Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৫
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) সাধারণ ভোটারদের মতামত সংগ্রহ করেছিল তদন্ত কমিশন। সর্বসাধারণের মতামত নিতে তদন্ত কমিশন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রশ্নমালার মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ করে।
সম্প্রতি এই তিনটি নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিশন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করে। হাইকোর্টের সাবেক বিচারক শামীম হাসনাইনকে কমিশন প্রধান করে গঠিত হয় কমিটি। ওই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে জনমত জরিপের গুরুত্বপূর্ণ সমন্বিত ফলাফলও প্রকাশ করা হয়।
এতে দেখা যায়, বিগত তিন নির্বাচনে ৮০ শতাংশের বেশি ভোটার ভোট দেননি। এক্ষেত্রে তারা তৎকালীন প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থাহীনতাকে দায়ী করেন। পাশাপাশি জরিপে অংশ নেওয়া অর্ধেকের বেশি ভোটার জানান, তাদের ভোট অন্য কেউ দিয়ে দেন। অর্থাৎ তারা বুথে যাওয়ার আগেই তাদের ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছিলেন।
২০১৪ নির্বাচনের জরিপ ফলাফল
২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট প্রদান করেছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে শতকরা ৮১ দশমিক ৮২ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী- এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ ২৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৮৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ জানিয়েছেস একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। ওই নির্বাচনে তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপনার অভিমত কী? এমন প্রশ্নের জবাবে ৮৭ দশমিক ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও হতাশার কথা জানিয়েছেন ভোটাররা। ৮৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ জানিয়েছেন তখন প্রশাসন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
প্রশ্ন ছিল ২০১৪ সালের নির্বাচনে ভোট প্রদানের সমস্যা নিয়েও। এ সংক্রান্ত প্রশ্নে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটার জানিয়েছেন ভোট দানের পরিবেশ সহিংসতা ও সংঘাতপূর্ণ ছিল। এছাড়া ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন অনেকে।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট দিয়েছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে ৮৪ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী? এ সংক্রান্ত একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ সংখ্যক ৪৫ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচিত ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯০ দশমিক ১৪ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ৯৩ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না। সেসময় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও ৯০ দশমিক ১৪ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
বিগত ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে ৯৩ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম দূর করার জন্য কী কী করা প্রয়োজন বলে মনে করেন? এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তরে ৭১ দশমিক ৯৫ শতাংশ বলেছেন নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে হবে। এছাড়া নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে বলে অনেকে জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট দিয়েছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে ৮৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী? এ সংক্রান্ত একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ সংখ্যক ৫৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ৩০ দশমিক ১৬ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচিত ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপনার অভিমত কী? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম দূর করার জন্য কী কী প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন? এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তরে সর্বোচ্চ প্রশাসনে নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকরণ ও নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করার কথা বলেছেন।
এছাড়া ভোটকেন্দ্রে যাওয়া-আসা ও কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনা, নির্বাচনি আইনের সংস্কার, প্রতিটি নির্বাচনি অনিয়মের সঠিক তদন্ত ও বিচার যথাসময়ে করা, ঐকমত্যের ভিত্তিতে যোগ্যতা সম্পন্ন নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কোনো প্রার্থী যাতে নির্বাচিত না হতে পারে সে ব্যবস্থা করা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার কথা অনেকে বলেছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) সাধারণ ভোটারদের মতামত সংগ্রহ করেছিল তদন্ত কমিশন। সর্বসাধারণের মতামত নিতে তদন্ত কমিশন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রশ্নমালার মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ করে।
সম্প্রতি এই তিনটি নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিশন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করে। হাইকোর্টের সাবেক বিচারক শামীম হাসনাইনকে কমিশন প্রধান করে গঠিত হয় কমিটি। ওই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে জনমত জরিপের গুরুত্বপূর্ণ সমন্বিত ফলাফলও প্রকাশ করা হয়।
এতে দেখা যায়, বিগত তিন নির্বাচনে ৮০ শতাংশের বেশি ভোটার ভোট দেননি। এক্ষেত্রে তারা তৎকালীন প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থাহীনতাকে দায়ী করেন। পাশাপাশি জরিপে অংশ নেওয়া অর্ধেকের বেশি ভোটার জানান, তাদের ভোট অন্য কেউ দিয়ে দেন। অর্থাৎ তারা বুথে যাওয়ার আগেই তাদের ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছিলেন।
২০১৪ নির্বাচনের জরিপ ফলাফল
২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট প্রদান করেছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে শতকরা ৮১ দশমিক ৮২ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী- এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ ২৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৮৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ জানিয়েছেস একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। ওই নির্বাচনে তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপনার অভিমত কী? এমন প্রশ্নের জবাবে ৮৭ দশমিক ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও হতাশার কথা জানিয়েছেন ভোটাররা। ৮৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ জানিয়েছেন তখন প্রশাসন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
