Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৯:১৮
বরিশালে ২ ভুয়া সাংবাদিককে আটক করেছে পুলিশ, যারা দীর্ঘদিন ধরে কীর্তনখোলা তীর জনপদে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিল। শহরের উত্তর অঞ্চলের বাসিন্দা হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদার নামের এই দুই যুবকের বিরুদ্ধে সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন সময়ে মানুষকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে। গত বুধবার শহরের চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রাক্কালে তাদেরকে আটকে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা। অবশ্য এরআগে একচোট পিটুনিও দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকার হাসিব রহমান এবং বেলতলার সায়েম সিকদারসহ ৫/৬ জনের একটি গ্রুপ নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে আসছিল। বুধবার রাতে চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তারা অর্থ দাবি করে। এবং এনিয়ে তারা সংবাদ প্রকাশের হুমকি ধামকি দিয়ে ১১ হাজার টাকা প্রেমিক যুগলের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সাংবাদিক পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমে ১১ হাজার টাকা নিলেও প্রেমিক যুগল নিশ্চুপ ছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয় তখন তারা ক্ষুব্ধ হন এবং এনিয়ে ভুয়া ৫/৬ সাংবাদিকের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তখন স্থানীয় দোকানিসহ পথচারীরা একত্রিত হয়ে তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে জনরোষে পড়ে। এসময় উত্তেজিত জনতা ধাওয়া দিয়ে হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদারকে আটক করতে সক্ষম হলেও পালিয়ে গেছে বাকি ৪ সহযোগী।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এই গ্রুপটিই সপ্তাহখানেক পূর্বে শহরের কলেজ এভিনিউ রোডের একটি বাসায় হানা দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সাংবাদিক পরিচয়ে স্বামী-স্ত্রীকে জিম্মি করে নগদ ১৫ হাজার টাকাসহ তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। এই ভুয়া সাংবাদিকদের দুজন আটকের খবর পেয়ে কলেজ এভিনিউ রোডের দম্পতি কোতয়ালি মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই গ্রুপটির বিরুদ্ধে এছাড়াও মাদক ক্রয় বিক্রয়সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। সূত্র জানিয়েছে, হাসিব রহমানসহ গ্রুপের সদস্যরা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল এবং স্থানীয় নেতাদের ছত্রছায়ায় পোর্টরোডে শ্রমিকের কাজ করতো। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তারা বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হয়।
২ ভুয়া সাংবাদিককে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান। তিনি জানান, সাংবাদিক পরিচয়ে ৫/৬ যুবক শহরের চৌমাথায় প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তাদের ভয়ভীতি দেখাতে ছিল। এবং একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা হাতিয়ে নিতেও সক্ষম হয়। পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিয়ে আরও টাকা চাইলে দেখা দেয় বিপত্তি। সন্দেহবশত স্থানীয়রা তাদের মধ্যেকার দুজন হাসিব রহমান এবং সায়েমকে আটক করে চ্যালেঞ্জ করেন। তখন তারা দুজন নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হলে থানায় খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পুলিশের একটি টিম গিয়ে তাদের ঘটনাস্থল থেকে আটক করে নিয়ে আসে। এই ঘটনায় মামলাগ্রহণ পরবর্তী তাদের দুজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
কলেজ এভিনিউসহ আরও বিভিন্ন এলাকায় তাদের অপরাধ সংঘটিত করার বিষয়ে শুক্রবার রাতে ওসি মিজান বলেন, বিভিন্ন মাধ্যম মৌখিক অভিযোগ আসছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ জমা করেননি। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে, জানান ওসি।’
বরিশালে ২ ভুয়া সাংবাদিককে আটক করেছে পুলিশ, যারা দীর্ঘদিন ধরে কীর্তনখোলা তীর জনপদে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিল। শহরের উত্তর অঞ্চলের বাসিন্দা হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদার নামের এই দুই যুবকের বিরুদ্ধে সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন সময়ে মানুষকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে। গত বুধবার শহরের চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রাক্কালে তাদেরকে আটকে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা। অবশ্য এরআগে একচোট পিটুনিও দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকার হাসিব রহমান এবং বেলতলার সায়েম সিকদারসহ ৫/৬ জনের একটি গ্রুপ নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে আসছিল। বুধবার রাতে চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তারা অর্থ দাবি করে। এবং এনিয়ে তারা সংবাদ প্রকাশের হুমকি ধামকি দিয়ে ১১ হাজার টাকা প্রেমিক যুগলের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সাংবাদিক পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমে ১১ হাজার টাকা নিলেও প্রেমিক যুগল নিশ্চুপ ছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয় তখন তারা ক্ষুব্ধ হন এবং এনিয়ে ভুয়া ৫/৬ সাংবাদিকের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তখন স্থানীয় দোকানিসহ পথচারীরা একত্রিত হয়ে তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে জনরোষে পড়ে। এসময় উত্তেজিত জনতা ধাওয়া দিয়ে হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদারকে আটক করতে সক্ষম হলেও পালিয়ে গেছে বাকি ৪ সহযোগী।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এই গ্রুপটিই সপ্তাহখানেক পূর্বে শহরের কলেজ এভিনিউ রোডের একটি বাসায় হানা দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সাংবাদিক পরিচয়ে স্বামী-স্ত্রীকে জিম্মি করে নগদ ১৫ হাজার টাকাসহ তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। এই ভুয়া সাংবাদিকদের দুজন আটকের খবর পেয়ে কলেজ এভিনিউ রোডের দম্পতি কোতয়ালি মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই গ্রুপটির বিরুদ্ধে এছাড়াও মাদক ক্রয় বিক্রয়সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। সূত্র জানিয়েছে, হাসিব রহমানসহ গ্রুপের সদস্যরা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল এবং স্থানীয় নেতাদের ছত্রছায়ায় পোর্টরোডে শ্রমিকের কাজ করতো। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তারা বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হয়।
২ ভুয়া সাংবাদিককে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান। তিনি জানান, সাংবাদিক পরিচয়ে ৫/৬ যুবক শহরের চৌমাথায় প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তাদের ভয়ভীতি দেখাতে ছিল। এবং একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা হাতিয়ে নিতেও সক্ষম হয়। পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিয়ে আরও টাকা চাইলে দেখা দেয় বিপত্তি। সন্দেহবশত স্থানীয়রা তাদের মধ্যেকার দুজন হাসিব রহমান এবং সায়েমকে আটক করে চ্যালেঞ্জ করেন। তখন তারা দুজন নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হলে থানায় খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পুলিশের একটি টিম গিয়ে তাদের ঘটনাস্থল থেকে আটক করে নিয়ে আসে। এই ঘটনায় মামলাগ্রহণ পরবর্তী তাদের দুজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
কলেজ এভিনিউসহ আরও বিভিন্ন এলাকায় তাদের অপরাধ সংঘটিত করার বিষয়ে শুক্রবার রাতে ওসি মিজান বলেন, বিভিন্ন মাধ্যম মৌখিক অভিযোগ আসছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ জমা করেননি। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে, জানান ওসি।’

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৯
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