
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪২
বরিশালের গৌরনদীতে কোনো এমবিবিএস ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ ২০ বছর ধরে চোখের চিকিৎসা দিয়ে আসার বিষয়টি নিজেই অকপটে স্বীকার করেছেন মোঃ ইব্রাহিম খলিল (৬০) নামে এক কথিত ডাক্তার।
রোগী দেখার সময় তিনি ফোনে এক চিকিৎসক ‘স্যার’ এর সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন, যা নিয়ে জনমনে গভীর শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভুরঘাটা বাজার সংলগ্ন একটি ফার্মেসিতে সপ্তাহে তিন দিন রোগী দেখেন তিনি। বাকি সময় নিজ বাসা ইল্লায় বসেই রোগীদের চিকিৎসা দেন। চোখের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে রোগীরা তার কাছে আসছেন।
অভিযোগ রয়েছে, রোগীদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিবেদকের হাতে আসা একাধিক প্রেসক্রিপশন পর্যালোচনা করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রমাণও পাওয়া গেছে।
একই সঙ্গে দেখা গেছে, ব্যবহৃত প্রেসক্রিপশন প্যাডের ওপরের অংশে ডান পাশে ইব্রাহিম খলিলের নাম এবং বাম পাশে এফ আর হাবীবের নাম উল্লেখ রয়েছে। এতে চিকিৎসা কার্যক্রমের ধরন ও দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রেসক্রিপশন দেওয়ার পর প্যাডে থাকা এফ আর হাবীবের নাম ও নম্বর মার্কার দিয়ে মুছে ফেলেন ইব্রাহিম খলিল।
এ ছাড়া জানা গেছে, ইব্রাহিম খলিলের ফার্মেসির ড্রাগ লাইসেন্স থাকলেও বাসায় চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাথমিক সেবার বাইরে যাওয়ার কোনো অনুমতি নেই। অথচ তিনি নিয়মিত রোগী দেখে ওষুধ প্রদান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বললে ইব্রাহিম খলিল বলেন, 'আমি এমবিবিএস ডাক্তার না। বাংলাদেশ স্টেট মেডিকেল থেকে প্যারামেডিকেল কোর্স করেছি। রোগী এলে মাঝে মাঝে আমার ‘স্যার’-কে ফোন করি, তিনি যেভাবে চিকিৎসা দিতে বলেন, আমি সেই অনুযায়ী ওষুধ দেই।' তিনি জানান, তার ওই স্যারের নাম এফ আর হাবীব, যিনি ঢাকার একটি আই হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এফ আর হাবীব বলেন,'তিনি মাঝে মাঝে ফোন করেন। তখন কিছু পরামর্শ দিই, তবে সব সময় নয়।'এই দুই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সরাসরি রোগী না দেখে ফোনে পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি নয় বলে মনে করছেন চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে এমন পদ্ধতি রোগীর জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এ ধরনের কার্যক্রম প্রচলিত চিকিৎসা নীতিমালার পরিপন্থী বলেও মত দিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, 'অনেকেই তাকে চিকিৎসক মনে করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কিন্তু তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি চিকিৎসক নন এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, চোখের মতো সংবেদনশীল অঙ্গের চিকিৎসায় সামান্য ভুলও স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে। সরাসরি পরীক্ষা ছাড়া ফোনের মাধ্যমে পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া রোগীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকি রোগীকে অন্ধত্ববরণও করা লাগতে পারে।
এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ ফকরুল ইসলাম মৃধা বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি চিকিৎসা দিলে তা আইনত দণ্ডনীয়।
এ বিষয়ে বরিশালের সিভিল সার্জন এস এম মনজুর-এ-এলাহী বলেন, 'এমবিবিএস ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অডিও বা ভিডিও কলের মাধ্যমেও পল্লী চিকিৎসকের এ ধরনের ওষুধ দেওয়ার অধিকার নেই।
বরিশালের গৌরনদীতে কোনো এমবিবিএস ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ ২০ বছর ধরে চোখের চিকিৎসা দিয়ে আসার বিষয়টি নিজেই অকপটে স্বীকার করেছেন মোঃ ইব্রাহিম খলিল (৬০) নামে এক কথিত ডাক্তার।
রোগী দেখার সময় তিনি ফোনে এক চিকিৎসক ‘স্যার’ এর সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন, যা নিয়ে জনমনে গভীর শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভুরঘাটা বাজার সংলগ্ন একটি ফার্মেসিতে সপ্তাহে তিন দিন রোগী দেখেন তিনি। বাকি সময় নিজ বাসা ইল্লায় বসেই রোগীদের চিকিৎসা দেন। চোখের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে রোগীরা তার কাছে আসছেন।
অভিযোগ রয়েছে, রোগীদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিবেদকের হাতে আসা একাধিক প্রেসক্রিপশন পর্যালোচনা করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রমাণও পাওয়া গেছে।
একই সঙ্গে দেখা গেছে, ব্যবহৃত প্রেসক্রিপশন প্যাডের ওপরের অংশে ডান পাশে ইব্রাহিম খলিলের নাম এবং বাম পাশে এফ আর হাবীবের নাম উল্লেখ রয়েছে। এতে চিকিৎসা কার্যক্রমের ধরন ও দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রেসক্রিপশন দেওয়ার পর প্যাডে থাকা এফ আর হাবীবের নাম ও নম্বর মার্কার দিয়ে মুছে ফেলেন ইব্রাহিম খলিল।
