ছবি: সংগৃহীত
পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার নাম পুনরায় পরিবর্তন করে ‘জিয়ানগর’ রাখা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে জারি হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, ২০ জানুয়ারি ২০২৫ অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনস্বার্থে এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপসচিব হেলেনা পারভীন স্বাক্ষর করে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রচেষ্টায় ২০০২ সালের ২৭ মার্চ পিরোজপুর সদর উপজেলার পারেরহাট, বালিপাড়া ও পত্তাশী ইউনিয়নের ৯৪.৫৯ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ১৯৭৬ সালে গঠিত ইন্দুরকানী থানাকে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ৮৭তম বৈঠকে ইন্দুরকানী থানাকে 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নামকরণের প্রস্তাব আনা হয়।
পরে ২০০২ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইন্দুরকানী সফর করে সাঈদীর প্রস্তাবিত নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নতুন এই উপজেলা উদ্বোধন করেছিলেন।
এরপর ২০১৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিকার সভায় পুনর্বিবেচনার পর উপজেলা ১৫ বছর পর ‘ইন্দুরকানী’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ আহম্মেদ বলেন, ‘পুনরায় জিয়ানগর নাম ফিরে পাওয়ায় দলের নেতাকর্মীসহ আমরা আনন্দিত। আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী করেছিল।’
পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মাসুদ সাঈদী তার ফেসবুক পোস্টে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর আমি অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের কাছে 'ইন্দুরকানী' নাম পরিবর্তন করে পুনরায় সাঈদীর রাখা নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' করণের দাবি নিয়ে জিয়ানগরের ৩ হাজার মানুষের স্বাক্ষরসংবলিত একটি স্মারক মন্ত্রণালয়ে গিয়ে জমা প্রদান করি।
আমার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলার নাম পরিবর্তন করে সাঈদীর দেওয়া জিয়ানগর নাম পুনর্বহালে জনমত যাচাইয়ে উপজেলার তিন স্থানে জনসমীক্ষার জন্য একটি টিম পাঠিয়েছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। জনমত সমীক্ষা শেষে দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও এ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
অবশেষে চলতি বছরের (২০২৬) শুরুর দিকে আমি আবারও অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, এই জানুয়ারিতেই আমরা নিকারের মিটিং করব এবং 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' হিসেবে ঘোষণা করব। সেই কথা অনুযায়ী গত ৬ মাঘ ১৪৩২ তারিখের নিকারের সভায় 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, যা এখন শুধু গেজেট আকারে প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায়।
শুরু থেকে নিয়ে এই পর্যন্ত 'ইন্দুরকানী উপজেলা'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর উপজেলা' হিসেবে ঘোষণা করার এই কাজে যে বা যারা আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, পাশে থেকেছেন; তাদের প্রত্যেককেই আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুকরিয়া জানাচ্ছি। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ১৫ বছর পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমি বিশেষভাবে জিয়ানগরের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে অশেষ ধন্যবাদ ও মুবারকবাদ জানাচ্ছি।
আমি একই সাথে জিয়ানগর উপজেলার সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণকেও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বরিশাল টাইমস

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
পিরোজপুরের নাজিরপুরে নিজের মেয়েকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগে অহিদুল মোল্লা নামের একজনকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত অহিদুল মোল্লা বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার ডোবাতলা গ্রামের ফজর আলীর ছেলে। তিনি নাজিরপুরের মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাস করেন। পেশায় একজন অটোচালক।
স্থানীয় বাসিন্দা হাসান মিয়াসহ একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অহিদুলের প্রথম স্ত্রী কয়েক বছর আগে এই আশ্রয়ণ প্রকল্পেই বিষপানে আত্মহত্যা করেন। প্রথম স্ত্রীর গর্ভে যমজ ছেলে ও ১২ বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। ভিকটিম শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর অহিদুল পুনরায় বিবাহ করেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী বর্তমানে প্রবাসে থাকায় ঘরে তিন সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছিলেন।
