
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০১:৪০
বরিশালের বানারীপাড়ায় পুরনো সরকারি ব্রিজের মালামাল চুরির অভিযোগে সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদ আকন (২০) ও ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. সানিকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের গাভা এলাকা থেকে ব্রিজ নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামাল চুরি করে ট্রলারযোগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিদ্ধার্থের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল বানারীপাড়া ফেরিঘাট সংলগ্ন নতুন ব্রিজের নিচে, সন্ধ্যা নদীর মোহনায় অবস্থান নেয়।
রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সন্দেহভাজন ট্রলারটি সেখানে পৌঁছালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারটি লোহার রেলপাটি, একটি ডিজেল ইঞ্জিন, একটি অক্সিজেন গ্যাস সিলিন্ডার, ব্রিজের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং চুরির সরঞ্জামসহ ট্রলারটি জব্দ করে। এ সময় ট্রলারে থাকা জিহাদ আকন ও সানিকে আটক করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন স্বীকার করেছে যে, তারা গাভা এলাকা থেকে এসব মালামাল চুরি করে নিয়ে আসছিল।
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবর রহমান জানান, চুরির ঘটনায় আটক জিহাদ ও সানিসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আটক দুজনকে বরিশাল আদালতে পাঠানে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বরিশালের বানারীপাড়ায় পুরনো সরকারি ব্রিজের মালামাল চুরির অভিযোগে সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদ আকন (২০) ও ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. সানিকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের গাভা এলাকা থেকে ব্রিজ নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামাল চুরি করে ট্রলারযোগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিদ্ধার্থের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল বানারীপাড়া ফেরিঘাট সংলগ্ন নতুন ব্রিজের নিচে, সন্ধ্যা নদীর মোহনায় অবস্থান নেয়।
রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সন্দেহভাজন ট্রলারটি সেখানে পৌঁছালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারটি লোহার রেলপাটি, একটি ডিজেল ইঞ্জিন, একটি অক্সিজেন গ্যাস সিলিন্ডার, ব্রিজের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং চুরির সরঞ্জামসহ ট্রলারটি জব্দ করে। এ সময় ট্রলারে থাকা জিহাদ আকন ও সানিকে আটক করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন স্বীকার করেছে যে, তারা গাভা এলাকা থেকে এসব মালামাল চুরি করে নিয়ে আসছিল।
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবর রহমান জানান, চুরির ঘটনায় আটক জিহাদ ও সানিসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আটক দুজনকে বরিশাল আদালতে পাঠানে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মামুন খন্দকার, যিনি বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই কর্মকর্তাকে বুধবার (০১ জুলাই) বরিশালে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারি সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে বরিশালে নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
তবে বরিশালের বিতর্কিত জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনকে সরিয়ে কোথায় নেওয়া হয়েছে, এই সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ নেই।
অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ আছে। বিগত সময়ে দৈনিক আমার দেশসহ একাধিক পত্রিকায় মোটাদাগে তার আর্থিক দুর্নীতির খবর প্রকাশ পায়।
বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মামুন খন্দকার, যিনি বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই কর্মকর্তাকে বুধবার (০১ জুলাই) বরিশালে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারি সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে বরিশালে নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
তবে বরিশালের বিতর্কিত জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনকে সরিয়ে কোথায় নেওয়া হয়েছে, এই সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ নেই।
অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ আছে। বিগত সময়ে দৈনিক আমার দেশসহ একাধিক পত্রিকায় মোটাদাগে তার আর্থিক দুর্নীতির খবর প্রকাশ পায়।

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৫
