Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৩৯
ঘুরেফিরে একই স্থানে একাধিক কর্মকর্তা # গড়ে উঠেছে আওয়ামী সিন্ডিকেট। চলছে বদলি ও তদবির বাণিজ্য। জিএম বললেন, কোনো সমস্যা নেই।
আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ এবং সুবিধাভোগী একাধিক কর্মকর্তা এখনো ঘিরে রেখেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি বরিশাল সার্কেল সচিবালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম। বরিশাল সার্কেলের প্রতিজন জেনারেল ম্যানেজারকে (জিএম) এদের ইচ্ছেমত চলতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বরিশাল সার্কেলে যখন যিনি জিএম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন তাকেই ভুল ও মিথ্যে তথ্য দিয়ে দিশেহারা করে তোলেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা। এরা ব্যাংকের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যুগ যুগ ধরে ঘুরে ফিরে বরিশাল সার্কেল অফিস ও নগরীর বিভিন্ন শাখায় কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদের মধ্যে বরিশাল আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ঢাকা মহানগরের (দক্ষিণ) সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, ওমর ফারুক, দেবাশীষ কুণ্ডু সহ আরো কয়েকজন রয়েছেন। যারা তখন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কারস এসোসিয়েশনের নেতা হয়ে রীতিমতো রাজনৈতিক সভা সমাবেশ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন বলে তথ্য প্রমাণ রয়েছে। গণ অভ্যুত্থানের পরে এখনো তারা বহাল তবিয়েতে
এই ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা নিজস্ব সিন্ডিকেট তৈরি করে বরিশাল সার্কেলে নতুন কোনো জিএম আসামাত্র তাকে ঘিরে ফেলে এবং মিথ্যে ও ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন বদলী বাণিজ্য, শাখা ম্যানেজার তৈরির সুপারিশসহ ঋণ বিতরণ বাণিজ্য চালিয়ে বরিশালে রীতিমতো রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। তাদের এসব কাজে বাধা দিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক সৎ কর্মকর্তা বিভিন্নভাবে হেনস্তা ও সর্বশেষ বদলির আদেশ পেয়েছেন বলেও সার্কেল অফিস সুত্রে জানা গেছে। যদিও বর্তমান জিএম জাহিদ ইকবাল বলেছেন, অতোটা ফ্যাসিস্ট হলে এরা কি এখনো টিকতে পারতো? আমার কাজে এখনো তাদের থেকে কোনো সমস্যা নেই বলে জানান তিনি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জুলাই বিপ্লবের পর চলতি বছর জানুয়ারিতে বরিশাল সার্কেলের জিএম হিসেবে জাহিদ ইকবাল দায়িত্ব পেলেও তার পিএস হিসেবে রয়ে গেছেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম। এই প্রতিবেদন তৈরি সময়ে তার অগ্রণী ব্যাংকে চাকুরীর বয়স ১২ বছর ২ মাসের বেশি। তিনি ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট অগ্রণী ব্যাংকে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং বরিশাল সার্কেলে যোগদান করেন। এরপর বরিশালেই কয়েকটি শাখা অফিসে ঘুরে পুনরায় বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকে জিএম এর পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি টানা ৩ বছর ১১ মাস বরিশাল সার্কেল অফিসে কর্মরত আছেন। চাকুরী বিধি অনুযায়ী ৩ বছর এর বেশি একই কর্মস্থলে থাকা যায় না। কিন্তু জাহিদুল ইসলামের ৩ বছর পূর্ণ হওয়ামাত্রই নিজ থেকে আরেক শাখা/অফিসে বদলী হন। একমাস বা দুইমাস শাখা অফিসে থেকে পুনরায় সার্কেল অফিসে জিএম এর পিএস পদে যোগদান করেন। ৫ আগস্টের আগে তিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা গেছে। বর্তমানে পুনরায় বরিশাল সার্কেলে তার তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পরও বহাল রয়েছেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও অগ্রণী ব্যাংক বরিশাল সার্কেলে আওয়ামী পন্থী এই ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মত বরিশাল অগ্রণী ব্যাংকে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ কুণ্ডু ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এজিএম পংকজ কুমার নাথ, আজিজুর রহমান এবং এসপিও আবু তাহের, পিও জিয়াউর রহমান, পিও রাশেদ এর সহযোগিতায় বদলী বাণিজ্য ও ম্যানেজার বানানোর কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। আর এই কাজগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধান না করেই জিএম জাহিদ ইকবাল অনুমোদন করে দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
