
০৩ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫৩
পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার নাম পুনরায় পরিবর্তন করে ‘জিয়ানগর’ রাখা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে জারি হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, ২০ জানুয়ারি ২০২৫ অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনস্বার্থে এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপসচিব হেলেনা পারভীন স্বাক্ষর করে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রচেষ্টায় ২০০২ সালের ২৭ মার্চ পিরোজপুর সদর উপজেলার পারেরহাট, বালিপাড়া ও পত্তাশী ইউনিয়নের ৯৪.৫৯ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ১৯৭৬ সালে গঠিত ইন্দুরকানী থানাকে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ৮৭তম বৈঠকে ইন্দুরকানী থানাকে 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নামকরণের প্রস্তাব আনা হয়।
পরে ২০০২ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইন্দুরকানী সফর করে সাঈদীর প্রস্তাবিত নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নতুন এই উপজেলা উদ্বোধন করেছিলেন।
এরপর ২০১৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিকার সভায় পুনর্বিবেচনার পর উপজেলা ১৫ বছর পর ‘ইন্দুরকানী’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ আহম্মেদ বলেন, ‘পুনরায় জিয়ানগর নাম ফিরে পাওয়ায় দলের নেতাকর্মীসহ আমরা আনন্দিত। আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী করেছিল।’
পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মাসুদ সাঈদী তার ফেসবুক পোস্টে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর আমি অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের কাছে 'ইন্দুরকানী' নাম পরিবর্তন করে পুনরায় সাঈদীর রাখা নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' করণের দাবি নিয়ে জিয়ানগরের ৩ হাজার মানুষের স্বাক্ষরসংবলিত একটি স্মারক মন্ত্রণালয়ে গিয়ে জমা প্রদান করি।
আমার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলার নাম পরিবর্তন করে সাঈদীর দেওয়া জিয়ানগর নাম পুনর্বহালে জনমত যাচাইয়ে উপজেলার তিন স্থানে জনসমীক্ষার জন্য একটি টিম পাঠিয়েছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। জনমত সমীক্ষা শেষে দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও এ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
অবশেষে চলতি বছরের (২০২৬) শুরুর দিকে আমি আবারও অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, এই জানুয়ারিতেই আমরা নিকারের মিটিং করব এবং 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' হিসেবে ঘোষণা করব। সেই কথা অনুযায়ী গত ৬ মাঘ ১৪৩২ তারিখের নিকারের সভায় 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, যা এখন শুধু গেজেট আকারে প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায়।
শুরু থেকে নিয়ে এই পর্যন্ত 'ইন্দুরকানী উপজেলা'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর উপজেলা' হিসেবে ঘোষণা করার এই কাজে যে বা যারা আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, পাশে থেকেছেন; তাদের প্রত্যেককেই আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুকরিয়া জানাচ্ছি। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ১৫ বছর পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমি বিশেষভাবে জিয়ানগরের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে অশেষ ধন্যবাদ ও মুবারকবাদ জানাচ্ছি।
আমি একই সাথে জিয়ানগর উপজেলার সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণকেও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার নাম পুনরায় পরিবর্তন করে ‘জিয়ানগর’ রাখা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে জারি হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, ২০ জানুয়ারি ২০২৫ অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনস্বার্থে এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপসচিব হেলেনা পারভীন স্বাক্ষর করে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রচেষ্টায় ২০০২ সালের ২৭ মার্চ পিরোজপুর সদর উপজেলার পারেরহাট, বালিপাড়া ও পত্তাশী ইউনিয়নের ৯৪.৫৯ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ১৯৭৬ সালে গঠিত ইন্দুরকানী থানাকে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ৮৭তম বৈঠকে ইন্দুরকানী থানাকে 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নামকরণের প্রস্তাব আনা হয়।
পরে ২০০২ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইন্দুরকানী সফর করে সাঈদীর প্রস্তাবিত নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নতুন এই উপজেলা উদ্বোধন করেছিলেন।
এরপর ২০১৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিকার সভায় পুনর্বিবেচনার পর উপজেলা ১৫ বছর পর ‘ইন্দুরকানী’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ আহম্মেদ বলেন, ‘পুনরায় জিয়ানগর নাম ফিরে পাওয়ায় দলের নেতাকর্মীসহ আমরা আনন্দিত। আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী করেছিল।’
পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মাসুদ সাঈদী তার ফেসবুক পোস্টে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর আমি অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের কাছে 'ইন্দুরকানী' নাম পরিবর্তন করে পুনরায় সাঈদীর রাখা নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' করণের দাবি নিয়ে জিয়ানগরের ৩ হাজার মানুষের স্বাক্ষরসংবলিত একটি স্মারক মন্ত্রণালয়ে গিয়ে জমা প্রদান করি।
