
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ০২:২৫
অবৈধ পদোন্নতির খেসারত হিসাবে প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি)। বিষয়টি ধরা পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ করা হলেও বাতিল হয়নি পদোন্নতি। বরং আইনি ব্যবস্থায় গিয়ে এ পদোন্নতিকে বৈধ করার পরিকল্পনা করছে তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে অভিযোগ, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রথম দফার পদোন্নতি নিয়ে ইউজিসির নিরীক্ষা আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি যথাযথভাবে সমাধান না করে পুনরায় ২০২৪ সালের ৩০ জুন নতুন করে আরও ১৮ জনকে সেকশন অফিসার পদে অবৈধ পদোন্নতি দেওয়া হয়। ফলে দুই দফার পদোন্নতি কার্যক্রমে অর্গানোগ্রামে পদ না থাকা সত্ত্বেও ৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ সময় অবৈধ পদোন্নতি পান-সহকারী পরিচালক (লাইব্রেরি) একজন, সহকারী রেজিস্ট্রার (ডিন অফিস) পাঁচজন, সহকারী রেজিস্ট্রার (পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিস) একজন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে ৪৫ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে একজন। এছাড়া কুকার পদে (রেজিস্ট্রার কার্যালয়) পাঁচজনকে অবৈধ পদোন্নতি দেওয়া হয়। এরপর ২০২৪ সালের ১৯ ও ২০ নভেম্বর ইউজিসির বাজেট পর্যবেক্ষণ দল এ পদোন্নতির আপত্তি জানায়। তখন পর্যবেক্ষণ দল আপত্তি শেষে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদিত অর্গানোগ্রামে পদ না থাকা সত্ত্বে এসব পদে নিয়োগ/পর্যায়োন্নয়ন প্রদান ও বেতন-ভাতা পরিশোধ করায় নিয়মের ব্যত্যয় ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া উল্লেখ করা হয়-অর্গানোগ্রামবহির্ভূত ও কমিশনের প্রশাসনিক এবং আর্থিক অনুমোদনবিহীন পদে নিয়োগ/পর্যায়োন্নয়ন প্রদান করার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয় ববিকে। পাশাপাশি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের সংশোধিত এবং ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের মূল বাজেটে এ ৬০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা বরাদ্দ ধরা হয়নি বলে লিখিতভাবে জানায় ইউজিসির পর্যবেক্ষণ দল। যা টাকার অঙ্কে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এরপরও তারা অবৈধ পদোন্নতির বেতন-ভাতা গ্রহণ করছে। তাদের এ অবৈধ পদোন্নতি ধরে রাখতে আইনি পদক্ষেপের কথাও ভাবছেন সুবিধাভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ দুই দফার পদোন্নতি কার্যক্রমে যুক্ত থাকা ববির দুই উপাচার্য দায়িত্ব পালনকালে প্রায় একই সুরে বলেছিলেন শতভাগ নীতিমালা মেলে দীর্ঘদিন আটকে থাকা পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিক সংশ্লিষ্ট সূত্রে অভিযোগ, উপাচার্যদের চাপে ফেলে এ ৬০ জন তাদের অবৈধ পদোন্নতি বাগিয়ে নিয়েছেন। এই চাপ প্রয়োগের কার্যক্রম বর্তমানেও চলমান রয়েছে বলে দাবি করেছে ববি সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি।
এ বিষয়ে জানতে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের একজন আল আমিনকে ফোন করা হলে তিনি ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলাপ করার কথা বলে ফোন কেটে দেন। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পদোন্নতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি বলেছেন, পুরোনো অর্গানোগ্রামের কারণে বছরের পর বছর তাদের পদোন্নতিতে এত জটিলতা হচ্ছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে অর্গানোগ্রাম পরিবর্তনের দাবি জানান তারা।
ববির উপপরিচালক (অর্থ ও হিসাব) এএসএম ইকবাল মিঞা বলেন, তাদের নিয়মিত বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।
ববির প্রক্টর ড. রাহাত ফয়সাল বলেন, আমি নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। তাই বিস্তারিত বলতে পারছি না।
ববি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে একাধিকবার তার মোবাইল ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে জানতে ইউজিসি অর্থ, হিসাব ও বাজেট বিভাগের পরিচালক রেজাউল করিম হাওলাদারের মোবাইল ফোনে কল দিলে তাকে পাওয়া যায়নি।
অবৈধ পদোন্নতির খেসারত হিসাবে প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি)। বিষয়টি ধরা পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ করা হলেও বাতিল হয়নি পদোন্নতি। বরং আইনি ব্যবস্থায় গিয়ে এ পদোন্নতিকে বৈধ করার পরিকল্পনা করছে তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে অভিযোগ, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রথম দফার পদোন্নতি নিয়ে ইউজিসির নিরীক্ষা আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি যথাযথভাবে সমাধান না করে পুনরায় ২০২৪ সালের ৩০ জুন নতুন করে আরও ১৮ জনকে সেকশন অফিসার পদে অবৈধ পদোন্নতি দেওয়া হয়। ফলে দুই দফার পদোন্নতি কার্যক্রমে অর্গানোগ্রামে পদ না থাকা সত্ত্বেও ৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ সময় অবৈধ পদোন্নতি পান-সহকারী পরিচালক (লাইব্রেরি) একজন, সহকারী রেজিস্ট্রার (ডিন অফিস) পাঁচজন, সহকারী রেজিস্ট্রার (পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিস) একজন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে ৪৫ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে একজন। এছাড়া কুকার পদে (রেজিস্ট্রার কার্যালয়) পাঁচজনকে অবৈধ পদোন্নতি দেওয়া হয়। এরপর ২০২৪ সালের ১৯ ও ২০ নভেম্বর ইউজিসির বাজেট পর্যবেক্ষণ দল এ পদোন্নতির আপত্তি জানায়। তখন পর্যবেক্ষণ দল আপত্তি শেষে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদিত অর্গানোগ্রামে পদ না থাকা সত্ত্বে এসব পদে নিয়োগ/পর্যায়োন্নয়ন প্রদান ও বেতন-ভাতা পরিশোধ করায় নিয়মের ব্যত্যয় ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া উল্লেখ করা হয়-অর্গানোগ্রামবহির্ভূত ও কমিশনের প্রশাসনিক এবং আর্থিক অনুমোদনবিহীন পদে নিয়োগ/পর্যায়োন্নয়ন প্রদান করার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয় ববিকে। পাশাপাশি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের সংশোধিত এবং ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের মূল বাজেটে এ ৬০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা বরাদ্দ ধরা হয়নি বলে লিখিতভাবে জানায় ইউজিসির পর্যবেক্ষণ দল। যা টাকার অঙ্কে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এরপরও তারা অবৈধ পদোন্নতির বেতন-ভাতা গ্রহণ করছে। তাদের এ অবৈধ পদোন্নতি ধরে রাখতে আইনি পদক্ষেপের কথাও ভাবছেন সুবিধাভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ দুই দফার পদোন্নতি কার্যক্রমে যুক্ত থাকা ববির দুই উপাচার্য দায়িত্ব পালনকালে প্রায় একই সুরে বলেছিলেন শতভাগ নীতিমালা মেলে দীর্ঘদিন আটকে থাকা পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিক সংশ্লিষ্ট সূত্রে অভিযোগ, উপাচার্যদের চাপে ফেলে এ ৬০ জন তাদের অবৈধ পদোন্নতি বাগিয়ে নিয়েছেন। এই চাপ প্রয়োগের কার্যক্রম বর্তমানেও চলমান রয়েছে বলে দাবি করেছে ববি সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি।
এ বিষয়ে জানতে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের একজন আল আমিনকে ফোন করা হলে তিনি ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলাপ করার কথা বলে ফোন কেটে দেন। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পদোন্নতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি বলেছেন, পুরোনো অর্গানোগ্রামের কারণে বছরের পর বছর তাদের পদোন্নতিতে এত জটিলতা হচ্ছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে অর্গানোগ্রাম পরিবর্তনের দাবি জানান তারা।
ববির উপপরিচালক (অর্থ ও হিসাব) এএসএম ইকবাল মিঞা বলেন, তাদের নিয়মিত বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।
ববির প্রক্টর ড. রাহাত ফয়সাল বলেন, আমি নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। তাই বিস্তারিত বলতে পারছি না।
ববি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে একাধিকবার তার মোবাইল ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে জানতে ইউজিসি অর্থ, হিসাব ও বাজেট বিভাগের পরিচালক রেজাউল করিম হাওলাদারের মোবাইল ফোনে কল দিলে তাকে পাওয়া যায়নি।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৫
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাবু লাল বিশ্বাস (৪০) নামের এক আইসক্রিম বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে মহাসড়কের আশোকাঠী সারমিন ক্লিনিকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবু লাল বিশ্বাস বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জামবাড়ি এলাকার সুকান্ত বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন এবং ভ্যানযোগে গৌরনদীতে আইসক্রিম বিক্রি করতে এসেছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাবু লাল তাঁর ভ্যান নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাসের সঙ্গে ভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘাতক বাস ও দুর্ঘটনাকবলিত ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাবু লাল বিশ্বাস (৪০) নামের এক আইসক্রিম বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে মহাসড়কের আশোকাঠী সারমিন ক্লিনিকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবু লাল বিশ্বাস বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জামবাড়ি এলাকার সুকান্ত বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন এবং ভ্যানযোগে গৌরনদীতে আইসক্রিম বিক্রি করতে এসেছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাবু লাল তাঁর ভ্যান নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাসের সঙ্গে ভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘাতক বাস ও দুর্ঘটনাকবলিত ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
১৩ জুন, ২০২৬ ১৬:২০
১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৮
১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:২৫