গল্পের থ্রিলার সিনেমাকেও হার মানাল বাস্তবের এই ঘটনা। চুরির দায়ে গ্রামবাসীর তাড়া খেয়ে খালের ঠাণ্ডা পানিতে, কচুরিপানার নিচে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা শুধু নাকটুকু জাগিয়ে লুকিয়ে রইলেন এক যুবক। কিন্তু বিধিবাম! প্রকৃতির নিয়মে শরীর সায় না দিলেও, শেষ রক্ষা আর হলো না। অবশেষে বুধবার ভোরে অর্ধ-অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হলো তাকে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামে। আটক যুবকের নাম সুজন হাওলাদার (৩২)।
ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে। পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামের ব্যবসায়ী ইউনুস হাওলাদারের বন্ধ দোকানের টিনের বেড়া সন্তর্পণে কাটতে শুরু করে সুজন। ভেবেছিল কাজ সেরে নির্বিঘ্নে কেটে পড়বে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা সজীব হাওলাদার তা টের পেয়ে যান। তাঁর এক চিৎকারেই যেন পুরো গ্রামের ঘুম ভেঙে যায়।
জেগে ওঠা গ্রামবাসীদের মারমুখী তাড়া খেয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে দৌড় দেয় সুজন। পালানোর পথ না পেয়ে সোজা ঝাঁপিয়ে পড়ে দোকানের পাশের এক খালে।
গ্রেপ্তারের ভয়ে খালের ঘন কচুরিপানার নিচে নিজেকে সম্পূর্ণ ডুবিয়ে দেয় সুজন। শুধু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য নাকটুকু পানির ওপর জাগিয়ে রাখে। ঘড়ির কাঁটায় তখন ভোর সাড়ে ৩টা।
এদিকে গ্রামবাসীও দমবার পাত্র নন। চোরের খোঁজে টর্চের আলো ফেলে খালের চারপাশে চলে চিরুনি তল্লাশি। ওদিকে পানির নিচে শীতে ও ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে সময়ের সাথে যুদ্ধ করতে থাকে সুজন। অবশেষে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টার লুকোচুরি শেষে, ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কচুরিপানার জঙ্গল থেকে তাকে খুঁজে বের করে জলজ্যান্ত আবিষ্কার করে গ্রামবাসী। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকায় সুজন মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। গণপিটুনি না দিয়ে গ্রামবাসী দেখাল মানবিকতা।
স্থানীয় ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন জানান, "যুবকের শারীরিক অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তার বড় ভাইয়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তবে ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই; সে সুস্থ হলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, ঘটনাটি এখনো থানায় কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
গল্পের থ্রিলার সিনেমাকেও হার মানাল বাস্তবের এই ঘটনা। চুরির দায়ে গ্রামবাসীর তাড়া খেয়ে খালের ঠাণ্ডা পানিতে, কচুরিপানার নিচে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা শুধু নাকটুকু জাগিয়ে লুকিয়ে রইলেন এক যুবক। কিন্তু বিধিবাম! প্রকৃতির নিয়মে শরীর সায় না দিলেও, শেষ রক্ষা আর হলো না। অবশেষে বুধবার ভোরে অর্ধ-অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হলো তাকে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামে। আটক যুবকের নাম সুজন হাওলাদার (৩২)।
ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে। পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামের ব্যবসায়ী ইউনুস হাওলাদারের বন্ধ দোকানের টিনের বেড়া সন্তর্পণে কাটতে শুরু করে সুজন। ভেবেছিল কাজ সেরে নির্বিঘ্নে কেটে পড়বে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা সজীব হাওলাদার তা টের পেয়ে যান। তাঁর এক চিৎকারেই যেন পুরো গ্রামের ঘুম ভেঙে যায়।
জেগে ওঠা গ্রামবাসীদের মারমুখী তাড়া খেয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে দৌড় দেয় সুজন। পালানোর পথ না পেয়ে সোজা ঝাঁপিয়ে পড়ে দোকানের পাশের এক খালে।
গ্রেপ্তারের ভয়ে খালের ঘন কচুরিপানার নিচে নিজেকে সম্পূর্ণ ডুবিয়ে দেয় সুজন। শুধু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য নাকটুকু পানির ওপর জাগিয়ে রাখে। ঘড়ির কাঁটায় তখন ভোর সাড়ে ৩টা।
এদিকে গ্রামবাসীও দমবার পাত্র নন। চোরের খোঁজে টর্চের আলো ফেলে খালের চারপাশে চলে চিরুনি তল্লাশি। ওদিকে পানির নিচে শীতে ও ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে সময়ের সাথে যুদ্ধ করতে থাকে সুজন। অবশেষে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টার লুকোচুরি শেষে, ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কচুরিপানার জঙ্গল থেকে তাকে খুঁজে বের করে জলজ্যান্ত আবিষ্কার করে গ্রামবাসী। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকায় সুজন মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। গণপিটুনি না দিয়ে গ্রামবাসী দেখাল মানবিকতা।
