
২৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:০৮
রাজধানীর পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জ মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ সহায়তাকারীর হাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থীরা হামলার শিকার হয়েছেন। তিন শিক্ষার্থীকে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে তাদেরকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাগবিতণ্ডার পর ট্রাফিক সহায়তাকারীরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়।
আহতরা হলেন শিক্ষার্থী তালহা জুবায়ের প্রিয়ম, আলামিন হোসেন, সোহাইল, মোহন, মোসাব্বির ও চৈতি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রাফিক সহায়তাকারীরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে গালাগালা করছিলেন। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে তাঁদের ওপর হামলা করা হয়। খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা দয়াগঞ্জ মোড়ে জড়ো হয়ে হামলাকারীদের বিচার দাবিতে স্লোগান দেন। পরে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে একজন অভিযুক্তকে বের করা হলে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা তাঁকে মারধর করেন।
এ সময় কয়েকজন সহকারী প্রক্টর আহত হন। এরপর সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে বাকি তিন অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
হামলার শিকার সিএসই বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তালহা জুবায়ের বলেন, আমাদের বাস দয়াগঞ্জ মোড়ে ট্রাফিকে ছিল।
আমাদের বাসের কিছু বড় ভাই ট্রাফিকে দায়িত্বে থাকা কয়েকজনকে বলেছিলেন বাসটি ছাড়তে। তারা বাস ছেড়ে দেওয়ার পর হঠাৎ বড় ভাইদের ওপর আক্রমণ করে। পরে আমরা বাস থেকে নেমে তাঁদের বাঁচাতে গেলে আমাদের ওপরও আক্রমণ চালায়। আমি গিয়ে দেখি আল-আমিন ভাইকে মারছে। ঠেকাতে গেলে আমাকেও মারে।
তারা পুলিশের লাঠি নিয়ে আমাদের ওপর চড়াও হয়। পুলিশ তখন নীরব দর্শক ছিল।
হামলার শিকার অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আল আমিন হোসেন বলেন, আমাকেসহ ৪/৫ জনকে তারা হামলা করে। কালো হুডি পরা এক ব্যক্তি পুলিশের লাঠি কেড়ে নিয়ে আমাদের মারধর করে। আমি, সোহান ভাই, সোহাইল, আলাআমিন, মিনু আপুসহ অনেকে হামলার শিকার হয়েছি। পুলিশ তখন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।
জবি প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে প্রক্টরিয়াল বডিকে ঘটনাস্থলে পাঠায়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ওয়ারি জোনের ডিসি (উপ-পুলিশ কমিশনার) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ছুটে এসেছি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে বলে জেনেছি। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনায় যারা যেভাবে অভিযুক্ত, তদন্তসাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজধানীর পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জ মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ সহায়তাকারীর হাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থীরা হামলার শিকার হয়েছেন। তিন শিক্ষার্থীকে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে তাদেরকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাগবিতণ্ডার পর ট্রাফিক সহায়তাকারীরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়।
আহতরা হলেন শিক্ষার্থী তালহা জুবায়ের প্রিয়ম, আলামিন হোসেন, সোহাইল, মোহন, মোসাব্বির ও চৈতি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রাফিক সহায়তাকারীরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে গালাগালা করছিলেন। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে তাঁদের ওপর হামলা করা হয়। খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা দয়াগঞ্জ মোড়ে জড়ো হয়ে হামলাকারীদের বিচার দাবিতে স্লোগান দেন। পরে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে একজন অভিযুক্তকে বের করা হলে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা তাঁকে মারধর করেন।
এ সময় কয়েকজন সহকারী প্রক্টর আহত হন। এরপর সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে বাকি তিন অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
হামলার শিকার সিএসই বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তালহা জুবায়ের বলেন, আমাদের বাস দয়াগঞ্জ মোড়ে ট্রাফিকে ছিল।
আমাদের বাসের কিছু বড় ভাই ট্রাফিকে দায়িত্বে থাকা কয়েকজনকে বলেছিলেন বাসটি ছাড়তে। তারা বাস ছেড়ে দেওয়ার পর হঠাৎ বড় ভাইদের ওপর আক্রমণ করে। পরে আমরা বাস থেকে নেমে তাঁদের বাঁচাতে গেলে আমাদের ওপরও আক্রমণ চালায়। আমি গিয়ে দেখি আল-আমিন ভাইকে মারছে। ঠেকাতে গেলে আমাকেও মারে।
তারা পুলিশের লাঠি নিয়ে আমাদের ওপর চড়াও হয়। পুলিশ তখন নীরব দর্শক ছিল।
হামলার শিকার অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আল আমিন হোসেন বলেন, আমাকেসহ ৪/৫ জনকে তারা হামলা করে। কালো হুডি পরা এক ব্যক্তি পুলিশের লাঠি কেড়ে নিয়ে আমাদের মারধর করে। আমি, সোহান ভাই, সোহাইল, আলাআমিন, মিনু আপুসহ অনেকে হামলার শিকার হয়েছি। পুলিশ তখন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।
জবি প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে প্রক্টরিয়াল বডিকে ঘটনাস্থলে পাঠায়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ওয়ারি জোনের ডিসি (উপ-পুলিশ কমিশনার) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ছুটে এসেছি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে বলে জেনেছি। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনায় যারা যেভাবে অভিযুক্ত, তদন্তসাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:২০
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০০:৫৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৪
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫৮

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:২০
