
০৬ আগস্ট, ২০২৫ ২০:৪৯
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঝালকাঠিতে বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি ও সমাবেশ করেছে ঝালকাঠি জেলা বিএনপি। বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে বিজয় র্যালি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সমুহ প্রদক্ষিণ করে। ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ হোসেন ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন র্যালির নেতৃত্ব দেন।
বিজয় র্যালিতে জেলা বিএনপির আওতাধীন ৬টি ইউনিট এবং যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, শ্রমিক দল, তাঁতীদল, মৎস্যজীবী দল, জাসাস, ওলমাদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী সমর্থক অংশ নেন। নেতাকর্মীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ব্যানার এবং জাতীয় ও দলীয় পতকা নিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোষরদের ফাসির দাবিতে স্লোগানসহ জুলাই বিপ্লবে শহীদের স্মরণ করেন। বিজয় র্যালি শেষে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ হোসেনের সভাপতিত্বে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন, ঝালকাঠি পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে) অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান মুবিন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি প্রফেসর এস.এম এজাজ হাসান প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. খোকন মল্লিক, ঝালকাঠি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান তাপু, নলছিটি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম গাজী, নলছিটি পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. নুর হোসেন, কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলিম মুন্সি, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মো. রবিউল হোসেন তুহিন, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. আনিসুর রহমান খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মুশফিকুর রহমান বাবু, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস সরদার দিপু, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সাকিনা আলম লিজা, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি টিপু সুলতান, সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন অর রশিদ, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক চাষী নান্না খলিফা, জেলা তাঁতী দলের সভাপতি মো. বাচ্চু হাসান খান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. বাদশা মিয়া, জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক সরদার মো. শহিদুল্লাহ, জেলা ওলমা দলের আহবায়ক মাওলানা সাইদুর রহমান, জেলা জাসাসের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক মো. বাদল বিশ্বাসসহ অন্যান্য অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তরা বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গৌরবময় দিন। এই দিনে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধিনে একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন আদায়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করে সরকার গঠনের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঝালকাঠিতে বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি ও সমাবেশ করেছে ঝালকাঠি জেলা বিএনপি। বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে বিজয় র্যালি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সমুহ প্রদক্ষিণ করে। ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ হোসেন ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন র্যালির নেতৃত্ব দেন।
বিজয় র্যালিতে জেলা বিএনপির আওতাধীন ৬টি ইউনিট এবং যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, শ্রমিক দল, তাঁতীদল, মৎস্যজীবী দল, জাসাস, ওলমাদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী সমর্থক অংশ নেন। নেতাকর্মীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ব্যানার এবং জাতীয় ও দলীয় পতকা নিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোষরদের ফাসির দাবিতে স্লোগানসহ জুলাই বিপ্লবে শহীদের স্মরণ করেন। বিজয় র্যালি শেষে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ হোসেনের সভাপতিত্বে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন, ঝালকাঠি পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে) অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান মুবিন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি প্রফেসর এস.এম এজাজ হাসান প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. খোকন মল্লিক, ঝালকাঠি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান তাপু, নলছিটি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম গাজী, নলছিটি পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. নুর হোসেন, কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলিম মুন্সি, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মো. রবিউল হোসেন তুহিন, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. আনিসুর রহমান খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মুশফিকুর রহমান বাবু, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস সরদার দিপু, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সাকিনা আলম লিজা, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি টিপু সুলতান, সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন অর রশিদ, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক চাষী নান্না খলিফা, জেলা তাঁতী দলের সভাপতি মো. বাচ্চু হাসান খান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. বাদশা মিয়া, জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক সরদার মো. শহিদুল্লাহ, জেলা ওলমা দলের আহবায়ক মাওলানা সাইদুর রহমান, জেলা জাসাসের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক মো. বাদল বিশ্বাসসহ অন্যান্য অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তরা বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গৌরবময় দিন। এই দিনে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধিনে একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন আদায়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করে সরকার গঠনের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে হবে।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৭
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৫৬
দশটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা। এই উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) না থাকায় প্রশাসনিক কাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় জনগণ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নলছিটির ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো.নজরুল ইসলাম।পরবর্তী সময়ে সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখ লাভলী ইয়াসমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।এর ২ মাসের মধ্যেই ২৬ নভেম্বর জোবায়ের হাবিব নলছিটির নতুন ইউএনও হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের পর ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি প্রশিক্ষণে চলে যান এরপর থেকেই ইউএনও পদটি শূন্য থাকায় বর্তমানে সদর উপজেলার ইউএনও সেগুফতা মেহনাজকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। উপজেলার পাশাপাশি নলছিটি পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বও তাকে দেওয়া হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দুই উপজেলার ও নলছিটি পৌরসভার দায়িত্ব পালন করায় সব কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা কাওসার সিকদার,মামুন হোসেন,রাকিব হোসেন, বাপ্পি হাওলাদার বলেন, আমাদের উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কোন ইউএনও দেওয়া হচ্ছে না। নতুন দেওয়া হলেও দুএক মাসের মধ্যে বদলী হয়ে চলে যায়।
তাছাড়া পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইউএনওকে। যিনি বর্তমানে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি সদর উপজেলার ইউএনও। তাকে সদর উপজেলার দায়িত্ব সামলিয়ে নলছিটি উপজেলা এরপর পৌরসভার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। আমরা নিয়মিত প্রশাসক না পাওয়ায় ভোগান্তি পেতে হচ্ছে। আমারা দ্রুত স্থায়ী ইউএনও ও প্রশাসক দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মমিন উদ্দিন বলেন, প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে সাময়িকভাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শূন্য পদে দ্রুত স্থায়ী ইউএনও পদায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।
দশটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা। এই উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) না থাকায় প্রশাসনিক কাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় জনগণ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নলছিটির ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো.নজরুল ইসলাম।পরবর্তী সময়ে সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখ লাভলী ইয়াসমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।এর ২ মাসের মধ্যেই ২৬ নভেম্বর জোবায়ের হাবিব নলছিটির নতুন ইউএনও হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের পর ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি প্রশিক্ষণে চলে যান এরপর থেকেই ইউএনও পদটি শূন্য থাকায় বর্তমানে সদর উপজেলার ইউএনও সেগুফতা মেহনাজকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। উপজেলার পাশাপাশি নলছিটি পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বও তাকে দেওয়া হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দুই উপজেলার ও নলছিটি পৌরসভার দায়িত্ব পালন করায় সব কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা কাওসার সিকদার,মামুন হোসেন,রাকিব হোসেন, বাপ্পি হাওলাদার বলেন, আমাদের উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কোন ইউএনও দেওয়া হচ্ছে না। নতুন দেওয়া হলেও দুএক মাসের মধ্যে বদলী হয়ে চলে যায়।
তাছাড়া পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইউএনওকে। যিনি বর্তমানে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি সদর উপজেলার ইউএনও। তাকে সদর উপজেলার দায়িত্ব সামলিয়ে নলছিটি উপজেলা এরপর পৌরসভার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। আমরা নিয়মিত প্রশাসক না পাওয়ায় ভোগান্তি পেতে হচ্ছে। আমারা দ্রুত স্থায়ী ইউএনও ও প্রশাসক দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মমিন উদ্দিন বলেন, প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে সাময়িকভাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শূন্য পদে দ্রুত স্থায়ী ইউএনও পদায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২২
সাম্প্রতিক হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দেশব্যাপী জরুরি এমআর (হাম-রুবেলা) টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১২ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সংক্রমণ রোধ ও আরও প্রাণহানি প্রতিরোধ করা যায়।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১টায় এ উপলক্ষে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হলরুমে জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। ঝালকাঠি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমাউন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
প্রেসক্লাব সভাপতি এডভোকেট আক্কাস সিকদার, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট পারভেজ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম টুটুল, ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, দৈনিক গাউছিয়া পত্রিকার সম্পাদক অলোক সাহাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
প্রেস কনফারেন্সে টিকাদান কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান।
এ সময় জানানো হয়, আগামীকাল ২০ এপ্রিল সকাল ৮টায় ঝালকাঠি ওহাব গাজী শিশু বিদ্যালয়ে টিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হবে।
সাম্প্রতিক হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দেশব্যাপী জরুরি এমআর (হাম-রুবেলা) টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১২ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সংক্রমণ রোধ ও আরও প্রাণহানি প্রতিরোধ করা যায়।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১টায় এ উপলক্ষে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হলরুমে জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। ঝালকাঠি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমাউন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
প্রেসক্লাব সভাপতি এডভোকেট আক্কাস সিকদার, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট পারভেজ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম টুটুল, ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, দৈনিক গাউছিয়া পত্রিকার সম্পাদক অলোক সাহাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
প্রেস কনফারেন্সে টিকাদান কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান।
এ সময় জানানো হয়, আগামীকাল ২০ এপ্রিল সকাল ৮টায় ঝালকাঠি ওহাব গাজী শিশু বিদ্যালয়ে টিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