
১৫ জুন, ২০২৫ ১৬:১২
সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জমিদারের উত্তরসূরিসহ বরিশালবাসী
বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ‘লাকুটিয়া জমিদারবাড়ি’ অবশেষে সংরক্ষণে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ধ্বংসপ্রায় বিশালাকায় প্রাসাদটিকে আদিরূপ দেওয়াসহ ইতিহাস এবং ঐতিহ্য ধরে রাখতে সংস্কার কাজ শুরু করেছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। প্রাথমিকভাবে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪০০ বছরের পুরানো এই ভবনের ভিত্তি, ইটের গাঁথুনি ও ছাদ নির্মাণ করা হবে। তবে প্রাচীন দরজা-জানালা, মেঝে এবং আলো-বাতাস চলাচলের কাঠামো আপাতত এই প্রকল্প না থাকলেও পরবর্তী ধাপে যুক্ত করা হতে পারে। সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জমিদারের উত্তরসূরিসহ বরিশালবাসী।
জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৯ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ সফিউর রহমানকে এক চিঠিতে জমিদারবাড়ির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানান অস্ট্রেলিয়ার উচ্চ আদালতের সলিসিটার ও জমিদার পরিবারের উত্তরাধিকারী পঙ্কজ রায় চৌধুরীর কন্যা আলপনা রায়। চিঠিতে তিনি ভবনটিকে একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষণের জোর দাবি রাখেন। তার ওই চিঠির ভিত্তিতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বরিশাল জাদুঘরকে প্রস্তাব তৈরির নির্দেশ দিলেও দীর্ঘদিনে বাড়িটি সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয় হয়নি। বরং জমিদারবাড়ির অভ্যন্তরে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসির) বিশালাকায় দুটি গুদাম ও স্থাপনা নির্মাণ করে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
তবে জমিদারবাড়ি সংরক্ষণে উদ্যোগ কিছুটা বিলম্বে হলেও জমিদার পরিবারের উত্তরাধিকারী অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী আলপনা রায় ভিষণ খুশি হয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘বাড়ি সংরক্ষণে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল। ওই সময় সরকারের তরফ থেকে উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে যাওয়ার পরে সংস্কারে কোনো প্রচেষ্টা লক্ষ্যণীয় ছিল না। এখন সংরক্ষণে কাজ শুরু হয়েছে, যা শুনে ভালা লাগছে এবং তার জন্য সরকার প্রশংসার দাবিও রাখে।
বরিশাল জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ৪ মে থেকে বাবুগঞ্জ উপজেলার লাকুটিয়ায় অবস্থিত জমিদারবাড়ির সংরক্ষণে কাজ চলছে।
দোতলা ভবনটির চারপাশে নির্মাণ করা হচ্ছে গোলাকার ইটের পিলার। ইতিমধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে পুরোনো ছাদ, সাতক্ষীরা থেকে আনা টালি দিয়ে নতুন ছাদ নির্মাণ করা হবে।
এই তথ্য নিশ্চিত করে বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরের সহকারী কাস্টেডিয়ান আরিফুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে মূলত ভবনের ভিত্তি, ইটের গাঁথুনি ও ছাদ নির্মাণের কাজ হচ্ছে। তবে প্রাচীন দরজা-জানালা, মেঝে এবং আলো-বাতাস চলাচলের কাঠামো আপাতত এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত না থাকলেও পরবর্তী ধাপে যুক্ত করা হবে।
জানা গেছে, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ‘পুরোনো ছবি ও ঐতিহাসিক বর্ণনার ভিত্তিতে ভবনটিকে তার প্রকৃত রূপে ফিরিয়ে আনতে চাইছে। এই তথ্য নিশ্চিত করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন জানান, জমিদারবাড়ির উচ্চতা ৮ দশমিক ২০ মিটার, দৈর্ঘ্য ২৫ দশমিক ৪০ মিটার ও প্রস্থ ৯ দশমিক ২০ মিটার। দোতলা ভবনটিতে আছে মোট ৯টি কক্ষ। জমিদারবাড়িটির চারপাশে আছে তিনটি বাঁধানো পুকুর, যেগুলো ‘বাবুবাড়ি পুকুর’ নামে পরিচিত।
ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাপ্ত, জমিদার রূপচন্দ্র রায় ছিলেন লাকুটিয়া জমিদার পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা। তার নাতি রাজচন্দ্র রায়ের সময় জমিদারির পরিধি ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায়। আনুমানিক ১৬০০ কিংবা ১৭০০ সালে তিনি প্রায় ৪৯ দশমিক ৫০ একর জমির ওপর মূল জমিদারবাড়িটি নির্মাণ করেন। প্রজাদরদি হিসেবে খ্যাত রূপচন্দ্র রায়ের আমলেই লাকুটিয়া থেকে বরিশাল পর্যন্ত সড়ক নির্মিত হয়। রূপচন্দ্রের দুই ছেলে রাখালচন্দ্র রায় ও প্যারীলাল রায় ছিলেন ব্রাহ্মধর্মের অনুসারী। প্যারীলাল রায় ছিলেন একজন বিশিষ্ট ব্যারিস্টার ও সমাজসেবক, তাঁর দুই পুত্র বিখ্যাত বৈমানিক ইন্দ্রলাল রায় এবং নামকরা বক্সার পরেশলাল রায় তাঁদের কীর্তির ইতিহাস সুদীর্ঘ। এই জমিদার পরিবারের সঙ্গে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। কবিগুরুর বড় ভাই বিখ্যাত চিত্রশিল্পী দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুই পুত্র অরুণেন্দ্রনাথ ও দীপেন্দ্রনাথ বিয়ে করেন রাজচন্দ্র রায়ের দুই নাতনি সুশীলা এবং চারুবালাকে। পরবর্তী সময়ে জমিদার দেবেন লাল রায় চৌধুরী ভারতে থিতু হন এবং কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। তার মেয়ে মন্দিরা রায় চৌধুরীর বিয়ে হয় বরিশালের কাশীপুরের মুখার্জি পরিবারে।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, জনদরদি জমিদারবংশের উদ্যোগেই রাজচন্দ্র কলেজ এবং পুষ্পরাণী চৌধুরী ইনস্টিটিউশন (পিআরসি স্কুল) প্রতিষ্ঠিত হয়। কলেজটি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলেও স্কুলটি সক্রিয় আছে, যা প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। এখন নতুন করে জমিদারের ঐতিহ্য রক্ষায় সরকার উদ্যোগ নেওয়া লাকুটিয়া গ্রামের মানুষও সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসনের অর্পিত সম্পত্তিবিষয়ক কৌশলি সুভাষ চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, সরকার ইতিমধ্যে জমিদারবাড়ির সীমানাভুক্ত প্রায় আট একর জমি এবং একটি বড় পুকুরের মালিকানা পেয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে উদ্যোগও গ্রহণ করেছে। এই কর্মযজ্ঞ শেষ হলে ধ্বংসপ্রায় জমিদার রূপচন্দ্র রায়ের বাড়িটি একটি আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে রূপ নেবে।’
সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জমিদারের উত্তরসূরিসহ বরিশালবাসী
বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ‘লাকুটিয়া জমিদারবাড়ি’ অবশেষে সংরক্ষণে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ধ্বংসপ্রায় বিশালাকায় প্রাসাদটিকে আদিরূপ দেওয়াসহ ইতিহাস এবং ঐতিহ্য ধরে রাখতে সংস্কার কাজ শুরু করেছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। প্রাথমিকভাবে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪০০ বছরের পুরানো এই ভবনের ভিত্তি, ইটের গাঁথুনি ও ছাদ নির্মাণ করা হবে। তবে প্রাচীন দরজা-জানালা, মেঝে এবং আলো-বাতাস চলাচলের কাঠামো আপাতত এই প্রকল্প না থাকলেও পরবর্তী ধাপে যুক্ত করা হতে পারে। সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জমিদারের উত্তরসূরিসহ বরিশালবাসী।
জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৯ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ সফিউর রহমানকে এক চিঠিতে জমিদারবাড়ির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানান অস্ট্রেলিয়ার উচ্চ আদালতের সলিসিটার ও জমিদার পরিবারের উত্তরাধিকারী পঙ্কজ রায় চৌধুরীর কন্যা আলপনা রায়। চিঠিতে তিনি ভবনটিকে একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষণের জোর দাবি রাখেন। তার ওই চিঠির ভিত্তিতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বরিশাল জাদুঘরকে প্রস্তাব তৈরির নির্দেশ দিলেও দীর্ঘদিনে বাড়িটি সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয় হয়নি। বরং জমিদারবাড়ির অভ্যন্তরে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসির) বিশালাকায় দুটি গুদাম ও স্থাপনা নির্মাণ করে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
