
১২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৯:৪২
রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনমত গঠন এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন অনন্য কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। তৃণমূল পর্যায়ে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, ভাষণ প্রচার, কর্মশালা ও জনসমাবেশ কার্যক্রম শুরু করেছে তারা। ওয়ার্ডভিত্তিক বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝানো হচ্ছে ৩১ দফার সুফল। একইসাথে ধানের শীষের পক্ষে করা হচ্ছে ভোট প্রার্থনা। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মশালা ও জনসমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। একইসাথে হাট-বাজারে গিয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় প্রচার করা হচ্ছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাষণ এবং সাক্ষাৎকার। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সংগ্রামী আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে চলছে যুবদলের এসব অনন্য কর্মযজ্ঞ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে যুবদলের এসব গণমুখী কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। যুবদলের পাশাপাশি এই গণসংযোগ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হচ্ছেন বিএনপি এবং ছাত্রদলসহ সহযোগী সংগঠনগুলো। স্থানীয় সচেতন মহল এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন। যুবদলের এই সাংগঠনিক কার্যক্রমকে ঐতিহাসিক এবং অনুকরণীয় বলেও আখ্যা দিয়েছেন কেউ কেউ। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য গণমুখী কার্যক্রম শুরু করেছে যুবদল। ইতোমধ্যে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর, কেদারপুর, দেহেরগতি ও চাঁদপাশা ইউনিয়নে আগাম নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল হিসেবে কর্মশালা, জনসমাবেশ এবং প্রত্যেক ওয়ার্ডে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের দিয়ে যুব টিম বানিয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন সাধারণ মানুষসহ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
দেহেরগতি গ্রামের কৃষক ফজলুর রহমানের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তিনি বেশ উৎফুল্ল হয়ে জানান, তারেক রহমানের ৩১ দফা সম্বলিত লিফলেট তার হাতে তুলে দিয়ে গেছেন যুবদল আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবসহ যুবদল নেতাকর্মীরা। লিফলেট পড়ে ভালো লাগলে এবং এই দাবিগুলোর সাথে একমত হলে তা বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন তারা। যুবদলের এই আচরণ তাকে মুগ্ধ করেছে। ফজলুর রহমান আরো জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দল সমর্থন করেন না। গত ৩টি নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে যাননি। তার মতে সেগুলো ছিল সাজানো নির্বাচন। তাই বদলা কামাই দিয়ে তিনি ভোট দিতে যাননি। তবে এবার তিনি ভোট দিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তার হাতে দেওয়া লিফলেটে যা লেখা সেগুলো বাস্তবায়ন হওয়া দেশের জন্য খুবই দরকার বলে তিনি মনে করেন। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশ সোনার দেশ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাই তারেক রহমানের ৩১ দফার লিফলেটটি তিনি সযতনে রেখে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
চাঁদপাশা এলাকার সবজি বিক্রেতা ষাটোর্ধ মজিবর হাওলাদারের বক্তব্যও অনেকটা অভিন্ন। নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এই প্রতিবেদকের কাছে খোলামেলা বলেন, 'কাকু আমরা গরীব মানুষ। রাজনীতি করি না, পেটনীতি করি। একটা ভোট আছে যারে দিলে দ্যাশের জন্য ভালো হইবে তারেই দিমু। জিয়ার পোলাডা দ্যাশে আইতে পারে না বহুত বৎসর। বিদ্যাশে বইয়া সে দ্যাশের কতা ভাবে। ভাবনাচিন্তা কইরা সে যা ল্যাকছে এইগুলা সঠিক। লিফলেটের এগুলা করতে পারলে দ্যাশ উন্নত হইবে। মানুষ ভালো থাকবে। তাই তারেই ভোটটা দিমু। আমি আপনেগো মতোন বেশি লেহাপড়া না জানলেও পাকিস্তান আমলে মেট্রিক পর্যন্ত পড়ছি। দ্যাশের ভালোমন্দ কিছু হইলেও বুঝি।'
