Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

৩০ মে, ২০২৫ ১৫:৪৪
ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় অধিকাশং নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও রহস্যজনক কারণে ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর নাম আসেনি একটিতেও।
অনলাইন জুয়া বা বেটিং সাইট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। বিশেষ করে দেশের বিভাগ কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠা করে জেলা শহরগুলোতেও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই জিডিটাল জুয়ার বদৌলতে বিভাগীয় শহর বরিশালে কোটিপতি বনে গেছেন শওকত হোসেন অপু নামের নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা। বরিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অপু অর্ধযুগ ধরে এই অঞ্চলে জুয়ার নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অবৈধ উপার্জন দিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ভূ-সম্পত্তি ক্রয় করলেও তাকে আইনি কোনো ঝুটঝামেলায় জড়াতে হয়নি। জুয়া চালিয়ে শুধু অপুই বিত্তশালী বনে যাননি, তার পদঙ্ক অনুসারণ করে বরিশাল শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামরানও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে অর্ধ কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়েছেন।
ছাত্রলীগ নেতা অপু এবং তার সহযোগী কামরানের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন এমন অন্তত ১৫ যুবকের সাথে কথা বলেছে বরিশালটাইমস। তাদের মধ্যেকার একজন রুহুল আমিন, যিনি বরিশাল নৌবন্দর এলাকার হোটেল মালিক ছিলেন। পত্রিশোর্ধ্ব রুহুল আমিন অভিযোগ করেন, রসুলপুরের বাসিন্দা বছর তিনেক পূর্বে অর্থাৎ ২০২২ সালে অপুর সহযোগী কামরান প্রায়শই রাতে তার হোটেলে খেতে যেতেন। তখন রুহুল আমিনকে স্বল্প পুঁজিতে অনলাইনে জুয়া খেলে ব্যাপক অর্থকড়ি লাভ করা সম্ভব প্রলোভন দেখিয়ে একটি সাইটে একাউন্ট খুলে দেন। এবং কামরান তাকে উৎসাহিত করে ১ হাজার টাকা বিনিয়োগও করান।
রুহুল আমিন জানান, সেই ১ হাজার টাকায় কদিন জুয়া খেলার পরে তার একাউন্টে ১৫ হাজার টাকা জমা হয়। কিন্তু সেই জুয়ার অর্থ উত্তোলন করতে গিয়ে ঘটে বিপত্তি। অনেক চেষ্টা করে অবৈধ উপার্জন তুলতে না পেরে রুহুল আমিন ছাত্রলীগ নেতার সহযোগী কামরানের স্মরণাপণ্ন হন। কিন্তু কামরান সেই অর্থ তুলতে সহযোগিতা না করে উল্টো আরও জুয়া খেলার পরামর্শ দেন। এরপর ৬ মাসের ব্যবাধানে রুহুল আমিনের ৮ লক্ষাধিক টাকা এই জুয়ার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা। এতে রুহুল আমিন হোটেলসহ সর্বস্ব হারিয়ে শেষে কামরানের বিরুদ্ধে বাধ্য হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলাও করেন। সেই মামলায় পুলিশ কামরানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠালেও ওস্তাদ শওকত হোসেন অপু ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে। অবশ্য কোতয়ালি পুলিশ অপুকে ধরতেও বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে শেষ পর্যন্ত আর তার লাগাম টেনে ধরতে পারেনি।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত করেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং হামলা-হামলার শিকার হয়ে অধিকাংশ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী পালিয়ে থাকলেও অনলাইন জুয়ার নিয়ন্ত্রক অপু বরিশাল শহরেই প্রকাশ্যে ঘুরছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে একটিও মামলা হয়নি, যা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শোনা যায়। ছাত্রলীগ নেতা অপু গ্রামের বাড়ি নয়ানী ও শ্বশুরবাড়ি বরিশাল নগরীর কাউনিয়া পানির ট্যাংকি কাছাকাছি স্থানে থাকছেন এবং দুটি জায়গা থেকেই জুয়ার সাইট পরিচালনা করছেন।
অনলাইন জুয়া খপ্পরে নিঃস্ব নয়ানী গ্রামের একাধিক যুবক অভিযোগ করেছেন, এই ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে তাদের কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর প্রলোভন দেখিয়ে তাদের জুয়ায় অংশগ্রহণ করিয়েছেন এবং তিনিই নয়ানী গ্রামের রিয়াজ ও চরকাউয়া খেয়াঘাটের সুমনের বিকাশের দোকান থেকে অর্থ বিনিয়োগ করে দিয়েছেন। তাছাড়া অপুর দুটি মোবাইল নম্বর (০১৭…….৫৫, ০১৩……..৪৬) থেকেও এই দুটি দোকানের বিকাশ নম্বরে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার লেনদেন করা হয়, যা নিয়ে উভয় দোকানি বরিশালটাইমসের এ প্রতিবেদকের কাছে সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। দুই দোকানি জানিয়েছেন, অপু নিজের দুটি ছাড়াও বিভিন্ন নম্বর থেকে প্রতিদিন লেনদেন করেন। কিন্তু এই দেনদেনের সংখ্যা কখনও কখনও লাখ অতিক্রম করে।
