দেশের সব সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসাসেবায় অবহেলা এবং স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে ছাত্র-জনতার চলমান আন্দোলনের মধ্যেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে যাওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছে।
বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজের সভাকক্ষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফরের উপস্থিতিতে হাসপাতালের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিক অঙ্গনের প্রতিনিধিসহ সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সাত দফা দাবি পেশ করে এ আল্টিমেটাম দেন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রতিনিধি নাজমুল হুদা বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলন যে কারণে হচ্ছে, সে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার আমরাও চাই। তবে সেটি অবশ্যই যৌক্তিক পথে যৌক্তিকভাবে হোক। তবে আন্দোলনের কারণে সৃষ্ট ভোগান্তি আমরা সাপোর্ট করতে পারছি না।
তিনি বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বিকেল ও রাতে সিনিয়র চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে রোগীর সেবা দিয়ে থাকেন। তবে সম্প্রতি সময়ে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। যেখানে গত ৩ আগস্ট শিশু বিভাগে দায়িত্বপালনকারী চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের ওপর মব তৈরির মাধ্যমে হয়রানির ঘটনা ঘটে এবং ওয়ার্ডে ভাঙচুর করা হয়।
এরপর ৬ আগস্ট সার্জারি ইউনিট-৩ এ রোগীর ছাড়পত্র দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার লোকজন চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায়। ১০ আগস্ট সার্জারি-২ ইউনিটে ভর্তি না হয়েও জোরপূর্বক চিকিৎসা নিয়ে চিকিৎসককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। এভাবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত হাসপাতালে ৮টি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটানো হয়।
তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং নিয়মিত কাজের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং চিকিৎসকরা সঠিকভাবে দায়িত্বপালনে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ অবস্থায় ৭ দফা দাবি পেশ করা হয়েছে। এ দাবিগুলোর বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না পেলে এবং চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফরা হয়রানির শিকার হলে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে যাবে।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবিগুলো হলো- ১. কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; ২. অ্যাডমিশন এবং পোস্ট অ্যাডমিশন ওয়ার্ডে আনসার সদস্যদের দ্বারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; ৩. হাসপাতালে দর্শনার্থী প্রবেশ দর্শনার্থী কার্ডের মাধ্যমে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
একজন রোগীর সঙ্গে একজন দর্শনার্থী থাকতে পারবে; ৪. হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং ক্যাজুয়ালটি বিভাগকে কার্যকর এবং উন্নত করা; ৫. হাসপাতালের সব পরীক্ষা নিরীক্ষা ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
যেসব পরীক্ষা চালু নেই সেগুলো দ্রুত চালুর ব্যবস্থা করা; ৬. হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ৭. হাসপাতালের বেড সংখ্যার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি নেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে বেড সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
এদিকে ইন্টার্নদের এমন আল্টিমেটামের হুঁশিয়ারির পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর সবাইকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও মানুষের সেবায় কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি সাধনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কাজ করছে, সুতরাং সময় দিতে হবে।

০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:০২
বরিশাল আদালত চত্বরে ১০ তলা জুডিশিয়াল ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে পড়ে নাজমুল হক (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজমুল হক বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি বরিশাল নগরের কাশীপুর হাইস্কুলসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন নাজমুল। পরে তাকে উদ্ধার করা হলেও তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, নাজমুল হক কেন আদালত চত্বরে এসেছিলেন এবং কীভাবে জুডিশিয়াল ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে নিচে পড়ে গেলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় আদালত চত্বরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নাজমুলের ভবন থেকে পড়ে যাওয়ার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।’
বরিশাল আদালত চত্বরে ১০ তলা জুডিশিয়াল ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে পড়ে নাজমুল হক (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজমুল হক বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি বরিশাল নগরের কাশীপুর হাইস্কুলসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন নাজমুল। পরে তাকে উদ্ধার করা হলেও তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, নাজমুল হক কেন আদালত চত্বরে এসেছিলেন এবং কীভাবে জুডিশিয়াল ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে নিচে পড়ে গেলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় আদালত চত্বরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নাজমুলের ভবন থেকে পড়ে যাওয়ার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।’

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৪৯
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পারিবারিক কলহ ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগের পর বিষপানে অসুস্থ হওয়া ঝুমুর খানম সেতু (২৭) মারা গেছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক সন্তানের এই মায়ের মৃত্যু হয়।
ঝুমুর আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের আব্দুল করিম খানের মেয়ে। তিনি গৌরনদী পৌর এলাকার চরগাধাতলী গ্রামের শাহারিয়া কাজী ওরফে শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী। প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের চার বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
