
২৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪৪
রাত তখন প্রায় দেড়টা। বরগুনার তালতলী উপজেলার সাগরঘেঁষা তেঁতুলবাড়িয়া মাছঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে বের হয়েছিল মাছবোঝাই একটি বাস। গভীর রাতে নথুল্লাবাদের কাছাকাছি পৌঁছাতেই থামিয়ে দেওয়া হয় যাত্রীবাহী পরিবহনটিকে।
এদিকে, গোপন তথ্যের সূত্র ধরে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) অভিযান চালায় সেখানে। কাশিপুরের নিস্তব্ধতা ভেঙে তখন আলো ও মানুষের কোলাহল। বাসের বক্স খুলতেই মেলে জাটকার গন্ধ ভরা কয়েক ঝুড়ি। জব্দ করা হয় সবকিছু।
কিন্তু জাটকার সঙ্গে আরো অন্তত ১০০ কেজির মতো পোয়া আর সাগরের ফ্যাসা মাছ ছিল। এই মাছগুলো বৈধ। তবু সেগুলোও জব্দের তালিকায় চলে যায়। পরদিন সকালে বরিশালের সমাজসেবা অধিদপ্তরের আটটি শিশু পরিবারে মাছ বিতরণ হতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে মাত্র আট থেকে ১০ কেজি পোয়া মাছ বিতরণ করা হয়।
এছাড়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠান আনুমানিক গড়ে ৩০০টি জাটকা পেয়েছেন। এসব তথ্য শিশু পারিবার ঘুরে নিশ্চিত হয়েছেন প্রতিবেদক।
জেলে সেলিম মাতুব্বরের গল্প এখানেই ঘুরে যায় অন্যদিকে। তেঁতুলবাড়িয়ার ঘাটের সেই পরিচিত মানুষটি বহু বছর ধরে ঢাকার বাড্ডার বাজারে মাছ পাঠান। ভোরের অন্ধকারে যখন জালের পানি এখনও দুই হাত ভিজিয়ে রাখে, তখনই তাঁর দিন শুরু হয়।
সেদিনও অন্য দিনের মতো বরফের ঠাণ্ডায় হাতে কাঁপুনি ধরে। সেই হাতে তিন ধরনের মাছ পলি ব্যাগে আলাদা করে সাজিয়েছিলেন তিনি।
প্রথমেই তুলে নেন ছোট-বড় আকারের পোয়া, যেগুলো পৃথক ১৭টি প্যাকেট করে রাখা ছিল। সেগুলোর ওজন দাঁড়ায় ৬৮ কেজি ৬০০ গ্রাম। এরপর আসে সাগর ফ্যাসা, যার ওজন মোটামুটি আট কেজি ৭০০ গ্রাম। সবশেষে মাথা-লেজ মিলে ১০ ইঞ্চি আকারের ইলিশ। সেগুলোর ওজন সামান্য হলেও ঢাকায় সাধারণ ক্রেতাদের চাহিদা রয়েছে বলে সুন্দরভাবে বরফে মুড়িয়ে ড্রামে রাখেন তিনি।
সব মিলিয়ে মাছগুলো সাজানো হয়েছিল একদম নিয়ম মেনে, যেমনটি তিনি বছরের পর বছর করে আসছেন। কিন্তু সেই পরিচ্ছন্ন প্রস্তুতি শেষ পর্যন্ত তাঁকে রক্ষা করতে পারেনি রাতের অভিযানের হাত থেকে। সব মিলিয়ে বরফজাত করে তুলে দিয়েছিলেন ইসলাম পরিবহনের বাসে। নথুল্লাবাদে পৌঁছাতেই ফোন আসে, এনএসআই ড্রামসহ পুরো মালামাল ‘ঝাটকা’ উল্লেখ করে জব্দ করেছে।
এরপর শুরু হয় ফেরত চাওয়ার দীর্ঘ চেষ্টা। সেলিম তাঁর এক আত্মীয়কে কাশিপুরে পাঠান বৈধ পোয়া আর ফ্যাসা ফেরত আনার জন্য। কিন্তু এনএসআই সদস্যরা জানিয়ে দেন, মাছ ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়। পরদিন শিশু পরিবারে গেলে সেখানেও একই সুর। সমাজসেবার কর্মকর্তারা বলেন, মাছ তারা ইতোমধ্যেই এনএসআই ও মৎস্য বিভাগের কাছ থেকে বুঝে নিয়েছেন। ফেরতের প্রশ্নই আসে না।
অভিযোগ, এরপর ওই আত্মীয়ের কাছ থেকে নেওয়া হয় একটি সাদা কাগজে ‘স্বেচ্ছায় মাছ বিতরণের’ মুচলেকা। যেন মাছ তিনি স্বেচ্ছায় দান করেছেন, এমন স্বীকারোক্তির কাগজে সই করিয়ে তবেই বিদায় দেওয়া হয়। এত কিছু ঘটনার পরও সরকারি দপ্তরের বক্তব্যে কিন্তু মিল নেই।
বরিশাল সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জামাল হোসেন বলেন, ‘অভিযানে শুধু জাটকা জব্দ করা হয়েছে, বৈধ কোনো মাছ ছিল না। সমাজসেবার আটটি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটিকে গড়ে ৩০০টি করে জাকটা বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণের সময় আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম।’
কিন্তু বরিশাল সরকারি শিশু পরিবার (বালক)-এর তত্ত্বাবধায়ক মো. আসিফ চৌধুরী সরাসরি স্বীকার করছেন, জাটকার সঙ্গে আনুমানিক ১০ কেজি পোয়া আর ফ্যাসা ছিল। মালিক তা চাইতে এসেছিলেন। কিন্তু যেহেতু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাছ বুঝিয়ে দিয়েছে, তাই ফেরত দেওয়া যায়নি। জাটকা বিতরণের আগে তার শিশু পরিবারটিতে ভাগ করা হয়েছিল। তিনি শিশু পরিবারে আনুমানিক ৩০০টি জাটকা পেয়েছেন।