নয়ানী গ্রামের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবক বয়সি অপু ২০২৩ সালে দুর্গাপুর গ্রামে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাশে একটি কোটি টাকা মূলে ৭৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, তখন এই বিষয়টি জানাজানি হলে তার আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। কিন্তু তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা পর্যায়ের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব হওয়ায় ভূমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে তাতে আর বাধ সাধেনি।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, কাড়িকাড়ি জুয়ার অর্থে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সভাপতি অপু শুধু ভূমি ক্রয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বিভিন্ন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন। এবং চরকাউয়ার অজপাড়াগাঁও নয়ানী গ্রামের নিজের বাসাটিকে বিলাসবহুল করে তুলেছেন, যা নিয়ে পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এখন অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এত তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অপু অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করেন। এবং এমন ভান ধরেন যে তার ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে কোনো ধারনাই নাই। পরে জুয়ার টাকা কোথায় দেনদেন হয় এবং অবৈধ অর্থ তিনি ভূমি ক্রয় করাসহ কোন কোন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন বিস্তারিত শুনে তিনি একপর্যায়ে ভরকে যান। এবং এ প্রতিবেদকের সাথে আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেন। কিন্তু অসৎ চরিত্রের লোকের সাথে আপসরফার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ের দেওয়ার পরে কিছুক্ষণ নিরব থেকে মুঠোফোন সংযোগ বিছিন্ন করে দেন।
সংবাদকর্মীকে নিষিদ্ধছাত্রলীগ নেতার আপসের প্রস্তাবই জানান দেই যে তিনি কোন মাপের জুয়াড়ি। অবশ্য এই ছাত্রলীগ নেতাই যে বরিশাল কেন্দ্রীয় অনলাইন জুয়ার মাস্টারমাইন্ড তা তার সহযোগী কামরানও স্বীকার করেছেন। তবে বর্তমানে অনলাইন জুয়ার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, দাবি করেছেন আরমান।
এই অনলাইন জুয়ার হোতা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শওকত হোসেন অপু এবং তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে জোর দাবি জানিয়েছেন তাদের প্রতারণায় নিঃস্ব যুবকেরা। অবশ্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও কদিন পূর্বে অনলাইন জুয়াড়িদের লাগাম টেনে ধরার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। গত ২৫ মে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব ঘোষণা দিয়েছেন অনলাইনভিত্তিক জুয়ার বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। এরপরে ২৮ মে রাতে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসনও ডিজিটাল জুয়াড়িদের ধরতে সাইবার ইউনিটসহ মাঠে থাকার বিষয়টি জানিয়েছে। এর আগে, সাইবার স্পেসে জনস্বার্থ রক্ষার উদ্দেশে নতুন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুসারে জুয়া খেলা এবং জুয়া খেলার সাথে জড়িত সকল কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
তবে অনলাইন জুয়াড়িদের ধরতে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বরিশাল মেট্রোপলিটন মাঠপুলিশের কর্মকর্তাদের। গোয়েন্দা বিভাগের একজন ওসি পদমর্যাদার কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ হেডকোয়াটার্স যেহেতু ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছে, এখন তা বরিশালে আসা সময়সাপেক্ষপ বিষয়।
এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় পুলিশের কোনো নির্দেশনা অফিসিয়ালি না আসলেও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে মাঠপুলিশকে বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, ডিজিটাল জুয়ার সাথে সম্পৃক্ত সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় অধিকাশং নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও রহস্যজনক কারণে ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর নাম আসেনি একটিতেও।
অনলাইন জুয়া বা বেটিং সাইট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। বিশেষ করে দেশের বিভাগ কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠা করে জেলা শহরগুলোতেও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই জিডিটাল জুয়ার বদৌলতে বিভাগীয় শহর বরিশালে কোটিপতি বনে গেছেন শওকত হোসেন অপু নামের নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা। বরিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অপু অর্ধযুগ ধরে এই অঞ্চলে জুয়ার নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অবৈধ উপার্জন দিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ভূ-সম্পত্তি ক্রয় করলেও তাকে আইনি কোনো ঝুটঝামেলায় জড়াতে হয়নি। জুয়া চালিয়ে শুধু অপুই বিত্তশালী বনে যাননি, তার পদঙ্ক অনুসারণ করে বরিশাল শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামরানও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে অর্ধ কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়েছেন।