সার্কেল অফিসের কয়েকজন অবহেলিত ভুক্তভোগী বলেন, ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা জিএম জাহিদ ইকবালকে চারদিক থেকে ঘিরে থাকে। অন্যকাউকে তার কাছে ঘেঁষতে দেয়া হয়না।
এদের অন্যতম আরেকজন সহযোগী দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা দেবাশীষ কুণ্ডু। তিনি ২০১২ সালের ১৩ মে অগ্রণী ব্যাংকে যোগদান করেন। সাবেক ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা ও অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বলরাম পোদ্দারের সুপারিশে তার এই নিয়োগ হয়। ১৩ বছর ৫ মাস কার্যকালীন সময়ে ৬ বছর ২ মাস ০৯ দিন তিনি বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন এবং এখানো বহাল তবিয়তে আছেন। বাকি সময়ে কখনো বরিশাল জোনাল অফিস অথবা বরিশালেরই কোন শাখায় কর্মরত ছিলেন।
ঠিক একইভাবে রাশেদুল ইসলাম অগ্রণী ব্যাংকে জয়েন করেন ২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। সর্বমোট ১৫ বছর তিন মাসের মধ্যে বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন ১১ বছর ২ মাস যাবত। একই এসপিও আবদুল মতিন ও আবু তাহের চাকুরী জীবনের অধিকাংশ সময় বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন। এরা সবাই বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে বরিশাল জোনের বিভিন্ন বদলি বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য এবং শাখা ম্যানেজার বানানোর সকল কারিশমা সম্পাদন করছে বলে জানা গেছে। জিএম জাহিদ ইকবাল এসব বিষয় জেনেও না জানার ভান করে আছেন। এদিকে এই ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের অত্যাচারে সাধারণ অফিসাররা অতিষ্ঠ। নিয়মিত মাসোহারা না দিলে দুর্গম স্থানে বদলীর হুমকি প্রদান করেন এবং বিভিন্ন শাখা ও জোনাল অফিসে সমস্যা হতে পারে এমন অফিসারদের বরিশাল থেকে সরিয়ে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন বলে জানা গেছে।
এসব অভিযোগ বিষয়ে বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকের জিএম জাহিদ ইকবাল বললেন, তারা যতই ফ্যাসিস্ট বা ফ্যাসিস্ট সহযোগী হোক, তাতো অফিসের বাইরে। অফিসের ভিতরে আমার কাজে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা তারা তৈরি করেনি। তাছাড়া তিন বছর পূর্ণ হওয়া মাত্র বদলির নিয়ম অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।’
ঘুরেফিরে একই স্থানে একাধিক কর্মকর্তা # গড়ে উঠেছে আওয়ামী সিন্ডিকেট। চলছে বদলি ও তদবির বাণিজ্য। জিএম বললেন, কোনো সমস্যা নেই।
আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ এবং সুবিধাভোগী একাধিক কর্মকর্তা এখনো ঘিরে রেখেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি বরিশাল সার্কেল সচিবালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম। বরিশাল সার্কেলের প্রতিজন জেনারেল ম্যানেজারকে (জিএম) এদের ইচ্ছেমত চলতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বরিশাল সার্কেলে যখন যিনি জিএম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন তাকেই ভুল ও মিথ্যে তথ্য দিয়ে দিশেহারা করে তোলেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা। এরা ব্যাংকের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যুগ যুগ ধরে ঘুরে ফিরে বরিশাল সার্কেল অফিস ও নগরীর বিভিন্ন শাখায় কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদের মধ্যে বরিশাল আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ঢাকা মহানগরের (দক্ষিণ) সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, ওমর ফারুক, দেবাশীষ কুণ্ডু সহ আরো কয়েকজন রয়েছেন। যারা তখন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কারস এসোসিয়েশনের নেতা হয়ে রীতিমতো রাজনৈতিক সভা সমাবেশ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন বলে তথ্য প্রমাণ রয়েছে। গণ অভ্যুত্থানের পরে এখনো তারা বহাল তবিয়েতে
এই ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা নিজস্ব সিন্ডিকেট তৈরি করে বরিশাল সার্কেলে নতুন কোনো জিএম আসামাত্র তাকে ঘিরে ফেলে এবং মিথ্যে ও ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন বদলী বাণিজ্য, শাখা ম্যানেজার তৈরির সুপারিশসহ ঋণ বিতরণ বাণিজ্য চালিয়ে বরিশালে রীতিমতো রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। তাদের এসব কাজে বাধা দিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক সৎ কর্মকর্তা বিভিন্নভাবে হেনস্তা ও সর্বশেষ বদলির আদেশ পেয়েছেন বলেও সার্কেল অফিস সুত্রে জানা গেছে। যদিও বর্তমান জিএম জাহিদ ইকবাল বলেছেন, অতোটা ফ্যাসিস্ট