
০১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪৩
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা) জানিয়েছে, শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান আবদুল রহিম মুসাভি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ নিহত হয়েছেন।
এর আগে ইরান নিশ্চিত করেছে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর প্রধান কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরের মৃত্যুর খবর। ইরনা আরও জানায়, সশস্ত্র বাহিনীর আরও কয়েকজন কমান্ডার নিহত হয়েছেন; তাদের নাম পরে ঘোষণা করা হবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে বোমাবর্ষণের জবাবে প্রতিশোধমূলক হামলার ষষ্ঠ ধাপ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের ২৭ মার্কিন ঘাঁটিতে তারা হামলা চালিয়েছে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ‘ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন’ হামলা চালিয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই অঞ্চলে থাকা ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এছাড়া ইসরায়েলের তেল নোফ বিমানঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কমান্ড সদরদপ্তর হা-কিরিয়া এবং একই শহরের একটি বৃহৎ প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সেও হামলা চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি।
সংস্থাটি আরও বলেছে, ইরানি বাহিনী ‘ধাপে ধাপে আরও ভিন্ন ও কঠোর প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ’ নেবে, যা তাদের ভাষায় হবে ‘পরপর আঘাত’। তবে এসব হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে স্বাধীনভাবে এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা) জানিয়েছে, শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান আবদুল রহিম মুসাভি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ নিহত হয়েছেন।
এর আগে ইরান নিশ্চিত করেছে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর প্রধান কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরের মৃত্যুর খবর। ইরনা আরও জানায়, সশস্ত্র বাহিনীর আরও কয়েকজন কমান্ডার নিহত হয়েছেন; তাদের নাম পরে ঘোষণা করা হবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে বোমাবর্ষণের জবাবে প্রতিশোধমূলক হামলার ষষ্ঠ ধাপ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের ২৭ মার্কিন ঘাঁটিতে তারা হামলা চালিয়েছে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ‘ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন’ হামলা চালিয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই অঞ্চলে থাকা ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এছাড়া ইসরায়েলের তেল নোফ বিমানঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কমান্ড সদরদপ্তর হা-কিরিয়া এবং একই শহরের একটি বৃহৎ প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সেও হামলা চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি।
সংস্থাটি আরও বলেছে, ইরানি বাহিনী ‘ধাপে ধাপে আরও ভিন্ন ও কঠোর প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ’ নেবে, যা তাদের ভাষায় হবে ‘পরপর আঘাত’। তবে এসব হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে স্বাধীনভাবে এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

০১ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৩
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার মৃত্যুর পর তেহরান নতুন উত্তরসূরি খোঁজা শুরু করেছে। এরই মধ্যে আলোচনায় কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম এসেছে।
তবে নতুন খবরে জানা গেছে, খামেনির হত্যার পর স্থায়ীভাবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত আলিরেজা আরাফি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করবেন।
এই নিয়োগের মাধ্যমে ইরানে একটি নতুন অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব কাঠামো গঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার (১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অভিভাবক পরিষদের ধর্মীয় নেতা আরাফি অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার সঙ্গে থাকবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেইন মোহসেনি এজেই।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, ৮৬ বছর বয়সি খামেনির হত্যার পর দেশে ৪০ দিনের শোক এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) খামেনির ‘খুনিদের’ শাস্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতনিও নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার মৃত্যুর পর তেহরান নতুন উত্তরসূরি খোঁজা শুরু করেছে। এরই মধ্যে আলোচনায় কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম এসেছে।
তবে নতুন খবরে জানা গেছে, খামেনির হত্যার পর স্থায়ীভাবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত আলিরেজা আরাফি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করবেন।
এই নিয়োগের মাধ্যমে ইরানে একটি নতুন অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব কাঠামো গঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার (১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অভিভাবক পরিষদের ধর্মীয় নেতা আরাফি অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার সঙ্গে থাকবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেইন মোহসেনি এজেই।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, ৮৬ বছর বয়সি খামেনির হত্যার পর দেশে ৪০ দিনের শোক এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) খামেনির ‘খুনিদের’ শাস্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতনিও নিহত হয়েছেন।