ভুক্তভোগী শিশু জানায়, তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘ ৬ মাস ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন তার বাবা। দুই মাস আগে বিষয়টি দাদিকে জানালে তিনি কাউকে বলতে নিষেধ করেন। ঘটনা প্রকাশ করলে তাকে হত্যার হুমকি দেন অহিদুল। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সোমবার সকালে শিশুটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের কাছে বিষয়টি প্রকাশ করে। পরে অহিদুল বাড়িতে ফিরলে স্থানীয়রা তাকে গণটিুনি দেন। একপর্যায়ে অপরাধ স্বীকার করেন অহিদুল।
খবর পেয়ে নাজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় অহিদুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভর্তি করা হয়।
নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পিরোজপুরের নাজিরপুরে নিজের মেয়েকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগে অহিদুল মোল্লা নামের একজনকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত অহিদুল মোল্লা বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার ডোবাতলা গ্রামের ফজর আলীর ছেলে। তিনি নাজিরপুরের মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাস করেন। পেশায় একজন অটোচালক।
স্থানীয় বাসিন্দা হাসান মিয়াসহ একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অহিদুলের প্রথম স্ত্রী কয়েক বছর আগে এই আশ্রয়ণ প্রকল্পেই বিষপানে আত্মহত্যা করেন। প্রথম স্ত্রীর গর্ভে যমজ ছেলে ও ১২ বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। ভিকটিম শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর অহিদুল পুনরায় বিবাহ করেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী বর্তমানে প্রবাসে থাকায় ঘরে তিন সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছিলেন।
ভুক্তভোগী শিশু জানায়, তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘ ৬ মাস ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন তার বাবা। দুই মাস আগে বিষয়টি দাদিকে জানালে তিনি কাউকে বলতে নিষেধ করেন। ঘটনা প্রকাশ করলে তাকে হত্যার হুমকি দেন অহিদুল। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সোমবার সকালে শিশুটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের কাছে বিষয়টি প্রকাশ করে। পরে অহিদুল বাড়িতে ফিরলে স্থানীয়রা তাকে গণটিুনি দেন। একপর্যায়ে অপরাধ স্বীকার করেন অহিদুল।
খবর পেয়ে নাজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় অহিদুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভর্তি করা হয়।
নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:২৩
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মো. আবুল মল্লিক (৫৫) নামে এক অসহায় চা দোকানির লাশ নিজের দোকানের ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নের কামারকাঠি ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আবুল মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি অনেক সময় অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। পাশাপাশি সংসারে ছিল চরম অভাব-অনটন। একসময় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করলেও প্রায় পাঁচ বছর ধরে অসুস্থ থাকায় সেই কাজ করতে পারতেন না। পরে ধারদেনা করে বাড়ির সামনে একটি ছোট চায়ের দোকান দেন। তবে দোকান থেকেও সংসারের অভাব দূর হয়নি।
নিহতের মেয়ের জামাই আবীর হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার আবুল মল্লিককে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। প্রতিদিনের মতো রাতে তিনি নিজের চা দোকানেই ঘুমিয়ে ছিলেন। বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় তাকে ডাকতে যান স্বজনরা। একপর্যায়ে দোকানের ফাঁক দিয়ে গলায় লাইলনের রশি পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. হারুন বলেন, আবুল মল্লিক অত্যন্ত অসহায় ছিলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পাশাপাশি সংসারে অভাব থাকায় তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের অনেক সময় ভিক্ষা করে সংসার চালাতে হয়েছে। গতকালও তাকে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে বলে জানান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মো. আবুল মল্লিক (৫৫) নামে এক অসহায় চা দোকানির লাশ নিজের দোকানের ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নের কামারকাঠি ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আবুল মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি অনেক সময় অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। পাশাপাশি সংসারে ছিল চরম অভাব-অনটন। একসময় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করলেও প্রায় পাঁচ বছর ধরে অসুস্থ থাকায় সেই কাজ করতে পারতেন না। পরে ধারদেনা করে বাড়ির সামনে একটি ছোট চায়ের দোকান দেন। তবে দোকান থেকেও সংসারের অভাব দূর হয়নি।
