেশের ৬৪ জেলায় সরকারের কার্যক্রম তদারকির জন্য ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমনকে বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ দায়িত্ব বণ্টনের তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সুশাসন নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রম তদারকি করবেন।
দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি দপ্তরগুলোকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অপরাধ দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিগত সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে। লুট করা অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার হয়েছে এবং দেশের অভ্যন্তরে সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের অভিযোগও উঠে এসেছে।
সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ এবং কার্যপ্রণালি বিধিমালার সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্তরা সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্যবিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি করবেন। প্রয়োজনে তারা সংশ্লিষ্ট জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দিতে পারবেন।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩৭
বরিশালের গৌরনদীতে পারিবারিক কলহের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা, অগ্নি সংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পাঁচ নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের টরর্কীচর বেদে পল্লীতে এ ঘটনা ঘটে।
হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বেদে দিপু মিয়ার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন গৌরনদী মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বেদে পল্লীর সরদার নাসির সরদারের মেয়ে সোনালী বেগমকে বেদে দিপু মিয়ার ছেলে নিলয় মিয়া সাত বছর আগে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে নিলয়ের সাথে সোনালীর দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল।
নিলয় অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী সোনালীর পরকীয়ার কারণে প্রায়ই দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। সম্প্রীতি তার স্ত্রী পাঁচ বছরের ছেলে কারিমকে রেখে বাবার বাড়ি চলে যান। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বিরোধের জেরে বুধবার সন্ধ্যায় ও রাতে তার শ্বশুর নাসির সরদার ও তার লোকজন পৃথকভাবে হামলা চালিয়ে তাদের রান্নাঘর ও দোকান ঘরে অগ্নিসংযোগ করে। গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বেদে পল্লীর সরদার নাসির অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়েকে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে আমার বেয়াই দিপু মিয়া ও জামাই নিলয় মেয়েকে তাড়িয়ে দেয়। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে দিপুর লোকজন আমার ও আমার বোন নাসরিনের ঘরের টিনের বেড়া ভাঙচুর করে ও আমাদের মারধর করে।’
দিপু মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে নাসির সরদার ৪০ থেকে ৫০ জন লোকজন নিয়ে আমার ও আমার বড় ভাই ইত্তি মিয়ার বিল্ডিংয়ে হামলা চালিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে আসবারপত্র ও দরজা, জানালা ভাঙচুর করে। এ সময় হামলাকারীরা মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এতে বাধা দিলে আমার ছোট ভাই চঞ্চল (৩২), বড় ভাই ইত্তি (৪৫), ভাতিজা আরিফ সরদার (৩৫), জিহাদ (১২), মিলি বেগম (২৬), মিঠু মিয়া (৫০), টুনি বেগম (২৭) এবং লুৎফনর নেছাকে (৬৫) রক্তাক্ত জখম করে। গুরুতর আহত চঞ্চল ও জিহাদকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি।’
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘খবর পেয়ে রাতে ও আজ বৃহস্পতিবার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি। বেদে দিপু মিয়ার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বুধবার রাতে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
বরিশালের গৌরনদীতে পারিবারিক কলহের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা, অগ্নি সংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পাঁচ নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের টরর্কীচর বেদে পল্লীতে এ ঘটনা ঘটে।
হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বেদে দিপু মিয়ার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন গৌরনদী মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বেদে পল্লীর সরদার নাসির সরদারের মেয়ে সোনালী বেগমকে বেদে দিপু মিয়ার ছেলে নিলয় মিয়া সাত বছর আগে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে নিলয়ের সাথে সোনালীর দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল।
নিলয় অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী সোনালীর পরকীয়ার কারণে প্রায়ই দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। সম্প্রীতি তার স্ত্রী পাঁচ বছরের ছেলে কারিমকে রেখে বাবার বাড়ি চলে যান। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বিরোধের জেরে বুধবার সন্ধ্যায় ও রাতে তার শ্বশুর নাসির সরদার ও তার লোকজন পৃথকভাবে হামলা চালিয়ে তাদের রান্নাঘর ও দোকান ঘরে অগ্নিসংযোগ করে। গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বেদে পল্লীর সরদার নাসির অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়েকে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে আমার বেয়াই দিপু মিয়া ও জামাই নিলয় মেয়েকে তাড়িয়ে দেয়। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে দিপুর লোকজন আমার ও আমার বোন নাসরিনের ঘরের টিনের বেড়া ভাঙচুর করে ও আমাদের মারধর করে।’
দিপু মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে নাসির সরদার ৪০ থেকে ৫০ জন লোকজন নিয়ে আমার ও আমার বড় ভাই ইত্তি মিয়ার বিল্ডিংয়ে হামলা চালিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে আসবারপত্র ও দরজা, জানালা ভাঙচুর করে। এ সময় হামলাকারীরা মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এতে বাধা দিলে আমার ছোট ভাই চঞ্চল (৩২), বড় ভাই ইত্তি (৪৫), ভাতিজা আরিফ সরদার (৩৫), জিহাদ (১২), মিলি বেগম (২৬), মিঠু মিয়া (৫০), টুনি বেগম (২৭) এবং লুৎফনর নেছাকে (৬৫) রক্তাক্ত জখম করে। গুরুতর আহত চঞ্চল ও জিহাদকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি।’
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘খবর পেয়ে রাতে ও আজ বৃহস্পতিবার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি। বেদে দিপু মিয়ার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বুধবার রাতে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১০:২৮
বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় গত ৮ জুলাই হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৬০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে মামলার এজাহারভুক্ত ৪৩ জন এবং তদন্তে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১৭ জন। এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩২ জনকে।
