
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৭
নেতাকে বরণ করতে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকায় যাচ্ছেন ১০ লক্ষাধিক কর্মী-সমর্থক
দীর্ঘ ১৭ বছর পর নেতা তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বরিশাল বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বর নেতার আগমন উপলক্ষে শীর্ষস্থানীয় নেতারা কদিন ধরে দফায় দফায় বৈঠক করেন। এবং নির্ধারিত দিনের আগেই বরিশাল থেকে অন্তত ৫০টি বিশালাকায় লঞ্চ এবং বিপুলসংখ্যক বাসযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানী ঢাকায় সমাবেত করার উদ্যোগ নিয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং তাকে বরণে ঢাকাযাত্রার আগে বরিশালের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন তাকে এক নজর দেখতে।
রোববার বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছরের প্রবাস জীবন কাটিয়ে অবশেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। এদিন তাকে বরণ করতে বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহ ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী এবং বরগুনা থেকে লঞ্চ ও বাসযোগে কর্মী-সমর্থকেরা রাজধানী ঢাকায় থাকার প্রস্তুতি নিয়েছেন। প্রতিটি জেলা থেকে অন্তত এদিন ২ লক্ষাধিক লোকের ঢাকায় আগমন ঘটবে। কর্মী-সমর্থকেরা নেতাকে এক নজর দেখতে এবং দিনটিকে ঐতিহাসিক করে তুলতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের এই আয়োজনে ত্রয়োদশ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রাপ্ত বিএনপি নেতারা অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চান বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমবেত করে। বরিশালের ৬টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে সমন্বয় করে লঞ্চ এবং বাসযোগে ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১০টার আগে রাজধানীতে প্রবেশের সিদ্ধান্তগ্রহণ করেন।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার জানান, তারেক রহমানকে বরণ করতে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল মহানগরসহ ১০ উপজেলা থেকে অন্তত ২ লক্ষ কর্মী-সমর্থকেরা ঢাকায় থাকবেন। কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুবিধার্থে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল নদীবন্দর থেকে ১৫টি বিশালাকায় লঞ্চ থাকছে, সেখানে রাতে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া একদিন বাদে ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালে নথুল্লাবাদসহ শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ২০০টির বেশি বাস কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে রওনা হবে।
অনুরুপ তথ্য দিয়েছেন বরিশাল জেলা বিএনপি (দক্ষিণ) সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীন জানান, ২৫ ডিসেম্বর নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বরিশালের ৬ টি জেলা থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ রাজধানীতে যাবেন। তাদের জন্য জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সবশেষ রোববার বিকেলে বরিশাল ক্লাবে বিভাগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয় এবং সেখানে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস ও লঞ্চে সমান্তরাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
রোববারের বৈঠকে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিনও অংশ নিয়েছেন। তিনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বা এক নজর দেখতে কর্মী-সমর্থকেরা উদগ্রীব হয়ে আছেন। এই বিষয়টি নিয়ে রোববার বরিশাল ক্লাবে শীর্ষনেতারা আলোচনা করে পরিবহন সুবিধার্থে লঞ্চ এবং বাসের সংখ্যা বাড়িয়েছেন।
বিএনপি নেত্রী জানান, শুধু জেলা শহর নয়, উপজেলা থেকেও কর্মী-সমর্থক নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে অংশ নিতে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বরিশালের ৬টি জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে কর্মী-সমর্থকদের খাবার ব্যবস্থাও করা হয়।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বরিশাল বিএনপির এই আয়োজনকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেকার চাঙাভাব লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মুখিয়ে আছেন নেতাকে দেখার অপেক্ষায়। বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির এমন খবরই জানিয়েছেন।
বিদগ্ধ ছাত্র নেতৃত্ব জানান, বরিশাল ৫ সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ারের নেতৃত্বে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে লঞ্চযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। এবং পরদিন ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালেও কর্মীদের বাসযোগে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চল বিএনপির অভিভাবক মজিবর রহমান সরোয়ার জানান, রোববার বরিশাল ক্লাবের বৈঠকে তিনিও অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বরিশালের বাইরে থাকায় সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সকলের সাথে আলোচনা হয়েছে, নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে বরিশালের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানীতে প্রবেশের বিষয়ে। সংখ্যাগত দিক থেকে বললে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে অন্তত ১০ লক্ষাধিক মানুষ ঢাকায় অবস্থান করে নেতা তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করবেন।’
