বরিশাল শহরের আলোচিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুমকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল কলোনীর এই সন্ত্রাসীকে একটি মামলায় গত শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশ হামলার শিকার হয়। একাধিক মামলায় অভিযুক্ত ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুমের নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। সেই ঘটনায় পুলিশ স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করলেও পালিয়ে যায় মাসুম। তবে সেই ঘটনার পরে ৪৮ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার আগেই বহুমুখী অপরাধে জড়িত মাসুমকে রোববার গভীর রাতে পুলিশ তাদের বাগে নিয়ে আসল।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে, মাসুম ১০ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের পদধারী নেতা হলেও আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি দলটির নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় ছিলেন। বিতর্কিত এই ছাত্রনেতা গত বছরের ৫ আগস্ট আ’লীগ সরকারের পতনের পরে কীর্তনখোলা নদীর পশ্চিম তীরবর্তী ভাটারখাল কলোনীসহ গোটা ওয়ার্ডে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করেন। এনিয়ে দ্বন্দ্বে স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মী জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়া দেওয়া হয়। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী কাঁচাবাজরে চাঁদাবাজি, ছিনতাই এমনকি মাদক বাণিজ্যে জড়িত থাকারও প্রমাণ পাওয়া যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ত্রিশোর্ধ্ব সন্ত্রাসী মাসুমের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে মারধর করাসহ খোদ আদালত সম্মুখে মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ আছে। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
একাধিক মামলার আসামি মাসুমের সর্বশেষ সন্ত্রাসে গত রোববার রাতে আক্রান্ত হন বরিশাল কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ তিন পুলিশ সদস্য। পুলিশ জানায়, ওই দিন রাতে মাসুমকে গ্রেপ্তার করতে ভাটারখাল এলাকায় তার বাসায় যান এসআই নাসিমসহ বেশকজন পুলিশ সদস্য। এসময় পুলিশ সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলে পড়েন ছাত্রদল নেতা। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং মাসুম এসআই নাসিমের হাত কামড়ে পালিয়ে যান।
পুলিশ এই ঘটনায় তার স্ত্রী, ভাই-বোন এবং সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। এবং পুলিশ বাদী হয়ে মাসুমকে প্রধান অভিযুক্ত করে ৭০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। সেই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। পুলিশও ছিল তোকে তোকে, কখন রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের টুটি চেপে ধরা যায়।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী মাসুমকে গ্রেপ্তারে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ নাসিম সাহসী ভুমিকা রাখেন। বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হয়ে রোববার গভীর রাতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন তিনি। অবশ্য গত শুক্রবার এই পুলিশ কর্মকর্তার হাত কামড়েই পালিয়ে গিয়েছিলেন মাসুম।
রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের ৫ আগস্ট পরবর্তী বেশকিছু সন্ত্রাসী কার্যকলাপ তুলে ধরে শনিবার গভীর রাতে এই ‘ভাটারখালে ছাত্রদল নেতা মাসুমের ধারাবাহিক সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। পুলিশ জানিয়েছে, এই সংবাদটি তাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি নিবন্ধিত হয়। মূলত এরপরে এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে ধরতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মাসুমের এই গ্রেপ্তার খবরে ওয়ার্ড বিএনপির নেতারাও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিএনপি নেতা জানান, মাসুমকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আগামী বুধবার ওয়ার্ডবাসী মানববন্ধন করার সিদ্ধান্তও নিয়েছিল। এরই মধ্যে রোববার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে, এই খবর ভাটারখালবাসীর জন্য খুশির বটে।
কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের ওপর হামলার মামলায় মাসুমকে দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশনা আছে। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
ভাটারখালের ত্রাস মাসুমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার বেশ কিছু ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ পেয়েছে। সেই ভিডিওর নিচে অসংখ্য মানুষ কমেন্ট করে তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলে ধরছেন এবং তাকে গ্রেপ্তার করায় পুলিশকে সাধুবাদ জানানো হচ্ছে।
সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, মাসুম রোববার রাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পরে তার অপরাধের জগতের নিয়ন্ত্রণ নিতে বেশ কয়েকটি গ্রুপ মরিয়া হয়ে উঠেছে। সদর রোডের একটি গ্রুপ মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে সিটি মার্কেটসংলগ্ন সব্জির বাজারে আতঙ্ক তৈরি করেছে।’

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৫:০৬
ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটের বহু এলাকা অন্ধকারে, ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াট; কারণ অনুসন্ধানে দুই কমিটি
বরিশালের বিভিন্ন এলাকাসহ দেশের একাধিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের। একই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন এলাকাতেও। এদিকে, জাতীয় গ্রিডের বিপর্যয়ের কারণে রাতেও প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
বিদ্যুৎ সরবরাহে এ বিপর্যয়ের ফলে বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন গ্রাহকেরা। তবে বরিশালের কোন কোন এলাকায় কতক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিগুলো বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থার ত্রুটি, গ্রিডের পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে।
তদন্তের মাধ্যমে বিপর্যয়ের কারণ শনাক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার কথা রয়েছে।
গ্রিড বিপর্যয়ের প্রভাব কাটিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, তা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটের বহু এলাকা অন্ধকারে, ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াট; কারণ অনুসন্ধানে দুই কমিটি
বরিশালের বিভিন্ন এলাকাসহ দেশের একাধিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের। একই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন এলাকাতেও। এদিকে, জাতীয় গ্রিডের বিপর্যয়ের কারণে রাতেও প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
বিদ্যুৎ সরবরাহে এ বিপর্যয়ের ফলে বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন গ্রাহকেরা। তবে বরিশালের কোন কোন এলাকায় কতক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিগুলো বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থার ত্রুটি, গ্রিডের পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে।
তদন্তের মাধ্যমে বিপর্যয়ের কারণ শনাক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার কথা রয়েছে।
গ্রিড বিপর্যয়ের প্রভাব কাটিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, তা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৩
