
৩০ মে, ২০২৫ ১৫:৪৪
ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় অধিকাশং নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও রহস্যজনক কারণে ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর নাম আসেনি একটিতেও।
অনলাইন জুয়া বা বেটিং সাইট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। বিশেষ করে দেশের বিভাগ কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠা করে জেলা শহরগুলোতেও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই জিডিটাল জুয়ার বদৌলতে বিভাগীয় শহর বরিশালে কোটিপতি বনে গেছেন শওকত হোসেন অপু নামের নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা। বরিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অপু অর্ধযুগ ধরে এই অঞ্চলে জুয়ার নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অবৈধ উপার্জন দিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ভূ-সম্পত্তি ক্রয় করলেও তাকে আইনি কোনো ঝুটঝামেলায় জড়াতে হয়নি। জুয়া চালিয়ে শুধু অপুই বিত্তশালী বনে যাননি, তার পদঙ্ক অনুসারণ করে বরিশাল শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামরানও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে অর্ধ কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়েছেন।
ছাত্রলীগ নেতা অপু এবং তার সহযোগী কামরানের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন এমন অন্তত ১৫ যুবকের সাথে কথা বলেছে বরিশালটাইমস। তাদের মধ্যেকার একজন রুহুল আমিন, যিনি বরিশাল নৌবন্দর এলাকার হোটেল মালিক ছিলেন। পত্রিশোর্ধ্ব রুহুল আমিন অভিযোগ করেন, রসুলপুরের বাসিন্দা বছর তিনেক পূর্বে অর্থাৎ ২০২২ সালে অপুর সহযোগী কামরান প্রায়শই রাতে তার হোটেলে খেতে যেতেন। তখন রুহুল আমিনকে স্বল্প পুঁজিতে অনলাইনে জুয়া খেলে ব্যাপক অর্থকড়ি লাভ করা সম্ভব প্রলোভন দেখিয়ে একটি সাইটে একাউন্ট খুলে দেন। এবং কামরান তাকে উৎসাহিত করে ১ হাজার টাকা বিনিয়োগও করান।
রুহুল আমিন জানান, সেই ১ হাজার টাকায় কদিন জুয়া খেলার পরে তার একাউন্টে ১৫ হাজার টাকা জমা হয়। কিন্তু সেই জুয়ার অর্থ উত্তোলন করতে গিয়ে ঘটে বিপত্তি। অনেক চেষ্টা করে অবৈধ উপার্জন তুলতে না পেরে রুহুল আমিন ছাত্রলীগ নেতার সহযোগী কামরানের স্মরণাপণ্ন হন। কিন্তু কামরান সেই অর্থ তুলতে সহযোগিতা না করে উল্টো আরও জুয়া খেলার পরামর্শ দেন। এরপর ৬ মাসের ব্যবাধানে রুহুল আমিনের ৮ লক্ষাধিক টাকা এই জুয়ার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা। এতে রুহুল আমিন হোটেলসহ সর্বস্ব হারিয়ে শেষে কামরানের বিরুদ্ধে বাধ্য হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলাও করেন। সেই মামলায় পুলিশ কামরানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠালেও ওস্তাদ শওকত হোসেন অপু ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে। অবশ্য কোতয়ালি পুলিশ অপুকে ধরতেও বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে শেষ পর্যন্ত আর তার লাগাম টেনে ধরতে পারেনি।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত করেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং হামলা-হামলার শিকার হয়ে অধিকাংশ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী পালিয়ে থাকলেও অনলাইন জুয়ার নিয়ন্ত্রক অপু বরিশাল শহরেই প্রকাশ্যে ঘুরছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে একটিও মামলা হয়নি, যা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শোনা যায়। ছাত্রলীগ নেতা অপু গ্রামের বাড়ি নয়ানী ও শ্বশুরবাড়ি বরিশাল নগরীর কাউনিয়া পানির ট্যাংকি কাছাকাছি স্থানে থাকছেন এবং দুটি জায়গা থেকেই জুয়ার সাইট পরিচালনা করছেন।
অনলাইন জুয়া খপ্পরে নিঃস্ব নয়ানী গ্রামের একাধিক যুবক অভিযোগ করেছেন, এই ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে তাদের কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর প্রলোভন দেখিয়ে তাদের জুয়ায় অংশগ্রহণ করিয়েছেন এবং তিনিই নয়ানী গ্রামের রিয়াজ ও চরকাউয়া খেয়াঘাটের সুমনের বিকাশের দোকান থেকে অর্থ বিনিয়োগ করে দিয়েছেন। তাছাড়া অপুর দুটি মোবাইল নম্বর (০১৭…….৫৫, ০১৩……..৪৬) থেকেও এই দুটি দোকানের বিকাশ নম্বরে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার লেনদেন করা হয়, যা নিয়ে উভয় দোকানি বরিশালটাইমসের এ প্রতিবেদকের কাছে সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। দুই দোকানি জানিয়েছেন, অপু নিজের দুটি ছাড়াও বিভিন্ন নম্বর থেকে প্রতিদিন লেনদেন করেন। কিন্তু এই দেনদেনের সংখ্যা কখনও কখনও লাখ অতিক্রম করে।
