
২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৯:১৮
বরিশালে ২ ভুয়া সাংবাদিককে আটক করেছে পুলিশ, যারা দীর্ঘদিন ধরে কীর্তনখোলা তীর জনপদে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিল। শহরের উত্তর অঞ্চলের বাসিন্দা হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদার নামের এই দুই যুবকের বিরুদ্ধে সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন সময়ে মানুষকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে। গত বুধবার শহরের চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রাক্কালে তাদেরকে আটকে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা। অবশ্য এরআগে একচোট পিটুনিও দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকার হাসিব রহমান এবং বেলতলার সায়েম সিকদারসহ ৫/৬ জনের একটি গ্রুপ নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে আসছিল। বুধবার রাতে চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তারা অর্থ দাবি করে। এবং এনিয়ে তারা সংবাদ প্রকাশের হুমকি ধামকি দিয়ে ১১ হাজার টাকা প্রেমিক যুগলের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সাংবাদিক পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমে ১১ হাজার টাকা নিলেও প্রেমিক যুগল নিশ্চুপ ছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয় তখন তারা ক্ষুব্ধ হন এবং এনিয়ে ভুয়া ৫/৬ সাংবাদিকের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তখন স্থানীয় দোকানিসহ পথচারীরা একত্রিত হয়ে তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে জনরোষে পড়ে। এসময় উত্তেজিত জনতা ধাওয়া দিয়ে হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদারকে আটক করতে সক্ষম হলেও পালিয়ে গেছে বাকি ৪ সহযোগী।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এই গ্রুপটিই সপ্তাহখানেক পূর্বে শহরের কলেজ এভিনিউ রোডের একটি বাসায় হানা দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সাংবাদিক পরিচয়ে স্বামী-স্ত্রীকে জিম্মি করে নগদ ১৫ হাজার টাকাসহ তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। এই ভুয়া সাংবাদিকদের দুজন আটকের খবর পেয়ে কলেজ এভিনিউ রোডের দম্পতি কোতয়ালি মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই গ্রুপটির বিরুদ্ধে এছাড়াও মাদক ক্রয় বিক্রয়সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। সূত্র জানিয়েছে, হাসিব রহমানসহ গ্রুপের সদস্যরা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল এবং স্থানীয় নেতাদের ছত্রছায়ায় পোর্টরোডে শ্রমিকের কাজ করতো। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তারা বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হয়।
২ ভুয়া সাংবাদিককে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান। তিনি জানান, সাংবাদিক পরিচয়ে ৫/৬ যুবক শহরের চৌমাথায় প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তাদের ভয়ভীতি দেখাতে ছিল। এবং একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা হাতিয়ে নিতেও সক্ষম হয়। পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিয়ে আরও টাকা চাইলে দেখা দেয় বিপত্তি। সন্দেহবশত স্থানীয়রা তাদের মধ্যেকার দুজন হাসিব রহমান এবং সায়েমকে আটক করে চ্যালেঞ্জ করেন। তখন তারা দুজন নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হলে থানায় খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পুলিশের একটি টিম গিয়ে তাদের ঘটনাস্থল থেকে আটক করে নিয়ে আসে। এই ঘটনায় মামলাগ্রহণ পরবর্তী তাদের দুজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
কলেজ এভিনিউসহ আরও বিভিন্ন এলাকায় তাদের অপরাধ সংঘটিত করার বিষয়ে শুক্রবার রাতে ওসি মিজান বলেন, বিভিন্ন মাধ্যম মৌখিক অভিযোগ আসছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ জমা করেননি। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে, জানান ওসি।’
বরিশালে ২ ভুয়া সাংবাদিককে আটক করেছে পুলিশ, যারা দীর্ঘদিন ধরে কীর্তনখোলা তীর জনপদে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিল। শহরের উত্তর অঞ্চলের বাসিন্দা হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদার নামের এই দুই যুবকের বিরুদ্ধে সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন সময়ে মানুষকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে। গত বুধবার শহরের চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রাক্কালে তাদেরকে আটকে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা। অবশ্য এরআগে একচোট পিটুনিও দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকার হাসিব রহমান এবং বেলতলার সায়েম সিকদারসহ ৫/৬ জনের একটি গ্রুপ নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে আসছিল। বুধবার রাতে চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তারা অর্থ দাবি করে। এবং এনিয়ে তারা সংবাদ প্রকাশের হুমকি ধামকি দিয়ে ১১ হাজার টাকা প্রেমিক যুগলের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সাংবাদিক পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমে ১১ হাজার টাকা নিলেও প্রেমিক যুগল নিশ্চুপ ছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয় তখন তারা ক্ষুব্ধ হন এবং এনিয়ে ভুয়া ৫/৬ সাংবাদিকের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তখন স্থানীয় দোকানিসহ পথচারীরা একত্রিত হয়ে তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে জনরোষে পড়ে। এসময় উত্তেজিত জনতা ধাওয়া দিয়ে হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদারকে আটক করতে সক্ষম হলেও পালিয়ে গেছে বাকি ৪ সহযোগী।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এই গ্রুপটিই সপ্তাহখানেক পূর্বে শহরের কলেজ এভিনিউ রোডের একটি বাসায় হানা দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সাংবাদিক পরিচয়ে স্বামী-স্ত্রীকে জিম্মি করে নগদ ১৫ হাজার টাকাসহ তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। এই ভুয়া সাংবাদিকদের দুজন আটকের খবর পেয়ে কলেজ এভিনিউ রোডের দম্পতি কোতয়ালি মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই গ্রুপটির বিরুদ্ধে এছাড়াও মাদক ক্রয় বিক্রয়সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। সূত্র জানিয়েছে, হাসিব রহমানসহ গ্রুপের সদস্যরা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল এবং স্থানীয় নেতাদের ছত্রছায়ায় পোর্টরোডে শ্রমিকের কাজ করতো। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তারা বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হয়।
২ ভুয়া সাংবাদিককে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান। তিনি জানান, সাংবাদিক পরিচয়ে ৫/৬ যুবক শহরের চৌমাথায় প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তাদের ভয়ভীতি দেখাতে ছিল। এবং একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা হাতিয়ে নিতেও সক্ষম হয়। পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিয়ে আরও টাকা চাইলে দেখা দেয় বিপত্তি। সন্দেহবশত স্থানীয়রা তাদের মধ্যেকার দুজন হাসিব রহমান এবং সায়েমকে আটক করে চ্যালেঞ্জ করেন। তখন তারা দুজন নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হলে থানায় খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পুলিশের একটি টিম গিয়ে তাদের ঘটনাস্থল থেকে আটক করে নিয়ে আসে। এই ঘটনায় মামলাগ্রহণ পরবর্তী তাদের দুজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
কলেজ এভিনিউসহ আরও বিভিন্ন এলাকায় তাদের অপরাধ সংঘটিত করার বিষয়ে শুক্রবার রাতে ওসি মিজান বলেন, বিভিন্ন মাধ্যম মৌখিক অভিযোগ আসছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ জমা করেননি। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে, জানান ওসি।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস