
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪০
ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হবে না মন্তব্য করেছেন করেছেন বরিশাল ৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। শনিবার (১০ জানুয়ারি) অপরাহ্নে বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা এলাকায় জোটের নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ক এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যাশিত তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তার দাবি, প্রশাসন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।
তিনি আরও বলেন, ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা করছে- এমন তথ্য রয়েছে। আমরা ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোর তালিকা প্রস্তুত করেছি। নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে অস্ত্রের মহড়ার প্রস্তুতির তথ্যও পেয়েছি। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
নির্বাচনের অতীত অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ২০০১ সালের পর দেশে সত্যিকার অর্থে একটি ভালো নির্বাচন হয়নি। অথচ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী নির্বাচন হবে ঈদের আনন্দের মতো। কিন্তু ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে এবং আগেই কেন্দ্র দখলের ছক কষে রাখলে সেই নির্বাচন কখনোই ভালো হতে পারে না।
একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের প্রতি কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ও ভোটকেন্দ্র দখলের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে প্রশাসনের কাছে তথ্য রয়েছে। স্থানীয়ভাবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে বিশেষ ক্ষমতা আইন বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদী আটক নিশ্চিত করা গেলে সহিংসতা ও কেন্দ্র দখলের প্রবণতা অনেকাংশে কমবে বলে তিনি মনে করেন।
নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে এবি পার্টির এই নেতা বলেন, তারা নিয়মিতভাবে জোটের নেতাকর্মীদের নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক সভা করছেন। কোন ধরনের প্রচারণা আইনসম্মত এবং কোনটি নয়—সে বিষয়ে মাঠপর্যায়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বি কিছু রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা নিজেদের নামে ও বেনামে ব্যানার-পোস্টার ব্যবহার করে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। এসব অনিয়মের বিষয়েও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
সবশেষে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, এই অনিয়মগুলো বন্ধ না হলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে- এমন আস্থা তৈরি হয় না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচন আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বরিশাল জেলা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. সৌরভ সরদার, এবি পার্টির জেলা সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার জি এম রাব্বি, যুগ্ম-আহ্বায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তানভীর আহমেদসহ প্রমুখ।’
ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হবে না মন্তব্য করেছেন করেছেন বরিশাল ৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। শনিবার (১০ জানুয়ারি) অপরাহ্নে বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা এলাকায় জোটের নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ক এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যাশিত তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তার দাবি, প্রশাসন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।
তিনি আরও বলেন, ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা করছে- এমন তথ্য রয়েছে। আমরা ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোর তালিকা প্রস্তুত করেছি। নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে অস্ত্রের মহড়ার প্রস্তুতির তথ্যও পেয়েছি। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
নির্বাচনের অতীত অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ২০০১ সালের পর দেশে সত্যিকার অর্থে একটি ভালো নির্বাচন হয়নি। অথচ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী নির্বাচন হবে ঈদের আনন্দের মতো। কিন্তু ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে এবং আগেই কেন্দ্র দখলের ছক কষে রাখলে সেই নির্বাচন কখনোই ভালো হতে পারে না।
একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের প্রতি কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ও ভোটকেন্দ্র দখলের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে প্রশাসনের কাছে তথ্য রয়েছে। স্থানীয়ভাবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে বিশেষ ক্ষমতা আইন বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদী আটক নিশ্চিত করা গেলে সহিংসতা ও কেন্দ্র দখলের প্রবণতা অনেকাংশে কমবে বলে তিনি মনে করেন।
নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে এবি পার্টির এই নেতা বলেন, তারা নিয়মিতভাবে জোটের নেতাকর্মীদের নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক সভা করছেন। কোন ধরনের প্রচারণা আইনসম্মত এবং কোনটি নয়—সে বিষয়ে মাঠপর্যায়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বি কিছু রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা নিজেদের নামে ও বেনামে ব্যানার-পোস্টার ব্যবহার করে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। এসব অনিয়মের বিষয়েও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
সবশেষে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, এই অনিয়মগুলো বন্ধ না হলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে- এমন আস্থা তৈরি হয় না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচন আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বরিশাল জেলা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. সৌরভ সরদার, এবি পার্টির জেলা সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার জি এম রাব্বি, যুগ্ম-আহ্বায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তানভীর আহমেদসহ প্রমুখ।’

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৫
সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিকরা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে নগরীর রূপাতলীর দপদপিয়া এলাকায় টেক্সটাইল মিলের সামনে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন তারা।
কর্মবিরতির শুরুতে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের সামনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে টেক্সটাইল মিলের লাইনম্যান হাবিবুর রহমান বলেন,গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কারখানা কর্তৃপক্ষ সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছে। দুই শ্রমিক নেতার কোন অপরাধ নেই।
