Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৬
বরিশাল নগরীর কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ ফয়সাল মুবিন (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে নিউ হাউজ রোড এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, বরিশালের একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকাল ০৮:২০ ঘটিকায় কোতয়ালী মডেল থানাধীন সিকদার বাড়ি নিউ হাউজ রোডের ২০৯ নম্বর হোল্ডিংয়ের একটি বাড়িতে অভিযান চালায়। উক্ত বাড়ির দ্বিতীয় তলায় তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্ত ফয়সাল মুবিনের নিজ শয়নকক্ষ থেকে নীল রঙের জিপারযুক্ত দুটি পলিথিন প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।
ডিএনসি সূত্র জানায়, তল্লাশিকালে একটি প্যাকেটে ১০৩ পিস এবং অন্য একটি প্যাকেটে ২০০ পিসসহ সর্বমোট ৩০৩ পিস এ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট ওজন ৩০.৩০ গ্রাম। এছাড়া মাদক বিক্রির নগদ ৬,৭৩০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত ফয়সাল মুবিন ওই এলাকার রেজাউল করিম ও ইসমত আরার ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক কেনাবেচার সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জানান, আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
বরিশাল নগরীর কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ ফয়সাল মুবিন (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে নিউ হাউজ রোড এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, বরিশালের একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকাল ০৮:২০ ঘটিকায় কোতয়ালী মডেল থানাধীন সিকদার বাড়ি নিউ হাউজ রোডের ২০৯ নম্বর হোল্ডিংয়ের একটি বাড়িতে অভিযান চালায়। উক্ত বাড়ির দ্বিতীয় তলায় তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্ত ফয়সাল মুবিনের নিজ শয়নকক্ষ থেকে নীল রঙের জিপারযুক্ত দুটি পলিথিন প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।
ডিএনসি সূত্র জানায়, তল্লাশিকালে একটি প্যাকেটে ১০৩ পিস এবং অন্য একটি প্যাকেটে ২০০ পিসসহ সর্বমোট ৩০৩ পিস এ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট ওজন ৩০.৩০ গ্রাম। এছাড়া মাদক বিক্রির নগদ ৬,৭৩০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত ফয়সাল মুবিন ওই এলাকার রেজাউল করিম ও ইসমত আরার ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক কেনাবেচার সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জানান, আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৯
বরিশাল এবং সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারকে গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি দিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করেছে সরকার। সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী এবং বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানকে গ্রেড-১ দেওয়ার পর ওএসডি করে রোববার (১৯ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
তবে তাদের স্থলে নতুন বিভাগীয় কমিশনার এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি।’

২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১০

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৬
বরিশাল এবং সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারকে গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি দিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করেছে সরকার। সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী এবং বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানকে গ্রেড-১ দেওয়ার পর ওএসডি করে রোববার (১৯ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
তবে তাদের স্থলে নতুন বিভাগীয় কমিশনার এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র জিয়াদ হাসান জিম সংগঠনের সকল পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। গত ২০ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্রের পদসহ টাঙ্গাইল জেলা ও মধুপুর উপজেলার সকল সাংগঠনিক কমিটি থেকে পদত্যাগের এই ঘোষণা দেন ।
ভিডিও বার্তায় জিয়াদ হাসান জিম জানান, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতৃত্বের একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য তাকে ব্যথিত করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে জুলাই আন্দোলনকারীদের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের (এনসিপি) কথা বলেছেন । জিমের মতে, একটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের অভিভাবক হিসেবে এ ধরনের মন্তব্য করা অনুচিত, কারণ এতে সাধারণ ও অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীদের আবেগে আঘাত লাগে ।
পদত্যাগের পেছনে স্থানীয় ও সাংগঠনিক অসহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। জিম অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে তার নিজ উপজেলা মধুপুরে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি । এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ‘ট্যাগ’ বা তকমা সইতে হয়েছে । এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস ক্লাব থেকেও তাকে এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, যা তার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রেখেছে।
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জিয়াদ হাসান জিম বলেন, "আমি মানুষের জন্য এবং ন্যায়ের পক্ষে কাজ করতে চাই। এর জন্য কোনো বিশেষ প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন নেই। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবেও বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো সম্ভব"। তিনি আরও যোগ করেন যে, কোনো বিশেষ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে তিনি কাজ করতে আগ্রহী নন।
পদত্যাগের ঘোষণার পাশাপাশি তিনি কিছু জনগুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাকে পূর্ণাঙ্গ জেলায় উন্নীত করা এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট নিরসন, লাইব্রেরি সুবিধার আধুনিকায়ন ও হলের খাবারের মান নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে হাসিব আল ইসলাম, রিফাত রশিদ ও মুইনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জিয়াদ হাসান জিমকে মুখপাত্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল । দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য ও আদর্শিক কারণে তিনি এই পদত্যাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন ।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র জিয়াদ হাসান জিম সংগঠনের সকল পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। গত ২০ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্রের পদসহ টাঙ্গাইল জেলা ও মধুপুর উপজেলার সকল সাংগঠনিক কমিটি থেকে পদত্যাগের এই ঘোষণা দেন ।
ভিডিও বার্তায় জিয়াদ হাসান জিম জানান, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতৃত্বের একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য তাকে ব্যথিত করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে জুলাই আন্দোলনকারীদের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের (এনসিপি) কথা বলেছেন । জিমের মতে, একটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের অভিভাবক হিসেবে এ ধরনের মন্তব্য করা অনুচিত, কারণ এতে সাধারণ ও অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীদের আবেগে আঘাত লাগে ।
পদত্যাগের পেছনে স্থানীয় ও সাংগঠনিক অসহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। জিম অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে তার নিজ উপজেলা মধুপুরে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি । এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ‘ট্যাগ’ বা তকমা সইতে হয়েছে । এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস ক্লাব থেকেও তাকে এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, যা তার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রেখেছে।
