
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০৩
ত্রিশোর্ধ্ব যুবকের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ২৬ টি মামলা বিচারাধীন।
বরিশাল নগরীতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ নামের এক ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীর উত্থান ঘটেছে। খুন-মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবক রাত গভীর হলেই সাঙ্গপাঙ্গদের সাথে নিয়ে কোতয়ালি থানাধীন পোর্টরোড টু লঞ্চঘাট, এমনকি আশপাশ এলাকাসমূহে অস্ত্রের মহড়া দিতে শুরু করে। পাশাপাশি সমান্তরাল চালিয়ে যাচ্ছেন মাদক বাণিজ্য। মাঝেমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই সন্ত্রাসীকে আটক করলেও কিছুদিন পরেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের পূর্বের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। শুক্রবার গভীর রাতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে শহরের পোর্টরোড এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ত্রাস তৈরি করেন। তাদের অস্ত্রের ঝনঝনানিতে গভীর রাতে পোর্টরোড এবং এর আশপাশ এলাকায় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এনায়েত হাওলাদারের ছেলে আকাশ ওরফে কালা মাসুদ ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত ২৬টি মামলা বরিশালের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট করা ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বদৌলতে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশাল শহরের এই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শুক্রবার রাতে লঞ্চঘাট এলাকায় প্রকাশ্য অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, পোর্টরোডে মাদক বিক্রি এবং আধিপত্য বিস্তারের জেরে কালা মাসুদ শুক্রবার গভীর রাতে সংঘাতে লিপ্ত হয়। এনিয়ে দুই গ্রুপের লোকজন অস্ত্রসহ রাতভর মহড়া দিতে থাকে এবং একপর্যায়ে কালা মাসুদের নেতৃত্বে মহশিন মার্কেটসংলগ্ন আবাসিক হোটেলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করাসহ প্রতিপক্ষের লোককে মারধর করে। এই সংঘাতের ঘটনায় আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ঘটনাস্থলের পাশেই রয়েছে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি এবং আনুমানিক পৌনে এক কিলোমিটার দূরত্বে কোতয়ালি থানা। পুলিশ প্রশাসনের নাগালে থেকে অশস্ত্র সন্ত্রাস তৈরি করার বিষয়টি খোদ স্থানীয় বাসিন্দাদের হতবাক করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটেছে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
ফোন করে শুক্রবার রাতের ঘটনা জানতে চাইলে সন্ত্রাসী কালা মাসুদ দম্ভোক্তি করে বলেন, পুলিশ করার টাইম নাই! আপনি ফোন করছেন কেনো, আপনার বিষয়টিও দেখতে হবে, আমি ‘দাও মাসুদ, সিটি কিং! সুতরাং এই যুবক যে কোন মাপের সন্ত্রাস তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অবশ্য এই নয়া সন্ত্রাস সম্পর্কে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনও অবগত এবং তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বলেন, শুক্রবার রাতে ঘটনাটি শোনার পরে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এরআগেই সন্ত্রাসী মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে পালিয়ে যায়। বরিশাল শহরে সন্ত্রাসের কোনো স্থান হবে না, তাকে যে কোনো মূল্যে আইনের আওতায় আসতে হবে। তাছাড়া এই যুবকের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও নির্দেশনা রয়েছে, জানান এসআই নাসিম।
শুক্রবার রাতে কালা মাসুদের সশস্ত্র সন্ত্রাসের কাহিনী শুনে অবাক হয়েছে খোদ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ধরনের সন্ত্রাস বা সন্ত্রসীদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু সে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী এবং নতুন করে সন্ত্রাস করেছে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আসতে হবে। মাঠপুলিশকে সেই রকমেরই নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান কমিশনার।
সন্ত্রাসী মাসুদের কার্যকলাপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও যে রীতিমত ওষ্ঠাগত তা শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যেই অনুমান করা যায়। সেক্ষেত্রে এই ধারনা বদ্ধমূল হয় যে, সন্ত্রাসী আকাশ ওরফে কালা মাসুদকে খুব শিগগিরই পাকড়াও করতে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শেষ পর্যন্ত এই সন্ত্রাসীকে পুলিশ প্রশাসন আটকে রাখতে ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।’