নয়ানী গ্রামের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবক বয়সি অপু ২০২৩ সালে দুর্গাপুর গ্রামে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাশে একটি কোটি টাকা মূলে ৭৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, তখন এই বিষয়টি জানাজানি হলে তার আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। কিন্তু তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা পর্যায়ের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব হওয়ায় ভূমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে তাতে আর বাধ সাধেনি।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, কাড়িকাড়ি জুয়ার অর্থে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সভাপতি অপু শুধু ভূমি ক্রয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বিভিন্ন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন। এবং চরকাউয়ার অজপাড়াগাঁও নয়ানী গ্রামের নিজের বাসাটিকে বিলাসবহুল করে তুলেছেন, যা নিয়ে পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এখন অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এত তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অপু অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করেন। এবং এমন ভান ধরেন যে তার ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে কোনো ধারনাই নাই। পরে জুয়ার টাকা কোথায় দেনদেন হয় এবং অবৈধ অর্থ তিনি ভূমি ক্রয় করাসহ কোন কোন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন বিস্তারিত শুনে তিনি একপর্যায়ে ভরকে যান। এবং এ প্রতিবেদকের সাথে আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেন। কিন্তু অসৎ চরিত্রের লোকের সাথে আপসরফার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ের দেওয়ার পরে কিছুক্ষণ নিরব থেকে মুঠোফোন সংযোগ বিছিন্ন করে দেন।
সংবাদকর্মীকে নিষিদ্ধছাত্রলীগ নেতার আপসের প্রস্তাবই জানান দেই যে তিনি কোন মাপের জুয়াড়ি। অবশ্য এই ছাত্রলীগ নেতাই যে বরিশাল কেন্দ্রীয় অনলাইন জুয়ার মাস্টারমাইন্ড তা তার সহযোগী কামরানও স্বীকার করেছেন। তবে বর্তমানে অনলাইন জুয়ার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, দাবি করেছেন আরমান।
এই অনলাইন জুয়ার হোতা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শওকত হোসেন অপু এবং তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে জোর দাবি জানিয়েছেন তাদের প্রতারণায় নিঃস্ব যুবকেরা। অবশ্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও কদিন পূর্বে অনলাইন জুয়াড়িদের লাগাম টেনে ধরার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। গত ২৫ মে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব ঘোষণা দিয়েছেন অনলাইনভিত্তিক জুয়ার বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। এরপরে ২৮ মে রাতে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসনও ডিজিটাল জুয়াড়িদের ধরতে সাইবার ইউনিটসহ মাঠে থাকার বিষয়টি জানিয়েছে। এর আগে, সাইবার স্পেসে জনস্বার্থ রক্ষার উদ্দেশে নতুন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুসারে জুয়া খেলা এবং জুয়া খেলার সাথে জড়িত সকল কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
তবে অনলাইন জুয়াড়িদের ধরতে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বরিশাল মেট্রোপলিটন মাঠপুলিশের কর্মকর্তাদের। গোয়েন্দা বিভাগের একজন ওসি পদমর্যাদার কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ হেডকোয়াটার্স যেহেতু ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছে, এখন তা বরিশালে আসা সময়সাপেক্ষপ বিষয়।
এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় পুলিশের কোনো নির্দেশনা অফিসিয়ালি না আসলেও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে মাঠপুলিশকে বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, ডিজিটাল জুয়ার সাথে সম্পৃক্ত সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় অধিকাশং নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও রহস্যজনক কারণে ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর নাম আসেনি একটিতেও।