প্রশ্ন ছিল ২০১৪ সালের নির্বাচনে ভোট প্রদানের সমস্যা নিয়েও। এ সংক্রান্ত প্রশ্নে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটার জানিয়েছেন ভোট দানের পরিবেশ সহিংসতা ও সংঘাতপূর্ণ ছিল। এছাড়া ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন অনেকে।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট দিয়েছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে ৮৪ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী? এ সংক্রান্ত একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ সংখ্যক ৪৫ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচিত ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯০ দশমিক ১৪ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ৯৩ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না। সেসময় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও ৯০ দশমিক ১৪ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
বিগত ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে ৯৩ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম দূর করার জন্য কী কী করা প্রয়োজন বলে মনে করেন? এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তরে ৭১ দশমিক ৯৫ শতাংশ বলেছেন নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে হবে। এছাড়া নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে বলে অনেকে জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট দিয়েছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে ৮৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী? এ সংক্রান্ত একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ সংখ্যক ৫৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ৩০ দশমিক ১৬ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচিত ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপনার অভিমত কী? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম দূর করার জন্য কী কী প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন? এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তরে সর্বোচ্চ প্রশাসনে নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকরণ ও নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করার কথা বলেছেন।
এছাড়া ভোটকেন্দ্রে যাওয়া-আসা ও কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনা, নির্বাচনি আইনের সংস্কার, প্রতিটি নির্বাচনি অনিয়মের সঠিক তদন্ত ও বিচার যথাসময়ে করা, ঐকমত্যের ভিত্তিতে যোগ্যতা সম্পন্ন নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কোনো প্রার্থী যাতে নির্বাচিত না হতে পারে সে ব্যবস্থা করা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার কথা অনেকে বলেছেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (সদর–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনে সভাপতি জানান, ডেপুটি স্পিকার পদে একমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন কায়সার কামাল। তিনি বর্তমানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্যে সভাপতিত্বের জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটির প্রতি সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তাহের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে। এর মধ্যে বিএনপি একাই পেয়েছে ২০৯টি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭৬টি আসন, যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একাই পেয়েছে ৬৮টি আসন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার গঠনের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১২
পবিত্র রমজান মাসে টানা ১২ দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮টি আরব ও মুসলিম দেশ। দেশগুলো হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাত।
বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও উপাসনালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ও অযৌক্তিক। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং মুসল্লিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
দেশগুলো আরও বলেছে, দখলকৃত জেরুজালেম বা সেখানে অবস্থিত ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। আল-আকসা মসজিদের পুরো এলাকা কেবল মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত বলেও তারা উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আল-আকসা মসজিদের দেখভাল ও প্রশাসনের আইনগত দায়িত্ব জর্ডানের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জেরুজালেম ওয়াকফ বিভাগের।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলকে অবিলম্বে আল-আকসা মসজিদের ফটক খুলে দিতে, জেরুজালেমের পুরোনো শহরে প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে এবং মুসল্লিদের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চলমান লঙ্ঘন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থা হিসেবে এসব সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একইভাবে হামাসও আল-আকসা বন্ধ রাখাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপজ্জনক নজির বলে আখ্যা দিয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (সদর–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনে সভাপতি জানান, ডেপুটি স্পিকার পদে একমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন কায়সার কামাল। তিনি বর্তমানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্যে সভাপতিত্বের জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটির প্রতি সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তাহের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে। এর মধ্যে বিএনপি একাই পেয়েছে ২০৯টি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭৬টি আসন, যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একাই পেয়েছে ৬৮টি আসন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার গঠনের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
পবিত্র রমজান মাসে টানা ১২ দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮টি আরব ও মুসলিম দেশ। দেশগুলো হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাত।
বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও উপাসনালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ও অযৌক্তিক। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং মুসল্লিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
দেশগুলো আরও বলেছে, দখলকৃত জেরুজালেম বা সেখানে অবস্থিত ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। আল-আকসা মসজিদের পুরো এলাকা কেবল মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত বলেও তারা উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আল-আকসা মসজিদের দেখভাল ও প্রশাসনের আইনগত দায়িত্ব জর্ডানের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জেরুজালেম ওয়াকফ বিভাগের।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলকে অবিলম্বে আল-আকসা মসজিদের ফটক খুলে দিতে, জেরুজালেমের পুরোনো শহরে প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে এবং মুসল্লিদের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চলমান লঙ্ঘন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থা হিসেবে এসব সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একইভাবে হামাসও আল-আকসা বন্ধ রাখাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপজ্জনক নজির বলে আখ্যা দিয়েছে।
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১