আগরপুর এলাকার ভ্যানচালক ইউনূস ক্ষোভের সাথে বলেন, 'আওয়ামী লীগের আমলে মোগো কেউ পাত্তা দিতো না। নেতাগো ভ্যানে টানছি হেই ভাড়াও পাই নাই। চাইতে গ্যালে চোখ গরম দিয়া কইতো যা পরে নিস। ভোট দিতে যাইয়া হুনি তারা কয়- তোর ভোট দেওয়া লাগবে না। ভোট হইয়া গ্যাছে, বাড়ি যা। এবার নির্বাচনের আগেই তো যুবদলের পোলাপান বাড়ি আইছে। আইয়া সুন্দরভাবে বুঝাইয়া একখান কাগজ দিয়া গ্যাছে। ধানের শীষে ভোট চাইয়া গ্যাছে। আগে তো মোগো কেউ জিগাইতো না। বাড়ি আইয়া কইতো অমুক মেয়ারে ভোট না দিলে এলাকায় থাকতে পারবা না। যুবদলের পোলাপানের ব্যবহার দেইখ্যা ভালো লাকছে। মোর বউও কইছে এইবার ভোট দিতে যাইবে।'
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, 'উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের কথা চিন্তা করে আমি আওয়ামী লীগের একজন মৌন সমর্থক ছিলাম। কিন্তু ২০১৮ সালে রাতের ভোট আর ২০২৪ সালে বিনা ভোটে জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যেভাবে গুলি করে পাখির মতো মানুষ হত্যা করা হয়েছে সেটা কোনো সুস্থ মানুষ সমর্থন করতে পারে না। এই দেশ কারো বাপের একার সম্পত্তি না। কারো বাপের বাড়ির জমিদারি বেঁচা টাকা দিয়ে এই দেশের উন্নয়ন হয় নাই। জনগণের ট্যাক্সের টাকা সঠিক খাতে খরচ করে দেশ ও জাতির উন্নয়ন করাই সরকারের দায়িত্ব। এজন্যই তাদের আমরা ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাই। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের কথা ভুলে নিজেদের তারা দেশের মালিক ভাবতে শুরু করে। তারেক রহমানের ৩১ দফা যেন শুধু নির্বাচনী ওয়াদার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে। জুলাই সনদ আজো বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে যদি সত্যিই ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে তাহলে এদেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে বলে আমি মনে করি।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রাফিল বলেন, 'বাবুগঞ্জে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছি। আমরা জিয়ার সৈনিক হিসেবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছি। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান। আমরা তখন তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। ২০১৮ সাল থেকে আমাদের এই অঞ্চলে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। দল যাকে ধানের শীষ প্রতীক দেবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করবো। তবে বর্তমান সাংগঠনিক নেতাই মনোনয়ন পাবেন বলে আমরা শতভাগ আশাবাদী। তাকে বিজয়ী করে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি। মানুষকে বুঝিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছি। মানুষের মাঝে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেখেছি আমরা।'
জাতীয়তাবাদী যুবদলের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব যুবদলের এই অনন্য কর্মসূচি সম্পর্কে বলেন, 'আমাদের প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্রের পূর্নাঙ্গ একটি বিধান। সকল মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই ৩১ দফায় রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। সকল শ্রেণিপেশার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। তাই গণমানুষের মুক্তির সনদ এই ৩১ দফা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডসহ গ্রাম পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি আমরা। জনগনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের অভাব, অভিযোগ, সমস্যার কথা শুনে সেগুলো সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করছি। আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান বলেছেন আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করে তাদের সমর্থন নিতে বলেছেন তিনি। ধানের শীষের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করতে বলেছেন। শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছে। আমরা একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। যাতে আমাদের দেখাদেখি অন্যরাও ইতিবাচক ভালো কাজে উৎসাহিত হয়ে অবদান রাখেন।'
রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনমত গঠন এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন অনন্য কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। তৃণমূল পর্যায়ে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, ভাষণ প্রচার, কর্মশালা ও জনসমাবেশ কার্যক্রম শুরু করেছে তারা। ওয়ার্ডভিত্তিক বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝানো হচ্ছে ৩১ দফার সুফল। একইসাথে ধানের শীষের পক্ষে করা হচ্ছে ভোট প্রার্থনা। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মশালা ও জনসমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। একইসাথে হাট-বাজারে গিয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় প্রচার করা হচ্ছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাষণ এবং সাক্ষাৎকার। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সংগ্রামী আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে চলছে যুবদলের এসব অনন্য কর্মযজ্ঞ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে যুবদলের এসব গণমুখী কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। যুবদলের পাশাপাশি এই গণসংযোগ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হচ্ছেন বিএনপি এবং ছাত্রদলসহ সহযোগী সংগঠনগুলো। স্থানীয় সচেতন মহল এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন। যুবদলের এই সাংগঠনিক কার্যক্রমকে ঐতিহাসিক এবং অনুকরণীয় বলেও আখ্যা দিয়েছেন কেউ কেউ। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য গণমুখী কার্যক্রম শুরু করেছে যুবদল। ইতোমধ্যে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর, কেদারপুর, দেহেরগতি ও চাঁদপাশা ইউনিয়নে আগাম নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল হিসেবে কর্মশালা, জনসমাবেশ এবং প্রত্যেক ওয়ার্ডে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের দিয়ে যুব টিম বানিয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন সাধারণ মানুষসহ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
দেহেরগতি গ্রামের কৃষক ফজলুর রহমানের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তিনি বেশ উৎফুল্ল হয়ে জানান, তারেক রহমানের ৩১ দফা সম্বলিত লিফলেট তার হাতে তুলে দিয়ে গেছেন যুবদল আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবসহ যুবদল নেতাকর্মীরা। লিফলেট পড়ে ভালো লাগলে এবং এই দাবিগুলোর সাথে একমত হলে তা বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন তারা। যুবদলের এই আচরণ তাকে মুগ্ধ করেছে। ফজলুর রহমান আরো জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দল সমর্থন করেন না। গত ৩টি নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে যাননি। তার মতে সেগুলো ছিল সাজানো নির্বাচন। তাই বদলা কামাই দিয়ে তিনি ভোট দিতে যাননি। তবে এবার তিনি ভোট দিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তার হাতে দেওয়া লিফলেটে যা লেখা সেগুলো বাস্তবায়ন হওয়া দেশের জন্য খুবই দরকার বলে তিনি মনে করেন। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশ সোনার দেশ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাই তারেক রহমানের ৩১ দফার লিফলেটটি তিনি সযতনে রেখে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
চাঁদপাশা এলাকার সবজি বিক্রেতা ষাটোর্ধ মজিবর হাওলাদারের বক্তব্যও অনেকটা অভিন্ন। নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এই প্রতিবেদকের কাছে খোলামেলা বলেন, 'কাকু আমরা গরীব মানুষ। রাজনীতি করি না, পেটনীতি করি। একটা ভোট আছে যারে দিলে দ্যাশের জন্য ভালো হইবে তারেই দিমু। জিয়ার পোলাডা দ্যাশে আইতে পারে না বহুত বৎসর। বিদ্যাশে বইয়া সে দ্যাশের কতা ভাবে। ভাবনাচিন্তা কইরা সে যা ল্যাকছে এইগুলা সঠিক। লিফলেটের এগুলা করতে পারলে দ্যাশ উন্নত হইবে। মানুষ ভালো থাকবে। তাই তারেই ভোটটা দিমু। আমি আপনেগো মতোন বেশি লেহাপড়া না জানলেও পাকিস্তান আমলে মেট্রিক পর্যন্ত পড়ছি। দ্যাশের ভালোমন্দ কিছু হইলেও বুঝি।'
