
০৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:১৩
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ তদন্তের কথা বলে ডেকে নিয়েছিল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন শিকদার ওরফে লিটুকে (৩২)। অভিযোগ উঠেছে, তখন পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।এই ঘটনার পর নিহত লিটুর বোন মুন্নি আক্তার বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে মামলার তদন্তে থানা পুলিশের কার্যকর ভূমিকা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুন্নি আক্তার অভিযোগ করেন, মামলার আসামিরা বর্তমানে তাকে ও তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভাই সুমন সিকদার।
সেখানে আরও অভিযোগ করা হয়, লিটুকে প্রকাশ্যে হত্যার পাশাপাশি অভিযুক্তরা তাদের বসতঘর ভাঙচুর করে এবং অগ্নিসংযোগ করে। লিটুকে বাঁচাতে গিয়ে তার ভাই-বোন ও মা গুরুতর আহত হয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ হারিয়েছেন। এখন জামিনে থাকা কিছু আসামি বাদীসহ নিহত লিটুর পরিবারকে খুন ও গুমের হুমকি দিচ্ছে, যার কারণে তারা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, এই মামলার তদন্ত সিআইডির মাধ্যমে করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, থানা পুলিশের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ এবং তারা শুরু থেকেই আসামিদের পক্ষ নিয়ে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন, তারা অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন, বিমানবন্দর থানা পুলিশের কোনো দৃশ্যমান ভূমিকা নেই।
লিটু হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা ঘটনার পর প্রায় এক সপ্তাহ নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করলেও থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেনি। ঘটনার সময় এয়ারপোর্ট থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন শিকদারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা মেলেনি। অভিযোগ ওঠে, পুলিশ সেদিন তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে হয়তো হত্যাকাণ্ড এড়ানো যেত।
তবে ঘটনার পর ওসি জাকির হোসেন শিকদার গণমাধ্যমে বলেন, হত্যাকাণ্ডের সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল না এবং আইন অনুযায়ী তারা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
থানা পুলিশের বর্তমান ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, এখন পর্যন্ত ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৫০ জন হাইকোর্ট থেকে জামিনে রয়েছেন। হুমকির বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পারিবারিক বিরোধের জেরে চলতি বছরের ৩১ জুলাই বরিশাল নগরীর কাশিপুর ইউনিয়নের পূর্ব বিল্ববাড়ি এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পরদিন, ১ আগস্ট মুন্নি আক্তার বাদী হয়ে ৬১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫০-২০০ জনকে আসামি করে এয়ারপোর্ট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ তদন্তের কথা বলে ডেকে নিয়েছিল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন শিকদার ওরফে লিটুকে (৩২)। অভিযোগ উঠেছে, তখন পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।এই ঘটনার পর নিহত লিটুর বোন মুন্নি আক্তার বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে মামলার তদন্তে থানা পুলিশের কার্যকর ভূমিকা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুন্নি আক্তার অভিযোগ করেন, মামলার আসামিরা বর্তমানে তাকে ও তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভাই সুমন সিকদার।
সেখানে আরও অভিযোগ করা হয়, লিটুকে প্রকাশ্যে হত্যার পাশাপাশি অভিযুক্তরা তাদের বসতঘর ভাঙচুর করে এবং অগ্নিসংযোগ করে। লিটুকে বাঁচাতে গিয়ে তার ভাই-বোন ও মা গুরুতর আহত হয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ হারিয়েছেন। এখন জামিনে থাকা কিছু আসামি বাদীসহ নিহত লিটুর পরিবারকে খুন ও গুমের হুমকি দিচ্ছে, যার কারণে তারা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, এই মামলার তদন্ত সিআইডির মাধ্যমে করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, থানা পুলিশের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ এবং তারা শুরু থেকেই আসামিদের পক্ষ নিয়ে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন, তারা অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন, বিমানবন্দর থানা পুলিশের কোনো দৃশ্যমান ভূমিকা নেই।
লিটু হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা ঘটনার পর প্রায় এক সপ্তাহ নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করলেও থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেনি। ঘটনার সময় এয়ারপোর্ট থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন শিকদারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা মেলেনি। অভিযোগ ওঠে, পুলিশ সেদিন তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে হয়তো হত্যাকাণ্ড এড়ানো যেত।
তবে ঘটনার পর ওসি জাকির হোসেন শিকদার গণমাধ্যমে বলেন, হত্যাকাণ্ডের সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল না এবং আইন অনুযায়ী তারা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
থানা পুলিশের বর্তমান ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, এখন পর্যন্ত ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৫০ জন হাইকোর্ট থেকে জামিনে রয়েছেন। হুমকির বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পারিবারিক বিরোধের জেরে চলতি বছরের ৩১ জুলাই বরিশাল নগরীর কাশিপুর ইউনিয়নের পূর্ব বিল্ববাড়ি এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পরদিন, ১ আগস্ট মুন্নি আক্তার বাদী হয়ে ৬১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫০-২০০ জনকে আসামি করে এয়ারপোর্ট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.