এ ছাড়া জানা গেছে, ইব্রাহিম খলিলের ফার্মেসির ড্রাগ লাইসেন্স থাকলেও বাসায় চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাথমিক সেবার বাইরে যাওয়ার কোনো অনুমতি নেই। অথচ তিনি নিয়মিত রোগী দেখে ওষুধ প্রদান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বললে ইব্রাহিম খলিল বলেন, 'আমি এমবিবিএস ডাক্তার না। বাংলাদেশ স্টেট মেডিকেল থেকে প্যারামেডিকেল কোর্স করেছি। রোগী এলে মাঝে মাঝে আমার ‘স্যার’-কে ফোন করি, তিনি যেভাবে চিকিৎসা দিতে বলেন, আমি সেই অনুযায়ী ওষুধ দেই।' তিনি জানান, তার ওই স্যারের নাম এফ আর হাবীব, যিনি ঢাকার একটি আই হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এফ আর হাবীব বলেন,'তিনি মাঝে মাঝে ফোন করেন। তখন কিছু পরামর্শ দিই, তবে সব সময় নয়।'এই দুই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সরাসরি রোগী না দেখে ফোনে পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি নয় বলে মনে করছেন চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে এমন পদ্ধতি রোগীর জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এ ধরনের কার্যক্রম প্রচলিত চিকিৎসা নীতিমালার পরিপন্থী বলেও মত দিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, 'অনেকেই তাকে চিকিৎসক মনে করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কিন্তু তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি চিকিৎসক নন এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, চোখের মতো সংবেদনশীল অঙ্গের চিকিৎসায় সামান্য ভুলও স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে। সরাসরি পরীক্ষা ছাড়া ফোনের মাধ্যমে পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া রোগীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকি রোগীকে অন্ধত্ববরণও করা লাগতে পারে।
এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ ফকরুল ইসলাম মৃধা বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি চিকিৎসা দিলে তা আইনত দণ্ডনীয়।
এ বিষয়ে বরিশালের সিভিল সার্জন এস এম মনজুর-এ-এলাহী বলেন, 'এমবিবিএস ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অডিও বা ভিডিও কলের মাধ্যমেও পল্লী চিকিৎসকের এ ধরনের ওষুধ দেওয়ার অধিকার নেই।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৫
বরিশাল নগরীতে প্রেমিক যুবকের বাসায় সাজনিদা কবির আনিকা নামের যুবতী খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম শহরের বগুড়া রোডের রাফি মঞ্জিল নামক বহুতল ভবনের ফ্ল্যাট থেকে লাশটি উদ্ধার করে। এর আগেই প্রেমিক যুবক মইনুল ইসলাম হিমু (৩০) পালিয়ে গেছেন। শহরের অভ্যন্তরে আবাসিক ফ্ল্যাটে এই খুনের ঘটনা আশ-পাশের বাসিন্দাদের আতঙ্কিত করেছে। বিশেষ করে রাফি মঞ্জিল নামক ৬ তলা ভবনের অপর ফ্ল্যাটগুলোর বাসিন্দা বেশিমাত্রায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
পুলিশ এবং বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পেগাসিয়া গ্রামের বাসিন্দা সাবেক সেনা সদস্য মহসিন কবিরের মেয়ে সাজনিদা কবির আনিকার সাথে ঝালকাঠির কাটপট্টির মিল্টন আকনের ছেলে মইনুল ইসলাম হিমুর হৃদয়ঘটিত সম্পর্ক ছিল। সানজিদা নামক মেয়েটি মাঝে মঝ্যেই হিমুর বরিশালের বগুড়া রোডের ওই বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। রাফি মঞ্জিলের ৬ তলার এই ফ্ল্যাটটিতে হিমুর বৃদ্ধ মাও বসবাস করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে মেয়েটি হিমুর বাসায় আসেন। বিকেল ৩টার দিকে খবর থানায় খবর যায় হিমু তার প্রেমিকাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। এই খুনের ঘটনার পর প্রেমিক পুরুষ হিমুর মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারনা করছে, নিজেদের মধ্যেকার সম্পর্কের তিক্ততা নিয়ে যুবতীকে হত্যা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করার একটি সন্দেহ করা হচ্ছে। কিন্তু অভিযুক্ত মইনুলকে আটক বা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়ার আগে বিস্তার কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল-মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, প্রাণবিয়োগান্তের ঘানাটিতে প্রাথমিকভাবে খুন হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তরুণীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়। এবং এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত তরুণীর প্রেমিক মইনুলকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান ইতিমধ্যে শুরু করেছে।’
বরিশাল নগরীতে প্রেমিক যুবকের বাসায় সাজনিদা কবির আনিকা নামের যুবতী খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম শহরের বগুড়া রোডের রাফি মঞ্জিল নামক বহুতল ভবনের ফ্ল্যাট থেকে লাশটি উদ্ধার করে। এর আগেই প্রেমিক যুবক মইনুল ইসলাম হিমু (৩০) পালিয়ে গেছেন। শহরের অভ্যন্তরে আবাসিক ফ্ল্যাটে এই খুনের ঘটনা আশ-পাশের বাসিন্দাদের আতঙ্কিত করেছে। বিশেষ করে রাফি মঞ্জিল নামক ৬ তলা ভবনের অপর ফ্ল্যাটগুলোর বাসিন্দা বেশিমাত্রায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
