নেতাকে বরণ করতে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকায় যাচ্ছেন ১০ লক্ষাধিক কর্মী-সমর্থক
দীর্ঘ ১৭ বছর পর নেতা তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বরিশাল বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বর নেতার আগমন উপলক্ষে শীর্ষস্থানীয় নেতারা কদিন ধরে দফায় দফায় বৈঠক করেন। এবং নির্ধারিত দিনের আগেই বরিশাল থেকে অন্তত ৫০টি বিশালাকায় লঞ্চ এবং বিপুলসংখ্যক বাসযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানী ঢাকায় সমাবেত করার উদ্যোগ নিয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং তাকে বরণে ঢাকাযাত্রার আগে বরিশালের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন তাকে এক নজর দেখতে।
রোববার বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছরের প্রবাস জীবন কাটিয়ে অবশেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। এদিন তাকে বরণ করতে বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহ ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী এবং বরগুনা থেকে লঞ্চ ও বাসযোগে কর্মী-সমর্থকেরা রাজধানী ঢাকায় থাকার প্রস্তুতি নিয়েছেন। প্রতিটি জেলা থেকে অন্তত এদিন ২ লক্ষাধিক লোকের ঢাকায় আগমন ঘটবে। কর্মী-সমর্থকেরা নেতাকে এক নজর দেখতে এবং দিনটিকে ঐতিহাসিক করে তুলতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের এই আয়োজনে ত্রয়োদশ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রাপ্ত বিএনপি নেতারা অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চান বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমবেত করে। বরিশালের ৬টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে সমন্বয় করে লঞ্চ এবং বাসযোগে ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১০টার আগে রাজধানীতে প্রবেশের সিদ্ধান্তগ্রহণ করেন।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার জানান, তারেক রহমানকে বরণ করতে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল মহানগরসহ ১০ উপজেলা থেকে অন্তত ২ লক্ষ কর্মী-সমর্থকেরা ঢাকায় থাকবেন। কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুবিধার্থে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল নদীবন্দর থেকে ১৫টি বিশালাকায় লঞ্চ থাকছে, সেখানে রাতে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া একদিন বাদে ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালে নথুল্লাবাদসহ শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ২০০টির বেশি বাস কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে রওনা হবে।
অনুরুপ তথ্য দিয়েছেন বরিশাল জেলা বিএনপি (দক্ষিণ) সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীন জানান, ২৫ ডিসেম্বর নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বরিশালের ৬ টি জেলা থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ রাজধানীতে যাবেন। তাদের জন্য জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সবশেষ রোববার বিকেলে বরিশাল ক্লাবে বিভাগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয় এবং সেখানে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস ও লঞ্চে সমান্তরাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
রোববারের বৈঠকে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিনও অংশ নিয়েছেন। তিনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বা এক নজর দেখতে কর্মী-সমর্থকেরা উদগ্রীব হয়ে আছেন। এই বিষয়টি নিয়ে রোববার বরিশাল ক্লাবে শীর্ষনেতারা আলোচনা করে পরিবহন সুবিধার্থে লঞ্চ এবং বাসের সংখ্যা বাড়িয়েছেন।
বিএনপি নেত্রী জানান, শুধু জেলা শহর নয়, উপজেলা থেকেও কর্মী-সমর্থক নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে অংশ নিতে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বরিশালের ৬টি জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে কর্মী-সমর্থকদের খাবার ব্যবস্থাও করা হয়।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বরিশাল বিএনপির এই আয়োজনকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেকার চাঙাভাব লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মুখিয়ে আছেন নেতাকে দেখার অপেক্ষায়। বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির এমন খবরই জানিয়েছেন।
বিদগ্ধ ছাত্র নেতৃত্ব জানান, বরিশাল ৫ সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ারের নেতৃত্বে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে লঞ্চযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। এবং পরদিন ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালেও কর্মীদের বাসযোগে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চল বিএনপির অভিভাবক মজিবর রহমান সরোয়ার জানান, রোববার বরিশাল ক্লাবের বৈঠকে তিনিও অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বরিশালের বাইরে থাকায় সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সকলের সাথে আলোচনা হয়েছে, নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে বরিশালের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানীতে প্রবেশের বিষয়ে। সংখ্যাগত দিক থেকে বললে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে অন্তত ১০ লক্ষাধিক মানুষ ঢাকায় অবস্থান করে নেতা তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করবেন।’

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:২২
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১ নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয় বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১ নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয় বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৬