অনলাইন জুয়া বা বেটিং সাইট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। বিশেষ করে দেশের বিভাগ কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠা করে জেলা শহরগুলোতেও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই জিডিটাল জুয়ার বদৌলতে বিভাগীয় শহর বরিশালে কোটিপতি বনে গেছেন শওকত হোসেন অপু নামের নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা। বরিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অপু অর্ধযুগ ধরে এই অঞ্চলে জুয়ার নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অবৈধ উপার্জন দিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ভূ-সম্পত্তি ক্রয় করলেও তাকে আইনি কোনো ঝুটঝামেলায় জড়াতে হয়নি। জুয়া চালিয়ে শুধু অপুই বিত্তশালী বনে যাননি, তার পদঙ্ক অনুসারণ করে বরিশাল শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামরানও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে অর্ধ কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়েছেন।
ছাত্রলীগ নেতা অপু এবং তার সহযোগী কামরানের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন এমন অন্তত ১৫ যুবকের সাথে কথা বলেছে বরিশালটাইমস। তাদের মধ্যেকার একজন রুহুল আমিন, যিনি বরিশাল নৌবন্দর এলাকার হোটেল মালিক ছিলেন। পত্রিশোর্ধ্ব রুহুল আমিন অভিযোগ করেন, রসুলপুরের বাসিন্দা বছর তিনেক পূর্বে অর্থাৎ ২০২২ সালে অপুর সহযোগী কামরান প্রায়শই রাতে তার হোটেলে খেতে যেতেন। তখন রুহুল আমিনকে স্বল্প পুঁজিতে অনলাইনে জুয়া খেলে ব্যাপক অর্থকড়ি লাভ করা সম্ভব প্রলোভন দেখিয়ে একটি সাইটে একাউন্ট খুলে দেন। এবং কামরান তাকে উৎসাহিত করে ১ হাজার টাকা বিনিয়োগও করান।
রুহুল আমিন জানান, সেই ১ হাজার টাকায় কদিন জুয়া খেলার পরে তার একাউন্টে ১৫ হাজার টাকা জমা হয়। কিন্তু সেই জুয়ার অর্থ উত্তোলন করতে গিয়ে ঘটে বিপত্তি। অনেক চেষ্টা করে অবৈধ উপার্জন তুলতে না পেরে রুহুল আমিন ছাত্রলীগ নেতার সহযোগী কামরানের স্মরণাপণ্ন হন। কিন্তু কামরান সেই অর্থ তুলতে সহযোগিতা না করে উল্টো আরও জুয়া খেলার পরামর্শ দেন। এরপর ৬ মাসের ব্যবাধানে রুহুল আমিনের ৮ লক্ষাধিক টাকা এই জুয়ার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা। এতে রুহুল আমিন হোটেলসহ সর্বস্ব হারিয়ে শেষে কামরানের বিরুদ্ধে বাধ্য হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলাও করেন। সেই মামলায় পুলিশ কামরানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠালেও ওস্তাদ শওকত হোসেন অপু ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে। অবশ্য কোতয়ালি পুলিশ অপুকে ধরতেও বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে শেষ পর্যন্ত আর তার লাগাম টেনে ধরতে পারেনি।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত করেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং হামলা-হামলার শিকার হয়ে অধিকাংশ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী পালিয়ে থাকলেও অনলাইন জুয়ার নিয়ন্ত্রক অপু বরিশাল শহরেই প্রকাশ্যে ঘুরছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে একটিও মামলা হয়নি, যা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শোনা যায়। ছাত্রলীগ নেতা অপু গ্রামের বাড়ি নয়ানী ও শ্বশুরবাড়ি বরিশাল নগরীর কাউনিয়া পানির ট্যাংকি কাছাকাছি স্থানে থাকছেন এবং দুটি জায়গা থেকেই জুয়ার সাইট পরিচালনা করছেন।
অনলাইন জুয়া খপ্পরে নিঃস্ব নয়ানী গ্রামের একাধিক যুবক অভিযোগ করেছেন, এই ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে তাদের কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর প্রলোভন দেখিয়ে তাদের জুয়ায় অংশগ্রহণ করিয়েছেন এবং তিনিই নয়ানী গ্রামের রিয়াজ ও চরকাউয়া খেয়াঘাটের সুমনের বিকাশের দোকান থেকে অর্থ বিনিয়োগ করে দিয়েছেন। তাছাড়া অপুর দুটি মোবাইল নম্বর (০১৭…….৫৫, ০১৩……..৪৬) থেকেও এই দুটি দোকানের বিকাশ নম্বরে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার লেনদেন করা হয়, যা নিয়ে উভয় দোকানি বরিশালটাইমসের এ প্রতিবেদকের কাছে সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। দুই দোকানি জানিয়েছেন, অপু নিজের দুটি ছাড়াও বিভিন্ন নম্বর থেকে প্রতিদিন লেনদেন করেন। কিন্তু এই দেনদেনের সংখ্যা কখনও কখনও লাখ অতিক্রম করে।