হলে এরা কি এখনো টিকতে পারতো? আমার কাজে এখনো তাদের থেকে কোনো সমস্যা নেই বলে জানান তিনি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জুলাই বিপ্লবের পর চলতি বছর জানুয়ারিতে বরিশাল সার্কেলের জিএম হিসেবে জাহিদ ইকবাল দায়িত্ব পেলেও তার পিএস হিসেবে রয়ে গেছেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম। এই প্রতিবেদন তৈরি সময়ে তার অগ্রণী ব্যাংকে চাকুরীর বয়স ১২ বছর ২ মাসের বেশি। তিনি ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট অগ্রণী ব্যাংকে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং বরিশাল সার্কেলে যোগদান করেন। এরপর বরিশালেই কয়েকটি শাখা অফিসে ঘুরে পুনরায় বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকে জিএম এর পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি টানা ৩ বছর ১১ মাস বরিশাল সার্কেল অফিসে কর্মরত আছেন। চাকুরী বিধি অনুযায়ী ৩ বছর এর বেশি একই কর্মস্থলে থাকা যায় না। কিন্তু জাহিদুল ইসলামের ৩ বছর পূর্ণ হওয়ামাত্রই নিজ থেকে আরেক শাখা/অফিসে বদলী হন। একমাস বা দুইমাস শাখা অফিসে থেকে পুনরায় সার্কেল অফিসে জিএম এর পিএস পদে যোগদান করেন। ৫ আগস্টের আগে তিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা গেছে। বর্তমানে পুনরায় বরিশাল সার্কেলে তার তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পরও বহাল রয়েছেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও অগ্রণী ব্যাংক বরিশাল সার্কেলে আওয়ামী পন্থী এই ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মত বরিশাল অগ্রণী ব্যাংকে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ কুণ্ডু ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এজিএম পংকজ কুমার নাথ, আজিজুর রহমান এবং এসপিও আবু তাহের, পিও জিয়াউর রহমান, পিও রাশেদ এর সহযোগিতায় বদলী বাণিজ্য ও ম্যানেজার বানানোর কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। আর এই কাজগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধান না করেই জিএম জাহিদ ইকবাল অনুমোদন করে দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
সার্কেল অফিসের কয়েকজন অবহেলিত ভুক্তভোগী বলেন, ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা জিএম জাহিদ ইকবালকে চারদিক থেকে ঘিরে থাকে। অন্যকাউকে তার কাছে ঘেঁষতে দেয়া হয়না।
এদের অন্যতম আরেকজন সহযোগী দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা দেবাশীষ কুণ্ডু। তিনি ২০১২ সালের ১৩ মে অগ্রণী ব্যাংকে যোগদান করেন। সাবেক ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা ও অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বলরাম পোদ্দারের সুপারিশে তার এই নিয়োগ হয়। ১৩ বছর ৫ মাস কার্যকালীন সময়ে ৬ বছর ২ মাস ০৯ দিন তিনি বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন এবং এখানো বহাল তবিয়তে আছেন। বাকি সময়ে কখনো বরিশাল জোনাল অফিস অথবা বরিশালেরই কোন শাখায় কর্মরত ছিলেন।
ঠিক একইভাবে রাশেদুল ইসলাম অগ্রণী ব্যাংকে জয়েন করেন ২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। সর্বমোট ১৫ বছর তিন মাসের মধ্যে বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন ১১ বছর ২ মাস যাবত। একই এসপিও আবদুল মতিন ও আবু তাহের চাকুরী জীবনের অধিকাংশ সময় বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন। এরা সবাই বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে বরিশাল জোনের বিভিন্ন বদলি বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য এবং শাখা ম্যানেজার বানানোর সকল কারিশমা সম্পাদন করছে বলে জানা গেছে। জিএম জাহিদ ইকবাল এসব বিষয় জেনেও না জানার ভান করে আছেন। এদিকে এই ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের অত্যাচারে সাধারণ অফিসাররা অতিষ্ঠ। নিয়মিত মাসোহারা না দিলে দুর্গম স্থানে বদলীর হুমকি প্রদান করেন এবং বিভিন্ন শাখা ও জোনাল অফিসে সমস্যা হতে পারে এমন অফিসারদের বরিশাল থেকে সরিয়ে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন বলে জানা গেছে।
এসব অভিযোগ বিষয়ে বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকের জিএম জাহিদ ইকবাল বললেন, তারা যতই ফ্যাসিস্ট বা ফ্যাসিস্ট সহযোগী হোক, তাতো অফিসের বাইরে। অফিসের ভিতরে আমার কাজে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা তারা তৈরি করেনি। তাছাড়া তিন বছর পূর্ণ হওয়া মাত্র বদলির নিয়ম অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস