বরিশালের বাকেরগঞ্জে অনুমোদনহীন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা বেড়ে যাওয়ায় পৌর শহরে যানজট এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। প্রথমদিকে এই যানগুলো মানুষের যাতায়াত সহজ এবং অনেকের কর্মসংস্থান তৈরি করলেও বর্তমানে তা শহরের শৃঙ্খলার জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে যানজট ও বিদ্যুতের উপর চাপ বেড়েছে। পাশাপাশি সড়কের দুর্ঘটনা বেড়েছে বিগত সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।
পৌর শহরের প্রধান সড়ক সহ অলিগলিতে দাবড়ে বেড়াচ্ছে কাগজে কলমে নিষিদ্ধ এই তিন চাকার বাহন ব্যাটারিচালিত রিকশা। এখন শুধু অলিগলি নয়, মহাসড়ক রাজত্ব চালাচ্ছে এই রিকশা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাকেরগঞ্জ উপজেলায় কোন বাসস্ট্যান্ড বা অটো রিক্সার স্ট্যান্ড না থাকায় মহাসড়ক থেকে শুরু করে পৌর এলাকার প্রদান সড়কের উপরেই ব্যাটারিচালিত রিকশার স্ট্যান্ড বানিয়ে রেখেছে। যে কারণে পৌর শহরের প্রবেশ দ্বার সদর রোড এলাকায় যানজট লেগেই থাকে। দ্রুতগ্রামী এ বাহনটি হুটহাট ডানে-বাঁয়ে মোড় নেওয়ার ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকা পুলিশ সদস্যরা কখনো সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করলেই তাঁদের ওপর চড়াও হচ্ছেন চালকরা।
পৌর এলাকা সহ এই উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০ ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার অটোরিক্সা প্রতিদিন এই পৌর শহরে আসা-যাওয়া করে। এর মধ্যে কয়েক হাজার চালক রয়েছে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু ড্রাইভার।
এদের অদক্ষ চালনায় প্রতিদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইমার্জেন্সি, বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি ও অর্থপেডিক ওয়ার্ড ঘুরতে হচ্ছে যাত্রিদের।
অনেক পরিবারের কর্তা পঙ্গু হয়ে ঘরে বসে আছে। সেইসব পরিবারের অসহায় শিশু-কিশোররা জীবিকার তাগিদে রাস্তায় নামতে বাধ্য হচ্ছে। অনেকে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়ে জীবন হারিয়েছেন।
বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ জানায়, এগুলো অবৈধ যান হওয়ায় এর বিরুদ্ধে অভিযানও চালানো যাচ্ছে না। এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণীর প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় এরা ফুলে ফেঁপে উঠেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ থেকে জানানো হয়েছে, বাকেরগঞ্জ উপজেলার দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশ প্রতিদিন ব্যাটারিচালিত রিকশার চালকদের থেকে জরিমানা আদায় করছে। কিন্তু কাজ হচ্ছে না।
অনুসন্ধানে জানাজায়, উপজেলার পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকার নির্জন স্থানে তৈরি হচ্ছে এই অবৈধ আটোরিক্সা। আর সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ রিক্সার তৈরি নেতৃত্বে রয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।
প্রশাসনের চোখের সামনে এসব অবৈধ পরিবহন তৈরি হলেও তারা কোন কার্যকরী ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যে কারণে প্রতিদিনই এই অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা বেড়েই চলছে।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ জনকণ্ঠকে জানান, পৌর এলাকার সড়কের মধ্যে অবৈধভাবে অটো রিক্সার পার্কিং করা হলে তাদেরকে উচ্ছেদ করে সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৯:৫০
বরিশালের বাকেরগঞ্জে অনুমোদনহীন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা বেড়ে যাওয়ায় পৌর শহরে যানজট এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। প্রথমদিকে এই যানগুলো মানুষের যাতায়াত সহজ এবং অনেকের কর্মসংস্থান তৈরি করলেও বর্তমানে তা শহরের শৃঙ্খলার জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে যানজট ও বিদ্যুতের উপর চাপ বেড়েছে। পাশাপাশি সড়কের দুর্ঘটনা বেড়েছে বিগত সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।
পৌর শহরের প্রধান সড়ক সহ অলিগলিতে দাবড়ে বেড়াচ্ছে কাগজে কলমে নিষিদ্ধ এই তিন চাকার বাহন ব্যাটারিচালিত রিকশা। এখন শুধু অলিগলি নয়, মহাসড়ক রাজত্ব চালাচ্ছে এই রিকশা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাকেরগঞ্জ উপজেলায় কোন বাসস্ট্যান্ড বা অটো রিক্সার স্ট্যান্ড না থাকায় মহাসড়ক থেকে শুরু করে পৌর এলাকার প্রদান সড়কের উপরেই ব্যাটারিচালিত রিকশার স্ট্যান্ড বানিয়ে রেখেছে। যে কারণে পৌর শহরের প্রবেশ দ্বার সদর রোড এলাকায় যানজট লেগেই থাকে। দ্রুতগ্রামী এ বাহনটি হুটহাট ডানে-বাঁয়ে মোড় নেওয়ার ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকা পুলিশ সদস্যরা কখনো সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করলেই তাঁদের ওপর চড়াও হচ্ছেন চালকরা।
পৌর এলাকা সহ এই উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০ ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার অটোরিক্সা প্রতিদিন এই পৌর শহরে আসা-যাওয়া করে। এর মধ্যে কয়েক হাজার চালক রয়েছে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু ড্রাইভার।
এদের অদক্ষ চালনায় প্রতিদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইমার্জেন্সি, বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি ও অর্থপেডিক ওয়ার্ড ঘুরতে হচ্ছে যাত্রিদের।
অনেক পরিবারের কর্তা পঙ্গু হয়ে ঘরে বসে আছে। সেইসব পরিবারের অসহায় শিশু-কিশোররা জীবিকার তাগিদে রাস্তায় নামতে বাধ্য হচ্ছে। অনেকে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়ে জীবন হারিয়েছেন।
বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ জানায়, এগুলো অবৈধ যান হওয়ায় এর বিরুদ্ধে অভিযানও চালানো যাচ্ছে না। এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণীর প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় এরা ফুলে ফেঁপে উঠেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ থেকে জানানো হয়েছে, বাকেরগঞ্জ উপজেলার দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশ প্রতিদিন ব্যাটারিচালিত রিকশার চালকদের থেকে জরিমানা আদায় করছে। কিন্তু কাজ হচ্ছে না।
অনুসন্ধানে জানাজায়, উপজেলার পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকার নির্জন স্থানে তৈরি হচ্ছে এই অবৈধ আটোরিক্সা। আর সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ রিক্সার তৈরি নেতৃত্বে রয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।
প্রশাসনের চোখের সামনে এসব অবৈধ পরিবহন তৈরি হলেও তারা কোন কার্যকরী ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যে কারণে প্রতিদিনই এই অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা বেড়েই চলছে।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ জনকণ্ঠকে জানান, পৌর এলাকার সড়কের মধ্যে অবৈধভাবে অটো রিক্সার পার্কিং করা হলে তাদেরকে উচ্ছেদ করে সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