আগরপুর এলাকার ভ্যানচালক ইউনূস ক্ষোভের সাথে বলেন, 'আওয়ামী লীগের আমলে মোগো কেউ পাত্তা দিতো না। নেতাগো ভ্যানে টানছি হেই ভাড়াও পাই নাই। চাইতে গ্যালে চোখ গরম দিয়া কইতো যা পরে নিস। ভোট দিতে যাইয়া হুনি তারা কয়- তোর ভোট দেওয়া লাগবে না। ভোট হইয়া গ্যাছে, বাড়ি যা। এবার নির্বাচনের আগেই তো যুবদলের পোলাপান বাড়ি আইছে। আইয়া সুন্দরভাবে বুঝাইয়া একখান কাগজ দিয়া গ্যাছে। ধানের শীষে ভোট চাইয়া গ্যাছে। আগে তো মোগো কেউ জিগাইতো না। বাড়ি আইয়া কইতো অমুক মেয়ারে ভোট না দিলে এলাকায় থাকতে পারবা না। যুবদলের পোলাপানের ব্যবহার দেইখ্যা ভালো লাকছে। মোর বউও কইছে এইবার ভোট দিতে যাইবে।'
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, 'উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের কথা চিন্তা করে আমি আওয়ামী লীগের একজন মৌন সমর্থক ছিলাম। কিন্তু ২০১৮ সালে রাতের ভোট আর ২০২৪ সালে বিনা ভোটে জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যেভাবে গুলি করে পাখির মতো মানুষ হত্যা করা হয়েছে সেটা কোনো সুস্থ মানুষ সমর্থন করতে পারে না। এই দেশ কারো বাপের একার সম্পত্তি না। কারো বাপের বাড়ির জমিদারি বেঁচা টাকা দিয়ে এই দেশের উন্নয়ন হয় নাই। জনগণের ট্যাক্সের টাকা সঠিক খাতে খরচ করে দেশ ও জাতির উন্নয়ন করাই সরকারের দায়িত্ব। এজন্যই তাদের আমরা ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাই। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের কথা ভুলে নিজেদের তারা দেশের মালিক ভাবতে শুরু করে। তারেক রহমানের ৩১ দফা যেন শুধু নির্বাচনী ওয়াদার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে। জুলাই সনদ আজো বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে যদি সত্যিই ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে তাহলে এদেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে বলে আমি মনে করি।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রাফিল বলেন, 'বাবুগঞ্জে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছি। আমরা জিয়ার সৈনিক হিসেবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছি। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান। আমরা তখন তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। ২০১৮ সাল থেকে আমাদের এই অঞ্চলে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। দল যাকে ধানের শীষ প্রতীক দেবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করবো। তবে বর্তমান সাংগঠনিক নেতাই মনোনয়ন পাবেন বলে আমরা শতভাগ আশাবাদী। তাকে বিজয়ী করে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি। মানুষকে বুঝিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছি। মানুষের মাঝে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেখেছি আমরা।'
জাতীয়তাবাদী যুবদলের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব যুবদলের এই অনন্য কর্মসূচি সম্পর্কে বলেন, 'আমাদের প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্রের পূর্নাঙ্গ একটি বিধান। সকল মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই ৩১ দফায় রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। সকল শ্রেণিপেশার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। তাই গণমানুষের মুক্তির সনদ এই ৩১ দফা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডসহ গ্রাম পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি আমরা। জনগনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের অভাব, অভিযোগ, সমস্যার কথা শুনে সেগুলো সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করছি। আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান বলেছেন আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করে তাদের সমর্থন নিতে বলেছেন তিনি। ধানের শীষের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করতে বলেছেন। শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছে। আমরা একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। যাতে আমাদের দেখাদেখি অন্যরাও ইতিবাচক ভালো কাজে উৎসাহিত হয়ে অবদান রাখেন।'

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.