রাতের আঁধারে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করায় ফরিদপুর-১ আসনের (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) জামায়াতের প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্যাকে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কেন্দ্রে ব্যাপক উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দশটার দিকে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের আশাপুর সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।
ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রের গেটের ভেতর জামায়াত প্রার্থীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় বাইরে থেকে বিক্ষুব্ধ কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, রাতে কেন এসেছেন।
পাল্টা জবাবে ওই প্রার্থী বলেন, নিয়ম আছে। নিয়ম জেনেই আমি ঢুকেছি। রাতে কেন ঢুকেছেন প্রশ্নের উত্তরে বলেন- ভিজিট করতে ঢুকেছি। এক পর্যায়ে তিনি গেট খুলে বেরিয়ে যান।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির মো. তাইজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রওশনা জাহান গণমাধ্যমকে বলেন, রাতের আধারে এভাবে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পরিবর্তন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাতের আঁধারে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করায় ফরিদপুর-১ আসনের (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) জামায়াতের প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্যাকে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কেন্দ্রে ব্যাপক উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দশটার দিকে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের আশাপুর সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।
ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রের গেটের ভেতর জামায়াত প্রার্থীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় বাইরে থেকে বিক্ষুব্ধ কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, রাতে কেন এসেছেন।
পাল্টা জবাবে ওই প্রার্থী বলেন, নিয়ম আছে। নিয়ম জেনেই আমি ঢুকেছি। রাতে কেন ঢুকেছেন প্রশ্নের উত্তরে বলেন- ভিজিট করতে ঢুকেছি। এক পর্যায়ে তিনি গেট খুলে বেরিয়ে যান।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির মো. তাইজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রওশনা জাহান গণমাধ্যমকে বলেন, রাতের আধারে এভাবে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পরিবর্তন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৪
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদলের এক নেতাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে বগুড়া-৫ (ধুনট-শেরপুর) আসনের হটিয়ারপাড়া ভোটকেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ছুরিকাহত মিলন মিয়া (২৫) ধুনট ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি। তাকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ধুনট উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলম হাসান অভিযোগ করে বলেন, ‘রাতে মিলন তার নিজ বাড়ির পাশের হটিয়ারপাড়া ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান করছিলেন। এসময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।’
তবে রাত সোয়া ১১টার দিকে এ বিষয়ে জানতে উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি এ ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদলের এক নেতাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে বগুড়া-৫ (ধুনট-শেরপুর) আসনের হটিয়ারপাড়া ভোটকেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ছুরিকাহত মিলন মিয়া (২৫) ধুনট ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি। তাকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ধুনট উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলম হাসান অভিযোগ করে বলেন, ‘রাতে মিলন তার নিজ বাড়ির পাশের হটিয়ারপাড়া ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান করছিলেন। এসময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।’
তবে রাত সোয়া ১১টার দিকে এ বিষয়ে জানতে উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি এ ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:১০
ঢাকা ৬ আসনের ভোট কেনার সময় সূত্রাপুরে থানা জামায়াতে নায়েবে আমির মোঃ হাবিব কে আটক করে সাধারণ জনগণ। বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টার ভোটকেন্দ্রের সামনে তিনি টাকা দিয়ে ভোট কেনার সময় স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অভিযুক্ত নায়েবে আমিরকে দুই দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান ঢাকা-৬সহ নির্ধারিত এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সূত্রাপুরের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি চালের দোকানে সূত্রাপুর থানা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. হাবিব ভোটারদের কাছে টাকা প্রদান করার সময় এলাকাবাসী তাকে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাচাই-বাছাই শেষে ঘটনার সত্যতা পায়। ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দুই দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
স্থানীয়রা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।’
ঢাকা ৬ আসনের ভোট কেনার সময় সূত্রাপুরে থানা জামায়াতে নায়েবে আমির মোঃ হাবিব কে আটক করে সাধারণ জনগণ। বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টার ভোটকেন্দ্রের সামনে তিনি টাকা দিয়ে ভোট কেনার সময় স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অভিযুক্ত নায়েবে আমিরকে দুই দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান ঢাকা-৬সহ নির্ধারিত এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সূত্রাপুরের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি চালের দোকানে সূত্রাপুর থানা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. হাবিব ভোটারদের কাছে টাকা প্রদান করার সময় এলাকাবাসী তাকে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাচাই-বাছাই শেষে ঘটনার সত্যতা পায়। ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দুই দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
স্থানীয়রা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.