
১৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৯:৫০
দেশের সব সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসাসেবায় অবহেলা এবং স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে ছাত্র-জনতার চলমান আন্দোলনের মধ্যেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে যাওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছে।
বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজের সভাকক্ষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফরের উপস্থিতিতে হাসপাতালের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিক অঙ্গনের প্রতিনিধিসহ সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সাত দফা দাবি পেশ করে এ আল্টিমেটাম দেন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রতিনিধি নাজমুল হুদা বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলন যে কারণে হচ্ছে, সে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার আমরাও চাই। তবে সেটি অবশ্যই যৌক্তিক পথে যৌক্তিকভাবে হোক। তবে আন্দোলনের কারণে সৃষ্ট ভোগান্তি আমরা সাপোর্ট করতে পারছি না।
তিনি বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বিকেল ও রাতে সিনিয়র চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে রোগীর সেবা দিয়ে থাকেন। তবে সম্প্রতি সময়ে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। যেখানে গত ৩ আগস্ট শিশু বিভাগে দায়িত্বপালনকারী চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের ওপর মব তৈরির মাধ্যমে হয়রানির ঘটনা ঘটে এবং ওয়ার্ডে ভাঙচুর করা হয়।
এরপর ৬ আগস্ট সার্জারি ইউনিট-৩ এ রোগীর ছাড়পত্র দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার লোকজন চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায়। ১০ আগস্ট সার্জারি-২ ইউনিটে ভর্তি না হয়েও জোরপূর্বক চিকিৎসা নিয়ে চিকিৎসককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। এভাবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত হাসপাতালে ৮টি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটানো হয়।
তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং নিয়মিত কাজের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং চিকিৎসকরা সঠিকভাবে দায়িত্বপালনে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ অবস্থায় ৭ দফা দাবি পেশ করা হয়েছে। এ দাবিগুলোর বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না পেলে এবং চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফরা হয়রানির শিকার হলে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে যাবে।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবিগুলো হলো- ১. কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; ২. অ্যাডমিশন এবং পোস্ট অ্যাডমিশন ওয়ার্ডে আনসার সদস্যদের দ্বারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; ৩. হাসপাতালে দর্শনার্থী প্রবেশ দর্শনার্থী কার্ডের মাধ্যমে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
একজন রোগীর সঙ্গে একজন দর্শনার্থী থাকতে পারবে; ৪. হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং ক্যাজুয়ালটি বিভাগকে কার্যকর এবং উন্নত করা; ৫. হাসপাতালের সব পরীক্ষা নিরীক্ষা ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
যেসব পরীক্ষা চালু নেই সেগুলো দ্রুত চালুর ব্যবস্থা করা; ৬. হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ৭. হাসপাতালের বেড সংখ্যার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি নেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে বেড সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
এদিকে ইন্টার্নদের এমন আল্টিমেটামের হুঁশিয়ারির পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর সবাইকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও মানুষের সেবায় কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি সাধনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কাজ করছে, সুতরাং সময় দিতে হবে।
দেশের সব সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসাসেবায় অবহেলা এবং স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে ছাত্র-জনতার চলমান আন্দোলনের মধ্যেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে যাওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছে।
বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজের সভাকক্ষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফরের উপস্থিতিতে হাসপাতালের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিক অঙ্গনের প্রতিনিধিসহ সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সাত দফা দাবি পেশ করে এ আল্টিমেটাম দেন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রতিনিধি নাজমুল হুদা বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলন যে কারণে হচ্ছে, সে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার আমরাও চাই। তবে সেটি অবশ্যই যৌক্তিক পথে যৌক্তিকভাবে হোক। তবে আন্দোলনের কারণে সৃষ্ট ভোগান্তি আমরা সাপোর্ট করতে পারছি না।
তিনি বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বিকেল ও রাতে সিনিয়র চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে রোগীর সেবা দিয়ে থাকেন। তবে সম্প্রতি সময়ে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। যেখানে গত ৩ আগস্ট শিশু বিভাগে দায়িত্বপালনকারী চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের ওপর মব তৈরির মাধ্যমে হয়রানির ঘটনা ঘটে এবং ওয়ার্ডে ভাঙচুর করা হয়।