তাদের অপরাধ শুধু বিজয় দিবসের দিন শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। এ দিবস উপলক্ষে মিল মালিকদের কাছে ছুটি চাওয়া হয়েছিল। ছুটি না পেয়ে শ্রম অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সেই ঘটনার জের ধরে তাদের দুজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মোশারফ হোসেন সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলে ৩০ বছর থেকে চাকরি করেন। খুকুমনি এই মিলে ১৪ বছর ধরে চাকরি করছেন। ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি বৈষম্যমূলক । যা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত বা আইনসংগত নয় । অবিলম্বে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের কাজে যোগদানের অনুমতি দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাসদ বরিশাল জেলার সমন্বয়ক ডা.মনীষা চক্রবর্ত্তী বরিশালটাইমসকে বলেন, দুই শ্রমিক নেতাকে অকারণে বরখাস্ত করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শ্রমিক ইউনিয়নকে অকার্যকর করা। মালিকদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, ট্রেড ইউনিয়নকে নেতৃত্বশূণ্য ও অকার্যকর করা। যাতে ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে শ্রমিকরা দাবি আদায়ে সংগঠিত হতে না পারে। এ হীন উদ্দেশেই ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক নেতা মাসুম গাজী, ইমরান হোসেন, মোঃ জসীম হাওলাদার,হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিকরা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে নগরীর রূপাতলীর দপদপিয়া এলাকায় টেক্সটাইল মিলের সামনে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন তারা।
কর্মবিরতির শুরুতে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের সামনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে টেক্সটাইল মিলের লাইনম্যান হাবিবুর রহমান বলেন,গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কারখানা কর্তৃপক্ষ সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছে। দুই শ্রমিক নেতার কোন অপরাধ নেই।
তাদের অপরাধ শুধু বিজয় দিবসের দিন শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। এ দিবস উপলক্ষে মিল মালিকদের কাছে ছুটি চাওয়া হয়েছিল। ছুটি না পেয়ে শ্রম অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সেই ঘটনার জের ধরে তাদের দুজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মোশারফ হোসেন সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলে ৩০ বছর থেকে চাকরি করেন। খুকুমনি এই মিলে ১৪ বছর ধরে চাকরি করছেন। ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি বৈষম্যমূলক । যা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত বা আইনসংগত নয় । অবিলম্বে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের কাজে যোগদানের অনুমতি দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাসদ বরিশাল জেলার সমন্বয়ক ডা.মনীষা চক্রবর্ত্তী বরিশালটাইমসকে বলেন, দুই শ্রমিক নেতাকে অকারণে বরখাস্ত করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শ্রমিক ইউনিয়নকে অকার্যকর করা। মালিকদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, ট্রেড ইউনিয়নকে নেতৃত্বশূণ্য ও অকার্যকর করা। যাতে ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে শ্রমিকরা দাবি আদায়ে সংগঠিত হতে না পারে। এ হীন উদ্দেশেই ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক নেতা মাসুম গাজী, ইমরান হোসেন, মোঃ জসীম হাওলাদার,হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের দায়ে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা বলেন, এক আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের কারণে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন- উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব মাকসুদুর রহমান ডালিম এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রফিক মল্লিক।
উপজেলার বাইশারী বাজারের আয়ুবেদিক চিকিৎসক বিভাস ঋষির কাছে চাঁদা দাবি হয়। চাঁদা না পেয়ে শুক্রবার তার উপর হামলা হয়। হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যে যুবদলের দুজনকে বহিষ্কার করা হল।
যুবদলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নীতি-আদর্শ ও সংহতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের দায়ে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা বলেন, এক আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের কারণে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন- উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব মাকসুদুর রহমান ডালিম এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রফিক মল্লিক।
উপজেলার বাইশারী বাজারের আয়ুবেদিক চিকিৎসক বিভাস ঋষির কাছে চাঁদা দাবি হয়। চাঁদা না পেয়ে শুক্রবার তার উপর হামলা হয়। হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যে যুবদলের দুজনকে বহিষ্কার করা হল।
যুবদলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নীতি-আদর্শ ও সংহতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টায় উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর সর্বস্ব পুড়ে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১ টার দিকে মজিবুর হাওলাদারের বসত ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা প্রথমে নিজ উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, চোখের সামনে সাজানো সংসার পুড়ে যেতে দেখলেও আগুনের তীব্রতার কারণে ঘরে ঢোকার কোন সুযোগ ছিল না। জীবন বাঁচাতে তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফ জনকণ্ঠকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনস্থানে আসলে সড়ক সরু থাকায় ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপক গাড়ি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ও স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের পাম্প মেশিন পুকুরে লাগিয়ে আগুন নিভাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে আমরা এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছি না হলে বাড়ির ভিতর আরো ৫ টি বসত ঘর ছিল সব পুড়ে যেত। প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টায় উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর সর্বস্ব পুড়ে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১ টার দিকে মজিবুর হাওলাদারের বসত ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা প্রথমে নিজ উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, চোখের সামনে সাজানো সংসার পুড়ে যেতে দেখলেও আগুনের তীব্রতার কারণে ঘরে ঢোকার কোন সুযোগ ছিল না। জীবন বাঁচাতে তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফ জনকণ্ঠকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনস্থানে আসলে সড়ক সরু থাকায় ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপক গাড়ি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ও স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের পাম্প মেশিন পুকুরে লাগিয়ে আগুন নিভাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে আমরা এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছি না হলে বাড়ির ভিতর আরো ৫ টি বসত ঘর ছিল সব পুড়ে যেত। প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.