আমার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলার নাম পরিবর্তন করে সাঈদীর দেওয়া জিয়ানগর নাম পুনর্বহালে জনমত যাচাইয়ে উপজেলার তিন স্থানে জনসমীক্ষার জন্য একটি টিম পাঠিয়েছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। জনমত সমীক্ষা শেষে দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও এ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
অবশেষে চলতি বছরের (২০২৬) শুরুর দিকে আমি আবারও অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, এই জানুয়ারিতেই আমরা নিকারের মিটিং করব এবং 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' হিসেবে ঘোষণা করব। সেই কথা অনুযায়ী গত ৬ মাঘ ১৪৩২ তারিখের নিকারের সভায় 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, যা এখন শুধু গেজেট আকারে প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায়।
শুরু থেকে নিয়ে এই পর্যন্ত 'ইন্দুরকানী উপজেলা'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর উপজেলা' হিসেবে ঘোষণা করার এই কাজে যে বা যারা আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, পাশে থেকেছেন; তাদের প্রত্যেককেই আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুকরিয়া জানাচ্ছি। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ১৫ বছর পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমি বিশেষভাবে জিয়ানগরের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে অশেষ ধন্যবাদ ও মুবারকবাদ জানাচ্ছি।
আমি একই সাথে জিয়ানগর উপজেলার সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণকেও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বরিশাল টাইমস
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩

১৭ জুন, ২০২৬ ১২:৩৬
পিরোজপুরের জিয়ানগরে সুমাইয়া আক্তার (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর অন্তরঙ্গ ছবি ছড়িয়ে পড়ায় বিষপানে মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের চর-গাজীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমাইয়া আক্তার বারইখালী সপ্তগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী এবং চর-গাজীপুর গ্রামের মো. মামুন শেখের মেয়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুমাইয়ার সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সালমানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের কিছু অন্তরঙ্গ ছবি স্থানীয় সিয়াম নামে এক যুবকের মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে সিয়াম ওই ছবিগুলো রিয়াজ নামে আরেক যুবককে দেখায়। পরবর্তীতে রিয়াজ সবাইকে জানিয়ে দেয়। বিষয়টি নিয়ে সিয়াম ও রিয়াজসহ কয়েকজন যুবকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এগুলো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সুমাইয়া ও তার পরিবার সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সুমাইয়ার বাবা তাকে বকাঝকা করেন। এতে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। একপর্যায়ে ঘরে থাকা উকুননাশক ওষুধ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর স্বজনরা তাকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বাবা মো. মামুন শেখ বলেন, মেয়েকে ওই বিষয়টি নিষেধ করার পর সে অভিমান করে বিষাক্ত ওষুধ পান করে।
এ বিষয়ে সিয়াম ও রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহাব্বাত খান জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের জিয়ানগরে সুমাইয়া আক্তার (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর অন্তরঙ্গ ছবি ছড়িয়ে পড়ায় বিষপানে মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের চর-গাজীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমাইয়া আক্তার বারইখালী সপ্তগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী এবং চর-গাজীপুর গ্রামের মো. মামুন শেখের মেয়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুমাইয়ার সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সালমানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের কিছু অন্তরঙ্গ ছবি স্থানীয় সিয়াম নামে এক যুবকের মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে সিয়াম ওই ছবিগুলো রিয়াজ নামে আরেক যুবককে দেখায়। পরবর্তীতে রিয়াজ সবাইকে জানিয়ে দেয়। বিষয়টি নিয়ে সিয়াম ও রিয়াজসহ কয়েকজন যুবকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এগুলো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সুমাইয়া ও তার পরিবার সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সুমাইয়ার বাবা তাকে বকাঝকা করেন। এতে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। একপর্যায়ে ঘরে থাকা উকুননাশক ওষুধ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর স্বজনরা তাকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বাবা মো. মামুন শেখ বলেন, মেয়েকে ওই বিষয়টি নিষেধ করার পর সে অভিমান করে বিষাক্ত ওষুধ পান করে।
এ বিষয়ে সিয়াম ও রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহাব্বাত খান জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৬ জুন, ২০২৬ ১২:৩৩
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আলোচিত পোশাক ব্যবসায়ী আবদুল কাইয়ুম হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। আদালতে নিহতের মা মিনারা বেগম (৫৩) নিজে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, গত ২৪ মে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার মিনারা বেগম আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবদুল কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন মাদকের টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মা ও ছেলের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে মিনারা বেগম ঘরে থাকা কুড়াল দিয়ে ছেলেকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় কাইয়ুমের মৃত্যু হয়।