নিহতের মেয়ের জামাই আবীর হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার আবুল মল্লিককে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। প্রতিদিনের মতো রাতে তিনি নিজের চা দোকানেই ঘুমিয়ে ছিলেন। বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় তাকে ডাকতে যান স্বজনরা। একপর্যায়ে দোকানের ফাঁক দিয়ে গলায় লাইলনের রশি পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. হারুন বলেন, আবুল মল্লিক অত্যন্ত অসহায় ছিলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পাশাপাশি সংসারে অভাব থাকায় তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের অনেক সময় ভিক্ষা করে সংসার চালাতে হয়েছে। গতকালও তাকে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে বলে জানান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ২২:২৯
পিরোজপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ইসলামের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে পিরোজপুর শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় এলাকায় শহীদ ওমর ফারুক কিন্ডারগার্টেনের পেছনে একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন- স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ওই কক্ষে অষ্টম শ্রেণির প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে কোচিং করাচ্ছিলেন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর সুযোগ নেই। এছাড়া পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় বর্তমানে জেলার সব ধরনের কোচিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে ওই শিক্ষক নিয়মিত কোচিং করাচ্ছেন এমন তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে আসে। পরে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের জন্য সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
হামলার শিকার চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত বলেন, সরকারি আইন অমান্য করে আরাফাতুর রহমান নামে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য করছেন এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমিসহ আমার দুই সহকর্মী সাংবাদিকদের ওপরে শিক্ষক আরাফাতুর রহমান অতর্কিত হামলা চালান। এসময় তিনি আমাদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি এবং আমাদের সাথে কোনো কথা বলতে চাননি। তিনি তার কোচিং সেন্টারের পিয়ন ও কিছু শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করেন। আমরা কোনোমতে সেখান থেকে বের হয়ে চলে আসি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আরাফাত ইসলামকে ঘটনার সত্যতা জানতে মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করে ঘটনার বিষয় কোনো বক্তব্য দেননি। ব্যস্ত আছি বলে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে আবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবর তালুকদার বলেন, ১০-১৫ দিন আগেই স্কুলের সকল শিক্ষককে কোচিং না করানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমার জানামতে আমার স্কুলের সকল শিক্ষক এই নির্দেশনা মেনে চলছে কিন্তু কোচিং বিষয়ে সাংবাদিকরা নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে শিক্ষকের সাথে একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমাদের বিদ্যালয়ের সভাপতি পিরোজপুর জেলা প্রশাসক (আবু সাঈদ) তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, কোচিং সংক্রান্ত নিউজ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক শিক্ষক কর্তৃক আক্রমণের শিকার হয়েছে, এরকম একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং পরিচালনার অভিযোগ তদন্ত এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ইসলামের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে পিরোজপুর শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় এলাকায় শহীদ ওমর ফারুক কিন্ডারগার্টেনের পেছনে একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন- স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ওই কক্ষে অষ্টম শ্রেণির প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে কোচিং করাচ্ছিলেন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর সুযোগ নেই। এছাড়া পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় বর্তমানে জেলার সব ধরনের কোচিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে ওই শিক্ষক নিয়মিত কোচিং করাচ্ছেন এমন তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে আসে। পরে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের জন্য সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