এনএসআইয়ের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাধারণত জাটকা রক্ষার অভিযানে তাঁরা থাকেন না। এই প্রথম এমন অভিযান পরিচালনা করলেন গোয়েন্দা সংস্থাটির সদস্যরা।
বাংলাদেশ মৎস্য শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন বলেন, ‘জাটকা রক্ষা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব, প্রয়োজনে যে কোনো বাহিনী অভিযান চালাতে পারে।’ তবে এনএসআইয়ের নেতৃত্বে জাটকা জব্দের ঘটনাকে তিনি ‘নজিরবিহীন’ বলেই উল্লেখ করেন।
রাত তখন প্রায় দেড়টা। বরগুনার তালতলী উপজেলার সাগরঘেঁষা তেঁতুলবাড়িয়া মাছঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে বের হয়েছিল মাছবোঝাই একটি বাস। গভীর রাতে নথুল্লাবাদের কাছাকাছি পৌঁছাতেই থামিয়ে দেওয়া হয় যাত্রীবাহী পরিবহনটিকে।
এদিকে, গোপন তথ্যের সূত্র ধরে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) অভিযান চালায় সেখানে। কাশিপুরের নিস্তব্ধতা ভেঙে তখন আলো ও মানুষের কোলাহল। বাসের বক্স খুলতেই মেলে জাটকার গন্ধ ভরা কয়েক ঝুড়ি। জব্দ করা হয় সবকিছু।
কিন্তু জাটকার সঙ্গে আরো অন্তত ১০০ কেজির মতো পোয়া আর সাগরের ফ্যাসা মাছ ছিল। এই মাছগুলো বৈধ। তবু সেগুলোও জব্দের তালিকায় চলে যায়। পরদিন সকালে বরিশালের সমাজসেবা অধিদপ্তরের আটটি শিশু পরিবারে মাছ বিতরণ হতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে মাত্র আট থেকে ১০ কেজি পোয়া মাছ বিতরণ করা হয়।
এছাড়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠান আনুমানিক গড়ে ৩০০টি জাটকা পেয়েছেন। এসব তথ্য শিশু পারিবার ঘুরে নিশ্চিত হয়েছেন প্রতিবেদক।
জেলে সেলিম মাতুব্বরের গল্প এখানেই ঘুরে যায় অন্যদিকে। তেঁতুলবাড়িয়ার ঘাটের সেই পরিচিত মানুষটি বহু বছর ধরে ঢাকার বাড্ডার বাজারে মাছ পাঠান। ভোরের অন্ধকারে যখন জালের পানি এখনও দুই হাত ভিজিয়ে রাখে, তখনই তাঁর দিন শুরু হয়।
সেদিনও অন্য দিনের মতো বরফের ঠাণ্ডায় হাতে কাঁপুনি ধরে। সেই হাতে তিন ধরনের মাছ পলি ব্যাগে আলাদা করে সাজিয়েছিলেন তিনি।
প্রথমেই তুলে নেন ছোট-বড় আকারের পোয়া, যেগুলো পৃথক ১৭টি প্যাকেট করে রাখা ছিল। সেগুলোর ওজন দাঁড়ায় ৬৮ কেজি ৬০০ গ্রাম। এরপর আসে সাগর ফ্যাসা, যার ওজন মোটামুটি আট কেজি ৭০০ গ্রাম। সবশেষে মাথা-লেজ মিলে ১০ ইঞ্চি আকারের ইলিশ। সেগুলোর ওজন সামান্য হলেও ঢাকায় সাধারণ ক্রেতাদের চাহিদা রয়েছে বলে সুন্দরভাবে বরফে মুড়িয়ে ড্রামে রাখেন তিনি।
সব মিলিয়ে মাছগুলো সাজানো হয়েছিল একদম নিয়ম মেনে, যেমনটি তিনি বছরের পর বছর করে আসছেন। কিন্তু সেই পরিচ্ছন্ন প্রস্তুতি শেষ পর্যন্ত তাঁকে রক্ষা করতে পারেনি রাতের অভিযানের হাত থেকে। সব মিলিয়ে বরফজাত করে তুলে দিয়েছিলেন ইসলাম পরিবহনের বাসে। নথুল্লাবাদে পৌঁছাতেই ফোন আসে, এনএসআই ড্রামসহ পুরো মালামাল ‘ঝাটকা’ উল্লেখ করে জব্দ করেছে।
এরপর শুরু হয় ফেরত চাওয়ার দীর্ঘ চেষ্টা। সেলিম তাঁর এক আত্মীয়কে কাশিপুরে পাঠান বৈধ পোয়া আর ফ্যাসা ফেরত আনার জন্য। কিন্তু এনএসআই সদস্যরা জানিয়ে দেন, মাছ ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়। পরদিন শিশু পরিবারে গেলে সেখানেও একই সুর। সমাজসেবার কর্মকর্তারা বলেন, মাছ তারা ইতোমধ্যেই এনএসআই ও মৎস্য বিভাগের কাছ থেকে বুঝে নিয়েছেন। ফেরতের প্রশ্নই আসে না।
অভিযোগ, এরপর ওই আত্মীয়ের কাছ থেকে নেওয়া হয় একটি সাদা কাগজে ‘স্বেচ্ছায় মাছ বিতরণের’ মুচলেকা। যেন মাছ তিনি স্বেচ্ছায় দান করেছেন, এমন স্বীকারোক্তির কাগজে সই করিয়ে তবেই বিদায় দেওয়া হয়। এত কিছু ঘটনার পরও সরকারি দপ্তরের বক্তব্যে কিন্তু মিল নেই।