স্থানীয় ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন জানান, "যুবকের শারীরিক অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তার বড় ভাইয়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তবে ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই; সে সুস্থ হলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, ঘটনাটি এখনো থানায় কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:২৫
বরিশালের মুলাদীতে ইউনিয়ন পরিষদে ত্রাণের চালের ভাগা না পাওয়ায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে মারধর করাসহ গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব বেল্লাল হোসেন সরদার মঙ্গলবার (৩০ জুন) লোকজন নিয়ে মুলাদী সদর ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে এই বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দেন। এই ঘটনায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মো. জাকির হোসেন সিকদারকে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, নদীভাঙন কবলিত অসহায় মানুষের জন্য সরকারি ত্রাণের চাল বিতরণের তালিকা প্রস্তুত করার সময় ৬ নম্বর মুলাদী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মো. জাকির হোসেন সিকদারকে তার কার্যালয়ে ঢুকে মারধর করা হয়। এ সময় তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকি দেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব বেল্লাল হোসেন সরদার ও তার লোকজন। এ ঘটনায় জাকির হোসেন বাদী হয়ে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মুলাদী সদর ইউনিয়নের নদীভাঙন কবলিত অসহায় মানুষের জন্য ৩ টন চাল বরাদ্দ করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন সিকদার তার অফিস কক্ষে বসে ওই চাল প্রদানের জন্য সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করছিলেন। এ সময় বেল্লাল হোসেন সরদার ও সুজন চৌকিদারসহ ৫ থেকে ৬ ছাত্রদল নেতাকর্মী হঠাৎ তার রুমে প্রবেশ করেন। সেখানে কার অনুমতিতে এই তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে- তা জানতে চেয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এবং একপর্যায়ে তারা সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করে ওই কর্মকর্তাকে চড়-থাপ্পড় ও কিল-ঘুসি মেরে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় তারা ওই কর্মকর্তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করার হুমকি দেন।
লাঞ্ছনার শিকার কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন সিকদার অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, বেল্লাল সরদার এর আগেও তার অফিস কক্ষের আসবাবপত্র তছনছ করেছিলেন। এছাড়া বিগত ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় ভিজিএফ চাল বিতরণে বাধা দিয়ে বরাদ্দের ৫০ শতাংশ চাল তাদের দেওয়ার দাবি করেছিলেন। এমনকি দরিদ্র মহিলাদের দুই বছর মেয়াদী ভিডব্লিউবি চালের কার্ড বিতরণের সময়ও তারা জোরপূর্বক কার্ড ছিনিয়ে নিয়েছিলেন।
মুলাদী সদর ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্য নামপ্রকাশ না করার শর্তে জানান, নদীভাঙন কবলিত ১৫০ জন মানুষের জন্য ২০ কেজি করে ৩ টন চাল বরাদ্দ হয়েছে। ওই চালের ২০ শতাংশ হিসেবে ৩০ জনের তালিকা দিতে চেয়েছিলেন বেল্লাল সরদার। কিন্তু পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে ২০ জনের নাম দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। এতে তিনি রাজি না হলে চেয়ারম্যান তাকে ২৫ জনের নাম দিতে বলেন। চেয়ারম্যন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর পর ওই ছাত্রদল নেতা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে মারধর ও গুলি করার হুমকি দেন।
মুলাদী সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. কামরুল আহসান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ঘটনার বিষয়টি শুনেছি। আমি অসুস্থ থাকায় ঘটনার দিন পরিষদ থেকে তাড়াতাড়ি বের হয়েছিলাম। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে উপজেলা ছাত্রদল সদস্যসচিব বেল্লাল হোসেন সরদার সকল অভিযোগসমূহ অস্বীকার করেছেন। এবং বলছেন, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে মারধর কিংবা হত্যার হুমকি দেওয়া হয়নি। মঙ্গলবার তিনি পরিষদেও যাননি। তবে শুনেছেন ওইদিন কয়েকজনের সঙ্গে জাকির হোসেনের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। ছাত্রদল নেতার দাবি, তিনি মুলাদী সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেওয়ায় তাকে রুখতে এমন ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিডি করেছেন, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম সরওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা লিখিত অভিযোগ করেছেন। থানায় জিডি হয়েছে এবং জিডি কপি আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আদালতের নির্দেশনা পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ।’