ছাত্রলীগ নেতা অপু এবং তার সহযোগী কামরানের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন এমন অন্তত ১৫ যুবকের সাথে কথা বলেছে বরিশালটাইমস। তাদের মধ্যেকার একজন রুহুল আমিন, যিনি বরিশাল নৌবন্দর এলাকার হোটেল মালিক ছিলেন। পত্রিশোর্ধ্ব রুহুল আমিন অভিযোগ করেন, রসুলপুরের বাসিন্দা বছর তিনেক পূর্বে অর্থাৎ ২০২২ সালে অপুর সহযোগী কামরান প্রায়শই রাতে তার হোটেলে খেতে যেতেন। তখন রুহুল আমিনকে স্বল্প পুঁজিতে অনলাইনে জুয়া খেলে ব্যাপক অর্থকড়ি লাভ করা সম্ভব প্রলোভন দেখিয়ে একটি সাইটে একাউন্ট খুলে দেন। এবং কামরান তাকে উৎসাহিত করে ১ হাজার টাকা বিনিয়োগও করান।
রুহুল আমিন জানান, সেই ১ হাজার টাকায় কদিন জুয়া খেলার পরে তার একাউন্টে ১৫ হাজার টাকা জমা হয়। কিন্তু সেই জুয়ার অর্থ উত্তোলন করতে গিয়ে ঘটে বিপত্তি। অনেক চেষ্টা করে অবৈধ উপার্জন তুলতে না পেরে রুহুল আমিন ছাত্রলীগ নেতার সহযোগী কামরানের স্মরণাপণ্ন হন। কিন্তু কামরান সেই অর্থ তুলতে সহযোগিতা না করে উল্টো আরও জুয়া খেলার পরামর্শ দেন। এরপর ৬ মাসের ব্যবাধানে রুহুল আমিনের ৮ লক্ষাধিক টাকা এই জুয়ার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা। এতে রুহুল আমিন হোটেলসহ সর্বস্ব হারিয়ে শেষে কামরানের বিরুদ্ধে বাধ্য হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলাও করেন। সেই মামলায় পুলিশ কামরানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠালেও ওস্তাদ শওকত হোসেন অপু ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে। অবশ্য কোতয়ালি পুলিশ অপুকে ধরতেও বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে শেষ পর্যন্ত আর তার লাগাম টেনে ধরতে পারেনি।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত করেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং হামলা-হামলার শিকার হয়ে অধিকাংশ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী পালিয়ে থাকলেও অনলাইন জুয়ার নিয়ন্ত্রক অপু বরিশাল শহরেই প্রকাশ্যে ঘুরছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে একটিও মামলা হয়নি, যা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শোনা যায়। ছাত্রলীগ নেতা অপু গ্রামের বাড়ি নয়ানী ও শ্বশুরবাড়ি বরিশাল নগরীর কাউনিয়া পানির ট্যাংকি কাছাকাছি স্থানে থাকছেন এবং দুটি জায়গা থেকেই জুয়ার সাইট পরিচালনা করছেন।
অনলাইন জুয়া খপ্পরে নিঃস্ব নয়ানী গ্রামের একাধিক যুবক অভিযোগ করেছেন, এই ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে তাদের কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর প্রলোভন দেখিয়ে তাদের জুয়ায় অংশগ্রহণ করিয়েছেন এবং তিনিই নয়ানী গ্রামের রিয়াজ ও চরকাউয়া খেয়াঘাটের সুমনের বিকাশের দোকান থেকে অর্থ বিনিয়োগ করে দিয়েছেন। তাছাড়া অপুর দুটি মোবাইল নম্বর (০১৭…….৫৫, ০১৩……..৪৬) থেকেও এই দুটি দোকানের বিকাশ নম্বরে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার লেনদেন করা হয়, যা নিয়ে উভয় দোকানি বরিশালটাইমসের এ প্রতিবেদকের কাছে সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। দুই দোকানি জানিয়েছেন, অপু নিজের দুটি ছাড়াও বিভিন্ন নম্বর থেকে প্রতিদিন লেনদেন করেন। কিন্তু এই দেনদেনের সংখ্যা কখনও কখনও লাখ অতিক্রম করে।
নয়ানী গ্রামের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবক বয়সি অপু ২০২৩ সালে দুর্গাপুর গ্রামে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাশে একটি কোটি টাকা মূলে ৭৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, তখন এই বিষয়টি জানাজানি হলে তার আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। কিন্তু তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা পর্যায়ের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব হওয়ায় ভূমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে তাতে আর বাধ সাধেনি।