বরিশাল জেলা পুলিশ অডিটোরিয়ামে বুধবার বিকেলে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান।
পুলিশ সুপার বলেন, এক আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, এরপর কয়েক শ মানুষ থানায় হামলা চালান। হামলায় আহত হন চার পুলিশ সদস্য।
গত ৮ জুলাই মাদক, চুরিসহ একাধিক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করে আগৈলঝাড়া থানা-পুলিশ। পুলিশ সুপারের ভাষ্য, হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ ফকির লোহার দরজায় আঘাত করেন এবং অসুস্থতার ভান করেন। পরে তাঁকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
এরপর এলাকায় রটে যায়, রিয়াজ ফকির মারা গেছেন। তবে খবরটি ছিল গুজব। এই গুজবকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে পুলিশের ভাষ্য।
পুলিশ সুপারের দাবি, একপর্যায়ে ২০০ থেকে ৩০০ মানুষের একটি দল থানায় হামলা চালায়। হামলাকারীরা ভেতরে ঢুকে কর্তব্যরত এক কর্মকর্তাকে মারধর করেন, থানার একটি ল্যাপটপ নিয়ে যান এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।
হামলার ঘটনায় আগৈলঝাড়া থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। এজাহারে নাম আসে ৪৩ জনের। তাদের মধ্যে আসামীর তালিকায় দুই সংবাদকর্মীর নাম রয়েছে। পরে তদন্তে আরো ১৭ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায় পুলিশ। এই সব মিলিয়ে আসামী শনাক্ত হন ৬০ জন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ আগস্ট পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন ৩২ জন। বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ জন্য ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গুজবের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের কথাও বলেন পুলিশ সুপার।
বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় গত ৮ জুলাই হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৬০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে মামলার এজাহারভুক্ত ৪৩ জন এবং তদন্তে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১৭ জন। এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩২ জনকে।
বরিশাল জেলা পুলিশ অডিটোরিয়ামে বুধবার বিকেলে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান।
পুলিশ সুপার বলেন, এক আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, এরপর কয়েক শ মানুষ থানায় হামলা চালান। হামলায় আহত হন চার পুলিশ সদস্য।
গত ৮ জুলাই মাদক, চুরিসহ একাধিক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করে আগৈলঝাড়া থানা-পুলিশ। পুলিশ সুপারের ভাষ্য, হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ ফকির লোহার দরজায় আঘাত করেন এবং অসুস্থতার ভান করেন। পরে তাঁকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
এরপর এলাকায় রটে যায়, রিয়াজ ফকির মারা গেছেন। তবে খবরটি ছিল গুজব। এই গুজবকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে পুলিশের ভাষ্য।
পুলিশ সুপারের দাবি, একপর্যায়ে ২০০ থেকে ৩০০ মানুষের একটি দল থানায় হামলা চালায়। হামলাকারীরা ভেতরে ঢুকে কর্তব্যরত এক কর্মকর্তাকে মারধর করেন, থানার একটি ল্যাপটপ নিয়ে যান এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।
হামলার ঘটনায় আগৈলঝাড়া থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। এজাহারে নাম আসে ৪৩ জনের। তাদের মধ্যে আসামীর তালিকায় দুই সংবাদকর্মীর নাম রয়েছে। পরে তদন্তে আরো ১৭ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায় পুলিশ। এই সব মিলিয়ে আসামী শনাক্ত হন ৬০ জন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ আগস্ট পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন ৩২ জন। বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ জন্য ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গুজবের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের কথাও বলেন পুলিশ সুপার।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২৩
বরিশালের বানারীপাড়ায় চিকিৎসকের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার এবং মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে জাতীয় ‘দৈনিক নিরপেক্ষ’ পত্রিকার বানারীপাড়া থানা প্রতিনিধি মো. আছিবুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান গলা ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলকে (৩৮) প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৫০৬(২) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
মামলার আরজিসূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. হাফিজুর রহমান শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বানারীপাড়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থিত ‘মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ ও ‘হামিদ মেমোরিয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল’-এ নিয়মিত রোগী দেখেন এবং বিভিন্ন অস্ত্রোপচার (সার্জারি) ও অ্যানেস্থেসিয়া পরিচালনা করেন। তবে তাঁর সার্জারি ও অ্যানেস্থেসিয়ার কোনো বৈধ সার্টিফিকেট নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বেনামে স্বজনদের শেয়ার রেখে এবং নির্দিষ্ট ফার্মেসি থেকে কমিশন গ্রহণের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার নামে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
এই অভিযোগের বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যে সাংবাদিক মো. আছিবুল ইসলাম গত ২৪ আগস্ট (রবিবার) রাত আনুমানিক ৯:১৫ ঘটিকার সময় বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত হামিদ মেমোরিয়াল হাসপাতালে গেলে সেখান থেকে একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাকে ডা. শাকিল মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক্স-রে রুমে আছে বলে এক্স-রে রুমের সামনে নিয়ে যান।
আরজিতে উল্লেখ করা হয়, সেখানে পৌছানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি একপর্যায়ে সাংবাদিককে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এছাড়াও ক্লিনিক ও ডা. শাকিলের বিষয়ে পরবর্তীতে আবার কখনো তথ্য সংগ্রহে আসলে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।
ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে বলে নালিশী দরখাস্তে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য ঘটনাস্থলের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ সংগ্রহের আর্জি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে আদালত নালিশী দরখাস্তটি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে ডাঃ হাফিজুর রহমান শাকিল বলেন ওই সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনে কথা হলেও সরাসরি তার দেখা হয়নি। সে মামলা করে থাকলে আইনীভাবে মোকাবেলা করা হবে।
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৩০
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:৩৬