ত্রিশোর্ধ্ব যুবকের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ২৬ টি মামলা বিচারাধীন।
বরিশাল নগরীতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ নামের এক ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীর উত্থান ঘটেছে। খুন-মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবক রাত গভীর হলেই সাঙ্গপাঙ্গদের সাথে নিয়ে কোতয়ালি থানাধীন পোর্টরোড টু লঞ্চঘাট, এমনকি আশপাশ এলাকাসমূহে অস্ত্রের মহড়া দিতে শুরু করে। পাশাপাশি সমান্তরাল চালিয়ে যাচ্ছেন মাদক বাণিজ্য। মাঝেমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই সন্ত্রাসীকে আটক করলেও কিছুদিন পরেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের পূর্বের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। শুক্রবার গভীর রাতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে শহরের পোর্টরোড এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ত্রাস তৈরি করেন। তাদের অস্ত্রের ঝনঝনানিতে গভীর রাতে পোর্টরোড এবং এর আশপাশ এলাকায় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এনায়েত হাওলাদারের ছেলে আকাশ ওরফে কালা মাসুদ ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত ২৬টি মামলা বরিশালের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট করা ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বদৌলতে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশাল শহরের এই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শুক্রবার রাতে লঞ্চঘাট এলাকায় প্রকাশ্য অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, পোর্টরোডে মাদক বিক্রি এবং আধিপত্য বিস্তারের জেরে কালা মাসুদ শুক্রবার গভীর রাতে সংঘাতে লিপ্ত হয়। এনিয়ে দুই গ্রুপের লোকজন অস্ত্রসহ রাতভর মহড়া দিতে থাকে এবং একপর্যায়ে কালা মাসুদের নেতৃত্বে মহশিন মার্কেটসংলগ্ন আবাসিক হোটেলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করাসহ প্রতিপক্ষের লোককে মারধর করে। এই সংঘাতের ঘটনায় আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ঘটনাস্থলের পাশেই রয়েছে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি এবং আনুমানিক পৌনে এক কিলোমিটার দূরত্বে কোতয়ালি থানা। পুলিশ প্রশাসনের নাগালে থেকে অশস্ত্র সন্ত্রাস তৈরি করার বিষয়টি খোদ স্থানীয় বাসিন্দাদের হতবাক করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটেছে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
ফোন করে শুক্রবার রাতের ঘটনা জানতে চাইলে সন্ত্রাসী কালা মাসুদ দম্ভোক্তি করে বলেন, পুলিশ করার টাইম নাই! আপনি ফোন করছেন কেনো, আপনার বিষয়টিও দেখতে হবে, আমি ‘দাও মাসুদ, সিটি কিং! সুতরাং এই যুবক যে কোন মাপের সন্ত্রাস তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অবশ্য এই নয়া সন্ত্রাস সম্পর্কে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনও অবগত এবং তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বলেন, শুক্রবার রাতে ঘটনাটি শোনার পরে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এরআগেই সন্ত্রাসী মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে পালিয়ে যায়। বরিশাল শহরে সন্ত্রাসের কোনো স্থান হবে না, তাকে যে কোনো মূল্যে আইনের আওতায় আসতে হবে। তাছাড়া এই যুবকের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও নির্দেশনা রয়েছে, জানান এসআই নাসিম।
শুক্রবার রাতে কালা মাসুদের সশস্ত্র সন্ত্রাসের কাহিনী শুনে অবাক হয়েছে খোদ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ধরনের সন্ত্রাস বা সন্ত্রসীদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু সে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী এবং নতুন করে সন্ত্রাস করেছে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আসতে হবে। মাঠপুলিশকে সেই রকমেরই নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান কমিশনার।
সন্ত্রাসী মাসুদের কার্যকলাপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও যে রীতিমত ওষ্ঠাগত তা শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যেই অনুমান করা যায়। সেক্ষেত্রে এই ধারনা বদ্ধমূল হয় যে, সন্ত্রাসী আকাশ ওরফে কালা মাসুদকে খুব শিগগিরই পাকড়াও করতে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শেষ পর্যন্ত এই সন্ত্রাসীকে পুলিশ প্রশাসন আটকে রাখতে ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০৩
ত্রিশোর্ধ্ব যুবকের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ২৬ টি মামলা বিচারাধীন।