দেশের প্রতিটি উপজেলায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি করে স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসার, নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামে বিসিসি প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বাড়বে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরির সুযোগও সম্প্রসারিত হবে। খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তিনি বলেন, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলায় তরুণদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে সরকার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করার উদ্যোগ নিয়েছে।
দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মাঠ নির্মাণ ও সংস্কারের প্রস্তাব পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ‘খেলাধুলা’ নামে নতুন একটি বই অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, বাংলাদেশের খেলাধুলার ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয় স্থান পাবে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ, জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও অতিথিরা।
দেশের প্রতিটি উপজেলায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি করে স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসার, নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামে বিসিসি প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বাড়বে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরির সুযোগও সম্প্রসারিত হবে। খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তিনি বলেন, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলায় তরুণদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে সরকার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করার উদ্যোগ নিয়েছে।
দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মাঠ নির্মাণ ও সংস্কারের প্রস্তাব পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ‘খেলাধুলা’ নামে নতুন একটি বই অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, বাংলাদেশের খেলাধুলার ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয় স্থান পাবে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ, জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও অতিথিরা।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৩৩
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'

১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০৩:১৭
বরিশাল শহরের আলোচিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুমকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল কলোনীর এই সন্ত্রাসীকে একটি মামলায় গত শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশ হামলার শিকার হয়। একাধিক মামলায় অভিযুক্ত ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুমের নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। সেই ঘটনায় পুলিশ স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করলেও পালিয়ে যায় মাসুম। তবে সেই ঘটনার পরে ৪৮ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার আগেই বহুমুখী অপরাধে জড়িত মাসুমকে রোববার গভীর রাতে পুলিশ তাদের বাগে নিয়ে আসল।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে, মাসুম ১০ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের পদধারী নেতা হলেও আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি দলটির নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় ছিলেন। বিতর্কিত এই ছাত্রনেতা গত বছরের ৫ আগস্ট আ’লীগ সরকারের পতনের পরে কীর্তনখোলা নদীর পশ্চিম তীরবর্তী ভাটারখাল কলোনীসহ গোটা ওয়ার্ডে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করেন। এনিয়ে দ্বন্দ্বে স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মী জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়া দেওয়া হয়। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী কাঁচাবাজরে চাঁদাবাজি, ছিনতাই এমনকি মাদক বাণিজ্যে জড়িত থাকারও প্রমাণ পাওয়া যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ত্রিশোর্ধ্ব সন্ত্রাসী মাসুমের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে মারধর করাসহ খোদ আদালত সম্মুখে মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ আছে। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
একাধিক মামলার আসামি মাসুমের সর্বশেষ সন্ত্রাসে গত রোববার রাতে আক্রান্ত হন বরিশাল কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ তিন পুলিশ সদস্য। পুলিশ জানায়, ওই দিন রাতে মাসুমকে গ্রেপ্তার করতে ভাটারখাল এলাকায় তার বাসায় যান এসআই নাসিমসহ বেশকজন পুলিশ সদস্য। এসময় পুলিশ সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলে পড়েন ছাত্রদল নেতা। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং মাসুম এসআই নাসিমের হাত কামড়ে পালিয়ে যান।
পুলিশ এই ঘটনায় তার স্ত্রী, ভাই-বোন এবং সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। এবং পুলিশ বাদী হয়ে মাসুমকে প্রধান অভিযুক্ত করে ৭০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। সেই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। পুলিশও ছিল তোকে তোকে, কখন রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের টুটি চেপে ধরা যায়।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী মাসুমকে গ্রেপ্তারে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ নাসিম সাহসী ভুমিকা রাখেন। বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হয়ে রোববার গভীর রাতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন তিনি। অবশ্য গত শুক্রবার এই পুলিশ কর্মকর্তার হাত কামড়েই পালিয়ে গিয়েছিলেন মাসুম।
রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের ৫ আগস্ট পরবর্তী বেশকিছু সন্ত্রাসী কার্যকলাপ তুলে ধরে শনিবার গভীর রাতে এই ‘ভাটারখালে ছাত্রদল নেতা মাসুমের ধারাবাহিক সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। পুলিশ জানিয়েছে, এই সংবাদটি তাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি নিবন্ধিত হয়। মূলত এরপরে এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে ধরতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মাসুমের এই গ্রেপ্তার খবরে ওয়ার্ড বিএনপির নেতারাও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিএনপি নেতা জানান, মাসুমকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আগামী বুধবার ওয়ার্ডবাসী মানববন্ধন করার সিদ্ধান্তও নিয়েছিল। এরই মধ্যে রোববার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে, এই খবর ভাটারখালবাসীর জন্য খুশির বটে।
কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের ওপর হামলার মামলায় মাসুমকে দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশনা আছে। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
ভাটারখালের ত্রাস মাসুমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার বেশ কিছু ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ পেয়েছে। সেই ভিডিওর নিচে অসংখ্য মানুষ কমেন্ট করে তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলে ধরছেন এবং তাকে গ্রেপ্তার করায় পুলিশকে সাধুবাদ জানানো হচ্ছে।
সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, মাসুম রোববার রাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পরে তার অপরাধের জগতের নিয়ন্ত্রণ নিতে বেশ কয়েকটি গ্রুপ মরিয়া হয়ে উঠেছে। সদর রোডের একটি গ্রুপ মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে সিটি মার্কেটসংলগ্ন সব্জির বাজারে আতঙ্ক তৈরি করেছে।’
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৯
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৭
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