পরিবারের ভাষ্য, রোববার (৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে স্বামীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার সময় ঝুমুর বিষপান করেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্বজনরা দ্রুত তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সোমবার বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসকেরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকায় নিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
বাবা আব্দুল করিম খানের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মেয়েকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্নভাবে মানসিক চাপে রাখতেন। তার দাবি, শাহারিয়া কর্মসূত্রে কুয়েতে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। স্বামীর পরিবারের সদস্যদের উসকানি ও প্ররোচনায় মেয়ের ওপর মানসিক নির্যাতন বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, একপর্যায়ে ঝুমুর ও তার শিশুকন্যাকে স্বামীর বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে মেয়েটি সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতেই বসবাস করছিলেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী মালামাল না দেওয়া, বিয়েতে পাঁচশ বরযাত্রী না আনা এবং ঝুমুরের শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে কটূক্তিসহ নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে তাকে দীর্ঘদিন ধরে অপমান ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে।
তার দাবি, ঘটনার রাতে ভিডিও কলে কথা বলার সময় শাহারিয়া তার মেয়েকে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তাকে বিষপান করে মারা যাওয়ার জন্য উসকানি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এর পরই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ঝুমুর পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বিষপান করেন বলে দাবি তার বাবার।
এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ঝুমুরের বাবা। আগৈলঝাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ মাসুদ খান বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে ঝুমুরের বাবার করা অভিযোগের বিষয়ে শাহারিয়া কাজী শাহাবুদ্দিনের পরিবারের কোনো সদস্যের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তারা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্বজনেরা জানান, কয়েক মাস আগে ঝুমুরের ২০ বছর বয়সী একমাত্র ভাই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সেই শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই ঝুমুরের মৃত্যুতে পরিবারটি আবারও গভীর শোকের মধ্যে পড়েছে। তার মৃত্যুতে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যেও শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পারিবারিক কলহ ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগের পর বিষপানে অসুস্থ হওয়া ঝুমুর খানম সেতু (২৭) মারা গেছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক সন্তানের এই মায়ের মৃত্যু হয়।
ঝুমুর আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের আব্দুল করিম খানের মেয়ে। তিনি গৌরনদী পৌর এলাকার চরগাধাতলী গ্রামের শাহারিয়া কাজী ওরফে শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী। প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের চার বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
পরিবারের ভাষ্য, রোববার (৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে স্বামীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার সময় ঝুমুর বিষপান করেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্বজনরা দ্রুত তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সোমবার বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসকেরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকায় নিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
বাবা আব্দুল করিম খানের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মেয়েকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্নভাবে মানসিক চাপে রাখতেন। তার দাবি, শাহারিয়া কর্মসূত্রে কুয়েতে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। স্বামীর পরিবারের সদস্যদের উসকানি ও প্ররোচনায় মেয়ের ওপর মানসিক নির্যাতন বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, একপর্যায়ে ঝুমুর ও তার শিশুকন্যাকে স্বামীর বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে মেয়েটি সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতেই বসবাস করছিলেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী মালামাল না দেওয়া, বিয়েতে পাঁচশ বরযাত্রী না আনা এবং ঝুমুরের শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে কটূক্তিসহ নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে তাকে দীর্ঘদিন ধরে অপমান ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে।
তার দাবি, ঘটনার রাতে ভিডিও কলে কথা বলার সময় শাহারিয়া তার মেয়েকে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তাকে বিষপান করে মারা যাওয়ার জন্য উসকানি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এর পরই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ঝুমুর পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বিষপান করেন বলে দাবি তার বাবার।
এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ঝুমুরের বাবা। আগৈলঝাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ মাসুদ খান বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে ঝুমুরের বাবার করা অভিযোগের বিষয়ে শাহারিয়া কাজী শাহাবুদ্দিনের পরিবারের কোনো সদস্যের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তারা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্বজনেরা জানান, কয়েক মাস আগে ঝুমুরের ২০ বছর বয়সী একমাত্র ভাই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সেই শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই ঝুমুরের মৃত্যুতে পরিবারটি আবারও গভীর শোকের মধ্যে পড়েছে। তার মৃত্যুতে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যেও শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৯