পুলিশ এবং বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পেগাসিয়া গ্রামের বাসিন্দা সাবেক সেনা সদস্য মহসিন কবিরের মেয়ে সাজনিদা কবির আনিকার সাথে ঝালকাঠির কাটপট্টির মিল্টন আকনের ছেলে মইনুল ইসলাম হিমুর হৃদয়ঘটিত সম্পর্ক ছিল। সানজিদা নামক মেয়েটি মাঝে মঝ্যেই হিমুর বরিশালের বগুড়া রোডের ওই বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। রাফি মঞ্জিলের ৬ তলার এই ফ্ল্যাটটিতে হিমুর বৃদ্ধ মাও বসবাস করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে মেয়েটি হিমুর বাসায় আসেন। বিকেল ৩টার দিকে খবর থানায় খবর যায় হিমু তার প্রেমিকাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। এই খুনের ঘটনার পর প্রেমিক পুরুষ হিমুর মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারনা করছে, নিজেদের মধ্যেকার সম্পর্কের তিক্ততা নিয়ে যুবতীকে হত্যা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করার একটি সন্দেহ করা হচ্ছে। কিন্তু অভিযুক্ত মইনুলকে আটক বা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়ার আগে বিস্তার কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল-মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, প্রাণবিয়োগান্তের ঘানাটিতে প্রাথমিকভাবে খুন হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তরুণীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়। এবং এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত তরুণীর প্রেমিক মইনুলকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান ইতিমধ্যে শুরু করেছে।’

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৮
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স (এনএসআই)-এর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের৯ নম্বর ওয়ার্ডের মলুহার গ্রামের তালুকদার হুলায় কবিরের বাড়ির সামনে একটি মাদ্রাসার নিচতলায় এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে দেখা যায়, পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার বৈঠাকাটা বাজারের ডিলার মোঃ আমান নিয়মবহির্ভূতভাবে সেখানে একটি দোকান স্থাপন করে বিপুল পরিমাণ গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে আসছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রশাসন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। মোবাইল কোর্ট (
ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করেন বানারীপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি. এম. এ. মুনীব। এ সময় অভিযুক্ত ডিলার মোঃ আমানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জিএমএ মুনীব জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে অবৈধ মজুদ বন্ধে নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স (এনএসআই)-এর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের৯ নম্বর ওয়ার্ডের মলুহার গ্রামের তালুকদার হুলায় কবিরের বাড়ির সামনে একটি মাদ্রাসার নিচতলায় এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে দেখা যায়, পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার বৈঠাকাটা বাজারের ডিলার মোঃ আমান নিয়মবহির্ভূতভাবে সেখানে একটি দোকান স্থাপন করে বিপুল পরিমাণ গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে আসছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রশাসন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। মোবাইল কোর্ট (
ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করেন বানারীপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি. এম. এ. মুনীব। এ সময় অভিযুক্ত ডিলার মোঃ আমানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জিএমএ মুনীব জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে অবৈধ মজুদ বন্ধে নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৮
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় মেধা, উদ্ভাবন আর স্বপ্নের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দুই তরুণ—প্রীতম পাল ও সুজন চন্দ্র পাল। গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের এই মামা-ভাগ্নে জুটি নিজেদের সীমিত সামর্থ্য ও অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করেছেন ‘থান্ডারবোল্ট’ নামের একটি মিসাইল ও রকেট প্রযুক্তি, যা ইতোমধ্যেই স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জানা গেছে, প্রীতম পাল কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী এবং সুজন চন্দ্র পাল পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যয়নরত। ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও নতুন কিছু আবিষ্কারের প্রতি তাদের গভীর আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে বড় কিছু করার স্বপ্ন, যা একসময় বাস্তব রূপ নিতে শুরু করে।
২০২৫ সালে তারা নিজেদের টিফিনের টাকা সঞ্চয় করে এবং পরিবারের সহযোগিতা নিয়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। টানা ৬ থেকে ৭ মাসের নিরলস পরিশ্রম, গবেষণা ও পরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে তারা ‘থান্ডারবোল্ট’ মিসাইল ও রকেটের একটি কার্যকর মডেল তৈরি করতে সক্ষম হন।
