
১২ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:০০
ডাস্টার দিয়ে পিটিয়ে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দৃশ্য দেখে শুধু উপজেলা নয় জেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, গত রোববার (৯ নভেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে শ্রেণিকক্ষ ও বাহিরে ছোটাছুটি করছিল কিছু শিক্ষার্থী। এ সময় স্কুলের প্রধান শিক্ষক সপ্তম শ্রেণির কক্ষে প্রবেশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের শাসন করতে শুরু করে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখেন। দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সামনের টেবিলে বসে থাকা এক ছাত্রীর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ডাস্টার দিয়ে বেধড়ক আঘাত করতে থাকেন তিনি। এতে তার মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। পরে তিনি টিস্যু দিয়ে রক্ত মুছে দেন। রক্ত ঝরলেও তখনো শিক্ষার্থীকে কান ছাড়তে দেননি ওই শিক্ষক। পরে অন্য একজন শিক্ষার্থীকে দিয়ে ক্লাশের মেঝেতে পড়ে থাকা রক্ত মুছে ফেলেন।
আহত ছাত্রীর বাবা মুজিবুর রহমান বলেন, আমার মেয়েকে অমানবিকভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন প্রধান শিক্ষক। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। বিষয়টি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে জানিয়েছি।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একজন শিক্ষক কর্তৃক কোমলমতি শিক্ষার্থীকে এমন নির্যাতন মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সুনামগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম সাঈদ বলেন, এই যুগে এমনভাবে শিক্ষার্থীকে আঘাত করা গুরুতর অন্যায়। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রধান শিক্ষক যেভাবে রাগে ফুঁসছিলেন তাতে আরও বড় ঘটনা ঘটতে পারত। এরকম শিক্ষককে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি।
এ বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
সুনামগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। আমরা অভিভাবককে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বরকত উল্লাহ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডাস্টার দিয়ে পিটিয়ে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দৃশ্য দেখে শুধু উপজেলা নয় জেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, গত রোববার (৯ নভেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে শ্রেণিকক্ষ ও বাহিরে ছোটাছুটি করছিল কিছু শিক্ষার্থী। এ সময় স্কুলের প্রধান শিক্ষক সপ্তম শ্রেণির কক্ষে প্রবেশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের শাসন করতে শুরু করে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখেন। দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সামনের টেবিলে বসে থাকা এক ছাত্রীর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ডাস্টার দিয়ে বেধড়ক আঘাত করতে থাকেন তিনি। এতে তার মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। পরে তিনি টিস্যু দিয়ে রক্ত মুছে দেন। রক্ত ঝরলেও তখনো শিক্ষার্থীকে কান ছাড়তে দেননি ওই শিক্ষক। পরে অন্য একজন শিক্ষার্থীকে দিয়ে ক্লাশের মেঝেতে পড়ে থাকা রক্ত মুছে ফেলেন।
আহত ছাত্রীর বাবা মুজিবুর রহমান বলেন, আমার মেয়েকে অমানবিকভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন প্রধান শিক্ষক। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। বিষয়টি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে জানিয়েছি।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একজন শিক্ষক কর্তৃক কোমলমতি শিক্ষার্থীকে এমন নির্যাতন মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সুনামগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম সাঈদ বলেন, এই যুগে এমনভাবে শিক্ষার্থীকে আঘাত করা গুরুতর অন্যায়। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রধান শিক্ষক যেভাবে রাগে ফুঁসছিলেন তাতে আরও বড় ঘটনা ঘটতে পারত। এরকম শিক্ষককে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি।
এ বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
সুনামগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। আমরা অভিভাবককে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বরকত উল্লাহ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১
সদ্য স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তান হারানো বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভুইয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ আসামি সাদ্দামের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।
তিনি বলেন, মানবিক বিবেচনায় আদালত সাদ্দামকে জামিন দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা ছিল, এর আগে ছয়টিতে তিনি জামিন পেয়েছিলেন। আজ সর্বশেষ মামলায় তিনি জামিন পেলেন।
গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী (২২) ও তার ৯ মাস বয়সী ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনরা জানান, শিশুসন্তানকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী।
স্বজনরা আরও জানান, স্বর্ণালী তার স্বামীকে খুব ভালোবাসতেন। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দি থাকায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। স্বামীর মুক্তির জন্য অনেক চেষ্টা করেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। হতাশার কারণে স্বর্ণালী প্রথমে তার ৯ মাসের শিশুকে বালতিতে থাকা পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন। পরে নিজেও গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
তবে স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর পরও কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি সাদ্দামের। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবিদায় জানান তিনি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে বাগেরহাট থেকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হলে শোকার্ত হৃদয়ে তিনি চিরবিদায় জানান।
কারাগারের ভেতরে মরদেহ দুটি নেওয়া হলে সাদ্দামকে তার স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি স্ত্রীকে ছুঁয়ে দেখেন এবং জীবনে প্রথমবার নিজের শিশুসন্তানকে কোলে নেন। তবে তখন শিশুটি মৃত ছিল। এ সময় সেখানে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি এই কারাগারে রয়েছেন।
সদ্য স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তান হারানো বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভুইয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ আসামি সাদ্দামের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।
তিনি বলেন, মানবিক বিবেচনায় আদালত সাদ্দামকে জামিন দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা ছিল, এর আগে ছয়টিতে তিনি জামিন পেয়েছিলেন। আজ সর্বশেষ মামলায় তিনি জামিন পেলেন।
গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী (২২) ও তার ৯ মাস বয়সী ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনরা জানান, শিশুসন্তানকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী।
স্বজনরা আরও জানান, স্বর্ণালী তার স্বামীকে খুব ভালোবাসতেন। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দি থাকায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। স্বামীর মুক্তির জন্য অনেক চেষ্টা করেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। হতাশার কারণে স্বর্ণালী প্রথমে তার ৯ মাসের শিশুকে বালতিতে থাকা পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন। পরে নিজেও গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
তবে স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর পরও কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি সাদ্দামের। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবিদায় জানান তিনি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে বাগেরহাট থেকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হলে শোকার্ত হৃদয়ে তিনি চিরবিদায় জানান।
কারাগারের ভেতরে মরদেহ দুটি নেওয়া হলে সাদ্দামকে তার স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি স্ত্রীকে ছুঁয়ে দেখেন এবং জীবনে প্রথমবার নিজের শিশুসন্তানকে কোলে নেন। তবে তখন শিশুটি মৃত ছিল। এ সময় সেখানে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি এই কারাগারে রয়েছেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য।
গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি- বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়স্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকতা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে টানা পাঁচ দিন এবং অন্যদের জন্য চার দিন ছুটি থাকবে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য।
গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি- বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়স্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকতা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে টানা পাঁচ দিন এবং অন্যদের জন্য চার দিন ছুটি থাকবে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৭
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.