নারী কেলেংকারীসহ বহু অঘটন পটিয়াসি ডিডাব্লিউএফ নার্সি কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। প্রশিক্ষণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগসমূহের প্রমাণ মেলায় তার বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি সোমবার বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলে বিতর্কিত ডিডাব্লিউএফ নার্সি কলেজ চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে এনিয়ে সংক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ফুসে উঠলে বিষয়টি তুমুল আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করে। এবং সংবাদমাধ্যমে লেখালেখিতে এই জহিরুলের পরকীয়া প্রেমসহ বহুমুখী অপকর্ম প্রকাশ্যে আসে।
এসব ঘটনাসমূহ আদালতের নজরে আসলে তার বিরুদ্ধে স্বপ্রণোদিত হয়ে মিস কেস করেন বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শরিয়ত উল্লাহ। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাকে অনিয়মগুলো তদন্তে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পুলিশের তদন্তে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণ মেলায় এবার ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজ চেয়ারম্যানের জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো।
এর আগে আন্দোলনের মুখে শিক্ষার্থীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করলেও তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি, যা নিয়ে এখনও ক্ষোভে ফুঁসছেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ আছে, এই জহিরুল ইসলাম আইন লঙ্ঘন করে একই ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে অপকর্ম চালিয়েছেন। এবং প্রথম স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকে জোরপূর্বক আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে বাধ্য করেছেন, যা সংবাদ সম্মেলন করে আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রকাশ করেন তিনি।
মেহেরুন্নেছার অভিযোগ, চরিত্রহীন জহিরুল ইসলাম নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষার্থীর সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এর আগে তিনি আরেক শিক্ষার্থীর সাথে মুঠোফোনে আপত্তিকর কথাবার্তা বলেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই মেহেরুন্নেছাও নারী নির্যাতনসহ বেশ কয়েকটি মামলা করেছেন জহিরুলের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ প্রথম স্ত্রী বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে জহিরুলের সকল কুকীর্তি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন।
মেহেরুন্নেছা অভিযোগ করেন, জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকলেও তিনি বরিশাল-বরগুনা-পটুয়াখালী বিভিন্ন স্থানে দাপটের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এবং তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখল নিতে বিভিন্ন কলাকৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন। কিছুদিন পূর্বে পটুয়াখালী সদরে মেহেরুন্নেছা যে বাসাটিকে বসবাস করতেন সেটিও তালাবদ্ধ করে দিয়েছেন।
এই মস্তবড় প্রতারকের বিরুদ্ধে এবার শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ সামনে আসল এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলেন খোদ আদালত।
আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম সোমবার জানান, আদালত জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিয়েছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও মামলা আছে। একটি মামলায় তিনি আজ জামিনের আবেদন দিয়েছিলেন, পরে আবার ফেরত নিয়েছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত জহিরুল ইসলাম বরগুনা সদর থানা পুলিশের এসআই সোহাগকে ব্যবহার করে প্রথম স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকে হয়রানির ওপর রাখছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই সোহাগ বলছেন, জিডির অনুসন্ধান করছেন। তাহলে মেহেরুন্নেছার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীকে তিনি কোনো জহিরুলের ফোন ধরিয়ে দিলেন এমন প্রশ্ন করা হলে মাঠপুলিশ কর্মকর্তা কোনো সদুত্তোর দিতে না পেরে ফোনটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।’
নারী কেলেংকারীসহ বহু অঘটন পটিয়াসি ডিডাব্লিউএফ নার্সি কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। প্রশিক্ষণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগসমূহের প্রমাণ মেলায় তার বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি সোমবার বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলে বিতর্কিত ডিডাব্লিউএফ নার্সি কলেজ চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে এনিয়ে সংক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ফুসে উঠলে বিষয়টি তুমুল আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করে। এবং সংবাদমাধ্যমে লেখালেখিতে এই জহিরুলের পরকীয়া প্রেমসহ বহুমুখী অপকর্ম প্রকাশ্যে আসে।
এসব ঘটনাসমূহ আদালতের নজরে আসলে তার বিরুদ্ধে স্বপ্রণোদিত হয়ে মিস কেস করেন বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শরিয়ত উল্লাহ। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাকে অনিয়মগুলো তদন্তে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পুলিশের তদন্তে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণ মেলায় এবার ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজ চেয়ারম্যানের জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো।
এর আগে আন্দোলনের মুখে শিক্ষার্থীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করলেও তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি, যা নিয়ে এখনও ক্ষোভে ফুঁসছেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ আছে, এই জহিরুল ইসলাম আইন লঙ্ঘন করে একই ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে অপকর্ম চালিয়েছেন। এবং প্রথম স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকে জোরপূর্বক আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে বাধ্য করেছেন, যা সংবাদ সম্মেলন করে আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রকাশ করেন তিনি।