নয়ানী গ্রামের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবক বয়সি অপু ২০২৩ সালে দুর্গাপুর গ্রামে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাশে একটি কোটি টাকা মূলে ৭৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, তখন এই বিষয়টি জানাজানি হলে তার আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। কিন্তু তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা পর্যায়ের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব হওয়ায় ভূমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে তাতে আর বাধ সাধেনি।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, কাড়িকাড়ি জুয়ার অর্থে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সভাপতি অপু শুধু ভূমি ক্রয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বিভিন্ন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন। এবং চরকাউয়ার অজপাড়াগাঁও নয়ানী গ্রামের নিজের বাসাটিকে বিলাসবহুল করে তুলেছেন, যা নিয়ে পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এখন অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এত তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অপু অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করেন। এবং এমন ভান ধরেন যে তার ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে কোনো ধারনাই নাই। পরে জুয়ার টাকা কোথায় দেনদেন হয় এবং অবৈধ অর্থ তিনি ভূমি ক্রয় করাসহ কোন কোন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন বিস্তারিত শুনে তিনি একপর্যায়ে ভরকে যান। এবং এ প্রতিবেদকের সাথে আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেন। কিন্তু অসৎ চরিত্রের লোকের সাথে আপসরফার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ের দেওয়ার পরে কিছুক্ষণ নিরব থেকে মুঠোফোন সংযোগ বিছিন্ন করে দেন।
সংবাদকর্মীকে নিষিদ্ধছাত্রলীগ নেতার আপসের প্রস্তাবই জানান দেই যে তিনি কোন মাপের জুয়াড়ি। অবশ্য এই ছাত্রলীগ নেতাই যে বরিশাল কেন্দ্রীয় অনলাইন জুয়ার মাস্টারমাইন্ড তা তার সহযোগী কামরানও স্বীকার করেছেন। তবে বর্তমানে অনলাইন জুয়ার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, দাবি করেছেন আরমান।
এই অনলাইন জুয়ার হোতা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শওকত হোসেন অপু এবং তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে জোর দাবি জানিয়েছেন তাদের প্রতারণায় নিঃস্ব যুবকেরা। অবশ্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও কদিন পূর্বে অনলাইন জুয়াড়িদের লাগাম টেনে ধরার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। গত ২৫ মে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব ঘোষণা দিয়েছেন অনলাইনভিত্তিক জুয়ার বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। এরপরে ২৮ মে রাতে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসনও ডিজিটাল জুয়াড়িদের ধরতে সাইবার ইউনিটসহ মাঠে থাকার বিষয়টি জানিয়েছে। এর আগে, সাইবার স্পেসে জনস্বার্থ রক্ষার উদ্দেশে নতুন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুসারে জুয়া খেলা এবং জুয়া খেলার সাথে জড়িত সকল কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
তবে অনলাইন জুয়াড়িদের ধরতে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বরিশাল মেট্রোপলিটন মাঠপুলিশের কর্মকর্তাদের। গোয়েন্দা বিভাগের একজন ওসি পদমর্যাদার কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ হেডকোয়াটার্স যেহেতু ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছে, এখন তা বরিশালে আসা সময়সাপেক্ষপ বিষয়।
এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় পুলিশের কোনো নির্দেশনা অফিসিয়ালি না আসলেও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে মাঠপুলিশকে বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, ডিজিটাল জুয়ার সাথে সম্পৃক্ত সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবিধান অনুসরণ করে জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন- তা নিশ্চিতে কাজ করবে সেনাবাহিনী।
রোববার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে এলজিইজি কার্যালয়ের সভা কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন ও অনান্য বাহিনীকে সহয়তা প্রদান করে আইনশৃংখলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না।
মেজর সৈকত বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য সংবিধান অনুসরন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যাতে সকলে নিশ্চিন্তে, শান্তিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
