
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:০৯
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে অপমানবোধ করছেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিজের পদ থেকে সরে যেতে চান।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ ইচ্ছার কথা জানান। হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থাকবেন। কারণ, সংবিধান তাকে এই অবস্থানে থাকার বাধ্যবাধকতা দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি যেতে আগ্রহী। আমি পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চাই। তবে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করব।’
বার্তা সংস্থার কাছে সাহাবুদ্দিন ড. ইউনূসকে নিয়ে অভিযোগ করে বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান গত সাত মাসে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। এমনকি সেপ্টেম্বরে দেশের দূতাবাস ও মিশনগুলো থেকে তার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’
রাষ্ট্রপতির ছবি সব দূতাবাস, কনস্যুলেট ও হাইকমিশন থেকে এক রাতে হঠাৎ সরিয়ে ফেলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাহাবুদ্দিন বলেন, এতে ভুল বার্তা গিয়েছিল সবার কাছে, যেন রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। এতে তিনি খুব অপমানিত বোধ করেছেন বলে ওই সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করা হয়।
সাহাবুদ্দিন জানান, তিনি এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে চিঠি লেখেন। তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
৭৬ বছর বয়সি সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এরপর পাঁচ বছরের মেয়াদের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, যদিও দেশের কার্যনির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে অপমানবোধ করছেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিজের পদ থেকে সরে যেতে চান।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ ইচ্ছার কথা জানান। হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থাকবেন। কারণ, সংবিধান তাকে এই অবস্থানে থাকার বাধ্যবাধকতা দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি যেতে আগ্রহী। আমি পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চাই। তবে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করব।’
বার্তা সংস্থার কাছে সাহাবুদ্দিন ড. ইউনূসকে নিয়ে অভিযোগ করে বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান গত সাত মাসে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। এমনকি সেপ্টেম্বরে দেশের দূতাবাস ও মিশনগুলো থেকে তার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’
রাষ্ট্রপতির ছবি সব দূতাবাস, কনস্যুলেট ও হাইকমিশন থেকে এক রাতে হঠাৎ সরিয়ে ফেলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাহাবুদ্দিন বলেন, এতে ভুল বার্তা গিয়েছিল সবার কাছে, যেন রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। এতে তিনি খুব অপমানিত বোধ করেছেন বলে ওই সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করা হয়।
সাহাবুদ্দিন জানান, তিনি এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে চিঠি লেখেন। তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
৭৬ বছর বয়সি সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এরপর পাঁচ বছরের মেয়াদের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, যদিও দেশের কার্যনির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য।
গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি- বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়স্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকতা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে টানা পাঁচ দিন এবং অন্যদের জন্য চার দিন ছুটি থাকবে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৭
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২১
আদালতের আদেশ অমান্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।
আইনজীবী জানান, গত বছরের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিষয়ে আবেদন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিইসি আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করেননি। এই কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য।
গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি- বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়স্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকতা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে টানা পাঁচ দিন এবং অন্যদের জন্য চার দিন ছুটি থাকবে।
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
আদালতের আদেশ অমান্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।
আইনজীবী জানান, গত বছরের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিষয়ে আবেদন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিইসি আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করেননি। এই কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