বরিশালের মুলাদীতে ইউনিয়ন পরিষদে ত্রাণের চালের ভাগা না পাওয়ায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে মারধর করাসহ গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব বেল্লাল হোসেন সরদার মঙ্গলবার (৩০ জুন) লোকজন নিয়ে মুলাদী সদর ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে এই বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দেন। এই ঘটনায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মো. জাকির হোসেন সিকদারকে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, নদীভাঙন কবলিত অসহায় মানুষের জন্য সরকারি ত্রাণের চাল বিতরণের তালিকা প্রস্তুত করার সময় ৬ নম্বর মুলাদী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মো. জাকির হোসেন সিকদারকে তার কার্যালয়ে ঢুকে মারধর করা হয়। এ সময় তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকি দেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব বেল্লাল হোসেন সরদার ও তার লোকজন। এ ঘটনায় জাকির হোসেন বাদী হয়ে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মুলাদী সদর ইউনিয়নের নদীভাঙন কবলিত অসহায় মানুষের জন্য ৩ টন চাল বরাদ্দ করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন সিকদার তার অফিস কক্ষে বসে ওই চাল প্রদানের জন্য সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করছিলেন। এ সময় বেল্লাল হোসেন সরদার ও সুজন চৌকিদারসহ ৫ থেকে ৬ ছাত্রদল নেতাকর্মী হঠাৎ তার রুমে প্রবেশ করেন। সেখানে কার অনুমতিতে এই তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে- তা জানতে চেয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এবং একপর্যায়ে তারা সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করে ওই কর্মকর্তাকে চড়-থাপ্পড় ও কিল-ঘুসি মেরে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় তারা ওই কর্মকর্তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করার হুমকি দেন।
লাঞ্ছনার শিকার কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন সিকদার অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, বেল্লাল সরদার এর আগেও তার অফিস কক্ষের আসবাবপত্র তছনছ করেছিলেন। এছাড়া বিগত ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় ভিজিএফ চাল বিতরণে বাধা দিয়ে বরাদ্দের ৫০ শতাংশ চাল তাদের দেওয়ার দাবি করেছিলেন। এমনকি দরিদ্র মহিলাদের দুই বছর মেয়াদী ভিডব্লিউবি চালের কার্ড বিতরণের সময়ও তারা জোরপূর্বক কার্ড ছিনিয়ে নিয়েছিলেন।
মুলাদী সদর ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্য নামপ্রকাশ না করার শর্তে জানান, নদীভাঙন কবলিত ১৫০ জন মানুষের জন্য ২০ কেজি করে ৩ টন চাল বরাদ্দ হয়েছে। ওই চালের ২০ শতাংশ হিসেবে ৩০ জনের তালিকা দিতে চেয়েছিলেন বেল্লাল সরদার। কিন্তু পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে ২০ জনের নাম দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। এতে তিনি রাজি না হলে চেয়ারম্যান তাকে ২৫ জনের নাম দিতে বলেন। চেয়ারম্যন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর পর ওই ছাত্রদল নেতা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে মারধর ও গুলি করার হুমকি দেন।
মুলাদী সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. কামরুল আহসান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ঘটনার বিষয়টি শুনেছি। আমি অসুস্থ থাকায় ঘটনার দিন পরিষদ থেকে তাড়াতাড়ি বের হয়েছিলাম। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে উপজেলা ছাত্রদল সদস্যসচিব বেল্লাল হোসেন সরদার সকল অভিযোগসমূহ অস্বীকার করেছেন। এবং বলছেন, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে মারধর কিংবা হত্যার হুমকি দেওয়া হয়নি। মঙ্গলবার তিনি পরিষদেও যাননি। তবে শুনেছেন ওইদিন কয়েকজনের সঙ্গে জাকির হোসেনের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। ছাত্রদল নেতার দাবি, তিনি মুলাদী সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেওয়ায় তাকে রুখতে এমন ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিডি করেছেন, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম সরওয়ার সাংবাদিকদের বলেন, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা লিখিত অভিযোগ করেছেন। থানায় জিডি হয়েছে এবং জিডি কপি আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আদালতের নির্দেশনা পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ জুলাই, ২০২৬ ২০:৫৩
০১ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৯
০১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৫
০১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৬