
২৪ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:১০
সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের লোগো ব্যবহার করে ভিজিটিং কার্ড ছেপেছেন। দুজন সহযোগী তার সঙ্গে রাখেন। এসব কারণে সহজেই মানুষ তাকে বিশ্বাস করেন। একপর্যায়ে তিনি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলেন। পরে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। এভাবে রাতারাতি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় চাকরি দেওয়ার নামে বেকার তরুণ ও যুবকদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিলেন বিষ্ণুপদ হালদার নামে এক শিক্ষক। প্রতারণা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনি। র্যাব-৩ এর সদস্যরা ঢাকার মগবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বুধবার আগৈলঝাড়া থানায় হস্তান্তর করে।
বিষ্ণুপদ হালদার উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের রামানন্দের আঁক গ্রামের রমেশ চন্দ্র হালদারের ছেলে। তিনি স্থানীয় ছয়গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। পুলিশ জানায়, বিষ্ণুপদ দীর্ঘদিন নিজ গ্রাম ও আশপাশের গ্রামের অনেককে বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
চাকরি ও টাকা ফেরত না পেয়ে কালাচাঁদ মজুমদার নামে এক যুবক ১৫ লাখ টাকা আদায়ের জন্য বরিশাল আদালতে ২০২৩ সালে বিষ্ণুপদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। প্রতারণা মামলায় সাজা হওয়ায় চাকরিচ্যুত হন তিনি। এর পর থেকে আত্মগোপনে চলে যান।
আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল গ্রামের বাসিন্দা চায়ের দোকানদার মিজানুর রহমান জানান, তার ছেলেকে সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২০২০ সালে ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেন বিষ্ণুপদ। পরে ছেলেকে সেনাবাহিনীর ভুয়া নিয়োগপত্র ও আইডি কার্ড দেন। এখনও টাকা ফেরত পাননি তিনি।
আগৈলঝাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রতন কুমার হালদার জানান, তার স্ত্রীকে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিষ্ণুপদ ২০২০ সালে ৮ লাখ টাকা নেন। কিন্তু স্ত্রীর চাকরি ও টাকা কোনোটাই ফেরত পাননি তিনি।
এভাবে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে উপজেলা সদরের দীপংকর বৈরাগী, বাকাল গ্রামের অনিতা মজুমদার ও নিমাই মজুমদার, ঐচারমাঠ গ্রামের কংকন হালদার, ছবিখারপাড় গ্রামের মিলন বাড়ৈ প্রমুখে কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন তিনি।
ফুল্লশ্রী গ্রামের ব্যবসায়ী নির্মল দাসের অভিযোগ, তার কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আর পরিশোধ করেননি বিষ্ণুপদ।
অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বিষ্ণুপদ হালদারের ছোট ভাই বিপুল হালদার বলেন, তার ভাই অনেকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের আগৈলঝাড়া উপজেলা সভাপতি এইচ এম মাসুদ হাওলাদার বলেন, শিক্ষকতা পেশাকে মানুষ সম্মানের দৃষ্টিতে দেখে। বিষ্ণুপদ হালদারের প্রতারণার ঘটনা শিক্ষক সমাজের জন্য কলঙ্ক ও লজ্জাজনক।
অভিযোগ রয়েছে, তার প্রতারণার কারণে আগৈলঝাড়ার বহু পরিবার সর্বস্বান্ত হয়েছে, কেউ বিক্রি করেছে জমি, কেউ নিয়েছে ঋণ। বর্তমানে ভুক্তভোগীরা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ওসি মো. অলিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বিষ্ণুপদের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলার সাজাসহ আগৈলঝাড়া থানায় ৬টি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে ‘
সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের লোগো ব্যবহার করে ভিজিটিং কার্ড ছেপেছেন। দুজন সহযোগী তার সঙ্গে রাখেন। এসব কারণে সহজেই মানুষ তাকে বিশ্বাস করেন। একপর্যায়ে তিনি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলেন। পরে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। এভাবে রাতারাতি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় চাকরি দেওয়ার নামে বেকার তরুণ ও যুবকদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিলেন বিষ্ণুপদ হালদার নামে এক শিক্ষক। প্রতারণা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনি। র্যাব-৩ এর সদস্যরা ঢাকার মগবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বুধবার আগৈলঝাড়া থানায় হস্তান্তর করে।
বিষ্ণুপদ হালদার উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের রামানন্দের আঁক গ্রামের রমেশ চন্দ্র হালদারের ছেলে। তিনি স্থানীয় ছয়গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। পুলিশ জানায়, বিষ্ণুপদ দীর্ঘদিন নিজ গ্রাম ও আশপাশের গ্রামের অনেককে বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
চাকরি ও টাকা ফেরত না পেয়ে কালাচাঁদ মজুমদার নামে এক যুবক ১৫ লাখ টাকা আদায়ের জন্য বরিশাল আদালতে ২০২৩ সালে বিষ্ণুপদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। প্রতারণা মামলায় সাজা হওয়ায় চাকরিচ্যুত হন তিনি। এর পর থেকে আত্মগোপনে চলে যান।
আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল গ্রামের বাসিন্দা চায়ের দোকানদার মিজানুর রহমান জানান, তার ছেলেকে সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২০২০ সালে ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেন বিষ্ণুপদ। পরে ছেলেকে সেনাবাহিনীর ভুয়া নিয়োগপত্র ও আইডি কার্ড দেন। এখনও টাকা ফেরত পাননি তিনি।
আগৈলঝাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রতন কুমার হালদার জানান, তার স্ত্রীকে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিষ্ণুপদ ২০২০ সালে ৮ লাখ টাকা নেন। কিন্তু স্ত্রীর চাকরি ও টাকা কোনোটাই ফেরত পাননি তিনি।
এভাবে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে উপজেলা সদরের দীপংকর বৈরাগী, বাকাল গ্রামের অনিতা মজুমদার ও নিমাই মজুমদার, ঐচারমাঠ গ্রামের কংকন হালদার, ছবিখারপাড় গ্রামের মিলন বাড়ৈ প্রমুখে কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন তিনি।
ফুল্লশ্রী গ্রামের ব্যবসায়ী নির্মল দাসের অভিযোগ, তার কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আর পরিশোধ করেননি বিষ্ণুপদ।
অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বিষ্ণুপদ হালদারের ছোট ভাই বিপুল হালদার বলেন, তার ভাই অনেকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের আগৈলঝাড়া উপজেলা সভাপতি এইচ এম মাসুদ হাওলাদার বলেন, শিক্ষকতা পেশাকে মানুষ সম্মানের দৃষ্টিতে দেখে। বিষ্ণুপদ হালদারের প্রতারণার ঘটনা শিক্ষক সমাজের জন্য কলঙ্ক ও লজ্জাজনক।
অভিযোগ রয়েছে, তার প্রতারণার কারণে আগৈলঝাড়ার বহু পরিবার সর্বস্বান্ত হয়েছে, কেউ বিক্রি করেছে জমি, কেউ নিয়েছে ঋণ। বর্তমানে ভুক্তভোগীরা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ওসি মো. অলিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বিষ্ণুপদের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলার সাজাসহ আগৈলঝাড়া থানায় ৬টি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে ‘

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১