
০১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪৪
বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে রহস্যজনকভাবে পলাতক ডিআইজি এহসান উল্যাহ সাবেক কর্মস্থল বরিশালেও বহুমুখী অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এহসানের নির্দেশে ২০১৫ সালে আগৈলঝাড়া ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কবির হোসেন রনিকে ক্রোসফায়ার দেওয়া হয়। সেই কিলিং পরিকল্পনায় বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহসহ রাজনৈতিক ও পুলিশ প্রশাসনের আরও বেশ কজন কর্মকর্তা সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ছাত্রদল নেতা রনি খুনের ঘটনায় তার ছেলে আশিকুর রহমান আসিফ (২০) বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
সূত্রে জানা গেছে, এই মামলাটিতে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পাশাপাশি বরিশাল রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ন কবির, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আকরাম হোসেন, বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. এহসান উল্যাহ, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর মল্লিক এবং আগৈলঝাড়া থানার সাবেক ওসি মনিরুল ইসলামসহ স্থানীয় অর্ধশত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে গত বছরের ৮ অক্টোবর বরিশালের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটি করা হলে বিচারক তা আগৈলঝাড়া থানা পুলিশকে রুজু করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এরপরে বছরখানেক সময় অতিবাহিত হলেও এই মামলায় অভিযুক্ত কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে, বরিশালের আলোচিত এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এহসান উল্যাহ খোদ বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে পালিয়ে গেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসী এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে ক্রোসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।
সূত্রের খবর হচ্ছে, বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার, বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সাপ্লাই বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডিআইজি এহসান উল্যাহকে আটক করতে বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পুলিশ একাডেমিতে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি, এমনকি তিনি কোথায় আছেন তাও নিশ্চিত বলতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকার।
পুলিশ কর্মকর্তা এহসান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ডেরার মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ায় বেশ উদ্বিগ্ন নিহত ছাত্রদল নেতা রনির পরিবার। খুনির এই অন্তর্ধান নিয়ে ছাত্রদল নেতার পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করাসহ শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি রেখেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্ররোচনায় পুলিশ কর্মকর্তারা ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদল নেতা রনিকে রাজধানী ঢাকার নবীনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই ছাত্রদল নেতাকে আটকে রেখে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটায় আগৈলঝাড়া উপজেলার বাইপাস ব্রিজের পশ্চিম পাশে রাস্তায় রনিকে গুলি করে হত্যা করে। পরে সব আসামিরা বিষয়টি একযোগে ক্রোসফায়ার ও এনকাউন্টার বলে প্রচারণা করেন।
রনির ছেলে সিয়াম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তার বাবা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে তাকে খুন করা হয়েছে। তৎসময়ে আসামিদের ভয়ে মামলা করতে পর্যন্ত সাহস পাননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আদালতে মামলা করে বিচার চেয়েছেন। সেই মামলার অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার পালিয়ে গেছেন, এমন খবর খুবই হতাশাজনক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য লজ্জারও বটে।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এহসান উল্যাহ জেলার এসপি থাকাকালীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতাদের ইশারায় নিরাপরাধ ছাত্রদল নেতা রনিকে খুন করাসহ বিরোধী মতকে দমনে দৈবশক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন। এবং নিজেকে আওয়ামী লীগপন্থী পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানামুখী গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়লেও কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস দেখাননি। বরং তৎকালীন রেঞ্জ ডিআইজি হুমায়ন কবির তার এই অনৈতিক কাজসমূহকে প্রশ্রয় দিয়ে গেছেন।
সূত্রটি জানায়, এর কয়েক বছর পরে এহসান উল্যাহ বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হয়ে এসে বদলি বাণিজ্যসহ পূর্বের ন্যায় অনুরূপ অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। এবং তৎকালীন সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম রোহিত করতে তাকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাদৃশ্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দেখা যায়।
বরিশালে আলোচিত ছাত্রদল নেতা খুনের মামলার আসামি এই পুলিশ কর্মকর্তা সন্তপর্ণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা গন্ডির মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটিতে অভিজ্ঞমহল বিস্ময়প্রকাশ করেছেন। এবং এজাহারভুক্ত মামলার আসামি এহসান উল্যাকে গ্রেপ্তারে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ এতদিন কোনো উদ্যোগ নিল না তা নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আলোচিত মামলার আসামিকে এক বছরেও কোনো গ্রেপ্তার করা গেলো না জানতে চাইলে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, বাদী মামলাটি পরিচালানা করতে চাননি। এবং বিষয়টি নির্বাহী আদেশে তদন্ত করা শেষে একটি রিপোর্ট আদালতে আদালতে জমা দেওয়া হয়। এখানে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের গাফলতি করেছে এমনটি বলার সুযোগ নেই, মন্তব্য করেন ওসি।
এহসান উল্যার পলায়নের বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত বুধবার থেকে তিনি একাডেমিতে অনুপস্থিত রয়েছেন। ঢাকা থেকে ২৯ অক্টোবর একটি টিম তাকে আটক করতে এসেছিল। কিন্তু তাকে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন এই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।’
বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে রহস্যজনকভাবে পলাতক ডিআইজি এহসান উল্যাহ সাবেক কর্মস্থল বরিশালেও বহুমুখী অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এহসানের নির্দেশে ২০১৫ সালে আগৈলঝাড়া ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কবির হোসেন রনিকে ক্রোসফায়ার দেওয়া হয়। সেই কিলিং পরিকল্পনায় বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহসহ রাজনৈতিক ও পুলিশ প্রশাসনের আরও বেশ কজন কর্মকর্তা সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ছাত্রদল নেতা রনি খুনের ঘটনায় তার ছেলে আশিকুর রহমান আসিফ (২০) বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
সূত্রে জানা গেছে, এই মামলাটিতে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পাশাপাশি বরিশাল রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ন কবির, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আকরাম হোসেন, বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. এহসান উল্যাহ, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর মল্লিক এবং আগৈলঝাড়া থানার সাবেক ওসি মনিরুল ইসলামসহ স্থানীয় অর্ধশত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে গত বছরের ৮ অক্টোবর বরিশালের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটি করা হলে বিচারক তা আগৈলঝাড়া থানা পুলিশকে রুজু করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এরপরে বছরখানেক সময় অতিবাহিত হলেও এই মামলায় অভিযুক্ত কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে, বরিশালের আলোচিত এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এহসান উল্যাহ খোদ বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে পালিয়ে গেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসী এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে ক্রোসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।
সূত্রের খবর হচ্ছে, বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার, বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সাপ্লাই বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডিআইজি এহসান উল্যাহকে আটক করতে বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পুলিশ একাডেমিতে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি, এমনকি তিনি কোথায় আছেন তাও নিশ্চিত বলতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকার।
পুলিশ কর্মকর্তা এহসান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ডেরার মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ায় বেশ উদ্বিগ্ন নিহত ছাত্রদল নেতা রনির পরিবার। খুনির এই অন্তর্ধান নিয়ে ছাত্রদল নেতার পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করাসহ শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি রেখেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্ররোচনায় পুলিশ কর্মকর্তারা ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদল নেতা রনিকে রাজধানী ঢাকার নবীনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই ছাত্রদল নেতাকে আটকে রেখে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটায় আগৈলঝাড়া উপজেলার বাইপাস ব্রিজের পশ্চিম পাশে রাস্তায় রনিকে গুলি করে হত্যা করে। পরে সব আসামিরা বিষয়টি একযোগে ক্রোসফায়ার ও এনকাউন্টার বলে প্রচারণা করেন।
রনির ছেলে সিয়াম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তার বাবা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে তাকে খুন করা হয়েছে। তৎসময়ে আসামিদের ভয়ে মামলা করতে পর্যন্ত সাহস পাননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আদালতে মামলা করে বিচার চেয়েছেন। সেই মামলার অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার পালিয়ে গেছেন, এমন খবর খুবই হতাশাজনক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য লজ্জারও বটে।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এহসান উল্যাহ জেলার এসপি থাকাকালীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতাদের ইশারায় নিরাপরাধ ছাত্রদল নেতা রনিকে খুন করাসহ বিরোধী মতকে দমনে দৈবশক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন। এবং নিজেকে আওয়ামী লীগপন্থী পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানামুখী গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়লেও কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস দেখাননি। বরং তৎকালীন রেঞ্জ ডিআইজি হুমায়ন কবির তার এই অনৈতিক কাজসমূহকে প্রশ্রয় দিয়ে গেছেন।
সূত্রটি জানায়, এর কয়েক বছর পরে এহসান উল্যাহ বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হয়ে এসে বদলি বাণিজ্যসহ পূর্বের ন্যায় অনুরূপ অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। এবং তৎকালীন সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম রোহিত করতে তাকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাদৃশ্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দেখা যায়।
বরিশালে আলোচিত ছাত্রদল নেতা খুনের মামলার আসামি এই পুলিশ কর্মকর্তা সন্তপর্ণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা গন্ডির মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটিতে অভিজ্ঞমহল বিস্ময়প্রকাশ করেছেন। এবং এজাহারভুক্ত মামলার আসামি এহসান উল্যাকে গ্রেপ্তারে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ এতদিন কোনো উদ্যোগ নিল না তা নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আলোচিত মামলার আসামিকে এক বছরেও কোনো গ্রেপ্তার করা গেলো না জানতে চাইলে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, বাদী মামলাটি পরিচালানা করতে চাননি। এবং বিষয়টি নির্বাহী আদেশে তদন্ত করা শেষে একটি রিপোর্ট আদালতে আদালতে জমা দেওয়া হয়। এখানে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের গাফলতি করেছে এমনটি বলার সুযোগ নেই, মন্তব্য করেন ওসি।
এহসান উল্যার পলায়নের বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত বুধবার থেকে তিনি একাডেমিতে অনুপস্থিত রয়েছেন। ঢাকা থেকে ২৯ অক্টোবর একটি টিম তাকে আটক করতে এসেছিল। কিন্তু তাকে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন এই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।’
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৯
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.