নেতাকে বরণ করতে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকায় যাচ্ছেন ১০ লক্ষাধিক কর্মী-সমর্থক
দীর্ঘ ১৭ বছর পর নেতা তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বরিশাল বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বর নেতার আগমন উপলক্ষে শীর্ষস্থানীয় নেতারা কদিন ধরে দফায় দফায় বৈঠক করেন। এবং নির্ধারিত দিনের আগেই বরিশাল থেকে অন্তত ৫০টি বিশালাকায় লঞ্চ এবং বিপুলসংখ্যক বাসযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানী ঢাকায় সমাবেত করার উদ্যোগ নিয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং তাকে বরণে ঢাকাযাত্রার আগে বরিশালের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন তাকে এক নজর দেখতে।
রোববার বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছরের প্রবাস জীবন কাটিয়ে অবশেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। এদিন তাকে বরণ করতে বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহ ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী এবং বরগুনা থেকে লঞ্চ ও বাসযোগে কর্মী-সমর্থকেরা রাজধানী ঢাকায় থাকার প্রস্তুতি নিয়েছেন। প্রতিটি জেলা থেকে অন্তত এদিন ২ লক্ষাধিক লোকের ঢাকায় আগমন ঘটবে। কর্মী-সমর্থকেরা নেতাকে এক নজর দেখতে এবং দিনটিকে ঐতিহাসিক করে তুলতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের এই আয়োজনে ত্রয়োদশ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রাপ্ত বিএনপি নেতারা অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চান বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমবেত করে। বরিশালের ৬টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে সমন্বয় করে লঞ্চ এবং বাসযোগে ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১০টার আগে রাজধানীতে প্রবেশের সিদ্ধান্তগ্রহণ করেন।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার জানান, তারেক রহমানকে বরণ করতে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল মহানগরসহ ১০ উপজেলা থেকে অন্তত ২ লক্ষ কর্মী-সমর্থকেরা ঢাকায় থাকবেন। কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুবিধার্থে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল নদীবন্দর থেকে ১৫টি বিশালাকায় লঞ্চ থাকছে, সেখানে রাতে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া একদিন বাদে ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালে নথুল্লাবাদসহ শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ২০০টির বেশি বাস কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে রওনা হবে।
অনুরুপ তথ্য দিয়েছেন বরিশাল জেলা বিএনপি (দক্ষিণ) সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীন জানান, ২৫ ডিসেম্বর নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বরিশালের ৬ টি জেলা থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ রাজধানীতে যাবেন। তাদের জন্য জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সবশেষ রোববার বিকেলে বরিশাল ক্লাবে বিভাগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয় এবং সেখানে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস ও লঞ্চে সমান্তরাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
রোববারের বৈঠকে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিনও অংশ নিয়েছেন। তিনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বা এক নজর দেখতে কর্মী-সমর্থকেরা উদগ্রীব হয়ে আছেন। এই বিষয়টি নিয়ে রোববার বরিশাল ক্লাবে শীর্ষনেতারা আলোচনা করে পরিবহন সুবিধার্থে লঞ্চ এবং বাসের সংখ্যা বাড়িয়েছেন।
বিএনপি নেত্রী জানান, শুধু জেলা শহর নয়, উপজেলা থেকেও কর্মী-সমর্থক নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে অংশ নিতে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বরিশালের ৬টি জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে কর্মী-সমর্থকদের খাবার ব্যবস্থাও করা হয়।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বরিশাল বিএনপির এই আয়োজনকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেকার চাঙাভাব লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মুখিয়ে আছেন নেতাকে দেখার অপেক্ষায়। বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির এমন খবরই জানিয়েছেন।
বিদগ্ধ ছাত্র নেতৃত্ব জানান, বরিশাল ৫ সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ারের নেতৃত্বে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে লঞ্চযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। এবং পরদিন ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালেও কর্মীদের বাসযোগে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চল বিএনপির অভিভাবক মজিবর রহমান সরোয়ার জানান, রোববার বরিশাল ক্লাবের বৈঠকে তিনিও অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বরিশালের বাইরে থাকায় সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সকলের সাথে আলোচনা হয়েছে, নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে বরিশালের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানীতে প্রবেশের বিষয়ে। সংখ্যাগত দিক থেকে বললে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে অন্তত ১০ লক্ষাধিক মানুষ ঢাকায় অবস্থান করে নেতা তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করবেন।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.