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জিয়াদ হাসান জিম বলেন, "আমি মানুষের জন্য এবং ন্যায়ের পক্ষে কাজ করতে চাই। এর জন্য কোনো বিশেষ প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন নেই। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবেও বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো সম্ভব"। তিনি আরও যোগ করেন যে, কোনো বিশেষ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে তিনি কাজ করতে আগ্রহী নন।
পদত্যাগের ঘোষণার পাশাপাশি তিনি কিছু জনগুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাকে পূর্ণাঙ্গ জেলায় উন্নীত করা এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট নিরসন, লাইব্রেরি সুবিধার আধুনিকায়ন ও হলের খাবারের মান নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে হাসিব আল ইসলাম, রিফাত রশিদ ও মুইনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জিয়াদ হাসান জিমকে মুখপাত্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল । দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য ও আদর্শিক কারণে তিনি এই পদত্যাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন ।
দরজায় কড়া নাড়ছে ইউপি নির্বাচন। বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় ৮ ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সাধারণ ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নানা ভাবে তাদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন।
কেউ কেউ এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়ে শুভেচ্ছা পোষ্টার ও ব্যানার সাঁটিয়ে প্রার্থী হওয়ার অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছেন। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়নে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর নামের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এসব সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামের মধ্যে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুলের নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। তিনি ওই ইউনিয়নের বাইশারী গ্রামের মরহুম আঃ রশিদ তালুকদার ও হাচানবানু দম্পতির ছেলে।
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান রেজাউল কবির মুকুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে সাহসী ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি।
তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২০০২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা, কর্মজীবন ও ব্যবসায় নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
এই সময়ে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং মানবিক ও কল্যাণমূলক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করেন। ২০১৭ সাল থেকে অদ্যবধি তিনি জিয়ামঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পাশাপাশি তিনি রাজধানীতে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির নির্বাহী সদস্য হিসেবে দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকেই তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মুকুল একজন পরোপকারী, সদালপি, সৎ,নিষ্ঠাবান, নির্ভীক, কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে এলাকায় সর্বমহলে সুপরিচিত। তিনি সবসময় জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ান এবং সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও কর্মদক্ষতা আগামী দিনে এলাকার উন্নয়ন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এলাকাবাসী।
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এলাকায় দলীয় প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়ে সুমিষ্ট ব্যবহারের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে রেজাউল কবির মুকুল
বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আস্থা ও ভালোবাসার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। জিয়া অন্তঃপ্রাণ মোঃ রেজাউল কবির মুকুল রাজধানী ও এলাকায় আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
এ প্রসঙ্গে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুল বলেন, দল ও আপামর জনতার অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে দল-মত,ধর্ম-বর্ণ,শ্রেণী-পেশা
নির্বিশেষে সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করা পক্ষপাতহীন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা দখলবাজি ,চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাস, অনিয়ম, ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান গ্রহণ, বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ সর্বোপরি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে আলোকিত এক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ্।
দরজায় কড়া নাড়ছে ইউপি নির্বাচন। বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় ৮ ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সাধারণ ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নানা ভাবে তাদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন।
কেউ কেউ এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়ে শুভেচ্ছা পোষ্টার ও ব্যানার সাঁটিয়ে প্রার্থী হওয়ার অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছেন। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়নে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর নামের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এসব সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামের মধ্যে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুলের নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। তিনি ওই ইউনিয়নের বাইশারী গ্রামের মরহুম আঃ রশিদ তালুকদার ও হাচানবানু দম্পতির ছেলে।
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান রেজাউল কবির মুকুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে সাহসী ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি।
তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২০০২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা, কর্মজীবন ও ব্যবসায় নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
এই সময়ে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং মানবিক ও কল্যাণমূলক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করেন। ২০১৭ সাল থেকে অদ্যবধি তিনি জিয়ামঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পাশাপাশি তিনি রাজধানীতে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির নির্বাহী সদস্য হিসেবে দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকেই তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মুকুল একজন পরোপকারী, সদালপি, সৎ,নিষ্ঠাবান, নির্ভীক, কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে এলাকায় সর্বমহলে সুপরিচিত। তিনি সবসময় জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ান এবং সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও কর্মদক্ষতা আগামী দিনে এলাকার উন্নয়ন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এলাকাবাসী।
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এলাকায় দলীয় প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়ে সুমিষ্ট ব্যবহারের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে রেজাউল কবির মুকুল
বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আস্থা ও ভালোবাসার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। জিয়া অন্তঃপ্রাণ মোঃ রেজাউল কবির মুকুল রাজধানী ও এলাকায় আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
এ প্রসঙ্গে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুল বলেন, দল ও আপামর জনতার অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে দল-মত,ধর্ম-বর্ণ,শ্রেণী-পেশা
নির্বিশেষে সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করা পক্ষপাতহীন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা দখলবাজি ,চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাস, অনিয়ম, ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান গ্রহণ, বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ সর্বোপরি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে আলোকিত এক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ্।