বরিশাল সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জামাল হোসেন বলেন, ‘অভিযানে শুধু জাটকা জব্দ করা হয়েছে, বৈধ কোনো মাছ ছিল না। সমাজসেবার আটটি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটিকে গড়ে ৩০০টি করে জাকটা বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণের সময় আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম।’
কিন্তু বরিশাল সরকারি শিশু পরিবার (বালক)-এর তত্ত্বাবধায়ক মো. আসিফ চৌধুরী সরাসরি স্বীকার করছেন, জাটকার সঙ্গে আনুমানিক ১০ কেজি পোয়া আর ফ্যাসা ছিল। মালিক তা চাইতে এসেছিলেন। কিন্তু যেহেতু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাছ বুঝিয়ে দিয়েছে, তাই ফেরত দেওয়া যায়নি। জাটকা বিতরণের আগে তার শিশু পরিবারটিতে ভাগ করা হয়েছিল। তিনি শিশু পরিবারে আনুমানিক ৩০০টি জাটকা পেয়েছেন।
এনএসআইয়ের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাধারণত জাটকা রক্ষার অভিযানে তাঁরা থাকেন না। এই প্রথম এমন অভিযান পরিচালনা করলেন গোয়েন্দা সংস্থাটির সদস্যরা।
বাংলাদেশ মৎস্য শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন বলেন, ‘জাটকা রক্ষা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব, প্রয়োজনে যে কোনো বাহিনী অভিযান চালাতে পারে।’ তবে এনএসআইয়ের নেতৃত্বে জাটকা জব্দের ঘটনাকে তিনি ‘নজিরবিহীন’ বলেই উল্লেখ করেন।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসন থেকে জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতেই তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিবুল্লা এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
জানা যায়, বরগুনা-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জামায়াতের মো. মহিবুল্লা। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিবুল্লা বলেন, ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রার্থী করায় দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে সমর্থন দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেওয়া হয়েছে। বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।
বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আসন থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসন থেকে জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতেই তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিবুল্লা এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
জানা যায়, বরগুনা-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জামায়াতের মো. মহিবুল্লা। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিবুল্লা বলেন, ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রার্থী করায় দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে সমর্থন দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেওয়া হয়েছে। বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।
বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আসন থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন।

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।
এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা পর্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদর্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অর্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার কর্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল কর্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।
এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা পর্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদর্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অর্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার কর্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল কর্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