ত্রিশোর্ধ্ব যুবকের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ২৬ টি মামলা বিচারাধীন।
বরিশাল নগরীতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ নামের এক ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীর উত্থান ঘটেছে। খুন-মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবক রাত গভীর হলেই সাঙ্গপাঙ্গদের সাথে নিয়ে কোতয়ালি থানাধীন পোর্টরোড টু লঞ্চঘাট, এমনকি আশপাশ এলাকাসমূহে অস্ত্রের মহড়া দিতে শুরু করে। পাশাপাশি সমান্তরাল চালিয়ে যাচ্ছেন মাদক বাণিজ্য। মাঝেমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই সন্ত্রাসীকে আটক করলেও কিছুদিন পরেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের পূর্বের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। শুক্রবার গভীর রাতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে শহরের পোর্টরোড এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ত্রাস তৈরি করেন। তাদের অস্ত্রের ঝনঝনানিতে গভীর রাতে পোর্টরোড এবং এর আশপাশ এলাকায় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এনায়েত হাওলাদারের ছেলে আকাশ ওরফে কালা মাসুদ ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত ২৬টি মামলা বরিশালের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট করা ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বদৌলতে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশাল শহরের এই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শুক্রবার রাতে লঞ্চঘাট এলাকায় প্রকাশ্য অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, পোর্টরোডে মাদক বিক্রি এবং আধিপত্য বিস্তারের জেরে কালা মাসুদ শুক্রবার গভীর রাতে সংঘাতে লিপ্ত হয়। এনিয়ে দুই গ্রুপের লোকজন অস্ত্রসহ রাতভর মহড়া দিতে থাকে এবং একপর্যায়ে কালা মাসুদের নেতৃত্বে মহশিন মার্কেটসংলগ্ন আবাসিক হোটেলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করাসহ প্রতিপক্ষের লোককে মারধর করে। এই সংঘাতের ঘটনায় আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ঘটনাস্থলের পাশেই রয়েছে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি এবং আনুমানিক পৌনে এক কিলোমিটার দূরত্বে কোতয়ালি থানা। পুলিশ প্রশাসনের নাগালে থেকে অশস্ত্র সন্ত্রাস তৈরি করার বিষয়টি খোদ স্থানীয় বাসিন্দাদের হতবাক করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটেছে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
ফোন করে শুক্রবার রাতের ঘটনা জানতে চাইলে সন্ত্রাসী কালা মাসুদ দম্ভোক্তি করে বলেন, পুলিশ করার টাইম নাই! আপনি ফোন করছেন কেনো, আপনার বিষয়টিও দেখতে হবে, আমি ‘দাও মাসুদ, সিটি কিং! সুতরাং এই যুবক যে কোন মাপের সন্ত্রাস তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অবশ্য এই নয়া সন্ত্রাস সম্পর্কে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনও অবগত এবং তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বলেন, শুক্রবার রাতে ঘটনাটি শোনার পরে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এরআগেই সন্ত্রাসী মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে পালিয়ে যায়। বরিশাল শহরে সন্ত্রাসের কোনো স্থান হবে না, তাকে যে কোনো মূল্যে আইনের আওতায় আসতে হবে। তাছাড়া এই যুবকের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও নির্দেশনা রয়েছে, জানান এসআই নাসিম।
শুক্রবার রাতে কালা মাসুদের সশস্ত্র সন্ত্রাসের কাহিনী শুনে অবাক হয়েছে খোদ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ধরনের সন্ত্রাস বা সন্ত্রসীদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু সে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী এবং নতুন করে সন্ত্রাস করেছে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আসতে হবে। মাঠপুলিশকে সেই রকমেরই নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান কমিশনার।
সন্ত্রাসী মাসুদের কার্যকলাপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও যে রীতিমত ওষ্ঠাগত তা শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যেই অনুমান করা যায়। সেক্ষেত্রে এই ধারনা বদ্ধমূল হয় যে, সন্ত্রাসী আকাশ ওরফে কালা মাসুদকে খুব শিগগিরই পাকড়াও করতে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শেষ পর্যন্ত এই সন্ত্রাসীকে পুলিশ প্রশাসন আটকে রাখতে ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.