ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বরিশালের ৬টি আসনে ৪৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার শেষ সময়ের পর সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বরিশালের রিটার্নিং কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন বরিশালটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বরিশাল জেলার ৬টি আসনে ৬২টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছিল।
বরিশাল ১ আসনে ৮টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়, জমা পড়েছে ৫টি। বরিশাল ২ আসনে ১২টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হলেও জমা পড়ে ১১টি। বরিশাল ৩ আসনে ১১টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়, জমা পড়েছে ১০টি। বরিশাল ৪ আসনে ৬টি ফরম বিতরণ করা হয়, সবগুলো জমা পড়ে। বরিশাল ৫ আসনে ১৮টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হলেও জমা পড়েছে মাত্র ১০টি এবং বরিশাল ৬ আসনে ৭টি ফরম বিতরণ করা হয়, এর মধ্যে জমা পড়ে ৬টি।
বরিশাল ১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সোবাহান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রাসেল সরদার, জাতীয় পার্টির সেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কামরুল ইসলাম খান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
বরিশাল ২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) তরিকুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মন্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মুন্সি মোস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় পার্টির এমএ জলিল, গণঅধিকার পরিষদের রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ, বাংলাদেশ জাসদের আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আ. হক, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং এনসিপির সাহেব আলী।
বরিশাল ৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জয়নুল আবেদীন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা আ. সত্তার খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সিরাজুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু, মো. ইকবাল হোসেন তাপস ও ফকরুল আহসান, এবি পার্টির মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, স্বতন্ত্র সৈয়দ বদরুল হোসেন এবং গণঅধিকার পরিষদের ইয়ামিন এইচএম ফারদিন।
বরিশাল ৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রাজিব আহসান, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ এছহাক মো. আবুল খায়ের, এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া, জাতীয় পার্টির এমএ জলিল এবং বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী আবদুস সালাম।
বরিশাল ৫ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরোয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, বাসদের মণীষা চক্রবর্তী, জামায়াতে ইসলামীর মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, জাতীয় পার্টির আখতার রহমান, এবি পার্টির মো. তারিকুল ইসলাম, এনসিপির আব্দুল হান্নান সিকদার, মো. তৌহিদুল ইসলাম, বাসদ মাকর্সবাদী দলের সাইদুর রহমান এবং খেলাফত মজলিসের একেএম মাহবুব আলম।
বরিশাল ৬ আসনে মুসলীম লীগের প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস, বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খান, জামায়াতে ইসলামীর মো. মাহমুদুন্নবী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, গণঅধিকার পরিষদের সালাউদ্দিন মিয়া এবং স্বতন্ত্র কামরুল ইসলাম খান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
মনোনয়নপত্র বাছাই ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৪ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আপিলের তারিখ আগামী ৬ থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত; আপিল নিষ্পত্তি ১২ জানুয়ারি সোমবার থেকে ১৮ জানুয়ারি। রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি ২০২৬। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।’

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:২২
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং পর্যায়ে দুটি গ্রুপকে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, তিন নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতে সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোঁটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের অপর পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং পর্যায়ে দুটি গ্রুপকে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, তিন নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতে সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোঁটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের অপর পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৬
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।

২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২৩:৫৩
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বরিশালের ৬টি আসনে ৪৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার শেষ সময়ের পর সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বরিশালের রিটার্নিং কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন বরিশালটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বরিশাল জেলার ৬টি আসনে ৬২টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছিল।
বরিশাল ১ আসনে ৮টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়, জমা পড়েছে ৫টি। বরিশাল ২ আসনে ১২টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হলেও জমা পড়ে ১১টি। বরিশাল ৩ আসনে ১১টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়, জমা পড়েছে ১০টি। বরিশাল ৪ আসনে ৬টি ফরম বিতরণ করা হয়, সবগুলো জমা পড়ে। বরিশাল ৫ আসনে ১৮টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হলেও জমা পড়েছে মাত্র ১০টি এবং বরিশাল ৬ আসনে ৭টি ফরম বিতরণ করা হয়, এর মধ্যে জমা পড়ে ৬টি।
বরিশাল ১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সোবাহান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রাসেল সরদার, জাতীয় পার্টির সেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কামরুল ইসলাম খান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
বরিশাল ২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) তরিকুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মন্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মুন্সি মোস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় পার্টির এমএ জলিল, গণঅধিকার পরিষদের রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ, বাংলাদেশ জাসদের আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আ. হক, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং এনসিপির সাহেব আলী।
বরিশাল ৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জয়নুল আবেদীন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা আ. সত্তার খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সিরাজুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু, মো. ইকবাল হোসেন তাপস ও ফকরুল আহসান, এবি পার্টির মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, স্বতন্ত্র সৈয়দ বদরুল হোসেন এবং গণঅধিকার পরিষদের ইয়ামিন এইচএম ফারদিন।
বরিশাল ৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রাজিব আহসান, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ এছহাক মো. আবুল খায়ের, এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া, জাতীয় পার্টির এমএ জলিল এবং বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী আবদুস সালাম।
বরিশাল ৫ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরোয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, বাসদের মণীষা চক্রবর্তী, জামায়াতে ইসলামীর মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, জাতীয় পার্টির আখতার রহমান, এবি পার্টির মো. তারিকুল ইসলাম, এনসিপির আব্দুল হান্নান সিকদার, মো. তৌহিদুল ইসলাম, বাসদ মাকর্সবাদী দলের সাইদুর রহমান এবং খেলাফত মজলিসের একেএম মাহবুব আলম।
বরিশাল ৬ আসনে মুসলীম লীগের প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস, বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খান, জামায়াতে ইসলামীর মো. মাহমুদুন্নবী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, গণঅধিকার পরিষদের সালাউদ্দিন মিয়া এবং স্বতন্ত্র কামরুল ইসলাম খান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
মনোনয়নপত্র বাছাই ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৪ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আপিলের তারিখ আগামী ৬ থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত; আপিল নিষ্পত্তি ১২ জানুয়ারি সোমবার থেকে ১৮ জানুয়ারি। রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি ২০২৬। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৫
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২২
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২০
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১২