তবে জমিদারবাড়ি সংরক্ষণে উদ্যোগ কিছুটা বিলম্বে হলেও জমিদার পরিবারের উত্তরাধিকারী অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী আলপনা রায় ভিষণ খুশি হয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘বাড়ি সংরক্ষণে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল। ওই সময় সরকারের তরফ থেকে উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে যাওয়ার পরে সংস্কারে কোনো প্রচেষ্টা লক্ষ্যণীয় ছিল না। এখন সংরক্ষণে কাজ শুরু হয়েছে, যা শুনে ভালা লাগছে এবং তার জন্য সরকার প্রশংসার দাবিও রাখে।
বরিশাল জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ৪ মে থেকে বাবুগঞ্জ উপজেলার লাকুটিয়ায় অবস্থিত জমিদারবাড়ির সংরক্ষণে কাজ চলছে।
দোতলা ভবনটির চারপাশে নির্মাণ করা হচ্ছে গোলাকার ইটের পিলার। ইতিমধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে পুরোনো ছাদ, সাতক্ষীরা থেকে আনা টালি দিয়ে নতুন ছাদ নির্মাণ করা হবে।
এই তথ্য নিশ্চিত করে বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরের সহকারী কাস্টেডিয়ান আরিফুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে মূলত ভবনের ভিত্তি, ইটের গাঁথুনি ও ছাদ নির্মাণের কাজ হচ্ছে। তবে প্রাচীন দরজা-জানালা, মেঝে এবং আলো-বাতাস চলাচলের কাঠামো আপাতত এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত না থাকলেও পরবর্তী ধাপে যুক্ত করা হবে।
জানা গেছে, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ‘পুরোনো ছবি ও ঐতিহাসিক বর্ণনার ভিত্তিতে ভবনটিকে তার প্রকৃত রূপে ফিরিয়ে আনতে চাইছে। এই তথ্য নিশ্চিত করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন জানান, জমিদারবাড়ির উচ্চতা ৮ দশমিক ২০ মিটার, দৈর্ঘ্য ২৫ দশমিক ৪০ মিটার ও প্রস্থ ৯ দশমিক ২০ মিটার। দোতলা ভবনটিতে আছে মোট ৯টি কক্ষ। জমিদারবাড়িটির চারপাশে আছে তিনটি বাঁধানো পুকুর, যেগুলো ‘বাবুবাড়ি পুকুর’ নামে পরিচিত।
ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাপ্ত, জমিদার রূপচন্দ্র রায় ছিলেন লাকুটিয়া জমিদার পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা। তার নাতি রাজচন্দ্র রায়ের সময় জমিদারির পরিধি ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায়। আনুমানিক ১৬০০ কিংবা ১৭০০ সালে তিনি প্রায় ৪৯ দশমিক ৫০ একর জমির ওপর মূল জমিদারবাড়িটি নির্মাণ করেন। প্রজাদরদি হিসেবে খ্যাত রূপচন্দ্র রায়ের আমলেই লাকুটিয়া থেকে বরিশাল পর্যন্ত সড়ক নির্মিত হয়। রূপচন্দ্রের দুই ছেলে রাখালচন্দ্র রায় ও প্যারীলাল রায় ছিলেন ব্রাহ্মধর্মের অনুসারী। প্যারীলাল রায় ছিলেন একজন বিশিষ্ট ব্যারিস্টার ও সমাজসেবক, তাঁর দুই পুত্র বিখ্যাত বৈমানিক ইন্দ্রলাল রায় এবং নামকরা বক্সার পরেশলাল রায় তাঁদের কীর্তির ইতিহাস সুদীর্ঘ। এই জমিদার পরিবারের সঙ্গে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। কবিগুরুর বড় ভাই বিখ্যাত চিত্রশিল্পী দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুই পুত্র অরুণেন্দ্রনাথ ও দীপেন্দ্রনাথ বিয়ে করেন রাজচন্দ্র রায়ের দুই নাতনি সুশীলা এবং চারুবালাকে। পরবর্তী সময়ে জমিদার দেবেন লাল রায় চৌধুরী ভারতে থিতু হন এবং কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। তার মেয়ে মন্দিরা রায় চৌধুরীর বিয়ে হয় বরিশালের কাশীপুরের মুখার্জি পরিবারে।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, জনদরদি জমিদারবংশের উদ্যোগেই রাজচন্দ্র কলেজ এবং পুষ্পরাণী চৌধুরী ইনস্টিটিউশন (পিআরসি স্কুল) প্রতিষ্ঠিত হয়। কলেজটি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলেও স্কুলটি সক্রিয় আছে, যা প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। এখন নতুন করে জমিদারের ঐতিহ্য রক্ষায় সরকার উদ্যোগ নেওয়া লাকুটিয়া গ্রামের মানুষও সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসনের অর্পিত সম্পত্তিবিষয়ক কৌশলি সুভাষ চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, সরকার ইতিমধ্যে জমিদারবাড়ির সীমানাভুক্ত প্রায় আট একর জমি এবং একটি বড় পুকুরের মালিকানা পেয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে উদ্যোগও গ্রহণ করেছে। এই কর্মযজ্ঞ শেষ হলে ধ্বংসপ্রায় জমিদার রূপচন্দ্র রায়ের বাড়িটি একটি আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে রূপ নেবে।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.