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, কাড়িকাড়ি জুয়ার অর্থে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সভাপতি অপু শুধু ভূমি ক্রয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বিভিন্ন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন। এবং চরকাউয়ার অজপাড়াগাঁও নয়ানী গ্রামের নিজের বাসাটিকে বিলাসবহুল করে তুলেছেন, যা নিয়ে পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এখন অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এত তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অপু অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করেন। এবং এমন ভান ধরেন যে তার ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে কোনো ধারনাই নাই। পরে জুয়ার টাকা কোথায় দেনদেন হয় এবং অবৈধ অর্থ তিনি ভূমি ক্রয় করাসহ কোন কোন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন বিস্তারিত শুনে তিনি একপর্যায়ে ভরকে যান। এবং এ প্রতিবেদকের সাথে আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেন। কিন্তু অসৎ চরিত্রের লোকের সাথে আপসরফার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ের দেওয়ার পরে কিছুক্ষণ নিরব থেকে মুঠোফোন সংযোগ বিছিন্ন করে দেন।
সংবাদকর্মীকে নিষিদ্ধছাত্রলীগ নেতার আপসের প্রস্তাবই জানান দেই যে তিনি কোন মাপের জুয়াড়ি। অবশ্য এই ছাত্রলীগ নেতাই যে বরিশাল কেন্দ্রীয় অনলাইন জুয়ার মাস্টারমাইন্ড তা তার সহযোগী কামরানও স্বীকার করেছেন। তবে বর্তমানে অনলাইন জুয়ার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, দাবি করেছেন আরমান।
এই অনলাইন জুয়ার হোতা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শওকত হোসেন অপু এবং তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে জোর দাবি জানিয়েছেন তাদের প্রতারণায় নিঃস্ব যুবকেরা। অবশ্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও কদিন পূর্বে অনলাইন জুয়াড়িদের লাগাম টেনে ধরার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। গত ২৫ মে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব ঘোষণা দিয়েছেন অনলাইনভিত্তিক জুয়ার বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। এরপরে ২৮ মে রাতে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসনও ডিজিটাল জুয়াড়িদের ধরতে সাইবার ইউনিটসহ মাঠে থাকার বিষয়টি জানিয়েছে। এর আগে, সাইবার স্পেসে জনস্বার্থ রক্ষার উদ্দেশে নতুন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুসারে জুয়া খেলা এবং জুয়া খেলার সাথে জড়িত সকল কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
তবে অনলাইন জুয়াড়িদের ধরতে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বরিশাল মেট্রোপলিটন মাঠপুলিশের কর্মকর্তাদের। গোয়েন্দা বিভাগের একজন ওসি পদমর্যাদার কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ হেডকোয়াটার্স যেহেতু ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছে, এখন তা বরিশালে আসা সময়সাপেক্ষপ বিষয়।
এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় পুলিশের কোনো নির্দেশনা অফিসিয়ালি না আসলেও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে মাঠপুলিশকে বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, ডিজিটাল জুয়ার সাথে সম্পৃক্ত সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৮:৪১
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৪৫

২৭ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীতীরে নির্মিত সেই টায়ার ও প্লাস্টিক পাইরোলাইসিস কারখানা ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট’ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে সংস্থাটি। ২৫ জুন বেলার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশালের জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জন কর্মকর্তার কাছে ‘নোটিস অব ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ প্রেরণ করা হয়।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, সুগন্ধা নদীতীরবর্তী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কারখানাটির নির্গত কালো ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও শিল্পবর্জ্য স্থানীয় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও নদীর প্রতিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশ দূষণকারী এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিপদে থাকার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় অন্তত ১০ জনের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যেকার একজন মনিরুজ্জামান খোকন বলেন, ৪ বছর আগে স্থানীয় কিছু কৃষকের জমি ভাড়া নিয়ে এই কারখানাটি স্থাপন করেন মিজানুর রহমান নামের বাকেরগঞ্জের জনৈক এক ব্যক্তি। এলাকার লোকজন প্রথমে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুধাবন করতে পারেনি। কিন্তু যখন বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে, ঠিক তখন এলাকার লোকজন কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ করে। কিন্তু এলাকাবাসীর আপত্তির কোনো কর্ণপাত করেননি কারখানা মালিক। এতে সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়ে কারাখানাটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি রাখেন। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল আসেনি। কারখানা মালিক নিজের ইচ্ছেখুশি মতো টায়ার জ¦ালিয়ে পরিবেশ দূষণ করে চলছেন, যা উপজেলা প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।
