Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫৩
পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার নাম পুনরায় পরিবর্তন করে ‘জিয়ানগর’ রাখা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে জারি হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, ২০ জানুয়ারি ২০২৫ অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনস্বার্থে এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপসচিব হেলেনা পারভীন স্বাক্ষর করে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রচেষ্টায় ২০০২ সালের ২৭ মার্চ পিরোজপুর সদর উপজেলার পারেরহাট, বালিপাড়া ও পত্তাশী ইউনিয়নের ৯৪.৫৯ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ১৯৭৬ সালে গঠিত ইন্দুরকানী থানাকে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ৮৭তম বৈঠকে ইন্দুরকানী থানাকে 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নামকরণের প্রস্তাব আনা হয়।
পরে ২০০২ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইন্দুরকানী সফর করে সাঈদীর প্রস্তাবিত নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নতুন এই উপজেলা উদ্বোধন করেছিলেন।
এরপর ২০১৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিকার সভায় পুনর্বিবেচনার পর উপজেলা ১৫ বছর পর ‘ইন্দুরকানী’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ আহম্মেদ বলেন, ‘পুনরায় জিয়ানগর নাম ফিরে পাওয়ায় দলের নেতাকর্মীসহ আমরা আনন্দিত। আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী করেছিল।’
পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মাসুদ সাঈদী তার ফেসবুক পোস্টে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর আমি অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের কাছে 'ইন্দুরকানী' নাম পরিবর্তন করে পুনরায় সাঈদীর রাখা নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' করণের দাবি নিয়ে জিয়ানগরের ৩ হাজার মানুষের স্বাক্ষরসংবলিত একটি স্মারক মন্ত্রণালয়ে গিয়ে জমা প্রদান করি।
আমার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলার নাম পরিবর্তন করে সাঈদীর দেওয়া জিয়ানগর নাম পুনর্বহালে জনমত যাচাইয়ে উপজেলার তিন স্থানে জনসমীক্ষার জন্য একটি টিম পাঠিয়েছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। জনমত সমীক্ষা শেষে দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও এ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
অবশেষে চলতি বছরের (২০২৬) শুরুর দিকে আমি আবারও অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, এই জানুয়ারিতেই আমরা নিকারের মিটিং করব এবং 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' হিসেবে ঘোষণা করব। সেই কথা অনুযায়ী গত ৬ মাঘ ১৪৩২ তারিখের নিকারের সভায় 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, যা এখন শুধু গেজেট আকারে প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায়।
শুরু থেকে নিয়ে এই পর্যন্ত 'ইন্দুরকানী উপজেলা'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর উপজেলা' হিসেবে ঘোষণা করার এই কাজে যে বা যারা আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, পাশে থেকেছেন; তাদের প্রত্যেককেই আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুকরিয়া জানাচ্ছি। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ১৫ বছর পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমি বিশেষভাবে জিয়ানগরের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে অশেষ ধন্যবাদ ও মুবারকবাদ জানাচ্ছি।
আমি একই সাথে জিয়ানগর উপজেলার সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণকেও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার নাম পুনরায় পরিবর্তন করে ‘জিয়ানগর’ রাখা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে জারি হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, ২০ জানুয়ারি ২০২৫ অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনস্বার্থে এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপসচিব হেলেনা পারভীন স্বাক্ষর করে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রচেষ্টায় ২০০২ সালের ২৭ মার্চ পিরোজপুর সদর উপজেলার পারেরহাট, বালিপাড়া ও পত্তাশী ইউনিয়নের ৯৪.৫৯ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ১৯৭৬ সালে গঠিত ইন্দুরকানী থানাকে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ৮৭তম বৈঠকে ইন্দুরকানী থানাকে 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নামকরণের প্রস্তাব আনা হয়।
পরে ২০০২ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইন্দুরকানী সফর করে সাঈদীর প্রস্তাবিত নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নতুন এই উপজেলা উদ্বোধন করেছিলেন।
এরপর ২০১৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিকার সভায় পুনর্বিবেচনার পর উপজেলা ১৫ বছর পর ‘ইন্দুরকানী’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ আহম্মেদ বলেন, ‘পুনরায় জিয়ানগর নাম ফিরে পাওয়ায় দলের নেতাকর্মীসহ আমরা আনন্দিত। আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী করেছিল।’
পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মাসুদ সাঈদী তার ফেসবুক পোস্টে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর আমি অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের কাছে 'ইন্দুরকানী' নাম পরিবর্তন করে পুনরায় সাঈদীর রাখা নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' করণের দাবি নিয়ে জিয়ানগরের ৩ হাজার মানুষের স্বাক্ষরসংবলিত একটি স্মারক মন্ত্রণালয়ে গিয়ে জমা প্রদান করি।
আমার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলার নাম পরিবর্তন করে সাঈদীর দেওয়া জিয়ানগর নাম পুনর্বহালে জনমত যাচাইয়ে উপজেলার তিন স্থানে জনসমীক্ষার জন্য একটি টিম পাঠিয়েছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। জনমত সমীক্ষা শেষে দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও এ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
অবশেষে চলতি বছরের (২০২৬) শুরুর দিকে আমি আবারও অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, এই জানুয়ারিতেই আমরা নিকারের মিটিং করব এবং 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' হিসেবে ঘোষণা করব। সেই কথা অনুযায়ী গত ৬ মাঘ ১৪৩২ তারিখের নিকারের সভায় 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, যা এখন শুধু গেজেট আকারে প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায়।
শুরু থেকে নিয়ে এই পর্যন্ত 'ইন্দুরকানী উপজেলা'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর উপজেলা' হিসেবে ঘোষণা করার এই কাজে যে বা যারা আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, পাশে থেকেছেন; তাদের প্রত্যেককেই আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুকরিয়া জানাচ্ছি। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ১৫ বছর পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমি বিশেষভাবে জিয়ানগরের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে অশেষ ধন্যবাদ ও মুবারকবাদ জানাচ্ছি।
আমি একই সাথে জিয়ানগর উপজেলার সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণকেও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বরিশাল টাইমস

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদে চুরির অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে মারধরের পর অপমান সইতে না পেরে আবদুল্লাহ আল মামুন সবুজ (৩৩) নামের এক অটোচালক বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সোমবার রাত ৮টার দিকে বরিশালের শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান অটোচালক সবুজ।
নিহত সবুজ উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বালিয়ারী গ্রামের হুমায়ুন কবির খানের ছেলে।
নিহতের মা শাহিদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাত। গত ১ মার্চ সকাল ১০টার দিকে গ্রাম চৌকিদার মো. হানিফ, স্থানীয় দোকানদার রুবেল ও আবদুল হাই তাকে সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে যায়। বিকেল ৩টার দিকে আমাদের ও তার শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে জানানো হয়, সে নাকি দুটি দোকান থেকে সিগারেট ও টাকা চুরি করেছে। আমরা গিয়ে দেখি, তাকে বেদম পিটিয়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাড়িতে ফিরে লজ্জা ও কষ্টে সে বিষ পান করে।
নিহতের স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, আমার স্বামী চোর নয়। জোর করে তাকে নিয়ে গিয়ে মারধর করে চুরির স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে। আমার বাবার সামনেও তাকে মারধর করা হয়। পাঁচ বছর বয়সী ছেলে জুনায়েদের মাথায় হাত রেখে জিজ্ঞেস করলে সে বলেছিল, সে চুরি করেনি। মিথ্যা অপবাদ সইতে না পেরে সে আত্মহত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।
ওয়ার্ড চৌকিদার মো. হানিফ মোবাইল ফোনে বলেন, সবুজ তার বাড়ির পাশের দুই দোকানে চুরির কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে। ইউনিয়ন পরিষদে এনে তার বিচার করা হয়েছে। পরে শুনেছি, সে বাড়িতে গিয়ে বিষ খেয়েছে। এর জন্য আমরা কী করতে পারি? বলে ফোনটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।
সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শানু বলেন, সে চুরির কথা স্বীকার করেছিল। উপস্থিত লোকজন উত্তেজিত হয়ে কয়েকটি কিল-ঘুসি দিয়েছে। হয়তো লজ্জা ও মানসিক কষ্টে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন সবুজ নামে এক যুবকের লাশ থানায় আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রোববার ইফতারের সময় বিষ পান করেন। সোমবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ দোষী হলে ছাড় পাবে না।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের নেছারাবাদে চুরির অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে মারধরের পর অপমান সইতে না পেরে আবদুল্লাহ আল মামুন সবুজ (৩৩) নামের এক অটোচালক বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সোমবার রাত ৮টার দিকে বরিশালের শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান অটোচালক সবুজ।
নিহত সবুজ উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বালিয়ারী গ্রামের হুমায়ুন কবির খানের ছেলে।