০১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৭
সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটেনের একটি সামরিক ঘাঁটির দিকে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনিবার ‘সাইপ্রাসের দিক বরাবর’ নিক্ষেপ করা হয়, তবে জন হিলি সতর্ক করে বলেন, ইরান দ্বীপটিকে লক্ষ্যবস্তু করেনি।
তিনি আরো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য স্থানে ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার কাজে ব্রিটিশ বাহিনী যুক্ত ছিল। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক পদক্ষেপের জবাবে ইরান পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে এবং অঞ্চলজুড়ে হামলা চালিয়ে দুবাই, আবুধাবি, বাহরাইন ও দোহায় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
হিলি বলেন, ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা থেকে সুরক্ষা দিতে ব্রিটিশ বাহিনী এখন পর্যন্ত ‘সক্রিয়’ প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপে যুক্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা সেই ড্রোনগুলো ভূপাতিত করছি, যেগুলো আমাদের ঘাঁটি, আমাদের লোকজন বা আমাদের মিত্রদের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। আর এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর এবং অবনতিশীল পরিস্থিতি।’
হিলি আরো জানান, বাহরাইনে অবস্থানরত ব্রিটিশ বাহিনী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ২০০ মিটারের মধ্যে ছিল, আর ইরাকে থাকা সেনারা ৪০০ মিটার দূরে অবস্থান করছিল।
সার কিয়ার স্টারমারের সরকার ইরানি শাসনের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে যোগ দেওয়ার চাপের মুখে রয়েছে।
সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ
সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটেনের একটি সামরিক ঘাঁটির দিকে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনিবার ‘সাইপ্রাসের দিক বরাবর’ নিক্ষেপ করা হয়, তবে জন হিলি সতর্ক করে বলেন, ইরান দ্বীপটিকে লক্ষ্যবস্তু করেনি।
তিনি আরো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য স্থানে ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার কাজে ব্রিটিশ বাহিনী যুক্ত ছিল। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক পদক্ষেপের জবাবে ইরান পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে এবং অঞ্চলজুড়ে হামলা চালিয়ে দুবাই, আবুধাবি, বাহরাইন ও দোহায় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
হিলি বলেন, ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা থেকে সুরক্ষা দিতে ব্রিটিশ বাহিনী এখন পর্যন্ত ‘সক্রিয়’ প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপে যুক্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা সেই ড্রোনগুলো ভূপাতিত করছি, যেগুলো আমাদের ঘাঁটি, আমাদের লোকজন বা আমাদের মিত্রদের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। আর এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর এবং অবনতিশীল পরিস্থিতি।’
হিলি আরো জানান, বাহরাইনে অবস্থানরত ব্রিটিশ বাহিনী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ২০০ মিটারের মধ্যে ছিল, আর ইরাকে থাকা সেনারা ৪০০ মিটার দূরে অবস্থান করছিল।
সার কিয়ার স্টারমারের সরকার ইরানি শাসনের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে যোগ দেওয়ার চাপের মুখে রয়েছে।
সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ

০১ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৫
ইরানে হামলা এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের রাজধানী করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিক্ষোভ ও হামলা চালিয়েছে ইরানপন্থি বিক্ষোভকারীরা। সে সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৮ জন নিহত হয়েছে। খবর এএফপির।
স্থানীয় সময় রোববার করাচিতে বিক্ষোভে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইধি ফাউন্ডেশন উদ্ধার পরিষেবার এক মুখপাত্র। ইধি ফাউন্ডেশন উদ্ধার পরিষেবার মুখপাত্র মুহাম্মদ আমিন বলেন, বিক্ষোভকারীদের বেশিরভাগেরই গুলি লেগেছে। আমরা কমপক্ষে আটজনের মৃতদেহ করাচির সিভিল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছি এবং এই ঘটনায় আরও ২০ জন আহত হয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল হামলা চালানোর পর শত শত ইরানপন্থি বিক্ষোভকারী করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে এবং দূতাবাস প্রাঙ্গনে প্রবেশ করে ভাঙচুর করেছে বলে জানা গেছে।
ইরানে হামলা এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের রাজধানী করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিক্ষোভ ও হামলা চালিয়েছে ইরানপন্থি বিক্ষোভকারীরা। সে সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৮ জন নিহত হয়েছে। খবর এএফপির।
স্থানীয় সময় রোববার করাচিতে বিক্ষোভে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইধি ফাউন্ডেশন উদ্ধার পরিষেবার এক মুখপাত্র। ইধি ফাউন্ডেশন উদ্ধার পরিষেবার মুখপাত্র মুহাম্মদ আমিন বলেন, বিক্ষোভকারীদের বেশিরভাগেরই গুলি লেগেছে। আমরা কমপক্ষে আটজনের মৃতদেহ করাচির সিভিল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছি এবং এই ঘটনায় আরও ২০ জন আহত হয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল হামলা চালানোর পর শত শত ইরানপন্থি বিক্ষোভকারী করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে এবং দূতাবাস প্রাঙ্গনে প্রবেশ করে ভাঙচুর করেছে বলে জানা গেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.