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৭
নেতাকে বরণ করতে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকায় যাচ্ছেন ১০ লক্ষাধিক কর্মী-সমর্থক
দীর্ঘ ১৭ বছর পর নেতা তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বরিশাল বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বর নেতার আগমন উপলক্ষে শীর্ষস্থানীয় নেতারা কদিন ধরে দফায় দফায় বৈঠক করেন। এবং নির্ধারিত দিনের আগেই বরিশাল থেকে অন্তত ৫০টি বিশালাকায় লঞ্চ এবং বিপুলসংখ্যক বাসযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানী ঢাকায় সমাবেত করার উদ্যোগ নিয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং তাকে বরণে ঢাকাযাত্রার আগে বরিশালের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন তাকে এক নজর দেখতে।
রোববার বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছরের প্রবাস জীবন কাটিয়ে অবশেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। এদিন তাকে বরণ করতে বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহ ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী এবং বরগুনা থেকে লঞ্চ ও বাসযোগে কর্মী-সমর্থকেরা রাজধানী ঢাকায় থাকার প্রস্তুতি নিয়েছেন। প্রতিটি জেলা থেকে অন্তত এদিন ২ লক্ষাধিক লোকের ঢাকায় আগমন ঘটবে। কর্মী-সমর্থকেরা নেতাকে এক নজর দেখতে এবং দিনটিকে ঐতিহাসিক করে তুলতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের এই আয়োজনে ত্রয়োদশ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রাপ্ত বিএনপি নেতারা অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চান বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমবেত করে। বরিশালের ৬টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে সমন্বয় করে লঞ্চ এবং বাসযোগে ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১০টার আগে রাজধানীতে প্রবেশের সিদ্ধান্তগ্রহণ করেন।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার জানান, তারেক রহমানকে বরণ করতে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল মহানগরসহ ১০ উপজেলা থেকে অন্তত ২ লক্ষ কর্মী-সমর্থকেরা ঢাকায় থাকবেন। কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুবিধার্থে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল নদীবন্দর থেকে ১৫টি বিশালাকায় লঞ্চ থাকছে, সেখানে রাতে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া একদিন বাদে ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালে নথুল্লাবাদসহ শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ২০০টির বেশি বাস কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে রওনা হবে।
অনুরুপ তথ্য দিয়েছেন বরিশাল জেলা বিএনপি (দক্ষিণ) সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীন জানান, ২৫ ডিসেম্বর নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বরিশালের ৬ টি জেলা থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ রাজধানীতে যাবেন। তাদের জন্য জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সবশেষ রোববার বিকেলে বরিশাল ক্লাবে বিভাগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয় এবং সেখানে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস ও লঞ্চে সমান্তরাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
রোববারের বৈঠকে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিনও অংশ নিয়েছেন। তিনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বা এক নজর দেখতে কর্মী-সমর্থকেরা উদগ্রীব হয়ে আছেন। এই বিষয়টি নিয়ে রোববার বরিশাল ক্লাবে শীর্ষনেতারা আলোচনা করে পরিবহন সুবিধার্থে লঞ্চ এবং বাসের সংখ্যা বাড়িয়েছেন।
বিএনপি নেত্রী জানান, শুধু জেলা শহর নয়, উপজেলা থেকেও কর্মী-সমর্থক নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে অংশ নিতে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বরিশালের ৬টি জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে কর্মী-সমর্থকদের খাবার ব্যবস্থাও করা হয়।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বরিশাল বিএনপির এই আয়োজনকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেকার চাঙাভাব লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মুখিয়ে আছেন নেতাকে দেখার অপেক্ষায়। বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির এমন খবরই জানিয়েছেন।
বিদগ্ধ ছাত্র নেতৃত্ব জানান, বরিশাল ৫ সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ারের নেতৃত্বে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে লঞ্চযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। এবং পরদিন ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালেও কর্মীদের বাসযোগে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চল বিএনপির অভিভাবক মজিবর রহমান সরোয়ার জানান, রোববার বরিশাল ক্লাবের বৈঠকে তিনিও অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বরিশালের বাইরে থাকায় সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সকলের সাথে আলোচনা হয়েছে, নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে বরিশালের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানীতে প্রবেশের বিষয়ে। সংখ্যাগত দিক থেকে বললে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে অন্তত ১০ লক্ষাধিক মানুষ ঢাকায় অবস্থান করে নেতা তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করবেন।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৫
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২২
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২০
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১২