নিহতের মা শাহিদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাত। গত ১ মার্চ সকাল ১০টার দিকে গ্রাম চৌকিদার মো. হানিফ, স্থানীয় দোকানদার রুবেল ও আবদুল হাই তাকে সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে যায়। বিকেল ৩টার দিকে আমাদের ও তার শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে জানানো হয়, সে নাকি দুটি দোকান থেকে সিগারেট ও টাকা চুরি করেছে। আমরা গিয়ে দেখি, তাকে বেদম পিটিয়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাড়িতে ফিরে লজ্জা ও কষ্টে সে বিষ পান করে।
নিহতের স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, আমার স্বামী চোর নয়। জোর করে তাকে নিয়ে গিয়ে মারধর করে চুরির স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে। আমার বাবার সামনেও তাকে মারধর করা হয়। পাঁচ বছর বয়সী ছেলে জুনায়েদের মাথায় হাত রেখে জিজ্ঞেস করলে সে বলেছিল, সে চুরি করেনি। মিথ্যা অপবাদ সইতে না পেরে সে আত্মহত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।
ওয়ার্ড চৌকিদার মো. হানিফ মোবাইল ফোনে বলেন, সবুজ তার বাড়ির পাশের দুই দোকানে চুরির কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে। ইউনিয়ন পরিষদে এনে তার বিচার করা হয়েছে। পরে শুনেছি, সে বাড়িতে গিয়ে বিষ খেয়েছে। এর জন্য আমরা কী করতে পারি? বলে ফোনটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।
সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শানু বলেন, সে চুরির কথা স্বীকার করেছিল। উপস্থিত লোকজন উত্তেজিত হয়ে কয়েকটি কিল-ঘুসি দিয়েছে। হয়তো লজ্জা ও মানসিক কষ্টে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন সবুজ নামে এক যুবকের লাশ থানায় আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রোববার ইফতারের সময় বিষ পান করেন। সোমবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ দোষী হলে ছাড় পাবে না।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৬
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার রুহিতলাবুনিয়া গ্রামে অনলাইন জুয়া চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে এক সহকারী শিক্ষকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে নাজিরপুর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ২০(২), ২৪(২) ও ২৭(২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।অভিযুক্তরা হলেন রুহিতলাবুনিয়া গ্রামের কবির শেখের পুত্র রাজিব শেখ (২৫) এবং একই গ্রামের মৃত সোবাহান মোল্লার পুত্র রেজাউল (৪০)। রেজাউল স্থানীয় পিরোজপুর নাইট স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনলাইন জুয়া খেলে অর্জিত ছয় লাখ ৩১ হাজার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে রাজিব ও রেজাউলের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে বিরোধ চরমে পৌঁছালে প্রশাসনের নজরে আসে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুইটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় এবং নগদ এক লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অর্থ অনলাইন জুয়ার লেনদেনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
একজন শিক্ষক হয়ে সমাজবিধ্বংসী ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। সচেতন মহল বলছে, শিক্ষক সমাজের নৈতিক পথপ্রদর্শক। তার কাছ থেকে এমন অনৈতিক ও আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড শুধু নিন্দনীয়ই নয়, সমাজের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও হতাশাজনক।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, জব্দকৃত মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও গ্রেপ্তার হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নাজিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারুন-অর-রশীদ হাওলাদার বলেন, আমরা গত রাতে দুজনকে গ্রেফতার করেছি, এবং সাইবার মামলায় তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অনলাইন জুয়ার মতো ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধির সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সমাজকে কলুষিত করে এমন অবৈধ অনলাইন জুয়া সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে তৎপর রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযানে কঠোরতা অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার রুহিতলাবুনিয়া গ্রামে অনলাইন জুয়া চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে এক সহকারী শিক্ষকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে নাজিরপুর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ২০(২), ২৪(২) ও ২৭(২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।অভিযুক্তরা হলেন রুহিতলাবুনিয়া গ্রামের কবির শেখের পুত্র রাজিব শেখ (২৫) এবং একই গ্রামের মৃত সোবাহান মোল্লার পুত্র রেজাউল (৪০)। রেজাউল স্থানীয় পিরোজপুর নাইট স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনলাইন জুয়া খেলে অর্জিত ছয় লাখ ৩১ হাজার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে রাজিব ও রেজাউলের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে বিরোধ চরমে পৌঁছালে প্রশাসনের নজরে আসে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুইটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় এবং নগদ এক লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অর্থ অনলাইন জুয়ার লেনদেনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
একজন শিক্ষক হয়ে সমাজবিধ্বংসী ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। সচেতন মহল বলছে, শিক্ষক সমাজের নৈতিক পথপ্রদর্শক। তার কাছ থেকে এমন অনৈতিক ও আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড শুধু নিন্দনীয়ই নয়, সমাজের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও হতাশাজনক।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, জব্দকৃত মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও গ্রেপ্তার হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নাজিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারুন-অর-রশীদ হাওলাদার বলেন, আমরা গত রাতে দুজনকে গ্রেফতার করেছি, এবং সাইবার মামলায় তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অনলাইন জুয়ার মতো ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধির সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সমাজকে কলুষিত করে এমন অবৈধ অনলাইন জুয়া সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে তৎপর রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযানে কঠোরতা অব্যাহত থাকবে।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১০
পিরোজপুরের নেছারাবাদে চুরির অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে মারধর ও অপমানের প্রতিবাদে আব্দুল্লাহ আল মামুন সবুজ (৩৩) নামের এক অটোরিকশাচালক বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন।
সোমবার (২ মার্চ) রাত ৮টার দিকে বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সবুজ উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের বালিয়ারী গ্রামের হুমায়ুন কবির খানের ছেলে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় জনতা।
স্বজনদের অভিযোগ, রোববার (১ মার্চ) সকালে গ্রাম চৌকিদার হানিফসহ স্থানীয় কয়েকজন সবুজকে বাড়ি থেকে সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তাকে আটকে রেখে সিগারেট ও টাকা চুরির অভিযোগে মারধর করা হয়। বিকেলে পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নিহতের মা শাহিদা বেগম কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘আমার ছেলে অটোরিকশা চালিয়ে কষ্ট করে সংসার চালাত। তাকে পরিষদে নিয়ে বেদম পেটানো হয়েছে। এই অপমান সে সহ্য করতে পারেনি।’
সবুজের স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী নির্দোষ ছিলেন। আমার ৫ বছরের সন্তানের মাথায় হাত রেখে সে বলেছিল চুরি করেনি। জোর করে মারধর করে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে। বাবার সামনে মারধর করায় সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল।’
সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শানু মারধরের বিষয়টি আংশিক স্বীকার করে বলেন, ‘উত্তেজিত জনতা তাকে কিল-ঘুষি দিয়েছে। হয়তো সেই লজ্জা থেকেই সে বিষপান করেছে।’
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আনা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদে চুরির অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে মারধর ও অপমানের প্রতিবাদে আব্দুল্লাহ আল মামুন সবুজ (৩৩) নামের এক অটোরিকশাচালক বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন।
সোমবার (২ মার্চ) রাত ৮টার দিকে বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সবুজ উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের বালিয়ারী গ্রামের হুমায়ুন কবির খানের ছেলে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় জনতা।
স্বজনদের অভিযোগ, রোববার (১ মার্চ) সকালে গ্রাম চৌকিদার হানিফসহ স্থানীয় কয়েকজন সবুজকে বাড়ি থেকে সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তাকে আটকে রেখে সিগারেট ও টাকা চুরির অভিযোগে মারধর করা হয়। বিকেলে পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নিহতের মা শাহিদা বেগম কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘আমার ছেলে অটোরিকশা চালিয়ে কষ্ট করে সংসার চালাত। তাকে পরিষদে নিয়ে বেদম পেটানো হয়েছে। এই অপমান সে সহ্য করতে পারেনি।’
সবুজের স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী নির্দোষ ছিলেন। আমার ৫ বছরের সন্তানের মাথায় হাত রেখে সে বলেছিল চুরি করেনি। জোর করে মারধর করে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে। বাবার সামনে মারধর করায় সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল।’
সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শানু মারধরের বিষয়টি আংশিক স্বীকার করে বলেন, ‘উত্তেজিত জনতা তাকে কিল-ঘুষি দিয়েছে। হয়তো সেই লজ্জা থেকেই সে বিষপান করেছে।’
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আনা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।’