বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ইতিবাচক একটি ফেসবুক পোস্ট ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।
যা শুধু ওই নির্বাচনী আসনেই নয় পুরো বরিশালজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। সংসদ সদস্যর নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতে লেখা পোস্টটি হুবাহু তুলে ধরা হলো-“বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, মাদক ও জুয়া এই সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় অভিশাপ।
এগুলো যুবসমাজকে ধ্বংস করে, পরিবার ভাঙে, অপরাধ বাড়ায় এবং ভবিষ্যৎকে অন্ধকার করে। আমি দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকার করছি, এই আসনের প্রতিটি ওয়ার্ড, গ্রাম ও মহল্লায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম ও সচেতন নাগরিকদের নিয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
আসুন, আমরা সবাই মিলে উজিরপুর ও বানারীপাড়াকে একটি মাদকমুক্ত, জুয়ামুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল এলাকা হিসেবে গড়ে তুলি। যুবসমাজ বাঁচলে দেশ বাঁচবে। এই লড়াইয়ে আপনাদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।”
সোমবার (২ মার্চ) নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, একজন সংসদ সদস্য চাইলে তার আসনে যেকোন ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড চিরতরে বন্ধ করা সম্ভব। কারণ অতীতের সংসদ সদস্যদের ছত্রছায়ায় থেকেই অপরাধীরা তাদের সবধরনের অপকর্ম পরিচালনা করেছে।
যেকারণে প্রশাসনের কর্মকর্তারা চোখ দিয়ে সকল অপকর্ম প্রত্যক্ষ করলেও সংসদ সদস্যর ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় তারা কোন আইনী ব্যবস্থা নিতে পারেননি।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, বরিশাল-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু নিজের আইডি দিয়ে ফেসবুকে যে পোস্ট করেছেন তা সত্যিকার অর্থে প্রশংসার দাবি রাখেন। এতে করে মাঠপ্রশাসনের কাজেরগতি বৃদ্ধি পায়।
পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নির্বিঘ্নে অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে সাহস পাবেন। এদিকে এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও দখলবাজের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি দিয়ে সতর্কমূলক মাইকিং করিয়ে প্রশংসিত হন। এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সর্বনাশা মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে তাঁর জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার ইতিবাচক পোস্ট প্রশংসার মাত্রা আরও বহুগুন বাড়িয়েছে।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

০২ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৫
বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ইতিবাচক একটি ফেসবুক পোস্ট ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।
যা শুধু ওই নির্বাচনী আসনেই নয় পুরো বরিশালজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। সংসদ সদস্যর নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতে লেখা পোস্টটি হুবাহু তুলে ধরা হলো-“বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, মাদক ও জুয়া এই সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় অভিশাপ।
এগুলো যুবসমাজকে ধ্বংস করে, পরিবার ভাঙে, অপরাধ বাড়ায় এবং ভবিষ্যৎকে অন্ধকার করে। আমি দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকার করছি, এই আসনের প্রতিটি ওয়ার্ড, গ্রাম ও মহল্লায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম ও সচেতন নাগরিকদের নিয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
আসুন, আমরা সবাই মিলে উজিরপুর ও বানারীপাড়াকে একটি মাদকমুক্ত, জুয়ামুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল এলাকা হিসেবে গড়ে তুলি। যুবসমাজ বাঁচলে দেশ বাঁচবে। এই লড়াইয়ে আপনাদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।”
সোমবার (২ মার্চ) নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, একজন সংসদ সদস্য চাইলে তার আসনে যেকোন ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড চিরতরে বন্ধ করা সম্ভব। কারণ অতীতের সংসদ সদস্যদের ছত্রছায়ায় থেকেই অপরাধীরা তাদের সবধরনের অপকর্ম পরিচালনা করেছে।
যেকারণে প্রশাসনের কর্মকর্তারা চোখ দিয়ে সকল অপকর্ম প্রত্যক্ষ করলেও সংসদ সদস্যর ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় তারা কোন আইনী ব্যবস্থা নিতে পারেননি।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, বরিশাল-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু নিজের আইডি দিয়ে ফেসবুকে যে পোস্ট করেছেন তা সত্যিকার অর্থে প্রশংসার দাবি রাখেন। এতে করে মাঠপ্রশাসনের কাজেরগতি বৃদ্ধি পায়।
পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নির্বিঘ্নে অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে সাহস পাবেন। এদিকে এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও দখলবাজের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি দিয়ে সতর্কমূলক মাইকিং করিয়ে প্রশংসিত হন। এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সর্বনাশা মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে তাঁর জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার ইতিবাচক পোস্ট প্রশংসার মাত্রা আরও বহুগুন বাড়িয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১