মেহেরুন্নেছার অভিযোগ, চরিত্রহীন জহিরুল ইসলাম নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষার্থীর সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এর আগে তিনি আরেক শিক্ষার্থীর সাথে মুঠোফোনে আপত্তিকর কথাবার্তা বলেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই মেহেরুন্নেছাও নারী নির্যাতনসহ বেশ কয়েকটি মামলা করেছেন জহিরুলের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ প্রথম স্ত্রী বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে জহিরুলের সকল কুকীর্তি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন।
মেহেরুন্নেছা অভিযোগ করেন, জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকলেও তিনি বরিশাল-বরগুনা-পটুয়াখালী বিভিন্ন স্থানে দাপটের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এবং তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখল নিতে বিভিন্ন কলাকৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন। কিছুদিন পূর্বে পটুয়াখালী সদরে মেহেরুন্নেছা যে বাসাটিকে বসবাস করতেন সেটিও তালাবদ্ধ করে দিয়েছেন।
এই মস্তবড় প্রতারকের বিরুদ্ধে এবার শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ সামনে আসল এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলেন খোদ আদালত।
আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম সোমবার জানান, আদালত জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিয়েছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও মামলা আছে। একটি মামলায় তিনি আজ জামিনের আবেদন দিয়েছিলেন, পরে আবার ফেরত নিয়েছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত জহিরুল ইসলাম বরগুনা সদর থানা পুলিশের এসআই সোহাগকে ব্যবহার করে প্রথম স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকে হয়রানির ওপর রাখছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই সোহাগ বলছেন, জিডির অনুসন্ধান করছেন। তাহলে মেহেরুন্নেছার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীকে তিনি কোনো জহিরুলের ফোন ধরিয়ে দিলেন এমন প্রশ্ন করা হলে মাঠপুলিশ কর্মকর্তা কোনো সদুত্তোর দিতে না পেরে ফোনটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।’

১৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৯:৫০
দেশের সব সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসাসেবায় অবহেলা এবং স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে ছাত্র-জনতার চলমান আন্দোলনের মধ্যেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে যাওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছে।
বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজের সভাকক্ষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফরের উপস্থিতিতে হাসপাতালের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিক অঙ্গনের প্রতিনিধিসহ সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সাত দফা দাবি পেশ করে এ আল্টিমেটাম দেন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রতিনিধি নাজমুল হুদা বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলন যে কারণে হচ্ছে, সে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার আমরাও চাই। তবে সেটি অবশ্যই যৌক্তিক পথে যৌক্তিকভাবে হোক। তবে আন্দোলনের কারণে সৃষ্ট ভোগান্তি আমরা সাপোর্ট করতে পারছি না।
তিনি বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বিকেল ও রাতে সিনিয়র চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে রোগীর সেবা দিয়ে থাকেন। তবে সম্প্রতি সময়ে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। যেখানে গত ৩ আগস্ট শিশু বিভাগে দায়িত্বপালনকারী চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের ওপর মব তৈরির মাধ্যমে হয়রানির ঘটনা ঘটে এবং ওয়ার্ডে ভাঙচুর করা হয়।
এরপর ৬ আগস্ট সার্জারি ইউনিট-৩ এ রোগীর ছাড়পত্র দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার লোকজন চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায়। ১০ আগস্ট সার্জারি-২ ইউনিটে ভর্তি না হয়েও জোরপূর্বক চিকিৎসা নিয়ে চিকিৎসককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। এভাবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত হাসপাতালে ৮টি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটানো হয়।
তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং নিয়মিত কাজের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং চিকিৎসকরা সঠিকভাবে দায়িত্বপালনে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ অবস্থায় ৭ দফা দাবি পেশ করা হয়েছে। এ দাবিগুলোর বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না পেলে এবং চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফরা হয়রানির শিকার হলে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে যাবে।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবিগুলো হলো- ১. কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; ২. অ্যাডমিশন এবং পোস্ট অ্যাডমিশন ওয়ার্ডে আনসার সদস্যদের দ্বারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; ৩. হাসপাতালে দর্শনার্থী প্রবেশ দর্শনার্থী কার্ডের মাধ্যমে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
একজন রোগীর সঙ্গে একজন দর্শনার্থী থাকতে পারবে; ৪. হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং ক্যাজুয়ালটি বিভাগকে কার্যকর এবং উন্নত করা; ৫. হাসপাতালের সব পরীক্ষা নিরীক্ষা ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
যেসব পরীক্ষা চালু নেই সেগুলো দ্রুত চালুর ব্যবস্থা করা; ৬. হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ৭. হাসপাতালের বেড সংখ্যার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি নেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে বেড সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
এদিকে ইন্টার্নদের এমন আল্টিমেটামের হুঁশিয়ারির পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর সবাইকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও মানুষের সেবায় কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি সাধনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কাজ করছে, সুতরাং সময় দিতে হবে।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:০২
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৩৯
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩৫
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২২