উদ্ভাবকদের দাবি অনুযায়ী, তাদের তৈরি এই প্রযুক্তি ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে চলতে সক্ষম এবং ৫ কিলোমিটার রেঞ্জের মধ্যে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে পারে। তবে এখনো পর্যন্ত সরকারি অনুমোদন না থাকায় তারা এর কোনো আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা বা উড্ডয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেননি। ফলে বিষয়টি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়েই রয়েছে।
এটি তাদের প্রথম সাফল্য নয়, এর আগেও তারা রোবটিক্স ও বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন উদ্ভাবনে অংশ নিয়ে সফলতা অর্জন করেছেন। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার লাভের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তারা নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন।
তাদের এই উদ্যোগে পরিবার, শিক্ষক ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যথাযথ দিকনির্দেশনা, কারিগরি সহায়তা এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই দুই তরুণ ভবিষ্যতে দেশের প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করতে দেশীয় প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলোকে উৎসাহিত করা হলে তা শুধু প্রযুক্তিগত উন্নয়নেই নয়, বরং একটি আত্মনির্ভরশীল ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রীতম ও সুজনের স্বপ্ন এখন একটাই- দেশীয় প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করা এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা। তাদের এই অদম্য প্রচেষ্টা ও উদ্ভাবনী শক্তি ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে, সুযোগ ও সহায়তা পেলে বাংলাদেশের তরুণরাই হতে পারে আগামী দিনের পরিবর্তনের চালিকাশক্তি।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় মেধা, উদ্ভাবন আর স্বপ্নের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দুই তরুণ—প্রীতম পাল ও সুজন চন্দ্র পাল। গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের এই মামা-ভাগ্নে জুটি নিজেদের সীমিত সামর্থ্য ও অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করেছেন ‘থান্ডারবোল্ট’ নামের একটি মিসাইল ও রকেট প্রযুক্তি, যা ইতোমধ্যেই স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জানা গেছে, প্রীতম পাল কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী এবং সুজন চন্দ্র পাল পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যয়নরত। ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও নতুন কিছু আবিষ্কারের প্রতি তাদের গভীর আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে বড় কিছু করার স্বপ্ন, যা একসময় বাস্তব রূপ নিতে শুরু করে।
২০২৫ সালে তারা নিজেদের টিফিনের টাকা সঞ্চয় করে এবং পরিবারের সহযোগিতা নিয়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। টানা ৬ থেকে ৭ মাসের নিরলস পরিশ্রম, গবেষণা ও পরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে তারা ‘থান্ডারবোল্ট’ মিসাইল ও রকেটের একটি কার্যকর মডেল তৈরি করতে সক্ষম হন।
উদ্ভাবকদের দাবি অনুযায়ী, তাদের তৈরি এই প্রযুক্তি ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে চলতে সক্ষম এবং ৫ কিলোমিটার রেঞ্জের মধ্যে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে পারে। তবে এখনো পর্যন্ত সরকারি অনুমোদন না থাকায় তারা এর কোনো আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা বা উড্ডয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেননি। ফলে বিষয়টি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়েই রয়েছে।
এটি তাদের প্রথম সাফল্য নয়, এর আগেও তারা রোবটিক্স ও বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন উদ্ভাবনে অংশ নিয়ে সফলতা অর্জন করেছেন। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার লাভের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তারা নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন।
তাদের এই উদ্যোগে পরিবার, শিক্ষক ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যথাযথ দিকনির্দেশনা, কারিগরি সহায়তা এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই দুই তরুণ ভবিষ্যতে দেশের প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করতে দেশীয় প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলোকে উৎসাহিত করা হলে তা শুধু প্রযুক্তিগত উন্নয়নেই নয়, বরং একটি আত্মনির্ভরশীল ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রীতম ও সুজনের স্বপ্ন এখন একটাই- দেশীয় প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করা এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা। তাদের এই অদম্য প্রচেষ্টা ও উদ্ভাবনী শক্তি ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে, সুযোগ ও সহায়তা পেলে বাংলাদেশের তরুণরাই হতে পারে আগামী দিনের পরিবর্তনের চালিকাশক্তি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.