এরপর ৬ আগস্ট সার্জারি ইউনিট-৩ এ রোগীর ছাড়পত্র দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার লোকজন চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায়। ১০ আগস্ট সার্জারি-২ ইউনিটে ভর্তি না হয়েও জোরপূর্বক চিকিৎসা নিয়ে চিকিৎসককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। এভাবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত হাসপাতালে ৮টি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটানো হয়।
তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং নিয়মিত কাজের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং চিকিৎসকরা সঠিকভাবে দায়িত্বপালনে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ অবস্থায় ৭ দফা দাবি পেশ করা হয়েছে। এ দাবিগুলোর বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না পেলে এবং চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফরা হয়রানির শিকার হলে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে যাবে।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবিগুলো হলো- ১. কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; ২. অ্যাডমিশন এবং পোস্ট অ্যাডমিশন ওয়ার্ডে আনসার সদস্যদের দ্বারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; ৩. হাসপাতালে দর্শনার্থী প্রবেশ দর্শনার্থী কার্ডের মাধ্যমে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
একজন রোগীর সঙ্গে একজন দর্শনার্থী থাকতে পারবে; ৪. হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং ক্যাজুয়ালটি বিভাগকে কার্যকর এবং উন্নত করা; ৫. হাসপাতালের সব পরীক্ষা নিরীক্ষা ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
যেসব পরীক্ষা চালু নেই সেগুলো দ্রুত চালুর ব্যবস্থা করা; ৬. হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ৭. হাসপাতালের বেড সংখ্যার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি নেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে বেড সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
এদিকে ইন্টার্নদের এমন আল্টিমেটামের হুঁশিয়ারির পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর সবাইকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও মানুষের সেবায় কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি সাধনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কাজ করছে, সুতরাং সময় দিতে হবে।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৪
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৮

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৪
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কাকরধা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৪ টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের কাকরধা বাজারে এ অগ্নিকান্ডে ঘটে।
মুহুর্তের মধ্যে সেই আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পরলে মোঃ খালেক হাওলাদার মুদি দোকান, আলাউদ্দিন হাওলাদারের হার্ডওয়ারের দোকান, ইউনুস সিকদারের কম্পিউটারের দোকান, বাচ্চুর জুতার দোকান, জুয়েল খানের চায়ের দোকান, মোয়াজ্জেম হাওলাদারের মুদি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ী খালেক হাওলাদার জানিয়েছেন, আগুনে মোট ছয়টি দোকান পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কাকরধা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৪ টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের কাকরধা বাজারে এ অগ্নিকান্ডে ঘটে।
মুহুর্তের মধ্যে সেই আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পরলে মোঃ খালেক হাওলাদার মুদি দোকান, আলাউদ্দিন হাওলাদারের হার্ডওয়ারের দোকান, ইউনুস সিকদারের কম্পিউটারের দোকান, বাচ্চুর জুতার দোকান, জুয়েল খানের চায়ের দোকান, মোয়াজ্জেম হাওলাদারের মুদি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ী খালেক হাওলাদার জানিয়েছেন, আগুনে মোট ছয়টি দোকান পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৪
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হচ্ছে এসব উপকরণ। একই সঙ্গে চলছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ।
রোববার সকাল থেকে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলার উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম। এদিকে উপজেলা পর্যায়েও শুরু হয়েছে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হচ্ছে ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিসিয়াল সিলসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদি এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো গ্রহণ করেছি। ঢাকা থেকে এনে প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় তথা ইউএনও কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালের কোনো নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হচ্ছে এসব উপকরণ। একই সঙ্গে চলছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ।
রোববার সকাল থেকে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলার উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম। এদিকে উপজেলা পর্যায়েও শুরু হয়েছে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হচ্ছে ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিসিয়াল সিলসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদি এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো গ্রহণ করেছি। ঢাকা থেকে এনে প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় তথা ইউএনও কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালের কোনো নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.