বরিশাল নগরীতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ নামের এক ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীর উত্থান ঘটেছে। খুন-মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবক রাত গভীর হলেই সাঙ্গপাঙ্গদের সাথে নিয়ে কোতয়ালি থানাধীন পোর্টরোড টু লঞ্চঘাট, এমনকি আশপাশ এলাকাসমূহে অস্ত্রের মহড়া দিতে শুরু করে। পাশাপাশি সমান্তরাল চালিয়ে যাচ্ছেন মাদক বাণিজ্য। মাঝেমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই সন্ত্রাসীকে আটক করলেও কিছুদিন পরেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের পূর্বের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। শুক্রবার গভীর রাতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে শহরের পোর্টরোড এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ত্রাস তৈরি করেন। তাদের অস্ত্রের ঝনঝনানিতে গভীর রাতে পোর্টরোড এবং এর আশপাশ এলাকায় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এনায়েত হাওলাদারের ছেলে আকাশ ওরফে কালা মাসুদ ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত ২৬টি মামলা বরিশালের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট করা ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বদৌলতে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশাল শহরের এই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শুক্রবার রাতে লঞ্চঘাট এলাকায় প্রকাশ্য অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, পোর্টরোডে মাদক বিক্রি এবং আধিপত্য বিস্তারের জেরে কালা মাসুদ শুক্রবার গভীর রাতে সংঘাতে লিপ্ত হয়। এনিয়ে দুই গ্রুপের লোকজন অস্ত্রসহ রাতভর মহড়া দিতে থাকে এবং একপর্যায়ে কালা মাসুদের নেতৃত্বে মহশিন মার্কেটসংলগ্ন আবাসিক হোটেলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করাসহ প্রতিপক্ষের লোককে মারধর করে। এই সংঘাতের ঘটনায় আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ঘটনাস্থলের পাশেই রয়েছে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি এবং আনুমানিক পৌনে এক কিলোমিটার দূরত্বে কোতয়ালি থানা। পুলিশ প্রশাসনের নাগালে থেকে অশস্ত্র সন্ত্রাস তৈরি করার বিষয়টি খোদ স্থানীয় বাসিন্দাদের হতবাক করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটেছে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
ফোন করে শুক্রবার রাতের ঘটনা জানতে চাইলে সন্ত্রাসী কালা মাসুদ দম্ভোক্তি করে বলেন, পুলিশ করার টাইম নাই! আপনি ফোন করছেন কেনো, আপনার বিষয়টিও দেখতে হবে, আমি ‘দাও মাসুদ, সিটি কিং! সুতরাং এই যুবক যে কোন মাপের সন্ত্রাস তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অবশ্য এই নয়া সন্ত্রাস সম্পর্কে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনও অবগত এবং তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বলেন, শুক্রবার রাতে ঘটনাটি শোনার পরে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এরআগেই সন্ত্রাসী মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে পালিয়ে যায়। বরিশাল শহরে সন্ত্রাসের কোনো স্থান হবে না, তাকে যে কোনো মূল্যে আইনের আওতায় আসতে হবে। তাছাড়া এই যুবকের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও নির্দেশনা রয়েছে, জানান এসআই নাসিম।
শুক্রবার রাতে কালা মাসুদের সশস্ত্র সন্ত্রাসের কাহিনী শুনে অবাক হয়েছে খোদ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ধরনের সন্ত্রাস বা সন্ত্রসীদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু সে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী এবং নতুন করে সন্ত্রাস করেছে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আসতে হবে। মাঠপুলিশকে সেই রকমেরই নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান কমিশনার।
সন্ত্রাসী মাসুদের কার্যকলাপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও যে রীতিমত ওষ্ঠাগত তা শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যেই অনুমান করা যায়। সেক্ষেত্রে এই ধারনা বদ্ধমূল হয় যে, সন্ত্রাসী আকাশ ওরফে কালা মাসুদকে খুব শিগগিরই পাকড়াও করতে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শেষ পর্যন্ত এই সন্ত্রাসীকে পুলিশ প্রশাসন আটকে রাখতে ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।’
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:১৭
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৯
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৭
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