নিহতের ব্যবহৃত মানিব্যাগ তল্লাশি করে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনার বিভিন্ন আলামত, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আলোচিত পোশাক ব্যবসায়ী আবদুল কাইয়ুম হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। আদালতে নিহতের মা মিনারা বেগম (৫৩) নিজে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, গত ২৪ মে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার মিনারা বেগম আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবদুল কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন মাদকের টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মা ও ছেলের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে মিনারা বেগম ঘরে থাকা কুড়াল দিয়ে ছেলেকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় কাইয়ুমের মৃত্যু হয়।
নিহতের ব্যবহৃত মানিব্যাগ তল্লাশি করে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনার বিভিন্ন আলামত, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:১৮
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় গৃহবধূর পরকীয়া দেখে ফেলায় নমিতা রানী নামে এক বৃদ্ধকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে জেলার ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানুয়া এলাকার জামাল কাজীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কামাল পঞ্চায়েত জিয়ানগর উপজেলার দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত আবু পঞ্চায়েতের ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির মধ্যে থাকা কামাল পঞ্চায়েত গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আসছিলেন। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ এর সদস্যরা ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানু এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সেখানে আত্মগোপনে থাকা নমিতা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে আটক করা হয়।
জিয়ানগর থানার ওসি মো. মোহব্বত খান বলেন, রাত ৯টার দিকে ভান্ডারিয়া উপজেলা থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামালকে র্যাব-৮ সদস্যরা গ্রেপ্তার করেছেন। পরে আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে আসামি কামালকে হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
এর আগে গত (২৮ মে) জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কলারন গ্রামের রাধেশ্যাম চন্দ্র পালের স্ত্রী নমিতা রানী পালকে পুত্রবধূ বন্যা রানী পাল ও তার পরকীয়া প্রেমিক কামাল পঞ্চায়েত শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় পরদিন ২৯ মে নিহতের স্বামী রাধেশ্যাম চন্দ্র জিয়ানগরের ইন্দুরকানী থানায় বাদী হয়ে অভিযুক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এ সময় ওই গৃহবধূ বন্যা রানী (৩২) ও তার মামা তাপস দেবনাথকে (৪৪) গ্রেপ্তার করে।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যা রানী ও কামাল পঞ্চায়েতের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক থাকায় শাশুড়ি প্রায় সময় বাধা দিত। ঘটনার দিন অন্তরঙ্গ অবস্থায় তাদের দেখে ফেলায় অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ বিচার দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় গৃহবধূর পরকীয়া দেখে ফেলায় নমিতা রানী নামে এক বৃদ্ধকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে জেলার ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানুয়া এলাকার জামাল কাজীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কামাল পঞ্চায়েত জিয়ানগর উপজেলার দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত আবু পঞ্চায়েতের ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির মধ্যে থাকা কামাল পঞ্চায়েত গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আসছিলেন। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ এর সদস্যরা ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটকানু এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সেখানে আত্মগোপনে থাকা নমিতা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামাল পঞ্চায়েতকে আটক করা হয়।
জিয়ানগর থানার ওসি মো. মোহব্বত খান বলেন, রাত ৯টার দিকে ভান্ডারিয়া উপজেলা থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামালকে র্যাব-৮ সদস্যরা গ্রেপ্তার করেছেন। পরে আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে আসামি কামালকে হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
এর আগে গত (২৮ মে) জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কলারন গ্রামের রাধেশ্যাম চন্দ্র পালের স্ত্রী নমিতা রানী পালকে পুত্রবধূ বন্যা রানী পাল ও তার পরকীয়া প্রেমিক কামাল পঞ্চায়েত শ্বাসরোধে হত্যা করে। এ ঘটনায় পরদিন ২৯ মে নিহতের স্বামী রাধেশ্যাম চন্দ্র জিয়ানগরের ইন্দুরকানী থানায় বাদী হয়ে অভিযুক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এ সময় ওই গৃহবধূ বন্যা রানী (৩২) ও তার মামা তাপস দেবনাথকে (৪৪) গ্রেপ্তার করে।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যা রানী ও কামাল পঞ্চায়েতের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক থাকায় শাশুড়ি প্রায় সময় বাধা দিত। ঘটনার দিন অন্তরঙ্গ অবস্থায় তাদের দেখে ফেলায় অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ বিচার দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.