এসময় বরিশালে শহর এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত এবং নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে সেনাবাহিনী। এসময় তারা গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় মেজর রাকিব, ক্যাপ্টেন মেহেদী, লেফটেন্যান্ট শাফিনসহ বরিশালের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবিধান অনুসরণ করে জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন- তা নিশ্চিতে কাজ করবে সেনাবাহিনী।
রোববার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে এলজিইজি কার্যালয়ের সভা কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন ও অনান্য বাহিনীকে সহয়তা প্রদান করে আইনশৃংখলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না।
মেজর সৈকত বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য সংবিধান অনুসরন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যাতে সকলে নিশ্চিন্তে, শান্তিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
এসময় বরিশালে শহর এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত এবং নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে সেনাবাহিনী। এসময় তারা গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় মেজর রাকিব, ক্যাপ্টেন মেহেদী, লেফটেন্যান্ট শাফিনসহ বরিশালের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৯
বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষ্যে রোববার সকালে হাসপাতালের পিছনের গেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।
এরপর কলেজের সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের প্রধান ডা. আ ন ম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা দেন, শেবাচিমের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. হানিফ হাওলাদার, ডা. ফারহানা খান, ডা. মহসিন হাওলাদার।
এসময় বক্তারা বলেন, ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। সময়মতো শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্যান্সারই নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসাযোগ্য। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ধূমপান ও তামাক বর্জন করে সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।
বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষ্যে রোববার সকালে হাসপাতালের পিছনের গেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।
এরপর কলেজের সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের প্রধান ডা. আ ন ম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা দেন, শেবাচিমের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. হানিফ হাওলাদার, ডা. ফারহানা খান, ডা. মহসিন হাওলাদার।
এসময় বক্তারা বলেন, ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। সময়মতো শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্যান্সারই নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসাযোগ্য। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ধূমপান ও তামাক বর্জন করে সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০২
বরিশালের বাকেরগঞ্জে একই দিন একই স্থানে ও প্রায় একই সময়ে দুটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি সমাবেশ ডেকেছে স্বস্ব দলের নেতাকর্মীরা। এতে সংঘাতের আশঙ্কা করছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আলা আমিন চৌধুরী বলেন, আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাত পাখা প্রতীকের সমর্থনে পূর্বনির্ধারিত নির্বাচনি সমাবেশ করবে।
এ কর্মসূচির জন্য তারা ৪ ফেব্রুয়ারি রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। এমনকি ইতিমধ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এ বিষয় থানা অফিসার থানা অফিসার ইনচার্জকেও দলের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
সে অনুযায়ী তারা প্রচারও চালাচ্ছেন। অথচ একই দিন বিকেল ৩টায় একই স্থানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খান নির্বাচনি মহাসমাবেশ ডেকেছেন। এতে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির আশঙ্কা করছেন তিনি।
অপরদিকে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেল ৩ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে নির্বাচনি মহাসমাবেশ করবে বিএনপি। এ বিষয় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনি সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ ও সদস্য সচিব মো. ওমর সানী স্বাক্ষরিত একটি পত্র অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ শনিবার রাত ১২ টার নিজেই তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন।
