
০১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪৪
বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে রহস্যজনকভাবে পলাতক ডিআইজি এহসান উল্যাহ সাবেক কর্মস্থল বরিশালেও বহুমুখী অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এহসানের নির্দেশে ২০১৫ সালে আগৈলঝাড়া ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কবির হোসেন রনিকে ক্রোসফায়ার দেওয়া হয়। সেই কিলিং পরিকল্পনায় বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহসহ রাজনৈতিক ও পুলিশ প্রশাসনের আরও বেশ কজন কর্মকর্তা সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ছাত্রদল নেতা রনি খুনের ঘটনায় তার ছেলে আশিকুর রহমান আসিফ (২০) বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
সূত্রে জানা গেছে, এই মামলাটিতে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পাশাপাশি বরিশাল রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ন কবির, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আকরাম হোসেন, বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. এহসান উল্যাহ, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর মল্লিক এবং আগৈলঝাড়া থানার সাবেক ওসি মনিরুল ইসলামসহ স্থানীয় অর্ধশত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে গত বছরের ৮ অক্টোবর বরিশালের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটি করা হলে বিচারক তা আগৈলঝাড়া থানা পুলিশকে রুজু করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এরপরে বছরখানেক সময় অতিবাহিত হলেও এই মামলায় অভিযুক্ত কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে, বরিশালের আলোচিত এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এহসান উল্যাহ খোদ বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে পালিয়ে গেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসী এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে ক্রোসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।
সূত্রের খবর হচ্ছে, বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার, বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সাপ্লাই বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডিআইজি এহসান উল্যাহকে আটক করতে বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পুলিশ একাডেমিতে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি, এমনকি তিনি কোথায় আছেন তাও নিশ্চিত বলতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকার।
পুলিশ কর্মকর্তা এহসান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ডেরার মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ায় বেশ উদ্বিগ্ন নিহত ছাত্রদল নেতা রনির পরিবার। খুনির এই অন্তর্ধান নিয়ে ছাত্রদল নেতার পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করাসহ শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি রেখেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্ররোচনায় পুলিশ কর্মকর্তারা ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদল নেতা রনিকে রাজধানী ঢাকার নবীনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই ছাত্রদল নেতাকে আটকে রেখে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটায় আগৈলঝাড়া উপজেলার বাইপাস ব্রিজের পশ্চিম পাশে রাস্তায় রনিকে গুলি করে হত্যা করে। পরে সব আসামিরা বিষয়টি একযোগে ক্রোসফায়ার ও এনকাউন্টার বলে প্রচারণা করেন।
রনির ছেলে সিয়াম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তার বাবা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে তাকে খুন করা হয়েছে। তৎসময়ে আসামিদের ভয়ে মামলা করতে পর্যন্ত সাহস পাননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আদালতে মামলা করে বিচার চেয়েছেন। সেই মামলার অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার পালিয়ে গেছেন, এমন খবর খুবই হতাশাজনক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য লজ্জারও বটে।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এহসান উল্যাহ জেলার এসপি থাকাকালীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতাদের ইশারায় নিরাপরাধ ছাত্রদল নেতা রনিকে খুন করাসহ বিরোধী মতকে দমনে দৈবশক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন। এবং নিজেকে আওয়ামী লীগপন্থী পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানামুখী গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়লেও কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস দেখাননি। বরং তৎকালীন রেঞ্জ ডিআইজি হুমায়ন কবির তার এই অনৈতিক কাজসমূহকে প্রশ্রয় দিয়ে গেছেন।
সূত্রটি জানায়, এর কয়েক বছর পরে এহসান উল্যাহ বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হয়ে এসে বদলি বাণিজ্যসহ পূর্বের ন্যায় অনুরূপ অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। এবং তৎকালীন সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম রোহিত করতে তাকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাদৃশ্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দেখা যায়।
বরিশালে আলোচিত ছাত্রদল নেতা খুনের মামলার আসামি এই পুলিশ কর্মকর্তা সন্তপর্ণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা গন্ডির মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটিতে অভিজ্ঞমহল বিস্ময়প্রকাশ করেছেন। এবং এজাহারভুক্ত মামলার আসামি এহসান উল্যাকে গ্রেপ্তারে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ এতদিন কোনো উদ্যোগ নিল না তা নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আলোচিত মামলার আসামিকে এক বছরেও কোনো গ্রেপ্তার করা গেলো না জানতে চাইলে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, বাদী মামলাটি পরিচালানা করতে চাননি। এবং বিষয়টি নির্বাহী আদেশে তদন্ত করা শেষে একটি রিপোর্ট আদালতে আদালতে জমা দেওয়া হয়। এখানে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের গাফলতি করেছে এমনটি বলার সুযোগ নেই, মন্তব্য করেন ওসি।
এহসান উল্যার পলায়নের বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত বুধবার থেকে তিনি একাডেমিতে অনুপস্থিত রয়েছেন। ঢাকা থেকে ২৯ অক্টোবর একটি টিম তাকে আটক করতে এসেছিল। কিন্তু তাকে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন এই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।’
বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে রহস্যজনকভাবে পলাতক ডিআইজি এহসান উল্যাহ সাবেক কর্মস্থল বরিশালেও বহুমুখী অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এহসানের নির্দেশে ২০১৫ সালে আগৈলঝাড়া ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কবির হোসেন রনিকে ক্রোসফায়ার দেওয়া হয়। সেই কিলিং পরিকল্পনায় বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহসহ রাজনৈতিক ও পুলিশ প্রশাসনের আরও বেশ কজন কর্মকর্তা সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ছাত্রদল নেতা রনি খুনের ঘটনায় তার ছেলে আশিকুর রহমান আসিফ (২০) বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
সূত্রে জানা গেছে, এই মামলাটিতে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পাশাপাশি বরিশাল রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ন কবির, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আকরাম হোসেন, বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. এহসান উল্যাহ, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর মল্লিক এবং আগৈলঝাড়া থানার সাবেক ওসি মনিরুল ইসলামসহ স্থানীয় অর্ধশত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে গত বছরের ৮ অক্টোবর বরিশালের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটি করা হলে বিচারক তা আগৈলঝাড়া থানা পুলিশকে রুজু করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এরপরে বছরখানেক সময় অতিবাহিত হলেও এই মামলায় অভিযুক্ত কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে, বরিশালের আলোচিত এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এহসান উল্যাহ খোদ বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে পালিয়ে গেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসী এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে ক্রোসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।
সূত্রের খবর হচ্ছে, বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার, বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সাপ্লাই বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডিআইজি এহসান উল্যাহকে আটক করতে বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পুলিশ একাডেমিতে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি, এমনকি তিনি কোথায় আছেন তাও নিশ্চিত বলতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকার।
পুলিশ কর্মকর্তা এহসান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ডেরার মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ায় বেশ উদ্বিগ্ন নিহত ছাত্রদল নেতা রনির পরিবার। খুনির এই অন্তর্ধান নিয়ে ছাত্রদল নেতার পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করাসহ শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি রেখেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্ররোচনায় পুলিশ কর্মকর্তারা ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদল নেতা রনিকে রাজধানী ঢাকার নবীনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই ছাত্রদল নেতাকে আটকে রেখে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটায় আগৈলঝাড়া উপজেলার বাইপাস ব্রিজের পশ্চিম পাশে রাস্তায় রনিকে গুলি করে হত্যা করে। পরে সব আসামিরা বিষয়টি একযোগে ক্রোসফায়ার ও এনকাউন্টার বলে প্রচারণা করেন।
রনির ছেলে সিয়াম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তার বাবা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে তাকে খুন করা হয়েছে। তৎসময়ে আসামিদের ভয়ে মামলা করতে পর্যন্ত সাহস পাননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আদালতে মামলা করে বিচার চেয়েছেন। সেই মামলার অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার পালিয়ে গেছেন, এমন খবর খুবই হতাশাজনক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য লজ্জারও বটে।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এহসান উল্যাহ জেলার এসপি থাকাকালীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতাদের ইশারায় নিরাপরাধ ছাত্রদল নেতা রনিকে খুন করাসহ বিরোধী মতকে দমনে দৈবশক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন। এবং নিজেকে আওয়ামী লীগপন্থী পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানামুখী গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়লেও কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস দেখাননি। বরং তৎকালীন রেঞ্জ ডিআইজি হুমায়ন কবির তার এই অনৈতিক কাজসমূহকে প্রশ্রয় দিয়ে গেছেন।
সূত্রটি জানায়, এর কয়েক বছর পরে এহসান উল্যাহ বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হয়ে এসে বদলি বাণিজ্যসহ পূর্বের ন্যায় অনুরূপ অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। এবং তৎকালীন সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম রোহিত করতে তাকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাদৃশ্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দেখা যায়।
বরিশালে আলোচিত ছাত্রদল নেতা খুনের মামলার আসামি এই পুলিশ কর্মকর্তা সন্তপর্ণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা গন্ডির মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটিতে অভিজ্ঞমহল বিস্ময়প্রকাশ করেছেন। এবং এজাহারভুক্ত মামলার আসামি এহসান উল্যাকে গ্রেপ্তারে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ এতদিন কোনো উদ্যোগ নিল না তা নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আলোচিত মামলার আসামিকে এক বছরেও কোনো গ্রেপ্তার করা গেলো না জানতে চাইলে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, বাদী মামলাটি পরিচালানা করতে চাননি। এবং বিষয়টি নির্বাহী আদেশে তদন্ত করা শেষে একটি রিপোর্ট আদালতে আদালতে জমা দেওয়া হয়। এখানে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের গাফলতি করেছে এমনটি বলার সুযোগ নেই, মন্তব্য করেন ওসি।
এহসান উল্যার পলায়নের বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত বুধবার থেকে তিনি একাডেমিতে অনুপস্থিত রয়েছেন। ঢাকা থেকে ২৯ অক্টোবর একটি টিম তাকে আটক করতে এসেছিল। কিন্তু তাকে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন এই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।’
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.