হামলার শিকার চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত বলেন, সরকারি আইন অমান্য করে আরাফাতুর রহমান নামে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য করছেন এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমিসহ আমার দুই সহকর্মী সাংবাদিকদের ওপরে শিক্ষক আরাফাতুর রহমান অতর্কিত হামলা চালান। এসময় তিনি আমাদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি এবং আমাদের সাথে কোনো কথা বলতে চাননি। তিনি তার কোচিং সেন্টারের পিয়ন ও কিছু শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করেন। আমরা কোনোমতে সেখান থেকে বের হয়ে চলে আসি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আরাফাত ইসলামকে ঘটনার সত্যতা জানতে মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করে ঘটনার বিষয় কোনো বক্তব্য দেননি। ব্যস্ত আছি বলে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে আবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবর তালুকদার বলেন, ১০-১৫ দিন আগেই স্কুলের সকল শিক্ষককে কোচিং না করানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমার জানামতে আমার স্কুলের সকল শিক্ষক এই নির্দেশনা মেনে চলছে কিন্তু কোচিং বিষয়ে সাংবাদিকরা নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে শিক্ষকের সাথে একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমাদের বিদ্যালয়ের সভাপতি পিরোজপুর জেলা প্রশাসক (আবু সাঈদ) তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, কোচিং সংক্রান্ত নিউজ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক শিক্ষক কর্তৃক আক্রমণের শিকার হয়েছে, এরকম একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং পরিচালনার অভিযোগ তদন্ত এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫৩
পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার নাম পুনরায় পরিবর্তন করে ‘জিয়ানগর’ রাখা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে জারি হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, ২০ জানুয়ারি ২০২৫ অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনস্বার্থে এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপসচিব হেলেনা পারভীন স্বাক্ষর করে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রচেষ্টায় ২০০২ সালের ২৭ মার্চ পিরোজপুর সদর উপজেলার পারেরহাট, বালিপাড়া ও পত্তাশী ইউনিয়নের ৯৪.৫৯ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ১৯৭৬ সালে গঠিত ইন্দুরকানী থানাকে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ৮৭তম বৈঠকে ইন্দুরকানী থানাকে 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নামকরণের প্রস্তাব আনা হয়।
পরে ২০০২ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইন্দুরকানী সফর করে সাঈদীর প্রস্তাবিত নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নতুন এই উপজেলা উদ্বোধন করেছিলেন।
এরপর ২০১৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিকার সভায় পুনর্বিবেচনার পর উপজেলা ১৫ বছর পর ‘ইন্দুরকানী’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ আহম্মেদ বলেন, ‘পুনরায় জিয়ানগর নাম ফিরে পাওয়ায় দলের নেতাকর্মীসহ আমরা আনন্দিত। আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী করেছিল।’
পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মাসুদ সাঈদী তার ফেসবুক পোস্টে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর আমি অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের কাছে 'ইন্দুরকানী' নাম পরিবর্তন করে পুনরায় সাঈদীর রাখা নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' করণের দাবি নিয়ে জিয়ানগরের ৩ হাজার মানুষের স্বাক্ষরসংবলিত একটি স্মারক মন্ত্রণালয়ে গিয়ে জমা প্রদান করি।
আমার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলার নাম পরিবর্তন করে সাঈদীর দেওয়া জিয়ানগর নাম পুনর্বহালে জনমত যাচাইয়ে উপজেলার তিন স্থানে জনসমীক্ষার জন্য একটি টিম পাঠিয়েছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। জনমত সমীক্ষা শেষে দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও এ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
অবশেষে চলতি বছরের (২০২৬) শুরুর দিকে আমি আবারও অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, এই জানুয়ারিতেই আমরা নিকারের মিটিং করব এবং 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' হিসেবে ঘোষণা করব। সেই কথা অনুযায়ী গত ৬ মাঘ ১৪৩২ তারিখের নিকারের সভায় 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, যা এখন শুধু গেজেট আকারে প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায়।
শুরু থেকে নিয়ে এই পর্যন্ত 'ইন্দুরকানী উপজেলা'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর উপজেলা' হিসেবে ঘোষণা করার এই কাজে যে বা যারা আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, পাশে থেকেছেন; তাদের প্রত্যেককেই আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুকরিয়া জানাচ্ছি। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ১৫ বছর পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমি বিশেষভাবে জিয়ানগরের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে অশেষ ধন্যবাদ ও মুবারকবাদ জানাচ্ছি।
আমি একই সাথে জিয়ানগর উপজেলার সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণকেও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বরিশাল টাইমস
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