এনিয়ে উপজেলাজুড়ে জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে। একই দিন একই স্থানে একই সময়ে দুই প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশ ঘিরে আতংক তৈরি হয়েছে। শেষ সংঘাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আল আমিন চৌধুরীর ভাষ্য, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, ছোট শহরে একই দিনে একই সময়ে একই স্থানে একাধিক দলের জনসভা করা সম্ভব নয়। যে দল আগে অনুমতি নেবে, তাকেই ছাড় দেওয়া হবে। আমাদের আগে অনুমতি নেওয়ার পরও কীভাবে বিএনপি ওই স্থানে মহাসমাবেশর আয়োজন করলো– তা আমাদের বোধগম্য নয়।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনী সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ সাংবাদিকদের জানান (এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) তাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি এটি। পরবর্তীতে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে এ বিষয় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, একই দিনে একই সময় দুই দলের নির্বাচনী সমাবেশের বিষয় তিনি জানেন না। যে দল আগে সমাবেশ করার অনুমতি নিয়েছে তারাই ওই স্থানে সমাবেশ করতে পারবে। এরপরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আশা করছি, কোনো সংঘাত হবে না।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে একই দিন একই স্থানে ও প্রায় একই সময়ে দুটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি সমাবেশ ডেকেছে স্বস্ব দলের নেতাকর্মীরা। এতে সংঘাতের আশঙ্কা করছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আলা আমিন চৌধুরী বলেন, আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাত পাখা প্রতীকের সমর্থনে পূর্বনির্ধারিত নির্বাচনি সমাবেশ করবে।
এ কর্মসূচির জন্য তারা ৪ ফেব্রুয়ারি রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। এমনকি ইতিমধ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এ বিষয় থানা অফিসার থানা অফিসার ইনচার্জকেও দলের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
সে অনুযায়ী তারা প্রচারও চালাচ্ছেন। অথচ একই দিন বিকেল ৩টায় একই স্থানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খান নির্বাচনি মহাসমাবেশ ডেকেছেন। এতে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির আশঙ্কা করছেন তিনি।
অপরদিকে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেল ৩ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে নির্বাচনি মহাসমাবেশ করবে বিএনপি। এ বিষয় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনি সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ ও সদস্য সচিব মো. ওমর সানী স্বাক্ষরিত একটি পত্র অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ শনিবার রাত ১২ টার নিজেই তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন।
এনিয়ে উপজেলাজুড়ে জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে। একই দিন একই স্থানে একই সময়ে দুই প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশ ঘিরে আতংক তৈরি হয়েছে। শেষ সংঘাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আল আমিন চৌধুরীর ভাষ্য, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, ছোট শহরে একই দিনে একই সময়ে একই স্থানে একাধিক দলের জনসভা করা সম্ভব নয়। যে দল আগে অনুমতি নেবে, তাকেই ছাড় দেওয়া হবে। আমাদের আগে অনুমতি নেওয়ার পরও কীভাবে বিএনপি ওই স্থানে মহাসমাবেশর আয়োজন করলো– তা আমাদের বোধগম্য নয়।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনী সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ সাংবাদিকদের জানান (এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) তাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি এটি। পরবর্তীতে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে এ বিষয় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, একই দিনে একই সময় দুই দলের নির্বাচনী সমাবেশের বিষয় তিনি জানেন না। যে দল আগে সমাবেশ করার অনুমতি নিয়েছে তারাই ওই স্থানে সমাবেশ করতে পারবে। এরপরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আশা করছি, কোনো সংঘাত হবে না।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.