তবে কারখানার মালিক মো. মিজানুর রহমান দাবি করছেন, কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্স নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। তারপরেও এই প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় একটি মহল দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
মিজানুর রহমান জানান, এখানে তিনি ৫০ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া টায়ার সংগ্রহসহ নানা কাজে আরও অন্তত ১০০টি পরিবার এই কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
তবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বলছে, শান্ত-স্নিগ্ধ সুগন্ধা নদীতীরে এ ধরনের দূষণকারী শিল্পকারখানা দীর্ঘ মেয়াদে নদীর জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবেশগত ক্ষতি আরও বাড়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ জন্য বেলার পক্ষ থেকে আইনগত নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসের বিষয়টি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক লিঙ্কন বায়েন বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে কারখানাটি বন্ধ করতে বলা হয়। নতুবা বেলার পক্ষ থেকে উচ্চআদালতে রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত করা হয়েছে।’
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীতীরে নির্মিত সেই টায়ার ও প্লাস্টিক পাইরোলাইসিস কারখানা ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট’ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে সংস্থাটি। ২৫ জুন বেলার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশালের জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জন কর্মকর্তার কাছে ‘নোটিস অব ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ প্রেরণ করা হয়।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, সুগন্ধা নদীতীরবর্তী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কারখানাটির নির্গত কালো ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও শিল্পবর্জ্য স্থানীয় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও নদীর প্রতিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশ দূষণকারী এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিপদে থাকার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় অন্তত ১০ জনের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যেকার একজন মনিরুজ্জামান খোকন বলেন, ৪ বছর আগে স্থানীয় কিছু কৃষকের জমি ভাড়া নিয়ে এই কারখানাটি স্থাপন করেন মিজানুর রহমান নামের বাকেরগঞ্জের জনৈক এক ব্যক্তি। এলাকার লোকজন প্রথমে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুধাবন করতে পারেনি। কিন্তু যখন বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে, ঠিক তখন এলাকার লোকজন কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ করে। কিন্তু এলাকাবাসীর আপত্তির কোনো কর্ণপাত করেননি কারখানা মালিক। এতে সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়ে কারাখানাটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি রাখেন। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল আসেনি। কারখানা মালিক নিজের ইচ্ছেখুশি মতো টায়ার জ¦ালিয়ে পরিবেশ দূষণ করে চলছেন, যা উপজেলা প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।
তবে কারখানার মালিক মো. মিজানুর রহমান দাবি করছেন, কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্স নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। তারপরেও এই প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় একটি মহল দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
মিজানুর রহমান জানান, এখানে তিনি ৫০ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া টায়ার সংগ্রহসহ নানা কাজে আরও অন্তত ১০০টি পরিবার এই কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
তবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বলছে, শান্ত-স্নিগ্ধ সুগন্ধা নদীতীরে এ ধরনের দূষণকারী শিল্পকারখানা দীর্ঘ মেয়াদে নদীর জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবেশগত ক্ষতি আরও বাড়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ জন্য বেলার পক্ষ থেকে আইনগত নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসের বিষয়টি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক লিঙ্কন বায়েন বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে কারখানাটি বন্ধ করতে বলা হয়। নতুবা বেলার পক্ষ থেকে উচ্চআদালতে রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত করা হয়েছে।’
প্রস্তাবিত বাজেটে দক্ষিণবাংলা তথা বরিশাল বিভাগকে চরমভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণবাংলা ফোরাম ও বরিশাল জেলা সমিতিসহ প্রায় ১০টি সংগঠনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এর আগে একনেকে অনুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার জন্য নতুন বাজেটে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দুই লেনের মহাসড়কে প্রতিদিনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ।
দক্ষিণবাংলা ফোরামের মুখপাত্র সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চট্টগ্রামের ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য মোট ১১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বরিশাল বিভাগ তথা দক্ষিণবাংলার জন্য বাজেটে কোনো বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব নেই।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ সামলাতে বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর সচল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, নতুন এই বন্দরটির ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা সরকারের আয় হবে—এমন তথ্য দিয়েছেন খোদ পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস দিয়ে ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন এবং ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনদাবিগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
প্রস্তাবিত বাজেটে সংশোধনী এনে এসব প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণবাংলার সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন দক্ষিণের ৬টি জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে দক্ষিণবাংলা ফোরাম ছাড়াও বরিশাল বিভাগ সমিতি, বরিশাল জেলা সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সমিতি, বরগুনা জেলা সমিতি, বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সাংবাদিক ফোরামসহ দক্ষিণবাংলার বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সমিতি, সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে দক্ষিণবাংলা তথা বরিশাল বিভাগকে চরমভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণবাংলা ফোরাম ও বরিশাল জেলা সমিতিসহ প্রায় ১০টি সংগঠনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এর আগে একনেকে অনুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার জন্য নতুন বাজেটে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দুই লেনের মহাসড়কে প্রতিদিনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ।
দক্ষিণবাংলা ফোরামের মুখপাত্র সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চট্টগ্রামের ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য মোট ১১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বরিশাল বিভাগ তথা দক্ষিণবাংলার জন্য বাজেটে কোনো বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব নেই।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ সামলাতে বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর সচল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, নতুন এই বন্দরটির ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা সরকারের আয় হবে—এমন তথ্য দিয়েছেন খোদ পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস দিয়ে ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন এবং ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনদাবিগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
প্রস্তাবিত বাজেটে সংশোধনী এনে এসব প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণবাংলার সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন দক্ষিণের ৬টি জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে দক্ষিণবাংলা ফোরাম ছাড়াও বরিশাল বিভাগ সমিতি, বরিশাল জেলা সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সমিতি, বরগুনা জেলা সমিতি, বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সাংবাদিক ফোরামসহ দক্ষিণবাংলার বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সমিতি, সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।